সরাসরি মানচিত্র, পূর্বাভাস ও জরিপের গড়: PoliAgg (CC BY-SA 4.0)

পূর্ণ ফলাফল, মানচিত্র ও জরিপ
ব্রেকিং
দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে হ্যামট্রাম্কের প্রথম বাংলাদেশি মেয়র হওয়ার পথে মুহিত মাহমুদমামদানির নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ, নিউইয়র্কে সক্রিয় বাংলাদেশি ও মুসলিম প্রবাসীরাবাংলাদেশ বিমানের নামে ভুয়া নিয়োগ ফরম, ব্যক্তিগত তথ্য ও টাকা না দিতে সতর্কতাভুয়া চাকরির প্রলোভনে করপোরেট তথ্য চুরি, ২৩২ ওয়েবসাইট নিয়ে সাইবার হামলাচাকরি হারালে বিদেশি কর্মীদের ৬০ দিনের থাকার সুযোগ বাতিলের প্রস্তাব ট্রাম্প প্রশাসনের

দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে হ্যামট্রাম্কের প্রথম বাংলাদেশি মেয়র হওয়ার পথে মুহিত মাহমুদ

আদালতের গুরুত্বপূর্ণ রায়ে হ্যামট্রাম্কের মেয়র হওয়ার পথে মুহিত মাহমুদ। তাঁর বিজয়ে মিশিগানে বাংলাদেশি অভিবাসী সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বে তৈরি হতে পারে নতুন ইতিহাস।

দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে হ্যামট্রাম্কের প্রথম বাংলাদেশি মেয়র হওয়ার পথে মুহিত মাহমুদ
দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে হ্যামট্রাম্কের প্রথম বাংলাদেশি মেয়র হওয়ার পথে মুহিত মাহমুদ

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের হ্যামট্রাম্ক শহরের মেয়র নির্বাচন ঘিরে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও আইনি লড়াইয়ে বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সাবেক নগর কাউন্সিল সদস্য মুহিত মাহমুদকে মেয়র পদে দায়িত্ব পালনের যোগ্য ঘোষণা করেছেন আদালত। গত ৩০ অক্টোবর ওয়েইন কাউন্টির আদালত তাঁর বসবাসের ঠিকানা নিয়ে ওঠা আপত্তি খারিজ করে তাঁকে হ্যামট্রাম্কের বৈধ বাসিন্দা হিসেবে স্বীকৃতি দেন। একই সঙ্গে আগে বাদ পড়া ভোটগুলোসহ নির্বাচনের ফল প্রত্যয়নের নির্দেশ দেওয়া হয়। এই রায়ের ফলে শহরটির প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মেয়র হওয়ার পথে মুহিত মাহমুদের অবস্থান আরও শক্ত হয়েছে। তবে আনুষ্ঠানিক ফল প্রত্যয়ন এবং দায়িত্ব গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।

