সরাসরি মানচিত্র, পূর্বাভাস ও জরিপের গড়: PoliAgg (CC BY-SA 4.0)

পূর্ণ ফলাফল, মানচিত্র ও জরিপ
ব্রেকিং
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাসের নতুন সেবা শিবির, ছুটি ও শিক্ষার্থীদের ঘটনায় বিজ্ঞপ্তিট্রাম্পের রাতের ফোনে ঘুম হারাম, অনুকরণ করে হাসালেন স্পিকার মাইক জনসনফ্লোরিডায় যাত্রীবাহী ব্যক্তিগত বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৯ আরোহটেক্সাসে আবাসন সুবিধা, ক্যালিফোর্নিয়ায় সেবার চাহিদা - দুই স্টেটেই চাঙ্গা প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিযুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের চার বছর মেয়াদি ভিসা নিয়ম আদালতের আদেশে আপাতত স্থগিত

অংশ: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন ২০২৬

ট্রাম্পের রাতের ফোনে ঘুম হারাম, অনুকরণ করে হাসালেন স্পিকার মাইক জনসন

গভীর রাতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ফোন, ঘুমের খোঁজ নেওয়া আর তাঁর কণ্ঠ নকল করে কৌতুক—মাইক জনসনের বক্তব্যে উঠে এলো ব্যস্ত রাজনৈতিক জীবনের গল্প।

ট্রাম্পের রাতের ফোনে ঘুম হারাম, অনুকরণ করে হাসালেন স্পিকার মাইক জনসন
ট্রাম্পের রাতের ফোনে ঘুম হারাম, অনুকরণ করে হাসালেন স্পিকার মাইক জনসন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে হাউস স্পিকার মাইক জনসনের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সম্পর্কের একটি মজার দিক সামনে এসেছে। ট্রাম্পের গভীর রাত ও ভোরের ফোনকল নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তাঁর কণ্ঠস্বর নকল করে উপস্থিত ব্যক্তিদের হাসিয়েছেন জনসন। রসিকতার ছলে তিনি বোঝানোর চেষ্টা করেন, প্রেসিডেন্টের ফোন পাওয়ার জন্য তাঁকে অনেক সময় রাতের ঘুমও বিসর্জন দিতে হয়।
তবে ঘটনাটির একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগত দিক রয়েছে। ২০২৬ সালের ১৫ জুলাই প্রকাশিত ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর প্রতিবেদনে জনসনের গভীর রাতে ট্রাম্পের ফোন পাওয়ার কথা নিশ্চিত করা হয়েছে। সেখানে ট্রাম্পের মুখে ঘুমের বিষয়ে প্রশ্ন করার একটি সংলাপও তুলে ধরা হয়। কিন্তু সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত নতুন বক্তব্যে উল্লেখ করা ‘ঘুম দুর্বলদের জন্য’ ধরনের মন্তব্যটির নির্দিষ্ট ভিডিও বা স্বাধীনভাবে যাচাই করা পূর্ণ প্রতিলিপি পাওয়া যায়নি। তাই সেটিকে নিশ্চিত হুবহু উদ্ধৃতি হিসেবে প্রকাশ করা ঠিক হবে না।

ছবিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার মাইক জনসন। এটি তাঁদের একসঙ্গে থাকার ছবি, ভাইরাল বক্তব্যের সরাসরি ধারণ করা দৃশ্য নয়।
যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে প্রেসিডেন্ট ও কংগ্রেসের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ নতুন কিছু নয়। তবে ট্রাম্পের ক্ষেত্রে রাতের ফোনকলের বিষয়টি বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে। কারণ, তিনি শুধু দিনের রাজনৈতিক কর্মসূচির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেন না; গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, আইন পাসের আলোচনা এবং দলের অভ্যন্তরীণ সমস্যা নিয়েও রাতের বেলায় নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
জনসন তাঁর বক্তব্যে হাস্যরসের মাধ্যমে সেই অভিজ্ঞতার কথাই তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, ট্রাম্প কখনো রাত একটা, আবার কখনো ভোর পাঁচটার দিকে ফোন করেন। এরপর প্রেসিডেন্টের কণ্ঠস্বর নকল করে প্রশ্ন করার ভঙ্গিতে বলেন, ‘মাইক, তুমি কি ঘুমাচ্ছ?’
এর উত্তরে তিনি নিজেকে এমনভাবে উপস্থাপন করেন, যেন প্রেসিডেন্টকে বলতে হচ্ছে, ‘না স্যার, অবশ্যই না। আমরা জানি, ঘুম দুর্বলদের জন্য।’
এই কথাগুলো বলার পর জনসন নিজেই কিছুটা বিব্রত হয়ে পড়েন। তিনি জানান, সবার সামনে ট্রাম্পের কণ্ঠ নকল করার পরিকল্পনা তাঁর ছিল না। হঠাৎ করেই কথার মধ্যে বিষয়টি চলে এসেছে। তাঁর এই প্রতিক্রিয়াও উপস্থিত ব্যক্তিদের কাছে হাস্যরসের জন্ম দেয়।
তবে জনসনের এই বক্তব্যের পেছনে বাস্তব রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট রয়েছে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার। দেশটির আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় এই পদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিনিধি পরিষদে কোন বিল নিয়ে আলোচনা হবে, কখন ভোট হবে এবং ক্ষমতাসীন দলের সদস্যদের মধ্যে সমঝোতা কীভাবে তৈরি হবে, এসব ক্ষেত্রে স্পিকারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

