লন্ডনে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ, লন্ডনে গ্রেপ্তার ১৩৯ ফিলিস্তিনপন্থী
৯,৭৫৮ বার পড়া হয়েছে ৭ মিনিটে পড়ুন
যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের সামনে ফিলিস্তিনপন্থী সংগঠন প্যালেস্টাইন অ্যাকশনের সমর্থনে আয়োজিত বিক্ষোভ থেকে ১৩৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (৩১ অক্টোবর) দক্ষিণ-পশ্চিম লন্ডনের নাইন এলমস এলাকায় এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনটির প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানানোর অভিযোগে অধিকাংশ বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ। প্রাথমিক সংবাদে গ্রেপ্তারের সংখ্যা ৪৮ বলা হলেও পরবর্তী সময়ে পুলিশের হালনাগাদ হিসাবে তা বেড়ে ১৩৯ জনে দাঁড়ায়। ফলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রাথমিক ও পরবর্তী সংখ্যার মধ্যে পার্থক্য দেখা গেছে। সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত এই গ্রেপ্তারের হিসাব নিশ্চিত করা হয়েছিল। পুলিশের পক্ষ থেকে আরও গ্রেপ্তারের সম্ভাবনাও জানানো হয়েছিল। এই বিক্ষোভের আয়োজন করে নিষিদ্ধ সংগঠনটির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে কাজ করা আন্দোলনকারী সংগঠন ডিফেন্ড আওয়ার জুরিস। আয়োজকদের প্রত্যাশা ছিল, প্রায় ৪০০ মানুষ এতে অংশ নেবেন। তবে পুলিশের হিসাবে একশর বেশি মানুষ বিক্ষোভে উপস্থিত ছিলেন। অংশগ্রহণকারীদের অনেকের হাতে ছিল বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাকার্ড। সেগুলোতে লেখা ছিল, ‘আমি গণহত্যার বিরোধিতা করি, আমি প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে সমর্থন করি।’ বিক্ষোভ চলাকালে কয়েকজনকে পুলিশ সদস্যরা একে একে আটক করেন। কেউ কেউ মাটিতে বসে বা শুয়ে থাকায় তাঁদের পুলিশ সদস্যদের বহন করে গাড়িতে তুলতে দেখা যায়। আটক ব্যক্তিদের পুলিশ ভ্যানে করে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় অন্য বিক্ষোভকারীরা তাঁদের উদ্দেশে হাততালি দেন এবং ‘ফ্রি, ফ্রি প্যালেস্টাইন’ স্লোগান দেন।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত আইনজীবী চার্লস অ্যালিসনও ছিলেন। ৭৫ বছর বয়সী এই ব্যক্তি ইংল্যান্ডের কামব্রিয়া থেকে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে লন্ডনে এসেছিলেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যে নাগরিক স্বাধীনতা ও প্রতিবাদ করার অধিকার সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই তিনি এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। তিনি বলেন, আইনজীবী হিসেবে ইচ্ছাকৃতভাবে আইন ভঙ্গ করা তাঁর জন্য অস্বস্তিকর হলেও নিজের বিবেকের তাগিদে তিনি বিক্ষোভে যোগ দিয়েছেন। দুপুর ১টার কিছু আগে পুলিশ তাঁকে আটক করে। আয়োজকদের বক্তব্য, যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ আয়োজনের পেছনে রাজনৈতিক কারণ রয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, ফিলিস্তিন ও গাজা সংঘাতের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা রয়েছে এবং সেই প্রেক্ষাপটে নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোর জন্য দূতাবাসের সামনের স্থানটি বেছে নেওয়া হয়েছে। একই দিনে স্কটল্যান্ডের এডিনবরায় যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেটের সামনেও প্যালেস্টাইন অ্যাকশনের সমর্থনে একটি প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন। তবে প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই কর্মসূচি থেকে কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। স্কটল্যান্ড পুলিশ জানিয়েছে, নিষিদ্ধ সংগঠনের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করে এমন পোশাক ও ব্যানার প্রদর্শনের ঘটনায় পাওয়া তথ্য পর্যালোচনা করা হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
