সরাসরি মানচিত্র, পূর্বাভাস ও জরিপের গড়: PoliAgg (CC BY-SA 4.0)

পূর্ণ ফলাফল, মানচিত্র ও জরিপ
ব্রেকিং
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাসের নতুন সেবা শিবির, ছুটি ও শিক্ষার্থীদের ঘটনায় বিজ্ঞপ্তিট্রাম্পের রাতের ফোনে ঘুম হারাম, অনুকরণ করে হাসালেন স্পিকার মাইক জনসনফ্লোরিডায় যাত্রীবাহী ব্যক্তিগত বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৯ আরোহটেক্সাসে আবাসন সুবিধা, ক্যালিফোর্নিয়ায় সেবার চাহিদা - দুই স্টেটেই চাঙ্গা প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিযুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের চার বছর মেয়াদি ভিসা নিয়ম আদালতের আদেশে আপাতত স্থগিত

মুসলিম ব্রাদারহুডের তিন শাখাকে সন্ত্রাসী তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র, আর্থিক নিষেধাজ্ঞা জারি

ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন পদক্ষেপে মুসলিম ব্রাদারহুডের কয়েকটি শাখার সম্পদ জব্দ ও অর্থ লেনদেনে নিষেধাজ্ঞা এসেছে, আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বাড়ছে নতুন বিতর্ক।