অন্যদিকে ট্রাম্পের রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য কংগ্রেসের সমর্থন প্রয়োজন। বিশেষ করে প্রতিনিধি পরিষদে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখা এবং দলের সদস্যদের একসঙ্গে কাজ করানো জনসনের অন্যতম বড় দায়িত্ব।
এই কারণে ট্রাম্প ও জনসনের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের ফোনালাপ শুধু ব্যক্তিগত কথাবার্তায় সীমাবদ্ধ থাকে না; বিভিন্ন আইন, সরকারি ব্যয়, অভিবাসননীতি, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং প্রশাসনের অন্যান্য উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা হতে পারে।
২০২৬ সালের ১৫ জুলাই প্রকাশিত ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর একটি বিশেষ প্রতিবেদনে জনসনের ব্যস্ত কর্মজীবন এবং ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর রাতের ফোনালাপের বিষয়টি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, জনসনের ফোনে তখন ১ হাজার ৪৭৭টি অপঠিত বার্তা এবং ৮২৯টি না শোনা ভয়েস বার্তা জমা ছিল। এই তথ্য তাঁর কাজের চাপের একটি ধারণা দেয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রায়ই রাতে জনসনকে ফোন করেন। ফোনের শুরুতে প্রেসিডেন্ট তাঁকে ঘুমিয়ে আছেন কি না, সে প্রশ্ন করেন। জনসন জানান, ট্রাম্পের কণ্ঠে এমন প্রশ্নের পর তিনি উত্তর দেন, তিনি আসলে ঘুমাচ্ছিলেন না। আবার ঘুমিয়ে থাকলেও ফোন ধরার পর জেগে উঠে কথা বলতে প্রস্তুত হন।
এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, রাতের ফোনকলের ঘটনা শুধু জনসনের বক্তব্যের ওপর নির্ভরশীল নয়। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় প্রার্থনা প্রাতরাশ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প নিজেও ভোর তিনটার দিকে জনসনের ফোন পাওয়ার অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেছিলেন। তিনি জানান, জনসন কখনো কখনো তাঁকে ফোন করে দলের কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে কথা বলার অনুরোধ করেন। ট্রাম্প তখন নিজেও ফোনে যুক্ত হয়ে তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করেন।
অর্থাৎ, গভীর রাতে দুই নেতার মধ্যে যোগাযোগের বিষয়টি দুই পক্ষের বক্তব্যেই উঠে এসেছে। তবে জনসনের সাম্প্রতিক অনুকরণে বলা প্রতিটি শব্দ বা সময়ের বিবরণ একইভাবে অন্য সূত্রে নিশ্চিত হয়নি।
এই ঘটনা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান দলের অভ্যন্তরীণ কাজের ধরন সম্পর্কেও কিছু ধারণা পাওয়া যায়। দলটির আইন প্রণয়নের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ট্রাম্প ও জনসনের মধ্যে সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে প্রতিনিধি পরিষদে অল্প ব্যবধানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলে প্রতিটি ভোটের গুরুত্ব বেড়ে যায়। কয়েকজন সদস্যের বিরোধিতাও গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিল আটকে দিতে পারে।

