সরাসরি মানচিত্র, পূর্বাভাস ও জরিপের গড়: PoliAgg (CC BY-SA 4.0)

পূর্ণ ফলাফল, মানচিত্র ও জরিপ
ব্রেকিং
দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে হ্যামট্রাম্কের প্রথম বাংলাদেশি মেয়র হওয়ার পথে মুহিত মাহমুদমামদানির নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ, নিউইয়র্কে সক্রিয় বাংলাদেশি ও মুসলিম প্রবাসীরাবাংলাদেশ বিমানের নামে ভুয়া নিয়োগ ফরম, ব্যক্তিগত তথ্য ও টাকা না দিতে সতর্কতাভুয়া চাকরির প্রলোভনে করপোরেট তথ্য চুরি, ২৩২ ওয়েবসাইট নিয়ে সাইবার হামলাচাকরি হারালে বিদেশি কর্মীদের ৬০ দিনের থাকার সুযোগ বাতিলের প্রস্তাব ট্রাম্প প্রশাসনের

অংশ: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন ২০২৬

ট্রাম্পের প্রশংসা, ডেমোক্র্যাট শিবিরে বিদ্রোহ; দলীয় প্রার্থীকে বাদ দিয়ে প্রতিপক্ষের পাশে হ্যালি স্টিভেন্স

মিশিগানে রিপাবলিকান প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে নিজ দলের নেতাদের ক্ষোভের মুখে হ্যালি স্টিভেন্স; তাঁর সিদ্ধান্তে নির্বাচনের আগে নতুন রাজনৈতিক সংকট তৈরি হয়েছে।

ট্রাম্পের প্রশংসা, ডেমোক্র্যাট শিবিরে বিদ্রোহ; দলীয় প্রার্থীকে বাদ দিয়ে প্রতিপক্ষের পাশে হ্যালি স্টিভেন্স
ট্রাম্পের প্রশংসা, ডেমোক্র্যাট শিবিরে বিদ্রোহ; দলীয় প্রার্থীকে বাদ দিয়ে প্রতিপক্ষের পাশে হ্যালি স্টিভেন্স

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সিনেট নির্বাচনকে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ডেমোক্র্যাট দলের প্রতিনিধি হ্যালি স্টিভেন্স নিজ দলের প্রার্থী আবদুল এল-সাইয়েদের পরিবর্তে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে সমর্থন জানিয়ে দেশটির রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। নির্বাচনের মাত্র দুই দিন আগে তাঁর এই সিদ্ধান্তে ডেমোক্র্যাট শিবিরে ক্ষোভ, হতাশা ও বিভক্তি দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্টিভেন্সের সিদ্ধান্তকে সাহসী পদক্ষেপ হিসেবে প্রশংসা করেছেন।
১ নভেম্বর রোববার ডেট্রয়েট শহরে মাইক রজার্সের সঙ্গে একটি গির্জার অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন হ্যালি স্টিভেন্স। পরে তিনি প্রকাশ্যে রজার্সের প্রতি সমর্থন জানান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে স্টিভেন্স বলেন, ডেমোক্র্যাটদের মনোনীত প্রার্থী আবদুল এল-সাইয়েদ তাঁকে তাঁর নির্বাচনী প্রচার থেকে দূরে থাকতে বলেছেন। তাই তিনি রজার্সকে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
স্টিভেন্সের এই ঘোষণা শুধু একটি রাজনৈতিক সমর্থন পরিবর্তনের ঘটনা নয়; বরং মিশিগানের ডেমোক্র্যাট রাজনীতির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বকে প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছে। কারণ কয়েক মাস আগেও তিনি নিজেই এই আসনে ডেমোক্র্যাট দলের মনোনয়ন পাওয়ার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। আগস্টে অনুষ্ঠিত দলীয় প্রাথমিক নির্বাচনে অল্প ব্যবধানে আবদুল এল-সাইয়েদের কাছে পরাজিত হন তিনি।
এরপরও স্টিভেন্স জানিয়েছিলেন, সাধারণ নির্বাচনে তিনি নিজের দলের প্রার্থীকে সহযোগিতা করবেন। এমনকি গত সপ্তাহেও তিনি সংবাদমাধ্যমে এল-সাইয়েদের প্রতি সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছিলেন। কিন্তু কয়েক দিনের ব্যবধানে তাঁর অবস্থান পুরোপুরি বদলে যায়।

বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্টিভেন্সের সিদ্ধান্তে ডেমোক্র্যাট নেতারা বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতারা এটিকে রাজনৈতিক বিশ্বাসের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে দেখছেন। সিনেটের ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমারও স্টিভেন্সের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন।
শুমার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে এই সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত নিন্দনীয় বিশ্বাসঘাতকতা বলে উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, মিশিগানের এই নির্বাচন ডেমোক্র্যাটদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন সময়ে দলের একজন পরিচিত প্রতিনিধি বিরোধী প্রার্থীকে সমর্থন করায় নির্বাচনী প্রচারে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
হ্যালি স্টিভেন্সের দীর্ঘদিনের প্রধান সহকারী জাস্টিন জার্মানও তাঁর সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে পদত্যাগ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, স্টিভেন্সের এই অবস্থান পরিবর্তনে তিনি এবং তাঁর সহকর্মীরা বিস্মিত ও মর্মাহত। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, নির্বাচনী দলের একাধিক সদস্যও পদত্যাগ করেছেন।

এদিকে মিশিগান ডেমোক্র্যাটিক পার্টির চেয়ারম্যান কার্টিস হার্টেল আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, হ্যালি স্টিভেন্স বর্তমানে মিশিগান ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সদস্য নন এবং ভবিষ্যতেও তাঁকে দলের সদস্য হিসেবে দেখা যাবে না।
এই বক্তব্যের পর যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে, স্টিভেন্স কি শেষ পর্যন্ত রিপাবলিকান দলে যোগ দেবেন? তবে এখন পর্যন্ত তাঁর দল পরিবর্তনের কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়া যায়নি। তিনি রিপাবলিকান প্রার্থীকে সমর্থন করেছেন বলেই তাঁকে জাতীয় পর্যায়ে ডেমোক্র্যাট দল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে, এমন সিদ্ধান্তেও পৌঁছানো যাবে না।
এই রাজনৈতিক বিরোধের পেছনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। বিশেষ করে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত, নির্বাচনী প্রচারে ব্যবহৃত বিজ্ঞাপন এবং আবদুল এল-সাইয়েদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে দুই নেতার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মতবিরোধ চলছিল।
স্টিভেন্স ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসছেন। অন্যদিকে এল-সাইয়েদ যুক্তরাষ্ট্রের ইসরায়েলনীতির সমালোচক হিসেবে পরিচিত। নির্বাচনী প্রচারের শেষ পর্যায়ে একটি স্বাধীন রাজনৈতিক সংগঠনের বিজ্ঞাপন নিয়ে তাঁদের বিরোধ আরও বেড়ে যায়। বিজ্ঞাপনটিতে ইসরায়েলকে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার সঙ্গে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছিল। বিজ্ঞাপনটি এল-সাইয়েদের নিজস্ব প্রচারশিবির তৈরি করেনি বলে তিনি জানিয়েছেন।
স্টিভেন্সের দাবি ছিল, এল-সাইয়েদের উচিত ওই বিজ্ঞাপনের বক্তব্যের বিরুদ্ধে আরও জোরালো অবস্থান নেওয়া। অন্যদিকে এল-সাইয়েদ মনে করেন, কয়েক মাস আগে শেষ হওয়া দলীয় প্রাথমিক নির্বাচনের বিরোধ আবার সামনে না এনে এখন ভোটারদের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা উচিত।
এই বিরোধের মধ্যেই রোববার ডেট্রয়েটে দুই নেতার আলাদা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। স্টিভেন্স উপস্থিত হন রজার্সের সঙ্গে একটি গির্জার অনুষ্ঠানে। অন্যদিকে এল-সাইয়েদ ডেমোক্র্যাট নেতাদের সঙ্গে অন্য একটি গির্জার অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সেখানে দক্ষিণ ক্যারোলাইনার প্রতিনিধি জিম ক্লাইবার্নসহ বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা তাঁর পাশে ছিলেন।