মুসলিম ব্রাদারহুডের তিন শাখাকে সন্ত্রাসী তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র, আর্থিক নিষেধাজ্ঞা জারি
মুসলিম ব্রাদারহুডের তিন শাখাকে সন্ত্রাসী তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র, আর্থিক নিষেধাজ্ঞা জারি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন মুসলিম ব্রাদারহুডের কয়েকটি শাখার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই খবরের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পরিষ্কার করা প্রয়োজন। ট্রাম্প পুরো মুসলিম ব্রাদারহুডকে এককভাবে বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা করেননি। বরং বিভিন্ন দেশের নির্দিষ্ট শাখাকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিয়েছেন।
২০২৫ সালের ২৪ নভেম্বর ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন। ওই আদেশে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টকে মুসলিম ব্রাদারহুডের নির্দিষ্ট কয়েকটি শাখার বিষয়ে পর্যালোচনা করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। বিশেষ করে লেবানন, মিসর ও জর্ডানের শাখাগুলোকে বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন অথবা বিশেষভাবে চিহ্নিত বৈশ্বিক সন্ত্রাসী হিসেবে তালিকাভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করতে বলা হয়েছিল।
পরবর্তী সময়ে ২০২৬ সালের ১৩ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র ও অর্থ বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে পদক্ষেপ ঘোষণা করে। এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সম্পন্ন হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র বিভাগ লেবাননের মুসলিম ব্রাদারহুডকে বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন এবং বিশেষভাবে চিহ্নিত বৈশ্বিক সন্ত্রাসী হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। সংগঠনটি লেবাননে আল-জামাআ আল-ইসলামিয়া নামেও পরিচিত। একই সঙ্গে সংগঠনটির মহাসচিব মুহাম্মদ ফাওজি তাক্কুশকেও বিশেষভাবে চিহ্নিত বৈশ্বিক সন্ত্রাসী হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ বিভাগ মিসর ও জর্ডানের মুসলিম ব্রাদারহুড শাখাকে বিশেষভাবে চিহ্নিত বৈশ্বিক সন্ত্রাসী হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। তাদের বিরুদ্ধে হামাসকে আর্থিক ও অন্যান্য সহায়তা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়।
এই পদক্ষেপের ফলে তিনটি দেশের সংগঠনগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে। তবে তিনটি শাখার বিরুদ্ধে একই ধরনের আইনি শ্রেণিবিন্যাস প্রয়োগ করা হয়নি। লেবাননের শাখা বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকায় এসেছে। মিসর ও জর্ডানের শাখা অর্থ বিভাগের বিশেষ নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এই পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দুই ধরনের তালিকাভুক্তির আইনি প্রভাব এক নয়।
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ বিভাগের ঘোষণা অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত ব্যক্তি ও সংগঠনের যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সম্পদ কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক বা প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে থাকা সম্পদ জব্দ থাকবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এসব সম্পদের তথ্য জানাতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক, প্রতিষ্ঠান এবং দেশটির আর্থিক ব্যবস্থার আওতায় থাকা ব্যক্তিদের জন্য তালিকাভুক্ত সংগঠনগুলোর সঙ্গে অধিকাংশ আর্থিক লেনদেন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এমনকি তালিকাভুক্ত সংগঠনের সুবিধার জন্য অর্থ, পণ্য কিংবা সেবা সরবরাহের ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হতে পারে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে দেওয়ানি ও ফৌজদারি শাস্তির ঝুঁকি রয়েছে। কোনো বিদেশি আর্থিক প্রতিষ্ঠান নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ লেনদেনে যুক্ত হলে তার বিরুদ্ধেও পরোক্ষ নিষেধাজ্ঞা আরোপের সুযোগ রয়েছে। তবে অনুমোদিত ব্যতিক্রম বা বিশেষ লাইসেন্সের বিষয়ও আইনে রয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন কয়েকটি নিরাপত্তাসংক্রান্ত অভিযোগ তুলে ধরেছে। তাদের দাবি, মুসলিম ব্রাদারহুডের নির্দিষ্ট কয়েকটি শাখা হামাসকে বিভিন্নভাবে সহায়তা করেছে। বিশেষ করে অর্থ সংগ্রহ, যোগাযোগ এবং অন্যান্য সহযোগিতার মাধ্যমে তারা হামাসের কার্যক্রমে ভূমিকা রেখেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
লেবাননের শাখার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর সংগঠনটির সশস্ত্র শাখা আল-ফজর বাহিনী সক্রিয় হয়। এরপর হিজবুল্লাহ ও হামাসের সঙ্গে সমন্বয় করে উত্তর ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে রকেট হামলায় অংশ নেয়। ২০২৪ সালের মার্চে ইসরায়েলি বাহিনী ওই সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যদের লক্ষ্য করে অভিযান চালায় বলেও যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়েছে।
মিসরের শাখার বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০২৫ সালে সংগঠনটির কিছু নেতা হামাসের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে মিসরের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ বিভাগের দাবি, সংগঠনটির সদস্যরা হামাসের যোদ্ধাদের সহায়তা এবং তাদের কাছে অর্থ ও অন্যান্য সহযোগিতা পৌঁছে দেওয়ার কাজে যুক্ত ছিলেন।
জর্ডানের শাখার ক্ষেত্রেও যুক্তরাষ্ট্র একই ধরনের অভিযোগ করেছে। দেশটির অর্থ বিভাগের দাবি, সংগঠনটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যক্তি অস্ত্র, বিস্ফোরক ও চালকবিহীন আকাশযান তৈরির কার্যক্রম এবং নিয়োগসংক্রান্ত কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে মিসর ও জর্ডানের শাখার বিরুদ্ধে আর্থিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। তবে এগুলো যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অভিযোগ ও মূল্যায়ন; প্রতিটি অভিযোগকে স্বাধীনভাবে প্রমাণিত বিচারিক সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না।

এখানে মুসলিম ব্রাদারহুডের ইতিহাসও গুরুত্বপূর্ণ। সংগঠনটি ১৯২৮ সালে মিসরে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন হাসান আল-বান্না। শুরুতে এটি একটি ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কার আন্দোলন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। পরবর্তী সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে সংগঠনটির রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব বিস্তৃত হয়। বিভিন্ন দেশে এর অনুসারী, রাজনৈতিক দল এবং সহযোগী সংগঠন গড়ে ওঠে।
তবে সংগঠনটির বিভিন্ন শাখার রাজনৈতিক অবস্থান ও কর্মকাণ্ড একরকম নয়। কোথাও তারা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত, কোথাও সামাজিক সেবামূলক কাজ করেছে, আবার কিছু শাখার বিরুদ্ধে সশস্ত্র কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এ কারণেই পুরো আন্তর্জাতিক সংগঠনকে একটি অভিন্ন কাঠামো হিসেবে বিবেচনা করে নিষিদ্ধ করার পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্র নির্দিষ্ট শাখার বিরুদ্ধে পৃথক ব্যবস্থা নিয়েছে।
এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও মতবিরোধ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন মনে করছে, নির্দিষ্ট শাখাগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলে তাদের অর্থায়ন ও কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা কমানো সম্ভব হবে। অন্যদিকে মানবাধিকার ও নাগরিক সমাজের কয়েকটি সংগঠন আশঙ্কা প্রকাশ করেছে, এ ধরনের নিষেধাজ্ঞার কারণে বৈধ সামাজিক কর্মকাণ্ড, মানবিক সহায়তা এবং রাজনৈতিক অধিকার নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠানও সমস্যায় পড়তে পারে।
বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে শরণার্থী সহায়তা, মানবাধিকার রক্ষা এবং গণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য নতুন আইনি জটিলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কারণ কোনো নিষিদ্ধ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ উঠলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্ত কিংবা নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

