অংশ: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে শেষ প্রচার, হাউসে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় ব্যস্ত দুই দল। আগাম ভোটে অংশ নিয়েছেন লাখো নয়, কোটি ভোটার; হাউসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বাড়ছে উত্তেজনা।
৮,৫৪৯ বার পড়া হয়েছে ৭ মিনিটে পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আর মাত্র দুই দিন বাকি। আগামী মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর দেশটির ভোটাররা কংগ্রেসের নতুন প্রতিনিধি নির্বাচনে ভোট দেবেন। নির্বাচনের আগে শেষ সপ্তাহান্তে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট—দুই দলের নেতারাই ভোটারদের সমর্থন আদায়ে সর্বশক্তি দিয়ে মাঠে নেমেছেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর দলের প্রার্থীদের জেতাতে প্রচারণা চালাচ্ছেন। অন্যদিকে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাসহ ডেমোক্র্যাট দলের প্রভাবশালী নেতারা বিরোধী শিবিরের প্রার্থীদের পক্ষে জনমত গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন।
এবারের নির্বাচন শুধু কংগ্রেসের আসন পরিবর্তনের লড়াই নয়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের সরকারের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পরীক্ষা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কারণ, এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আগামী দুই বছর প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে, তা নির্ধারিত হবে। রিপাবলিকানরা বর্তমানে প্রেসিডেন্টের পাশাপাশি কংগ্রেসের দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে। ডেমোক্র্যাটরা সেই অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে চায়।
আগাম ভোটের হিসাবেও এবারের নির্বাচন বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে সরাসরি ভোটকেন্দ্রে গিয়ে আগাম ভোট দেওয়া এবং ডাকযোগে ব্যালট পাঠানোর মাধ্যমে ইতিমধ্যে বিপুলসংখ্যক ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের ৩০ অক্টোবর প্রকাশিত বিশ্লেষণ অনুযায়ী, নির্বাচনের পাঁচ দিন আগে পর্যন্ত ৪ কোটি ৩০ লাখের বেশি মানুষ আগাম ভোট দিয়েছেন। অন্যদিকে ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন গবেষণাগারের হিসাবে ২৯ অক্টোবর সন্ধ্যা পর্যন্ত আগাম ভোটের সংখ্যা ছিল প্রায় ৪ কোটি ৪৮ লাখ।
দুই প্রতিষ্ঠানের হিসাবে সামান্য পার্থক্য থাকলেও একটি বিষয় পরিষ্কার—এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে আগাম ভোটের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০২২ সালের একই সময়ের তুলনায় এবার প্রায় ১ কোটি বেশি মানুষ আগাম ভোট দিয়েছেন বলে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।
বিশেষ করে টেক্সাস, জর্জিয়া, মিশিগান, নর্থ ক্যারোলাইনা ও মেইনের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অঙ্গরাজ্যে আগাম ভোটের উপস্থিতি নির্বাচনী আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। টেক্সাসে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত ৬৩ লাখের বেশি মানুষ আগাম ভোট দিয়েছেন বলে প্রকাশিত তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে। জর্জিয়াতেও আগাম ভোটের সংখ্যা ২৫ লাখ ছাড়িয়েছে। তবে আগাম ভোটের সংখ্যা বেশি হলেই কোনো নির্দিষ্ট দল নির্বাচনে এগিয়ে থাকবে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। কারণ, ভোটাররা কাকে ভোট দিয়েছেন, সেই তথ্য আগাম ভোটের মোট সংখ্যা থেকে জানা যায় না।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রচারণার বিষয়টিও শেষ মুহূর্তে আলোচনায় এসেছে। কানসাস ও আইওয়ায় তাঁর নির্ধারিত সফর বাতিল ও পরিবর্তনের খবর প্রকাশিত হওয়ার পর নতুন করে কর্মসূচি সাজানো হয়। সিবিএস নিউজের ৩০ অক্টোবরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, তিনি ওই দুই অঙ্গরাজ্যের সরাসরি প্রচারসভা বাতিল করে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে টেলিফোনের মাধ্যমে প্রচারণা চালানোর পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে ৩১ অক্টোবর অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে কানসাস ও আইওয়ায় তাঁর প্রচারসভা পুনর্নির্ধারণের কথা জানানো হয়। ফলে শেষ মুহূর্তের প্রচারসূচি নিয়ে দুই দফায় পরিবর্তন দেখা গেছে।
