সরাসরি মানচিত্র, পূর্বাভাস ও জরিপের গড়: PoliAgg (CC BY-SA 4.0)

পূর্ণ ফলাফল, মানচিত্র ও জরিপ
ব্রেকিং
দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে হ্যামট্রাম্কের প্রথম বাংলাদেশি মেয়র হওয়ার পথে মুহিত মাহমুদমামদানির নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ, নিউইয়র্কে সক্রিয় বাংলাদেশি ও মুসলিম প্রবাসীরাবাংলাদেশ বিমানের নামে ভুয়া নিয়োগ ফরম, ব্যক্তিগত তথ্য ও টাকা না দিতে সতর্কতাভুয়া চাকরির প্রলোভনে করপোরেট তথ্য চুরি, ২৩২ ওয়েবসাইট নিয়ে সাইবার হামলাচাকরি হারালে বিদেশি কর্মীদের ৬০ দিনের থাকার সুযোগ বাতিলের প্রস্তাব ট্রাম্প প্রশাসনের

ভুয়া চাকরির প্রলোভনে করপোরেট তথ্য চুরি, ২৩২ ওয়েবসাইট নিয়ে সাইবার হামলা

চাকরির সাক্ষাৎকারের আমন্ত্রণের আড়ালে গুগলের করপোরেট অ্যাকাউন্ট ও গোপন তথ্য চুরি করছে প্রতারক চক্র, সতর্ক থাকার পরামর্শ সাইবার বিশেষজ্ঞদের।

ভুয়া চাকরির প্রলোভনে করপোরেট তথ্য চুরি, ২৩২ ওয়েবসাইট নিয়ে সাইবার হামলা
ভুয়া চাকরির প্রলোভনে করপোরেট তথ্য চুরি, ২৩২ ওয়েবসাইট নিয়ে সাইবার হামলা

যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চাকরিপ্রার্থীদের লক্ষ্য করে পরিচালিত হচ্ছে একটি সংঘবদ্ধ সাইবার প্রতারণা অভিযান। চাকরির সুযোগ, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কিংবা সাক্ষাৎকারের আমন্ত্রণকে ব্যবহার করে মানুষের গুরুত্বপূর্ণ করপোরেট তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে প্রতারকরা। বিশেষ করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মী, চাকরিপ্রার্থী এবং নিয়োগসংক্রান্ত কাজে যুক্ত ব্যক্তিরা এই প্রতারণার ঝুঁকিতে রয়েছেন। সাইবার নিরাপত্তা গবেষকেরা এই অভিযানকে ‘অপারেশন ফেইক কিকঅফ’ নামে চিহ্নিত করেছেন।
গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতারক চক্র চাকরির বিজ্ঞপ্তি এবং সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণের মতো পরিচিত প্রক্রিয়াকে ব্যবহার করে ভুয়া ওয়েবসাইট তৈরি করেছে। এসব ওয়েবসাইট দেখতে অনেকটা বড় প্রতিষ্ঠানের নিয়োগসংক্রান্ত ওয়েবসাইটের মতো। কোথাও প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ডের নাম, কোথাও নিয়োগ কর্মকর্তার ছবি, আবার কোথাও সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ফলে সাধারণ চাকরিপ্রার্থীর পক্ষে প্রথম দেখায় প্রতারণা শনাক্ত করা কঠিন হতে পারে।
এই অভিযানে ব্যবহৃত ওয়েবসাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে adidas-hiring.com এবং fifahr-careers.com। ওয়েব ঠিকানাগুলোতে পরিচিত প্রতিষ্ঠানের নামের সঙ্গে চাকরি, নিয়োগ এবং কর্মসংস্থানসংক্রান্ত শব্দ যুক্ত করা হয়েছে। উদ্দেশ্য হলো, চাকরিপ্রার্থীর কাছে ওয়েবসাইটগুলোকে বিশ্বাসযোগ্য করে তোলা।
ইন্টেল ৪৭১-এর ১৫ জুলাই প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই প্রতারণা অভিযান অন্তত ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে সক্রিয় রয়েছে। গবেষকেরা ২৩২টি প্রতারণামূলক ওয়েব ঠিকানা শনাক্ত করেছেন। এসব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ১৫টি শিল্প খাতের ৫২টি প্রতিষ্ঠানের পরিচয় ব্যবহার করা হয়েছে। মানবসম্পদ ও কর্মী নিয়োগসংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানগুলো ছিল প্রতারকদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। শনাক্ত করা প্রতারণামূলক অবকাঠামোর প্রায় ৫৪ শতাংশ এই খাতের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
গবেষণায় আরও উঠে এসেছে, প্রতারকেরা শুধু ভুয়া ওয়েবসাইট তৈরি করেই থেমে থাকেনি। তারা বিভিন্ন বৈধ ইন্টারনেটভিত্তিক সেবা ব্যবহার করে চাকরিপ্রার্থীদের কাছে প্রতারণামূলক বার্তা পাঠিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সেলসফোর্স, সেন্ডগ্রিড এবং জোহোর মতো পরিচিত বার্তা ও বিপণনসেবা। এসব প্রতিষ্ঠানের বৈধ ব্যবস্থার অপব্যবহার করে প্রতারণামূলক ইমেইল পাঠানো হয়েছে। ফলে বার্তাটি পরিচিত কোনো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এসেছে মনে হলেও এর ভেতরে থাকা সংযোগ বিপজ্জনক হতে পারে।