হ্যামট্রাম্কের এই নির্বাচন শুধু একটি স্থানীয় মেয়র নির্বাচন নয়; এটি যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি অভিবাসীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, ভোটাধিকার এবং জনপ্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রেও বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। দীর্ঘদিন ধরে শহরটিতে বাংলাদেশি অভিবাসীদের বসবাস ও ব্যবসা-বাণিজ্যের বিস্তার ঘটেছে। স্থানীয় রাজনীতি, নগর পরিষদ এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডেও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মানুষের অংশগ্রহণ বেড়েছে। এমন একটি শহরের মেয়র পদে একজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থীর এগিয়ে যাওয়া স্বাভাবিকভাবেই প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে।
মুহিত মাহমুদের নির্বাচনী লড়াইয়ের শুরু থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল অত্যন্ত কাছাকাছি। ২০২৫ সালের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত মেয়র নির্বাচনে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী আদম আলহারবি প্রথমে বিজয়ী হন। প্রাথমিক ফলাফলে আলহারবি ছয় ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন। পরে হাতে ভোট পুনর্গণনা করা হলে তাঁর ব্যবধান বেড়ে ১১ ভোটে দাঁড়ায়। পুনর্গণনার ফল অনুযায়ী আলহারবি পেয়েছিলেন ২ হাজার ৭১ ভোট এবং মুহিত মাহমুদ পেয়েছিলেন ২ হাজার ৬০ ভোট।
কিন্তু নির্বাচনের পরপরই সামনে আসে ৩৭টি ডাকযোগে পাঠানো অনুপস্থিত ভোটের ঘটনা। এসব ভোট নির্বাচনের নির্ধারিত গণনায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি। পরে ভোটগুলো নগর কেরানির কার্যালয়ে পাওয়া যায়। ভোটগুলো কেন নির্ধারিত সময়ে গণনা করা হয়নি এবং সেগুলোর সংরক্ষণ ও হস্তান্তরের নিয়ম যথাযথভাবে মানা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। নির্বাচনী কর্মকর্তাদের মধ্যেও ভোটগুলো গণনা করা উচিত কি না, সে বিষয়ে মতবিরোধ দেখা দেয়।
মুহিত মাহমুদ মনে করেন, নির্বাচনে অংশ নেওয়া ভোটারদের ভোট গণনা না করা অন্যায়। কোনো নির্বাচনী কর্মকর্তার ভুলের কারণে সাধারণ ভোটারের ভোটাধিকার নষ্ট হতে পারে না—এই যুক্তিতে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হন। তাঁর পক্ষে আইনজীবী মার্ক ব্রুয়ারও আদালতে ভোটগুলো গণনার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন।
এই আইনি লড়াই কয়েক মাস ধরে চলতে থাকে। মিশিগানের আপিল আদালত বিতর্কিত ভোটগুলো পর্যালোচনা করে গণনায় অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেয়। পরে প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষ বিষয়টি মিশিগানের সর্বোচ্চ আদালতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও গত ১৪ আগস্ট সেই আদালত আবেদন শুনতে অস্বীকৃতি জানায়। এর ফলে ভোটগুলো গণনার পথ আরও পরিষ্কার হয়।