প্যালেস্টাইন অ্যাকশন সংগঠনটি ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সংগঠনটির ঘোষিত উদ্দেশ্য হলো ইসরায়েলের সামরিক শিল্পের সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করা এবং ফিলিস্তিনিদের পক্ষে প্রতিবাদ গড়ে তোলা। সংগঠনটি দাবি করে, যুক্তরাজ্যে যেসব প্রতিষ্ঠান ইসরায়েলের সামরিক শিল্পকে সহযোগিতা করছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে সরাসরি প্রতিবাদ করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। তবে সংগঠনটির কর্মকাণ্ড নিয়ে যুক্তরাজ্য সরকারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। ২০২৪ সালে সংগঠনটির কর্মীরা ইসরায়েলি অস্ত্র প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এলবিট সিস্টেমসের যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি কারখানায় প্রবেশ করে যন্ত্রপাতি ভাঙচুর করেন। তাঁদের বিরুদ্ধে হাতুড়ি ও অন্যান্য সরঞ্জাম দিয়ে কারখানার সম্পদের ক্ষতি করার অভিযোগ রয়েছে। এরপর ২০২৫ সালের ২০ জুন ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রাইজ নর্টন বিমানঘাঁটিতে প্রবেশ করে দুটি সামরিক জ্বালানি সরবরাহকারী বিমানের ইঞ্জিনে লাল রং ছিটিয়ে ক্ষতিসাধনের ঘটনা ঘটে। প্যালেস্টাইন অ্যাকশন ওই ঘটনার দায় স্বীকার করে। ব্রিটিশ সরকার এই ঘটনাসহ সংগঠনটির আগের কর্মকাণ্ডকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে। ২০২৫ সালের ২৩ জুন তৎকালীন ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়েভেট কুপার প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। পরে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের উভয় কক্ষের অনুমোদনের পর ৫ জুলাই ২০২৫ থেকে নিষেধাজ্ঞাটি কার্যকর হয়। এর ফলে সংগঠনটির সদস্য হওয়া, সদস্য হওয়ার আহ্বান জানানো এবং আইন অনুযায়ী সংগঠনটির প্রতি সমর্থন প্রকাশ করা ফৌজদারি অপরাধের আওতায় আসে। যুক্তরাজ্যের ২০০০ সালের সন্ত্রাসবাদ আইনের অধীনে নিষিদ্ধ সংগঠনের প্রতি সমর্থন প্রকাশের অভিযোগে সর্বোচ্চ ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। তবে বিষয়টি বোঝার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। ফিলিস্তিনিদের অধিকার নিয়ে কথা বলা, গাজার পরিস্থিতির সমালোচনা করা কিংবা ইসরায়েল সরকারের নীতির বিরোধিতা করা স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপরাধ নয়। নিষেধাজ্ঞাটি নির্দিষ্টভাবে প্যালেস্টাইন অ্যাকশন সংগঠন এবং আইন অনুযায়ী সেটির প্রতি সমর্থন প্রকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত। এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আইনি লড়াই শুরু করেন সংগঠনটির সহপ্রতিষ্ঠাতা হুদা আমোরি। তাঁর যুক্তি, সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাঁর আবেদনের পর বিষয়টি যুক্তরাজ্যের আদালতে গড়ায়।
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে হাইকোর্টের তিন বিচারকের একটি বেঞ্চ সরকারের নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তকে বেআইনি ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে রায় দেন। আদালতের মতে, সরকারের সিদ্ধান্তে মতপ্রকাশ এবং শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকারের ওপর যে প্রভাব পড়েছে, তা যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি। কিন্তু সরকার এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে। ২০২৬ সালের জুনে আপিল আদালতের পাঁচ বিচারক হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত উল্টে দেন। তাঁরা বলেন, প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত আইনসম্মত এবং তা জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে যুক্তিসংগত ও আনুপাতিক। ফলে সংগঠনটির ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকে। এবার বিষয়টি যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ আদালতে যাচ্ছে। আগামী ৪ ও ৫ নভেম্বর ২০২৬ হুদা আমোরির করা আপিলের শুনানি নির্ধারিত রয়েছে। সর্বোচ্চ আদালতের প্রকাশিত মামলার বিবরণ অনুযায়ী, মূল প্রশ্ন হলো, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত আইনসম্মত ছিল কি না। এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সর্বোচ্চ আদালতে আপিলের অনুমতি সব অভিযোগের ক্ষেত্রে দেওয়া হয়নি। ২৯ জুলাই ২০২৬ আদালত প্রথম আইনি যুক্তির বিষয়ে আপিলের অনুমতি দিয়েছে, তবে দ্বিতীয় যুক্তির বিষয়ে অনুমতি প্রত্যাখ্যান করেছে। তাই এই শুনানিকে নিষেধাজ্ঞা বাতিলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। আদালতের রায় না আসা পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। এই মামলাকে ঘিরে যুক্তরাজ্যে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও জাতীয় নিরাপত্তার মধ্যে ভারসাম্য নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, কোনো