সরাসরি মানচিত্র, পূর্বাভাস ও জরিপের গড়: PoliAgg (CC BY-SA 4.0)

পূর্ণ ফলাফল, মানচিত্র ও জরিপ
ব্রেকিং
জর্জিয়ায় রিপাবলিকানদের হারিয়ে আবারও সিনেটর নির্বাচিত হলেন জন অসফযুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট গণনা শুরু, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াইটেক্সাসের টেম্পল শহরের কাছে দুই গাড়ির সংঘর্ষে নিহত একজন, আহত আরও দুজনযুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় আশাবাদী কাতার, সমঝোতার চেষ্টা অব্যাহতট্রাম্পের ঘোষণা, বছরের শেষে ইসরায়েলকে ৪ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা বন্ধ করবে যুক্তরাষ্ট্র

অংশ: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন ২০২৬

জর্জিয়ায় রিপাবলিকানদের হারিয়ে আবারও সিনেটর নির্বাচিত হলেন জন অসফ

জর্জিয়ায় রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক কলিন্সকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো সিনেটর নির্বাচিত হলেন ডেমোক্র্যাট নেতা জন অসফ, বড় ধাক্কা খেল রিপাবলিকান শিবির।

জর্জিয়ায় রিপাবলিকানদের হারিয়ে আবারও সিনেটর নির্বাচিত হলেন জন অসফ
জর্জিয়ায় রিপাবলিকানদের হারিয়ে আবারও সিনেটর নির্বাচিত হলেন জন অসফ

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের সিনেট আসন ধরে রেখেছেন ডেমোক্র্যাট দলের বর্তমান সিনেটর জন অসফ। রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ও কংগ্রেস সদস্য মাইক কলিন্সকে পরাজিত করে দ্বিতীয় মেয়াদে সিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালনের পথ তৈরি করেছেন তিনি। ৩ নভেম্বরের নির্বাচনের পর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম তাঁর জয়ের পূর্বাভাস দিয়েছে। ফলে জর্জিয়ার গুরুত্বপূর্ণ এই আসনটি রিপাবলিকানদের দখলে যাওয়ার সম্ভাবনা আপাতত শেষ হয়েছে।

বুধবার ৪ নভেম্বর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স জানায়, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের নির্বাচনী পূর্বাভাস অনুযায়ী জন অসফ রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী মাইক কলিন্সকে পরাজিত করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সিবিএস নিউজও ৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় তাঁর জয়ের পূর্বাভাস প্রকাশ করে। নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ডিডিএইচকিউর ঘোষণার সঙ্গেও এই খবরের মিল রয়েছে। তবে মনে রাখতে হবে, সংবাদমাধ্যমের জয়ের পূর্বাভাস এবং রাজ্য কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যয়িত চূড়ান্ত ফল এক বিষয় নয়।
জর্জিয়ার এই নির্বাচনী লড়াই শুধু একজন সিনেটরের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের বিষয় ছিল না। যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চকক্ষ সিনেটে কোন দলের প্রভাব থাকবে, সেই হিসাবেও আসনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। কারণ রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখার লড়াইয়ে জর্জিয়ার আসনটি ছিল বিশেষ গুরুত্বের। অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটদের জন্য এই আসন ধরে রাখা ছিল নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখার অন্যতম প্রধান শর্ত।

জন অসফের জয়ের মধ্য দিয়ে ডেমোক্র্যাটরা অন্তত জর্জিয়ার গুরুত্বপূর্ণ আসনটি নিজেদের দখলে রাখতে সক্ষম হয়েছে।
এই নির্বাচনে জন অসফের প্রতিদ্বন্দ্বী মাইক কলিন্স ছিলেন জর্জিয়ার দশম কংগ্রেসনাল এলাকার প্রতিনিধি। তিনি একজন ব্যবসায়ী এবং ট্রাক পরিবহন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। তাঁর বাবা ম্যাক কলিন্সও একসময় যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস সদস্য ছিলেন। রিপাবলিকান শিবিরে কলিন্সকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সমর্থক হিসেবে দেখা হতো। ট্রাম্প নিজেও তাঁকে সমর্থন দিয়েছিলেন। ফলে এই নির্বাচনকে অনেকেই শুধু জর্জিয়ার দুই প্রার্থীর লড়াই হিসেবে নয়, ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রভাবের একটি পরীক্ষ হিসেবেও বিবেচনা করেছেন।
অন্যদিকে জন অসফের জন্য এই নির্বাচন ছিল নিজের প্রথম মেয়াদের কাজের মূল্যায়ন। ২০২১ সালে বিশেষ নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি প্রথমবার সিনেটর নির্বাচিত হন। সে সময় জর্জিয়ায় দ্বিতীয় দফার ভোটের লড়াইয়ে জয় পেয়ে তিনি সিনেটে প্রবেশ করেন। তাঁর বিজয় যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় রাজনীতিতেও বড় পরিবর্তন এনেছিল। এবার পুনর্নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি প্রমাণ করলেন, জর্জিয়ার মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অঙ্গরাজ্যেও ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিসেবে তাঁর শক্ত অবস্থান রয়েছে।