অবশেষে গত ১৬ অক্টোবর ওয়েইন কাউন্টির নির্বাচনী কর্মকর্তারা বাদ পড়া ৩৭টি ভোট গণনা করেন। নতুন গণনায় মুহিত মাহমুদ পান ২ হাজার ৮৯ ভোট। অন্যদিকে আদম আলহারবি পান ২ হাজার ৭৭ ভোট। অর্থাৎ নতুন গণনায় মুহিত মাহমুদ ১২ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে যান। বাদ পড়া ভোটগুলোর মধ্যে ২৯টি ভোট মুহিত মাহমুদের পক্ষে এবং ছয়টি আদম আলহারবির পক্ষে পড়ে। একটি ভোট ছিল অন্য একজন প্রার্থীর জন্য। বাকি একটি ভোটের হিসাবও নতুন গণনার বিবরণে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
তবে ভোট গণনায় এগিয়ে গেলেই মুহিত মাহমুদের মেয়র হওয়া নিশ্চিত হয়ে যায়নি। কারণ তাঁর বসবাসের ঠিকানা নিয়ে আলাদা আইনি আপত্তি তোলা হয়েছিল। আদম আলহারবির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, মুহিত মাহমুদ প্রকৃতপক্ষে হ্যামট্রাম্কে বসবাস করেন না; তিনি মিশিগানের ট্রয় শহরে থাকেন। ফলে নগর সনদ অনুযায়ী মেয়র হওয়ার যোগ্যতা তাঁর নেই বলে দাবি করা হয়।
মুহিত মাহমুদ অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করেন। তাঁর বক্তব্য, তিনি হ্যামট্রাম্কের বাসিন্দা এবং সেখানে তাঁর বাড়ি রয়েছে। তিনি স্থানীয়ভাবে বসবাস করেছেন, কর দিয়েছেন এবং দীর্ঘ সময় নগর পরিষদের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর পক্ষে প্রতিবেশীদের সাক্ষ্যসহ বিভিন্ন তথ্য আদালতে উপস্থাপন করা হয়।
গত ২৯ ও ৩০ অক্টোবর এই বিরোধ নিয়ে আদালতে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি ও সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়া এগিয়ে যায়। ৩০ অক্টোবর বিচারক ক্যাথলিন ম্যাকার্থি রায়ে বলেন, মুহিত মাহমুদ হ্যামট্রাম্কের বাসিন্দা এবং মেয়র পদে দায়িত্ব পালনের যোগ্য। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণ করার মতো যথেষ্ট তথ্য আদালতে পাওয়া যায়নি। বিচারক ওয়েইন কাউন্টির নির্বাচন বোর্ডকে ভোটের ফল প্রত্যয়নের নির্দেশও দেন।
এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় এক বছর ধরে চলা নির্বাচনী বিরোধে মুহিত মাহমুদের জন্য বড় অগ্রগতি তৈরি হয়েছে। আদম আলহারবি ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে মেয়রের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। নতুন ভোট গণনা এবং আদালতের রায়ের পর তাঁর মেয়র পদে থাকা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তবে নির্বাচনের ফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যয়ন এবং ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টিকে পুরোপুরি নিষ্পত্তি হয়েছে বলা ঠিক হবে না।
হ্যামট্রাম্কের নির্বাচন যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমেও গুরুত্ব পেয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ের নির্বাচনবিষয়ক সংবাদমাধ্যমগুলোও এই ঘটনাকে বিশেষভাবে তুলে ধরেছে। বিশেষ করে ৩৭টি ভোটের কারণে প্রায় এক বছর পর একটি নির্বাচনের ফল বদলে যাওয়ার ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় নির্বাচনী ব্যবস্থায় বিরল ও আলোচিত ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এই শহরের আরেকটি বিশেষ দিক হলো, এখানে নির্বাচনী কার্যক্রমে বাংলা ভাষার স্বীকৃত ব্যবহার রয়েছে। মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, হ্যামট্রাম্কে আরবি ও বাংলা ভাষায় নির্বাচনী উপকরণ সরবরাহের ব্যবস্থা রয়েছে। অর্থাৎ ভোটারদের ভাষাগত সুবিধা নিশ্চিত করতে শহরটিতে বাংলা ভাষার ব্যবহার শুধু সামাজিক উদ্যোগ নয়, বরং নির্বাচনী ভাষাসেবা ব্যবস্থারও অংশ। অঙ্গরাজ্যের তথ্য অনুযায়ী, ইংরেজি না জানা বা ভালোভাবে বুঝতে না পারা ভোটাররা ভোট দেওয়ার সময় নিজেদের পছন্দের একজন অনুবাদকের সহায়তা নিতে পারেন, নির্দিষ্ট কিছু শর্ত মেনে।
এই ব্যবস্থা বাংলাদেশি ভোটারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মাতৃভাষায় নির্বাচনী তথ্য বুঝতে পারলে ভোটাররা প্রার্থী, ভোটের নিয়ম, ভোটকেন্দ্র এবং নির্বাচনী অধিকার সম্পর্কে সহজে জানতে পারেন। বিশেষ করে নতুন অভিবাসী, বয়স্ক মানুষ এবং ইংরেজিতে সীমিত দক্ষতাসম্পন্ন ভোটারদের জন্য এ ধরনের ভাষাসেবা ভোটে অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়াতে পারে।
এদিকে মিশিগানে আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনকে ঘিরে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—দুই দলের মধ্যেই জোর প্রচারণা চলছে। কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ কোন দলের হাতে থাকবে, তা নির্ধারণে এবারের নির্বাচন জাতীয় রাজনীতিতে বড় ভূমিকা রাখবে।
বিশেষ করে মিশিগানের সিনেট নির্বাচন জাতীয়ভাবে আলোচনায় রয়েছে। ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদ এবং রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই আসনের ফল যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের দলীয় শক্তির ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে। ডেমোক্র্যাটদের পক্ষ থেকে আবদুল এল-সায়েদের প্রচারে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাসহ গুরুত্বপূর্ণ নেতারা অংশ নিয়েছেন। অন্যদিকে রিপাবলিকান শিবিরও জোর প্রচারণা চালাচ্ছে।
বাংলাদেশি ও দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত ভোটারদের গুরুত্বও মিশিগানের রাজনীতিতে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। অভিবাসননীতি, জীবনযাত্রার ব্যয়, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্বাধীনতার মতো বিষয়গুলো বিভিন্ন অভিবাসী সম্প্রদায়ের ভোটের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে বাংলাদেশি ভোটারদের লক্ষ্য করে নির্দিষ্ট কোনো প্রচারাভিযানের ব্যাপকতা বা সাংগঠনিক পরিসর সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। তাই পুরো নির্বাচনী প্রচারণাকে বাংলাদেশি ভোটারদের কেন্দ্র করে পরিচালিত হচ্ছে বলে নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
তবে মুহিত মাহমুদের নির্বাচনী লড়াই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ভোটারদের রাজনৈতিক গুরুত্ব নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। একজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থী স্থানীয় নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পথে থাকলে তা নতুন প্রজন্মের অভিবাসীদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণের আগ্রহ বাড়াতে পারে। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনে নিজেদের সমস্যা, দাবি ও প্রয়োজন তুলে ধরার সুযোগও তৈরি হতে পারে।

