সরাসরি মানচিত্র, পূর্বাভাস ও জরিপের গড়: PoliAgg (CC BY-SA 4.0)

পূর্ণ ফলাফল, মানচিত্র ও জরিপ
ব্রেকিং
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে শেষ প্রচার, হাউসে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরাযুক্তরাষ্ট্রে নতুন শিক্ষা কর ছাড় চালু হচ্ছে ২০২৭ সালে, অনুদানে মিলবে সুবিধাস্কুলে যাওয়ার পথে গুলিতে প্রাণ গেল ১৫ বছরের কিশোরের, মাকে ভিসা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রএমআইটিসহ যুক্তরাষ্ট্রের ৫৫ বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি ভর্তি কমেছে ১৫ শতাংশলন্ডনে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ, লন্ডনে গ্রেপ্তার ১৩৯ ফিলিস্তিনপন্থী

স্কুলে যাওয়ার পথে গুলিতে প্রাণ গেল ১৫ বছরের কিশোরের, মাকে ভিসা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

নিউইয়র্কে স্কুলে যাওয়ার পথে গুলিতে প্রাণ হারাল ১৫ বছরের জাভিটস ফ্রিম্পং। ছেলেকে শেষবার দেখতে ঘানা থেকে আসছেন তাঁর মা।

স্কুলে যাওয়ার পথে গুলিতে প্রাণ গেল ১৫ বছরের কিশোরের, মাকে ভিসা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
স্কুলে যাওয়ার পথে গুলিতে প্রাণ গেল ১৫ বছরের কিশোরের, মাকে ভিসা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে স্কুলে যাওয়ার পথে গুলিতে নিহত হয়েছে ঘানার ১৫ বছর বয়সী কিশোর জাভিটস ফ্রিম্পং। ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় শোকের পাশাপাশি বিচার পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে পরিবার। কিশোরটির বাবা অভিযোগ করেছেন, স্কুলে সহপাঠীদের হয়রানির শিকার হওয়ার পর থেকেই তাঁর ছেলে উদ্বিগ্ন ছিল। এমনকি হয়রানির ঘটনায় কয়েকজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে স্কুল কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিয়েছিল বলেও দাবি করেছেন তিনি। তবে স্কুলে হয়রানির সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের সরাসরি কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।
এদিকে মর্মান্তিক এই ঘটনার পর মানবিক উদ্যোগ নিয়েছেন নিউইয়র্ক নগরীর মেয়র জোহরান মামদানি। তিনি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলার পর নিহত কিশোরের ঘানায় অবস্থানরত মাকে যুক্তরাষ্ট্রে আসার জন্য দ্রুত ভিসা দেওয়ার বিষয়ে সম্মতি পাওয়া গেছে। এর ফলে হাজার হাজার মাইল দূরে থাকা মা তাঁর নিহত সন্তানকে শেষবারের মতো দেখতে নিউইয়র্কে আসার সুযোগ পেতে পারেন।
ঘানার সংবাদমাধ্যম মাইজয়অনলাইন এবং যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকালে ব্রঙ্কসের ক্লেয়ারমন্ট এলাকায় স্কুলে যাওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হয় জাভিটস। স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টার কিছু আগে ইস্ট ১৭১তম স্ট্রিট ও থার্ড অ্যাভিনিউয়ের কাছাকাছি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। তার পেটে গুলি লাগে।
ঘটনার খবর পেয়ে নিউইয়র্ক নগরীর পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। সেখানে কিশোরটিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে সেন্ট বার্নাবাস হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