নির্বাচনের আগে জন অসফকে রিপাবলিকানদের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল। এর একটি বড় কারণ ছিল জর্জিয়ার রাজনৈতিক অবস্থান। ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অঙ্গরাজ্যে প্রায় দুই শতাংশ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন। ফলে ট্রাম্পের সমর্থন কাজে লাগিয়ে রিপাবলিকানরা সিনেট আসনটি পুনরুদ্ধার করতে পারবে বলে আশা করেছিল। কিন্তু নির্বাচনের ফলাফলের পূর্বাভাস সেই প্রত্যাশাকে বাস্তবে রূপ নিতে দেয়নি।
নির্বাচনী প্রচারণায় দুই প্রার্থীই নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে বিভিন্ন বিষয়কে গুরুত্ব দিয়েছেন। জন অসফ জীবনযাত্রার ব্যয়, সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক চাপ, সরকারি দুর্নীতি এবং ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন নীতির সমালোচনা করেছেন। তিনি ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করেছেন, ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের পাশাপাশি জর্জিয়ার সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সমস্যার সমাধানেও একজন সিনেটরের ভূমিকা থাকা জরুরি।
অন্যদিকে মাইক কলিন্স সীমান্ত নিরাপত্তা, অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি উৎপাদন এবং সরকারি ব্যয় কমানোর বিষয়গুলো সামনে এনেছিলেন। তিনি জন অসফকে অতিরিক্ত উদারপন্থী হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেন। মূল্যস্ফীতি ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির জন্যও তিনি বর্তমান রাজনৈতিক নেতৃত্বের সমালোচনা করেন। ফলে প্রচারণার বড় অংশজুড়ে অর্থনীতি, অভিবাসন এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নীতির প্রশ্নগুলো আলোচনায় ছিল।
এই নির্বাচনে অর্থ সংগ্রহের ক্ষেত্রেও দুই প্রার্থীর মধ্যে বড় ব্যবধান ছিল। আটলান্টা জার্নাল-কনস্টিটিউশনের জুলাই মাসের প্রতিবেদনে বলা হয়, জন অসফের নির্বাচনী তহবিলে দ্বিতীয় প্রান্তিক শেষে ৪ কোটি ২০ লাখ ডলারের বেশি অর্থ জমা ছিল। এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত তিনি প্রায় ২ কোটি ডলার সংগ্রহ করেছিলেন। একই সময়ে মাইক কলিন্সের নির্বাচনী তহবিলে ছিল প্রায় ২১ লাখ ডলার। রিপাবলিকানপন্থী একটি রাজনৈতিক সংগঠনও কলিন্সের পক্ষে প্রচারণায় ৪ কোটি ৪০ লাখ ডলার ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।
রয়টার্সের নির্বাচনের পর প্রকাশিত প্রতিবেদনে অর্থ সংগ্রহের ব্যবধান আরও বড় করে তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, জন অসফ মাইক কলিন্সের তুলনায় ১২ কোটি ৬০ লাখ ডলার বেশি সংগ্রহ করেছিলেন। পাশাপাশি কলিন্সের পক্ষে বাইরের বিভিন্ন রাজনৈতিক গোষ্ঠী প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ ডলার ব্যয় করেছিল। এত বিপুল অর্থনৈতিক শক্তি ও প্রচারণার প্রতিযোগিতার পরও শেষ পর্যন্ত জন অসফই এগিয়ে থাকলেন।
জন অসফের নির্বাচনী প্রচারণায় স্থানীয় মানুষের সমস্যা সমাধানের বিষয়টিও বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছিল। বিশেষ করে ২০২৪ সালে ঘূর্ণিঝড় হেলেনের আঘাতে জর্জিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির পর তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়টি প্রচারণায় তুলে ধরেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর সরকারি সহায়তা পাওয়া, অবকাঠামো পুনর্গঠন এবং স্থানীয় প্রশাসনকে সহযোগিতার মতো বিষয়গুলো তাঁর রাজনৈতিক প্রচারণার অংশ ছিল। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং নাগরিকদের সরকারি সেবা পেতে সহায়তা করার বিষয়েও তিনি নিজের ভূমিকার কথা তুলে ধরেছেন। এমনকি কয়েকজন স্থানীয় রিপাবলিকান জনপ্রতিনিধিও তাঁকে সমর্থন দিয়েছিলেন।