প্রতারণার প্রক্রিয়াটি সাধারণত শুরু হয় একটি চাকরির প্রস্তাব বা সাক্ষাৎকারের আমন্ত্রণ দিয়ে। চাকরিপ্রার্থীকে জানানো হয়, তিনি একটি প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপে নির্বাচিত হয়েছেন। এরপর তাকে সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণের জন্য একটি ওয়েবসাইটে যেতে বলা হয়। সেখানে পরিচিত অনলাইন ক্যালেন্ডার বা সাক্ষাৎকার নির্ধারণের সেবার মতো একটি পৃষ্ঠা দেখানো হয়।
ওই পৃষ্ঠায় প্রবেশের পর চাকরিপ্রার্থীকে নিজের কর্মক্ষেত্রের ইমেইল ঠিকানা দিয়ে প্রবেশ করতে বলা হয়। এরপর গুগলের মাধ্যমে পরিচয় যাচাই করার একটি ব্যবস্থা দেখানো হয়। সাধারণত বড় প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা গুগল ওয়ার্কস্পেস ব্যবহার করে অফিসের ইমেইল, নথি, ক্যালেন্ডার এবং অন্যান্য কাজ পরিচালনা করেন। প্রতারকেরা এই পরিচিত ব্যবস্থার সুযোগ নিচ্ছে।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, প্রতারকেরা গুগলের আসল প্রবেশপৃষ্ঠার মতো দেখতে নকল পর্দা তৈরি করেছে। এটি এমনভাবে সাজানো হয়, যাতে ব্যবহারকারীর মনে হয় তিনি গুগলের নিজস্ব নিরাপদ প্রবেশব্যবস্থায় ঢুকেছেন। কিন্তু বাস্তবে সেটি প্রতারকদের নিয়ন্ত্রণে থাকা ওয়েবসাইটের ভেতরে তৈরি করা একটি নকল পর্দা।
সাইবার নিরাপত্তার ভাষায় এই পদ্ধতিকে ব্রাউজারের ভেতরে ব্রাউজার কৌশল বলা হয়। এতে ভুয়া ওয়েবসাইটের মধ্যেই আরেকটি আসল ব্রাউজার উইন্ডোর মতো দেখতে পর্দা তৈরি করা হয়। সাধারণ ব্যবহারকারী সেটিকে আসল গুগল প্রবেশপৃষ্ঠার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলতে পারেন।
ব্যবহারকারী সেখানে নিজের ইমেইল ঠিকানা ও পাসওয়ার্ড লিখলে তথ্যগুলো প্রতারকদের হাতে চলে যেতে পারে। শুধু পাসওয়ার্ড চুরি করাই তাদের উদ্দেশ্য নয়। তারা ব্যবহারকারীর প্রবেশের সময় তৈরি হওয়া নিরাপত্তাসংক্রান্ত তথ্য এবং সক্রিয় সেশনের পরিচয়চিহ্নও সংগ্রহের চেষ্টা করে।