জাভিটসের মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও স্থানীয় ঘানার অভিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মাত্র ১৫ বছর বয়সে একটি সম্ভাবনাময় জীবন এভাবে শেষ হয়ে যাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও।
জাভিটসের বাবা থমাস ফ্রিম্পং জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে ২০২৫ সালে ঘানা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসে। বাবার সঙ্গে থাকার জন্য সে নিউইয়র্কে বসবাস শুরু করেছিল। নতুন দেশে পড়াশোনা, নতুন পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত হওয়া এবং ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিল কিশোরটি।
থমাস ফ্রিম্পং পেশায় একজন ট্যাক্সিচালক। তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে ছিল শান্ত স্বভাবের। নিজের মতো থাকতে পছন্দ করত এবং নিয়মিত স্কুলে যেত। বাবার ভাষ্য অনুযায়ী, জাভিটসের সঙ্গে স্কুলের কয়েকজন শিক্ষার্থীর সমস্যা চলছিল। সে বিষয়টি স্কুল কর্তৃপক্ষকেও জানিয়েছিল।
বাবার দাবি, স্কুলের প্রধান শিক্ষক তাঁকে জানিয়েছিলেন, দুই শিক্ষার্থী তাঁর ছেলেকে বিরক্ত করছিল। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে সাময়িকভাবে স্কুল থেকে বহিষ্কারও করা হয়েছিল। ছেলেকে নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে বাবা তার সঙ্গে কথা বলেছিলেন। তখন জাভিটস তাঁকে জানিয়েছিল, সে ঠিক আছে।
তবে ছেলের মৃত্যুর পর বাবার মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, স্কুলে ঘটে যাওয়া সেই হয়রানির সঙ্গে এই হত্যাকাণ্ডের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না।
থমাসের আশঙ্কা, হয়রানির অভিযোগ জানানোর কারণে তাঁর ছেলেকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়ে থাকতে পারে। তবে এটি তাঁর ব্যক্তিগত ধারণা। পুলিশ এখনো এমন কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি, যার মাধ্যমে স্কুলের বিরোধকে হত্যাকাণ্ডের নিশ্চিত কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউইয়র্ক জানিয়েছে, ঘটনার আগে ও পরে এলাকার নজরদারি ক্যামেরায় ধারণ করা দৃশ্যে একজন কিশোরকে প্রাণভয়ে দৌড়াতে দেখা যায়। তার পেছনে কালো পোশাক পরা আরেকজনকে দৌড়াতে দেখা গেছে। পরে ওই ব্যক্তিকে থেমে ঘুরে যেতে দেখা যায় এবং কিছুক্ষণ পর দূরে কিশোরটিকে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখা যায়।
এই দৃশ্য তদন্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে নজরদারি ক্যামেরার দৃশ্য থেকে এখনো হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য বা জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে কয়েকজন কিশোরকে খোঁজা হচ্ছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে সন্দেহভাজনের সংখ্যা দুই থেকে তিনজন বলা হয়েছে। তাদের বয়স আনুমানিক ১৬ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে। তবে পুলিশ এখনো তাদের পরিচয় প্রকাশ করেনি।
শনিবার পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি। কেন জাভিটসকে গুলি করা হয়েছে, সে বিষয়েও পুলিশ নিশ্চিত কোনো কারণ জানায়নি। কিশোরটি আগে থেকে হামলাকারীদের পরিচিত ছিল কি না, নাকি অন্য কোনো বিরোধ থেকে এই ঘটনা ঘটেছে, সেটিও তদন্তাধীন।
এদিকে ছেলের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর থেকে ঘানায় অবস্থানরত মা ডরিস আদু জিয়ামফির জন্য নিউইয়র্কে আসা জরুরি হয়ে পড়ে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ভিসা না থাকায় তিনি দ্রুত ছেলের কাছে পৌঁছাতে পারছিলেন না। এমন পরিস্থিতিতে পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রে আনার ব্যবস্থা করার চেষ্টা চলছিল।
গত ৩১ অক্টোবর শনিবার নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। নিহত কিশোরের মায়ের ছেলেকে শেষবারের মতো দেখার অধিকার নিশ্চিত করতে তিনি বিষয়টি প্রেসিডেন্টের কাছে তুলে ধরেন।
মামদানি বলেন, কোনো মা-বাবার জন্য সন্তানের মৃত্যু মেনে নেওয়া অত্যন্ত কষ্টের। আর হাজার হাজার মাইল দূরে থেকে সন্তানের মৃত্যুর খবর পাওয়া সেই যন্ত্রণাকে আরও বাড়িয়ে দেয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প মায়ের জন্য দ্রুত ভিসা দেওয়ার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছেন।
মেয়রের এই ঘোষণার পর ঘানা সরকারও বিষয়টি নিয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানায়। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্যাম ওকুদজেতো আবলাকওয়া জানান, সরকার নিহত কিশোরের মাকে ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করছে।
ঘানার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি শুক্রবার জাভিটসের মা ডরিস আদু জিয়ামফির সঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁর ভ্রমণের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও অন্যান্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
শুধু ভিসা প্রক্রিয়ায় সহায়তাই নয়, ঘানা সরকার মায়ের নিউইয়র্ক যাতায়াতের সম্পূর্ণ ব্যয় বহনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও দেশটির সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। পাশাপাশি প্রয়োজন হলে জাভিটসের শেষকৃত্যের আয়োজনেও আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে সরকারের।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত এবং অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ করবে ঘানা সরকার।
ঘানার যুক্তরাষ্ট্রস্থ কূটনৈতিক প্রতিনিধিরাও পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। নিহত কিশোরের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তাঁরা তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটনের আহ্বান জানিয়েছেন।
নিউইয়র্কের ব্রঙ্কস এলাকার প্রতিনিধি রিচি টরেসও এই ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে, প্রতিটি শিশুর নিরাপদে স্কুলে যাওয়ার অধিকার রয়েছে। কোনো পরিবারকে যেন এভাবে সন্তান হারানোর বেদনা সহ্য করতে না হয়, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।
জাভিটসের মৃত্যুর ঘটনায় স্কুলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং হয়রানি প্রতিরোধের বিষয়টিও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে কোনো শিক্ষার্থী নিয়মিত হয়রানির অভিযোগ জানালে স্কুল কর্তৃপক্ষ কী ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
স্কুলে সহপাঠীদের দ্বারা হয়রানি অনেক সময় শিক্ষার্থীদের মানসিক অবস্থার ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। কোনো শিক্ষার্থীকে নিয়মিত অপমান করা, ভয় দেখানো, একঘরে করে রাখা কিংবা শারীরিকভাবে হেনস্তা করা তার স্বাভাবিক জীবনকে বিপর্যস্ত করতে পারে। এ ধরনের অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব।
তবে জাভিটসের হত্যাকাণ্ডকে শুধু স্কুলের হয়রানির ফল হিসেবে চিহ্নিত করা এখনই ঠিক হবে না। কারণ পুলিশের তদন্ত শেষ হয়নি এবং হত্যার উদ্দেশ্য সম্পর্কেও কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত আসেনি। বাবার অভিযোগ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, নজরদারি ক্যামেরার দৃশ্য এবং অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা করেই প্রকৃত ঘটনা নির্ধারণ করতে হবে।
এই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত ঘানার অভিবাসী পরিবারগুলোর মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। নতুন দেশে সন্তানদের পড়াশোনা, নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে অভিভাবকেরা যে স্বপ্ন দেখেন, জাভিটসের মৃত্যু সেই স্বপ্নের ভঙ্গুর বাস্তবতাকে সামনে এনেছে।
জাভিটসের বাবা জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে ভবিষ্যতে চিকিৎসক হতে চেয়েছিল। নতুন দেশে এসে পড়াশোনা করে নিজের স্বপ্ন পূরণের ইচ্ছা ছিল তার। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণের আগেই একটি গুলিতে থেমে গেল তার জীবন।