রিপাবলিকানদের প্রার্থী বাছাইয়ের প্রক্রিয়াও এই নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। মে মাসে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক নির্বাচনে কোনো প্রার্থী প্রয়োজনীয় ৫০ শতাংশ ভোট না পাওয়ায় রিপাবলিকান শিবিরে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে মাইক কলিন্স সাবেক ফুটবল কোচ ডেরেক ডুলিকে পরাজিত করে চূড়ান্ত প্রার্থী হন। এই প্রতিযোগিতায় জর্জিয়ার সাবেক গভর্নর ব্রায়ান কেম্পের সমর্থন ডুলির পক্ষে ছিল। অন্যদিকে ট্রাম্প কলিন্সকে সমর্থন দিয়েছিলেন। ফলে রিপাবলিকান শিবিরে প্রার্থী বাছাইয়ের সময় থেকেই মতপার্থক্য ও রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা তৈরি হয়েছিল।
নির্বাচনের আগে কলিন্সের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের নৈতিকতা-সংক্রান্ত কমিটির একটি তদন্তও আলোচনায় ছিল। তাঁর এক সহযোগীর সঙ্গে সম্পর্কিত এক নারীর বেতন ও সরকারি অর্থ ব্যবহারের বিষয়ে অভিযোগ উঠেছিল। তবে কলিন্স এসব অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। অভিযোগের বিষয়টি নির্বাচনী আলোচনায় এলেও সেটিকে তাঁর পরাজয়ের একমাত্র কারণ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ভোটারদের সিদ্ধান্তে অর্থনীতি, দলীয় অবস্থান, স্থানীয় সমস্যা এবং দুই প্রার্থীর প্রচারণা—সবকিছুর প্রভাব থাকতে পারে। 
জন অসফের এই জয় ডেমোক্র্যাটদের জন্য কেন এত গুরুত্বপূর্ণ, তা বুঝতে হলে সিনেটের আসনসংখ্যার হিসাব দেখতে হবে। নির্বাচনের আগে রিপাবলিকানদের হাতে ছিল ৫৩টি এবং ডেমোক্র্যাটদের হাতে ৪৭টি আসন। এই ৪৭টির মধ্যে দুইজন স্বতন্ত্র সিনেটর ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করেন। সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে ডেমোক্র্যাটদের অন্তত চারটি আসনের নিট ব্যবধান পূরণ করতে হতো। সে কারণে জর্জিয়া ও মিশিগানের মতো গুরুত্বপূর্ণ আসন ধরে রাখা এবং রিপাবলিকানদের দখলে থাকা কয়েকটি আসনে জয় পাওয়া তাদের জন্য জরুরি ছিল।
রয়টার্সের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ডেমোক্র্যাটদের জন্য জর্জিয়ার আসন ধরে রাখার পাশাপাশি মেইন, নর্থ ক্যারোলাইনা এবং আরও কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে জয় পাওয়ার চেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তাই অসফের জয় ডেমোক্র্যাটদের জন্য একটি বড় স্বস্তি হলেও শুধু এই ফলাফলের ভিত্তিতে সিনেটে ক্ষমতার পরিবর্তন হয়েছে বলা যাবে না। অন্যান্য অঙ্গরাজ্যের ফলাফল এবং শেষ পর্যন্ত আসনসংখ্যার হিসাবই নির্ধারণ করবে কোন দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কাছে জন অসফের এই জয়ের আরেকটি তাৎপর্য রয়েছে। তাঁর বয়স মাত্র ৩৯ বছর। তরুণ প্রজন্মের ডেমোক্র্যাট রাজনীতিকদের মধ্যে তিনি ইতিমধ্যে জাতীয় পর্যায়ে পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন। ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচনা, নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহের সক্ষমতা এবং গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্যে নির্বাচনী লড়াইয়ের অভিজ্ঞতা তাঁকে জাতীয় রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেও তাঁর নাম সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এসেছে। তবে তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পরিকল্পনা অস্বীকার করেছেন বলে নির্বাচনের আগে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছিল।
সব মিলিয়ে জর্জিয়ায় জন অসফের জয় ডেমোক্র্যাটদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সাফল্য। বিশেষ করে এমন একটি অঙ্গরাজ্যে রিপাবলিকানদের শক্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে আসন ধরে রাখা দলটির জন্য ইতিবাচক বার্তা। অন্যদিকে ট্রাম্পের সমর্থন পাওয়া মাইক কলিন্সের পরাজয় রিপাবলিকান শিবিরের নির্বাচনী পরিকল্পনায় বড় ধাক্কা।
তবে এই ফলাফলকে পুরো যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের চূড়ান্ত চিত্র হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। মধ্যবর্তী নির্বাচনের অন্যান্য অঙ্গরাজ্যের ফলাফল, প্রতিনিধি পরিষদের আসন এবং সিনেটের সামগ্রিক অবস্থাই আগামী দিনের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নির্ধারণ করবে। আপাতত জর্জিয়ায় ডেমোক্র্যাটদের বড় অর্জন হলো—জন অসফের মাধ্যমে তারা নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ সিনেট আসনটি ধরে রাখতে পেরেছে।


ট্যাগ: ডোনাল্ড ট্রাম্পমাইক কলিন্সডেমোক্র্যাট দলরিপাবলিকান দলযুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিমধ্যবর্তী নির্বাচন।

প্রতিবেদক

Desk Report

Reporter

মন্তব্য ০

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সিএসবি নিউজ ইউএসএ ফলো করুন

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।