কানসাসের নির্বাচন রিপাবলিকানদের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। অঙ্গরাজ্যটি দীর্ঘদিন ধরে রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। সেখানে বর্তমান রিপাবলিকান সিনেটর রজার মার্শালের বিরুদ্ধে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী অ্যাডাম হ্যামিলটন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। কৃষি খাতের ব্যয় বৃদ্ধি, জ্বালানির দাম, সার ও অন্যান্য উৎপাদন খরচ নিয়ে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। এই অসন্তোষ নির্বাচনে ভোটারদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।
আইওয়াতেও সিনেটের আসন নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। রিপাবলিকানদের জন্য অঙ্গরাজ্যটির আসন ধরে রাখা প্রয়োজন। অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটরা মনে করছে, অর্থনৈতিক চাপ ও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে মানুষের অসন্তোষ কাজে লাগিয়ে তারা অপ্রত্যাশিত সাফল্য পেতে পারে।
ডেমোক্র্যাটদের প্রচারণায় সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার অংশগ্রহণও আলোচনার বড় বিষয়। তবে আপনার দেওয়া তথ্যের একটি সময়গত সংশোধন প্রয়োজন। ওবামা ১ নভেম্বর নতুন করে ওহাইও ও মিশিগানে প্রচারসভা করছেন—এমন তথ্য নিশ্চিত হয়নি। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস ও রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি ২৪ অক্টোবর ওই দুই অঙ্গরাজ্যে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছেন।
ওহাইওর ক্লিভল্যান্ডে তিনি সাবেক সিনেটর শেরড ব্রাউনের পক্ষে জনসভায় অংশ নেন। শেরড ব্রাউন রিপাবলিকান সিনেটর জন হাস্টেডকে পরাজিত করে আবার সিনেটে ফিরতে চাইছেন। একই অনুষ্ঠানে ডেমোক্র্যাট গভর্নর প্রার্থী অ্যামি অ্যাক্টনের পক্ষেও সমর্থন জানান ওবামা।
এরপর মিশিগানের ডেট্রয়েটে সিনেট প্রার্থী আবদুল এল-সাইয়েদের পক্ষে প্রচারণা চালান সাবেক এই প্রেসিডেন্ট। সেখানে গভর্নর প্রার্থী জোসেলিন বেনসনসহ ডেমোক্র্যাট দলের অন্য নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। ওবামা ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ডের জবাব দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত এবং রাজনৈতিক আচরণ নিয়ে তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচনা করেন।
ডেমোক্র্যাটদের জন্য মিশিগান ও ওহাইও গুরুত্বপূর্ণ দুটি অঙ্গরাজ্য। মিশিগানে আবদুল এল-সাইয়েদের প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্স। অন্যদিকে ওহাইওতে শেরড ব্রাউনের প্রতিদ্বন্দ্বী জন হাস্টেড। এই দুটি আসনের ফল সিনেটের সামগ্রিক ক্ষমতার ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে। ওবামার মতো জনপ্রিয় নেতার প্রচারণায় ভোটারদের উপস্থিতি ও আগ্রহ বাড়বে বলে ডেমোক্র্যাট শিবির আশা করছে।
এবারের নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদ বা হাউসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ডেমোক্র্যাটরা তুলনামূলক ভালো অবস্থানে রয়েছে বলে বিভিন্ন জনমত জরিপে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। রিয়েল ক্লিয়ার পলিংয়ের জাতীয় পর্যায়ের কংগ্রেসভিত্তিক ভোটের গড় হিসাবে ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন ৫১ দশমিক ৪ শতাংশ এবং রিপাবলিকানদের সমর্থন ৪৩ দশমিক ২ শতাংশ। অর্থাৎ ডেমোক্র্যাটরা প্রায় ৮ দশমিক ২ শতাংশ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে।
আল জাজিরার ৩১ অক্টোবরের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ইকোনমিস্ট ও ইউগভের একটি জরিপেও প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে যাওয়ার প্রত্যাশা তুলনামূলক বেশি দেখা গেছে। জরিপে ৪৪ শতাংশ নিবন্ধিত ভোটার মনে করেছেন, নির্বাচনের পর ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ পাবে। বিপরীতে ৩১ শতাংশ মনে করেছেন, রিপাবলিকানরা তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখবে।
তবে সিনেটের চিত্র অনেক বেশি জটিল। এখানে কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের ফলাফল পুরো ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দিতে পারে। সিবিএস নিউজের ৩০ অক্টোবরের নির্বাচনী বিশ্লেষণে মেইন, ওহাইও, টেক্সাসসহ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের সিনেট নির্বাচনকে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। অর্থাৎ জাতীয় পর্যায়ে ডেমোক্র্যাটদের এগিয়ে থাকার অর্থ এই নয় যে তারা সিনেটেও সহজেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করবে।