এখন পরিবারের প্রধান চাওয়া, ছেলের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। একই সঙ্গে ঘানা থেকে মায়ের নিউইয়র্কে পৌঁছানোর অপেক্ষায় রয়েছে স্বজনেরা।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সম্মতির কথা মেয়র মামদানি ঘোষণা করলেও ভিসা হাতে পাওয়া এবং ভ্রমণের চূড়ান্ত সময়সূচি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশিত হয়নি। হোয়াইট হাউস থেকেও অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের কাছে তাৎক্ষণিকভাবে আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। ফলে সম্মতির ঘোষণাকে ভিসা ইতিমধ্যে ইস্যু হওয়ার সমতুল্য বলা যাবে না।
একদিকে ছেলের হত্যার বিচার পাওয়ার অপেক্ষা, অন্যদিকে শেষবারের মতো সন্তানকে দেখার আকুতি—এই দুই কঠিন বাস্তবতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে জাভিটসের পরিবার। আর পুরো ব্রঙ্কস সম্প্রদায়ের সামনে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, কেন একটি কিশোরকে স্কুলে যাওয়ার পথে প্রাণ দিতে হলো এবং কারা এই হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ী।


ট্যাগ: জাভিটস ফ্রিম্পংব্রঙ্কস হত্যাকাণ্ডনিউইয়র্ক সংবাদডোনাল্ড ট্রাম্পজোহরান মামদানিঘানার কিশোরস্কুলে হয়রানিযুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীমায়ের ভিসাকিশোর অপরাধ

প্রতিবেদক

Desk Report

Reporter

মন্তব্য ০

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সিএসবি নিউজ ইউএসএ ফলো করুন

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।