এখানেই শেষ নয়। অনেক প্রতিষ্ঠান কর্মীদের অ্যাকাউন্ট সুরক্ষায় দ্বিস্তরীয় যাচাই ব্যবস্থা ব্যবহার করে। এই ব্যবস্থায় পাসওয়ার্ড দেওয়ার পর মোবাইলে পাঠানো সংকেত, বিশেষ যাচাইকরণ নম্বর অথবা অনুমোদনের অনুরোধ গ্রহণ করতে হয়। সাধারণত এটি অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা বাড়ায়।
কিন্তু এই প্রতারণা অভিযানে এমন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে পাওয়া যাচাইকরণ সংকেতও দ্রুত সংগ্রহ করতে পারে। ইমেইল, খুদে বার্তা, যাচাইকরণ অ্যাপ এবং গুগলের অনুমোদন বার্তার মাধ্যমে আসা নিরাপত্তাসংক্রান্ত তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার জন্য আলাদা ব্যবস্থা থাকার কথা গবেষণায় উঠে এসেছে।
এর ফলে ব্যবহারকারী পাসওয়ার্ডের পাশাপাশি দ্বিতীয় স্তরের নিরাপত্তা যাচাইও সম্পন্ন করে ফেলতে পারেন, অথচ প্রতারকেরা একই সময়ে সেই তথ্য ব্যবহার করে তার অ্যাকাউন্টে প্রবেশের চেষ্টা করে। এ ধরনের আক্রমণকে মধ্যস্থতাকারীভিত্তিক ফিশিং বলা হয়। এতে ব্যবহারকারী এবং প্রকৃত সেবার মধ্যবর্তী অবস্থানে থেকে প্রতারক তথ্য সংগ্রহ করে।