ডেমোক্র্যাটদের পরিকল্পনা ছিল, নির্বাচনের আগে দুই নেতাকে একসঙ্গে উপস্থিত করে দলের ঐক্যের বার্তা দেওয়া। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। প্রতিনিধি ডেবি ডিঙ্গেল জানিয়েছেন, তিনি নিজেই স্টিভেন্সকে ওই যৌথ অনুষ্ঠানে না আসার অনুরোধ করেছিলেন। তাঁর মতে, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে স্টিভেন্সের উপস্থিতি মূল নির্বাচনী প্রচার থেকে মানুষের মনোযোগ সরিয়ে দিতে পারত।
অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্টিভেন্সের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি স্টিভেন্সকে একজন সম্মানিত ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি হিসেবে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি মিশিগানের মানুষের প্রতি তাঁর আনুগত্য ও সাহসিকতার প্রশংসা করেন।
ট্রাম্পের বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল, দলের রাজনৈতিক পরিচয়ের চেয়ে মানুষের স্বার্থে সিদ্ধান্ত নেওয়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ। স্টিভেন্সের এই পদক্ষেপকে তিনি সাহসিকতার উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন। রিপাবলিকান নেতারাও এই ঘটনাকে নিজেদের নির্বাচনী প্রচারের জন্য ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পোস্টে ট্রাম্প স্টিভেন্সের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, তাঁকে অত্যন্ত সাহসী বলেছেন এবং রিপাবলিকান দলে যোগ দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। এসব বক্তব্যের সবগুলো নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত তথ্য দিয়ে নিশ্চিত করা যায়নি। তাই সেগুলোকে ট্রাম্পের নিশ্চিত বক্তব্য হিসেবে প্রচার করা ঠিক হবে না।
এখানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। ট্রাম্প এর আগেও মিশিগানের ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল এল-সাইয়েদকে জিহাদি এবং মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে আক্রমণ করেছেন। কিন্তু এসব অভিযোগের পক্ষে প্রকাশ্যে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এল-সাইয়েদ নিজেও এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের ২৩ অক্টোবরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, রিপাবলিকান শিবিরের পক্ষ থেকে এল-সাইয়েদকে মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে যুক্ত করার প্রচেষ্টা নির্বাচনী প্রচারের গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হয়ে উঠেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এর মাধ্যমে ডেট্রয়েট অঞ্চলের কৃষ্ণাঙ্গ ও ইহুদি ভোটারদের মধ্যে বিভক্তি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।

এল-সাইয়েদের মুসলিম পরিচয়ও নির্বাচনী প্রচারের আলোচনায় এসেছে। তবে কোনো প্রার্থীর ধর্মীয় পরিচয় নিজে থেকে তাঁর বিরুদ্ধে উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ হতে পারে না। ফলে রাজনৈতিক বক্তব্য এবং যাচাই করা তথ্যের মধ্যে পার্থক্য রাখা জরুরি।
এদিকে স্টিভেন্সের সমর্থন পাওয়া মাইক রজার্স মিশিগানের রাজনীতিতে পরিচিত মুখ। তিনি আগে প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য ছিলেন। এবার তিনি রিপাবলিকান দলের হয়ে সিনেট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বর্তমান সিনেটর গ্যারি পিটার্স অবসরে যাওয়ায় এই আসনটি দুই দলের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
মিশিগানের এই নির্বাচন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য লড়াই করছে। তাদের বর্তমান অবস্থান থেকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে চারটি আসন বাড়তি অর্জন করতে হবে বলে ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে মিশিগানের আসনটি ধরে রাখা ডেমোক্র্যাটদের জন্য বিশেষভাবে জরুরি। কারণ আসনটি রিপাবলিকানদের হাতে চলে গেলে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য ডেমোক্র্যাটদের অন্য কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে আরও বেশি আসন জিততে হবে।
মিশিগানে ইতিমধ্যে আগাম ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার পর্যন্ত অঙ্গরাজ্যটিতে ১৮ লাখের বেশি ভোটার তাঁদের ভোট দিয়েছেন। ফলে নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে স্টিভেন্সের সিদ্ধান্ত কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

অন্যদিকে আবদুল এল-সাইয়েদ এই বিরোধ নিয়ে খুব বেশি সময় ব্যয় করতে চান না বলে জানিয়েছেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছেন, মিশিগানের প্রায় এক কোটি মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা নিয়ে কাজ করাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। একজন সাবেক প্রতিদ্বন্দ্বীর সমর্থন হারানো নিয়ে তিনি নির্বাচনী প্রচারের মনোযোগ নষ্ট করতে চান না।
স্টিভেন্সের এই সিদ্ধান্তে তাঁর ব্যক্তিগত রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তিনি কি ডেমোক্র্যাট দলেই থাকবেন, নাকি ভবিষ্যতে রিপাবলিকান রাজনীতিতে যুক্ত হবেন, তা এখনো পরিষ্কার নয়। একই সময়ে ডেমোক্র্যাট দলের ভেতরে তাঁর প্রতি ক্ষোভ কতটা দীর্ঘস্থায়ী হবে, সেটিও দেখার বিষয়।


ট্যাগ: হ্যালি স্টিভেন্সডোনাল্ড ট্রাম্পমাইক রজার্সআবদুল এল-সাইয়েদমিশিগান নির্বাচনযুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিডেমোক্র্যাট দলরিপাবলিকান দলমার্কিন সিনেট নির্বাচন।

প্রতিবেদক

Desk Report

Reporter

মন্তব্য ০

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সিএসবি নিউজ ইউএসএ ফলো করুন

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।