টেক্সাসের সিনেট নির্বাচনও এবার বিশেষ আলোচনায় রয়েছে। ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জেমস তালারিকো এবং রিপাবলিকান প্রার্থী কেন প্যাক্সটনের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বেশ জমে উঠেছে। টেক্সাস ঐতিহাসিকভাবে রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটি হলেও এবার ডেমোক্র্যাটরা সেখানে জয়ের সম্ভাবনা দেখছে। একইভাবে মেইন ও মিশিগানের মতো অঙ্গরাজ্যেও সিনেটের আসন নিয়ে দুই দলের মধ্যে তীব্র লড়াই চলছে।
নির্বাচনে অর্থনীতি বড় একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম, বাসাভাড়া, জ্বালানি খরচ, স্বাস্থ্যসেবা এবং চাকরির বাজার নিয়ে ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের অর্থনৈতিক নীতি কতটা সফল হয়েছে, তা নিয়েও দুই দলের মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য চলছে। রিপাবলিকানরা প্রশাসনের নেওয়া পদক্ষেপের পক্ষে যুক্তি দিচ্ছে। অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটরা বলছে, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে প্রশাসন প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি।
বিদেশনীতি এবং ইরান যুদ্ধের প্রভাবও নির্বাচনী প্রচারণায় উঠে এসেছে। জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, তেলের দাম বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। ডেমোক্র্যাট নেতারা এসব বিষয়কে ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির সমালোচনায় ব্যবহার করছেন। রিপাবলিকানরা আবার নিরাপত্তা, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ এবং প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বের বিষয়গুলো সামনে আনছে।
মধ্যবর্তী নির্বাচন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নয়। এতে প্রেসিডেন্টের পদ পরিবর্তন হয় না। বরং প্রতিনিধি পরিষদের সব ৪৩৫টি আসন এবং সিনেটের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ আসনে ভোট হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে গভর্নর ও স্থানীয় গুরুত্বপূর্ণ পদেও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তবে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ বদলে গেলে প্রেসিডেন্টের পরবর্তী দুই বছরের শাসন পরিচালনা কঠিন হয়ে উঠতে পারে।
যদি ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ পায়, তাহলে তারা সরকারের ব্যয়, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং বিভিন্ন নীতির ওপর কংগ্রেসের নজরদারি বাড়াতে পারবে। বিভিন্ন কমিটির নেতৃত্বও তাদের হাতে চলে যেতে পারে। অন্যদিকে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ পরিবর্তিত হলে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পদে নিয়োগ এবং আইন পাসের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টকে আরও রাজনৈতিক বাধার মুখে পড়তে হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি অভিবাসী ও প্রবাসীদের জন্যও এই নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। অভিবাসননীতি, কাজের সুযোগ, স্বাস্থ্যসেবা, করব্যবস্থা, শিক্ষা এবং জীবনযাত্রার ব্যয়ের মতো বিষয়গুলো কংগ্রেসের সিদ্ধান্তের সঙ্গে সম্পর্কিত। নির্বাচনের ফল ভবিষ্যতে এসব বিষয়ে আইন প্রণয়ন ও সরকারি নীতির গতিপথে প্রভাব ফেলতে পারে।
আরও পড়ুন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন ২০২৬

টেক্সাসের নির্বাচনী সমাবেশে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীকে ‘অযোগ্য’ বললেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স

নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের হুমকি দেওয়া বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগকে আদালতের নির্দেশ

নির্বাচনের পর ইরানে নতুন হামলার পরিকল্পনা, ট্রাম্পকে সতর্ক করলেন মার্কিন সিনেটর






মন্তব্য ০
লগইন করুন অথবা বিনা মূল্যে অ্যাকাউন্ট খুলুন আলোচনায় যোগ দিতে। নাম গোপন রেখেও মন্তব্য করতে পারবেন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।