জনসনের জন্য এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সহজ নয়। তাঁকে একদিকে প্রেসিডেন্টের রাজনৈতিক পরিকল্পনার সঙ্গে সমন্বয় করতে হয়, অন্যদিকে দলের ভিন্নমতাবলম্বী সদস্যদেরও সন্তুষ্ট রাখতে হয়। কোনো বিল নিয়ে দলের সদস্যদের মধ্যে মতবিরোধ তৈরি হলে তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধান বের করতে হয়। অনেক সময় এই আলোচনা দিনের কর্মসূচি শেষ হওয়ার পরও চলতে থাকে।
ট্রাম্পের সঙ্গে জনসনের সম্পর্কের আরেকটি দিক হলো, প্রেসিডেন্টের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে স্পিকারের সহযোগিতা। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে করনীতি, সরকারি ব্যয়, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ, অভিবাসন এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে রিপাবলিকানদের মধ্যে সমর্থন ধরে রাখা জনসনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
এদিকে ট্রাম্পের কাজের সময়সূচি নিয়েও যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমে বিভিন্ন সময় আলোচনা হয়েছে। তিনি গভীর রাত পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় থাকেন এবং ভোরেও রাজনৈতিক যোগাযোগ চালিয়ে যান বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ২০২৬ সালের জুনে এক বক্তব্যে বলেছিলেন, ট্রাম্প তাঁকেও রাত দুইটা ও ভোর পাঁচটার দিকে ফোন করেন। রুবিও রসিকতা করে বলেছিলেন, প্রেসিডেন্টের ঘুমের প্রয়োজন খুব কম হলেও তাঁর নিজের কিছুটা ঘুমের প্রয়োজন রয়েছে।
এই বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, রাতের ফোনকলের অভিজ্ঞতা শুধু জনসনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ট্রাম্পের প্রশাসনের অন্য শীর্ষ কর্মকর্তারাও এমন অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ্যে বলেছেন।
জনসনের কণ্ঠ নকল করার ঘটনাটি অবশ্য কোনো রাজনৈতিক বিরোধ বা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের অবনতির প্রমাণ নয়। বরং এটি দুই নেতার নিয়মিত যোগাযোগ এবং তাঁদের রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতার একটি মজার দিক তুলে ধরে। জনসন নিজেও ট্রাম্পের রাজনৈতিক কর্মসূচির একজন গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী হিসেবে পরিচিত।
এর আগেও জনসন বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের কথা বলার ধরন নকল করেছেন। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে একটি সাক্ষাৎকারে তিনি ট্রাম্পের বড় আইনগত কর্মসূচির নামকরণ নিয়ে একটি মজার ঘটনা বর্ণনা করেছিলেন। সে সময় ট্রাম্প আইনটির নাম কী হবে, তা নিয়ে নিজের পছন্দের কথা জানিয়েছিলেন। জনসন সেই কথোপকথন বর্ণনা করতে গিয়ে প্রেসিডেন্টের কণ্ঠস্বর ও কথা বলার ভঙ্গি অনুকরণ করেন।
২০২৫ সালের নভেম্বরেও একটি অনুষ্ঠানে জনসন বলেছিলেন, রাজনৈতিক আলোচনার উত্তেজনা কমাতে তিনি কখনো কখনো ট্রাম্পের কণ্ঠ নকল করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, কঠিন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এমন রসিকতা উপস্থিত ব্যক্তিদের হাসায় এবং পরিবেশ কিছুটা হালকা করে। অর্থাৎ, এটি তাঁর কাছে শুধু বিনোদনের বিষয় নয়, সহকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগের একটি কৌশলও।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কাছে এ ধরনের ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার কারণ হলো, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ও প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকারের সম্পর্ক দেশটির আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়াকে সরাসরি প্রভাবিত করতে পারে। প্রেসিডেন্ট কোনো নীতি ঘোষণা করলেই তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আইনে পরিণত হয় না। কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। তাই প্রেসিডেন্টকে দলের আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে সমন্বয় করতে হয়। স্পিকার সেই সমন্বয়ের অন্যতম প্রধান ব্যক্তি।
তবে রাতের ফোনকলের সংখ্যা বা সময় দিয়ে কোনো নেতার কাজের দক্ষতা কিংবা প্রশাসনের সফলতা বিচার করা যায় না। একইভাবে কম ঘুমানোকে কর্মদক্ষতার প্রমাণ হিসেবেও দেখা ঠিক নয়। বরং এই ঘটনাটি দেখায়, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক নেতৃত্বের দায়িত্ব কতটা ব্যস্ততাপূর্ণ হতে পারে এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের জন্য নেতাদের মধ্যে কতটা নিয়মিত যোগাযোগ প্রয়োজন হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনসনের এই অনুকরণ নিয়ে মানুষের আগ্রহ তৈরি হওয়ার অন্যতম কারণ হলো, সাধারণত রাজনৈতিক নেতাদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যে এমন ব্যক্তিগত রসিকতা খুব বেশি দেখা যায় না। বিশেষ করে একজন স্পিকার যখন নিজ দেশের প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত ফোনালাপের ধরন অনুকরণ করেন, তখন সেটি স্বাভাবিকভাবেই আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে।
সব মিলিয়ে, ট্রাম্পের গভীর রাতের ফোনকল নিয়ে মাইক জনসনের বক্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ব্যস্ততা, পারস্পরিক যোগাযোগ এবং রাজনৈতিক সমন্বয়ের একটি ভিন্ন চিত্র তুলে ধরেছে। তবে ভাইরাল বক্তব্যের ‘ঘুম দুর্বলদের জন্য’ অংশটি মূল ভিডিও বা পূর্ণ প্রতিলিপি ছাড়া নিশ্চিত উদ্ধৃতি হিসেবে প্রচার করা উচিত নয়। নিশ্চিত তথ্য হলো, ট্রাম্পের রাতের ফোনকল নিয়ে জনসন আগেও কথা বলেছেন এবং ট্রাম্প নিজেও প্রকাশ্যে গভীর রাতে জনসনকে ফোন করার কথা স্বীকার করেছেন।


ট্যাগ: মাইক জনসনডোনাল্ড ট্রাম্পযুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিমার্কিন প্রতিনিধি পরিষদরিপাবলিকান দলট্রাম্পের ফোনকলমার্কিন কংগ্রেসহোয়াইট হাউসযুক্তরাষ্ট্রের খবররাজনৈতিক হাস্যরস।

প্রতিবেদক

Desk Report

Reporter

মন্তব্য ০

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সিএসবি নিউজ ইউএসএ ফলো করুন

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।