সংগঠনের কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা করার সুযোগ থাকলেও সেই সংগঠনের প্রতি সমর্থন প্রকাশের কারণে সাধারণ মানুষকে সন্ত্রাসবাদ আইনে গ্রেপ্তার করা গণতান্ত্রিক অধিকারের জন্য উদ্বেগজনক। তাঁদের মতে, শান্তিপূর্ণভাবে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানানোর অধিকার রক্ষা করা জরুরি। অন্যদিকে ব্রিটিশ সরকারের অবস্থান সম্পূর্ণ ভিন্ন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য, প্যালেস্টাইন অ্যাকশন কেবল রাজনৈতিক প্রতিবাদে সীমাবদ্ধ থাকেনি। সংগঠনটির বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা, সম্পদের ক্ষতিসাধন এবং সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। সরকারের দাবি, জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার জন্য সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত প্রয়োজনীয় ছিল। আপিল আদালতও সরকারের এই সিদ্ধান্তকে আইনসম্মত বলে বহাল রেখেছে। এদিকে যুক্তরাজ্যের পুলিশি পরিসংখ্যানও বিষয়টিকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। স্কাই নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত এক বছরে সন্ত্রাসবাদ-সংশ্লিষ্ট সন্দেহে ৩ হাজার ৮৬৭টি গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৯৪ শতাংশ গ্রেপ্তার প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে সমর্থন করার অভিযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার আগের ১২ মাসে এ ধরনের সন্ত্রাসবাদ-সংশ্লিষ্ট গ্রেপ্তারের সংখ্যা ছিল ২৩৪। অর্থাৎ নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের পর গ্রেপ্তারের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
আয়োজক সংগঠন ডিফেন্ড আওয়ার জুরিসের দাবি, ২০২৫ সালের জুলাইয়ে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত চার হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার বা আটক করা হয়েছে। তাদের মতে, এই বিপুলসংখ্যক গ্রেপ্তার শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করেছে। তবে এই সংখ্যাটি আয়োজকদের দেওয়া হিসাব, পুলিশের নিশ্চিত করা পৃথক পরিসংখ্যান নয়। লন্ডনের শনিবারের বিক্ষোভ ঘিরে পুলিশের প্রস্তুতিও ছিল ব্যাপক। মেট্রোপলিটন পুলিশ আগে থেকেই জানিয়ে দিয়েছিল, নিষিদ্ধ সংগঠনটির প্রতি সমর্থন প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়ে কেউ দূতাবাসের সামনে উপস্থিত হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে। পুলিশের কমান্ডার অ্যাডাম স্লোনেকি বলেছিলেন, শুধু প্ল্যাকার্ড হাতে থাকা ব্যক্তিরাই নন, যাঁরা কর্মসূচি আয়োজন, নির্দেশনা দেওয়া কিংবা প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে নিষিদ্ধ সংগঠনটির প্রতি সমর্থন জানাবেন, তাঁরাও আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে পারেন। এ ছাড়া শনিবার সকাল ৮টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত দূতাবাসসংলগ্ন লন্ডনের কিছু এলাকায় বিশেষভাবে ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ জারি ছিল। পুলিশের এই ব্যবস্থার উদ্দেশ্য ছিল নিষিদ্ধ সংগঠনের সমর্থনে সম্ভাব্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করা। এই বিতর্কের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানও। ২০২৬ সালের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্র সরকার প্যালেস্টাইন অ্যাকশনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে এবং সংগঠনটিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করে। ফলে যুক্তরাজ্যের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রেও সংগঠনটির কার্যক্রম ও সমর্থন নিয়ে আইনি ও রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। শনিবার লন্ডনে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ আয়োজনের পেছনেও এই আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট কাজ করেছে। সব মিলিয়ে ৩১ অক্টোবরের বিক্ষোভ শুধু কয়েকজন মানুষের গ্রেপ্তারের ঘটনা নয়; এটি যুক্তরাজ্যে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা,
মন্তব্য ০
লগইন করুন অথবা বিনা মূল্যে অ্যাকাউন্ট খুলুন আলোচনায় যোগ দিতে। নাম গোপন রেখেও মন্তব্য করতে পারবেন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।