এই সিদ্ধান্তের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা। যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ব্যবস্থা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। ফলে কোনো সংগঠনের সম্পদ যুক্তরাষ্ট্রের এখতিয়ারে না থাকলেও আন্তর্জাতিক লেনদেনে মার্কিন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সংযোগ থাকলে নিষেধাজ্ঞার প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে মার্কিন ডলারে লেনদেন, আন্তর্জাতিক অর্থ স্থানান্তর এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকিং কার্যক্রমে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন হতে পারে।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত দাবির মতো মুসলিম ব্রাদারহুডের সব দেশের সব শাখার অর্থায়ন বন্ধ হয়ে গেছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। নিষেধাজ্ঞা নির্দিষ্ট তালিকাভুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তাদের সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির ক্ষেত্রেও মালিকানা, নিয়ন্ত্রণ এবং লেনদেনের ধরন অনুযায়ী আইনি প্রভাব নির্ধারিত হবে।
২০২৬ সালের ৯ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন সুদানের মুসলিম ব্রাদারহুডের বিরুদ্ধেও নতুন পদক্ষেপ ঘোষণা করে। দেশটির ওই সংগঠনকে বিশেষভাবে চিহ্নিত বৈশ্বিক সন্ত্রাসী হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয় এবং ১৬ মার্চ থেকে বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে শ্রেণিবিন্যাস কার্যকর করার ঘোষণা দেওয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ ছিল, সংগঠনটি ইরানের কাছ থেকে সহায়তা পাচ্ছে এবং সুদানের বেসামরিক মানুষের বিরুদ্ধে সহিংসতায় যুক্ত। এ ঘটনাও দেখায় যে ট্রাম্প প্রশাসন দেশভিত্তিক শাখাগুলোর বিরুদ্ধে আলাদাভাবে পদক্ষেপ এগিয়ে নিচ্ছে।

বাংলাদেশসহ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর জন্যও বিষয়টি পর্যবেক্ষণের দাবি রাখে। কারণ আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রভাব, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক এবং যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসবিরোধী নীতির পরিবর্তন আঞ্চলিক কূটনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তের কারণে বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক দল, সংগঠন বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে—এমন কোনো তথ্য এখানে পাওয়া যায়নি।
যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্যও বিষয়টি বোঝা জরুরি। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি তালিকাভুক্ত সংগঠনের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনে যুক্ত হন, তাহলে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আইনের আওতায় জটিলতা তৈরি হতে পারে। তবে শুধু ধর্মীয় পরিচয়, রাজনৈতিক মতামত কিংবা কোনো সংগঠনের সঙ্গে আদর্শগত মিল থাকার কারণে কাউকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সন্ত্রাসী হিসেবে গণ্য করা হয় না। নিষেধাজ্ঞা নির্দিষ্ট তালিকা, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ভূমিকা এবং প্রযোজ্য আইনের ভিত্তিতে কার্যকর হয়।


ট্যাগ: ডোনাল্ড ট্রাম্পমুসলিম ব্রাদারহুডযুক্তরাষ্ট্রমার্কো রুবিওসন্ত্রাসী সংগঠনআন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞামধ্যপ্রাচ্যহামাসঅর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞাযুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিলেবাননমিসরজর্ডানসুদান।

প্রতিবেদক

Desk Report

Reporter

মন্তব্য ০

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সিএসবি নিউজ ইউএসএ ফলো করুন

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।