হ্যামট্রাম্কের মতো অভিবাসী অধ্যুষিত শহরে মেয়রের দায়িত্ব শুধু আনুষ্ঠানিক পদ নয়। নগর পরিষদের সিদ্ধান্ত, নগর ব্যবস্থাপনা, জননিরাপত্তা, আবাসন, ব্যবসা-বাণিজ্য, রাস্তা ও নাগরিক সেবার মতো বিষয়গুলোর সঙ্গে মেয়র ও নগর প্রশাসনের সম্পর্ক রয়েছে। শহরটিতে মেয়র-নগর ব্যবস্থাপকভিত্তিক শাসনব্যবস্থা থাকায় নগর ব্যবস্থাপকেরও দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ফলে নতুন মেয়র দায়িত্ব নিলে বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের প্রত্যাশার পাশাপাশি পুরো শহরের বাসিন্দাদের প্রয়োজন ও স্বার্থ বিবেচনা করতে হবে। 
সব মিলিয়ে মুহিত মাহমুদের এই আইনি ও নির্বাচনী লড়াই মিশিগানের বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ৩৭টি ভোটের পুনর্গণনা, আদালতের রায় এবং বসবাসের যোগ্যতা নিয়ে বিরোধের নিষ্পত্তি—সবকিছু মিলিয়ে প্রায় এক বছর পর নির্বাচনের ফল নতুন মোড় নিয়েছে। এখন আনুষ্ঠানিক ফল প্রত্যয়ন ও দায়িত্ব হস্তান্তরের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও বাংলাদেশি অভিবাসীরা।
যদি সব আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে তিনি মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তাহলে হ্যামট্রাম্কের ইতিহাসে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মেয়র হিসেবে নতুন অধ্যায় তৈরি করবেন মুহিত মাহমুদ। তাঁর এই অগ্রযাত্রা যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি অভিবাসীদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের ইতিহাসেও উল্লেখযোগ্য ঘটনা হয়ে থাকবে।


ট্যাগ: হ্যামট্রাম্কমুহিত মাহমুদমিশিগানবাংলাদেশি আমেরিকানবাংলাদেশি অভিবাসীযুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনমেয়র নির্বাচনপ্রবাসী বাংলাদেশিবাংলা ভাষায় ভোটডেট্রয়েট।

প্রতিবেদক

Desk Report

Reporter

মন্তব্য ০

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সিএসবি নিউজ ইউএসএ ফলো করুন

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।