কলেজ অব হোম ইকোনমিক্সের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ, পদত্যাগ দাবি ছাত্রীদের
রাজধানীর সরকারি কলেজ অব হোম ইকোনমিক্সের অধ্যক্ষ ড. মেহেরুন্নেসার বিরুদ্ধে হলের ফি বৃদ্ধি, অযৌক্তিক জরিমানা আদায়, ছাত্রীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের প্রতিবাদে অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন আবাসিক ছাত্রীরা। দুই ছাত্রীর হলের আসন বাতিল এবং পরে ১২ হাজার ৬০০ টাকা জরিমানা আদায়ের অভিযোগে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ আরও বেড়েছে।
রাজধানীর সরকারি কলেজ অব হোম ইকোনমিক্সের অধ্যক্ষ ড. মেহেরুন্নেসার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা, হলের ফি বৃদ্ধি, অযৌক্তিক জরিমানা আদায় এবং ছাত্রীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ তুলে অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবি করেছেন কলেজটির আবাসিক ছাত্রীরা।
শিক্ষার্থীদের দাবি, গত বছরের ২৫ নভেম্বর বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ থেকে বদলি হয়ে কলেজ অব হোম ইকোনমিক্সে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দেন ড. মেহেরুন্নেসা। অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি কলেজের ছাত্রীনিবাসের প্রভোস্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
ছাত্রীদের অভিযোগ, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তাঁদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করে আসছেন অধ্যক্ষ। যোগদানের পর কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই হলের ফি বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ ছাড়া নির্ধারিত সময়ের পর কোনো ছাত্রী দুর্ঘটনা বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কারণে হলে প্রবেশ করতে দেরি করলে তাঁর কাছ থেকে জোরপূর্বক জরিমানা আদায় করা হচ্ছে।
শিক্ষার্থীদের আরও অভিযোগ, ব্যক্তিগত বা আবাসিক বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে অধ্যক্ষের কাছে গেলে তিনি তাঁদের কথা যথাযথভাবে শোনেন না। বরং ছাত্রীদের সঙ্গে অবহেলা ও দুর্ব্যবহার করেন।
অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগের আরেকটি ঘটনায় শিক্ষার্থীরা জানান, সম্প্রতি কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই দুই ছাত্রীর হলের আসন বাতিল করা হয়। এ সময় তাঁদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীদের চাপের মুখে ওই দুই ছাত্রীর আসন ফিরিয়ে দেওয়া হলেও তাঁদের কাছ থেকে ১২ হাজার ৬০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্রীরা।
এসব ঘটনায় দীর্ঘদিনের ক্ষোভ থেকে হলের সাধারণ ছাত্রীরা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেছেন। তাঁদের দাবি, অধ্যক্ষের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত, অযৌক্তিক জরিমানা আদায় এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের কারণে তাঁরা ক্ষুব্ধ। এ পরিস্থিতিতে তাঁরা অধ্যক্ষ ড. মেহেরুন্নেসার পদত্যাগ দাবি করেছেন।অধ্যক্ষ ও পুলিশের বক্তব্য পাওয়া যায়নি
শিক্ষার্থীদের উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে অধ্যক্ষ ড. মেহেরুন্নেসার সাক্ষাৎকার নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। একই বিষয়ে লালবাগ থানার পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে; তবে তাঁদের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।অধ্যক্ষ ও পুলিশের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী সময়ে প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।






মন্তব্য ০
লগইন করুন অথবা বিনা মূল্যে অ্যাকাউন্ট খুলুন আলোচনায় যোগ দিতে। নাম গোপন রেখেও মন্তব্য করতে পারবেন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।