ইন্টেল ৪৭১-এর গবেষণায় ৮০টি নিয়ন্ত্রণ ও তথ্য সংগ্রহের সার্ভারের সন্ধান পাওয়া গেছে। এসব সার্ভারের একটি বড় অংশ রেন্ডার নামের বৈধ মেঘভিত্তিক সেবা ব্যবস্থায় পরিচালিত হয়েছে। চুরি করা তথ্য পরে টেলিগ্রাম বটের মাধ্যমে প্রতারকদের কাছে পাঠানোর প্রমাণও গবেষকেরা পেয়েছেন। অর্থাৎ, সাধারণ মানুষের কাছে পরিচিত বৈধ প্রযুক্তি ও সেবাকেও অপরাধীরা নিজেদের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে।
এই অভিযানে শুধু গুগলের অ্যাকাউন্টই নয়, কিছু প্রতারণামূলক পৃষ্ঠায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টের তথ্য সংগ্রহের ব্যবস্থাও পাওয়া গেছে। তবে মূল লক্ষ্য ছিল বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের করপোরেট ইমেইল ও সংশ্লিষ্ট কর্মক্ষেত্রের অ্যাকাউন্ট।
গবেষকদের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, প্রতারণামূলক পৃষ্ঠাগুলোতে সাধারণ ব্যক্তিগত ইমেইল সেবার ঠিকানা অনেক ক্ষেত্রে গ্রহণ করা হতো না। বরং চাকরিপ্রার্থীদের প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ইমেইল ব্যবহার করতে উৎসাহিত করা হতো। এতে বোঝা যায়, প্রতারকদের আগ্রহ শুধু ব্যক্তিগত তথ্য চুরিতে সীমাবদ্ধ নয়; তারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগব্যবস্থায় প্রবেশের সুযোগ খুঁজছিল।
এই ধরনের অ্যাকাউন্ট একবার হাতিয়ে নিতে পারলে প্রতারকেরা প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ নথি, কর্মীদের ব্যক্তিগত তথ্য, ব্যবসায়িক যোগাযোগ এবং অভ্যন্তরীণ বার্তা দেখার সুযোগ পেতে পারে। কোনো প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে অন্য কর্মীদের কাছেও প্রতারণামূলক বার্তা পাঠানো সম্ভব। ফলে একটি অ্যাকাউন্ট আক্রান্ত হলে পুরো প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে মানুষের আগ্রহকেও কাজে লাগানো হয়েছে। ফিফার নাম ব্যবহার করে ভুয়া নিয়োগসংক্রান্ত ওয়েবসাইট তৈরি করা হয়েছে। চাকরিপ্রার্থীদের কাছে এমন ধারণা দেওয়া হয়েছে যে তারা আন্তর্জাতিক একটি প্রতিষ্ঠানে কাজের সুযোগ পেতে পারেন। কিন্তু পরিচিত প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করলেই কোনো চাকরির বিজ্ঞপ্তি সত্য হয়ে যায় না।
নরটনের গবেষকেরাও ২০২৬ সালের জুনে ফিফার নাম ব্যবহার করে ভুয়া নিয়োগসংক্রান্ত ওয়েবসাইটের বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। তাদের পর্যবেক্ষণেও দেখা যায়, নকল সাক্ষাৎকারের আমন্ত্রণ এবং গুগলের মতো দেখতে প্রবেশপৃষ্ঠার মাধ্যমে চাকরিপ্রার্থীদের তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, কোনো চাকরির প্রস্তাব পেলে প্রথমেই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ওয়েবসাইটে গিয়ে নিয়োগসংক্রান্ত তথ্য যাচাই করতে হবে। ইমেইলে পাঠানো সংযোগে ক্লিক করার আগে ওয়েব ঠিকানাটি ভালোভাবে পরীক্ষা করা জরুরি। পরিচিত প্রতিষ্ঠানের নাম থাকলেও ঠিকানার বানান, অতিরিক্ত শব্দ এবং ওয়েবসাইটের মূল পরিচয় যাচাই করতে হবে।
বিশেষ করে adidas-hiring.com বা fifahr-careers.com-এর মতো অপরিচিত ঠিকানায় করপোরেট ইমেইল, পাসওয়ার্ড কিংবা নিরাপত্তা যাচাইকরণ নম্বর দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। এসব ঠিকানাকে গবেষকেরা এই অভিযানের সঙ্গে যুক্ত প্রতারণামূলক ঠিকানা হিসেবে শনাক্ত করেছেন। তবে একই নামের সব ওয়েবসাইট বা নতুন কোনো ঠিকানা সম্পর্কে যাচাই ছাড়া সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়।
কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরির সাক্ষাৎকারের আমন্ত্রণ এলে সেই প্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত যোগাযোগের ঠিকানা ব্যবহার করে নিয়োগ কর্মকর্তার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা ভালো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাওয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্ষেত্রেও একই সতর্কতা প্রয়োজন। কোনো নিয়োগকর্তা পরিচিত ব্যক্তির ছবি বা নাম ব্যবহার করলেই বার্তাটি তার কাছ থেকে এসেছে, এমন নিশ্চয়তা নেই।
নিরাপত্তা বাড়াতে সম্ভব হলে পাসকি বা নিরাপত্তা চাবিভিত্তিক প্রবেশব্যবস্থা ব্যবহার করা উচিত। এগুলো নকল ওয়েবসাইটে পাসওয়ার্ড দেওয়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগকে নতুন ও সন্দেহজনক ওয়েব ঠিকানা পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং কর্মীদের নিয়মিত সচেতন করতে হবে।
যদি কেউ ভুল করে এমন ওয়েবসাইটে নিজের পাসওয়ার্ড দিয়ে থাকেন, তাহলে দ্রুত প্রকৃত গুগল ওয়েবসাইট বা প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত নিরাপদ ব্যবস্থার মাধ্যমে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করতে হবে। সব সক্রিয় সেশন থেকে বের হয়ে যেতে হবে, সন্দেহজনক প্রবেশের ইতিহাস পরীক্ষা করতে হবে এবং প্রতিষ্ঠানের তথ্যপ্রযুক্তি বা নিরাপত্তা বিভাগকে জানাতে হবে। শুধু পাসওয়ার্ড বদলালেই সব ঝুঁকি শেষ হয়ে যায় না, কারণ প্রতারকেরা সক্রিয় সেশনের তথ্যও চুরি করে থাকতে পারে।

অপারেশন ফেইক কিকঅফের ঘটনাটি দেখিয়ে দিয়েছে, অনলাইনে চাকরি খোঁজার সময় শুধু প্রতিষ্ঠানের নাম ও আকর্ষণীয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখে বিশ্বাস করা নিরাপদ নয়। বিশেষ করে বিদেশে চাকরি খুঁজছেন এমন প্রবাসী বাংলাদেশি, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের বাড়তি সতর্ক থাকা প্রয়োজন। একটি ভুল সংযোগে প্রবেশ করে দেওয়া করপোরেট পাসওয়ার্ড শুধু ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট নয়, পুরো প্রতিষ্ঠানের তথ্য ও নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।


ট্যাগ: সাইবার নিরাপত্তাঅনলাইন প্রতারণাভুয়া চাকরির বিজ্ঞপ্তিগুগল অ্যাকাউন্টতথ্য চুরিপ্রবাসী বাংলাদেশিচাকরিপ্রার্থীইন্টারনেট নিরাপত্তাফিশিং হামলা।

প্রতিবেদক

Desk Report

Reporter

মন্তব্য ০

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সিএসবি নিউজ ইউএসএ ফলো করুন

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।