সরাসরি মানচিত্র, পূর্বাভাস ও জরিপের গড়: PoliAgg (CC BY-SA 4.0)

পূর্ণ ফলাফল, মানচিত্র ও জরিপ
ব্রেকিং
লন্ডনে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ, লন্ডনে গ্রেপ্তার ১৩৯ ফিলিস্তিনপন্থীযুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের কর্মসুযোগে বড় ধাক্কা, প্রশিক্ষণ অনুমতিতে সর্বোচ্চ এক লাখ ডলারযুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের চার বছরের থাকার নিয়ম আদালতের বাধায় আপাতত কার্যকর নয়নিউইয়র্কের বাউনে পার্কে শিশুদের হ্যালোইন উৎসবে আনন্দে মাতলেন মেয়র জোহরান মামদানবিন্যান্সে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সাইবার হামলা, চুরি ৬৩০ কোটি ডলারের সম্পদ

যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের কর্মসুযোগে বড় ধাক্কা, প্রশিক্ষণ অনুমতিতে সর্বোচ্চ এক লাখ ডলার

যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা শেষে কাজের সুযোগ দিতে নতুন প্রস্তাব, বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর সর্বোচ্চ এক লাখ ডলারের আর্থিক চাপের আশঙ্কা।

যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের কর্মসুযোগে বড় ধাক্কা, প্রশিক্ষণ অনুমতিতে সর্বোচ্চ এক লাখ ডলার
যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের কর্মসুযোগে বড় ধাক্কা, প্রশিক্ষণ অনুমতিতে সর্বোচ্চ এক লাখ ডলার

যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা শেষে কাজের সুযোগ দেওয়ার কর্মসূচি ঘিরে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন প্রস্তাবটি চূড়ান্ত হলে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য কর্মানুমতির ব্যবস্থা করতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে প্রথমবার সর্বোচ্চ ৭০ হাজার ডলার এবং পরবর্তী কর্মানুমতির ক্ষেত্রে আরও ৩০ হাজার ডলার পর্যন্ত সরকারি ফি দিতে হতে পারে। ফলে একজন শিক্ষার্থীর প্রথম কর্মানুমতি এবং পরবর্তী বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত বিষয়ে অতিরিক্ত কর্মানুমতি মিলিয়ে মোট ব্যয় দাঁড়াতে পারে এক লাখ ডলার।
যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ ৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে সরকারি প্রজ্ঞাপনে এই প্রস্তাব প্রকাশ করেছে। এটি এখনো চূড়ান্ত আইন নয়। প্রস্তাবের ওপর জনমত ও লিখিত আপত্তি জমা দেওয়ার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ নভেম্বর ২০২৬। ফলে এই মুহূর্তে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন ফি কার্যকর হয়নি।
প্রস্তাবটি যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা গ্রহণকারী বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে যেসব শিক্ষার্থী স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি শেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে চাকরির অভিজ্ঞতা অর্জন করতে চান, তাঁদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে বিষয়টি বুঝতে হলে প্রথমে জানতে হবে, এই কর্মসূচি কী এবং নতুন প্রস্তাবে ঠিক কী পরিবর্তন আনার কথা বলা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীরা সাধারণত এফ-১ শিক্ষার্থী ভিসায় বিশ্ববিদ্যালয় বা অনুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেন। তাঁদের জন্য পড়াশোনার সঙ্গে সম্পর্কিত নির্দিষ্ট সময়ের কর্মসংস্থানের একটি সুযোগ রয়েছে। এই ব্যবস্থার নাম ঐচ্ছিক ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ। সংক্ষেপে একে ওপিটি বলা হয়। এর মাধ্যমে একজন যোগ্য শিক্ষার্থী নিজের পড়াশোনার বিষয় বা শিক্ষাগত যোগ্যতার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত কাজে যুক্তরাষ্ট্রে সাময়িকভাবে কাজ করার অনুমতি পেতে পারেন।
সাধারণ নিয়মে শিক্ষার্থীরা প্রতিটি শিক্ষাস্তরে সর্বোচ্চ ১২ মাস পর্যন্ত এই কর্মানুমতি পাওয়ার যোগ্য হতে পারেন। তবে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিতভিত্তিক নির্দিষ্ট বিষয়ে ডিগ্রি অর্জনকারীরা শর্ত পূরণ করলে অতিরিক্ত ২৪ মাসের কর্মানুমতির সুযোগ পান। ফলে যোগ্য শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে পড়াশোনা শেষে মোট ৩৬ মাস পর্যন্ত কাজের সুযোগ তৈরি হতে পারে। এই অতিরিক্ত সময়ের ব্যবস্থাকে এসটিইএম ওপিটি সম্প্রসারণ বলা হয়।
নতুন প্রস্তাবে প্রথমবারের কর্মানুমতির জন্য ৭০ হাজার ডলার ফি নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। এই অর্থ শিক্ষার্থীকে সরাসরি সরকারি দপ্তরে জমা দিতে হবে—প্রস্তাবের ভাষায় বিষয়টি এমন নয়। বরং যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষার্থী ও বিনিময় কর্মসূচির অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানকে এই অর্থ পরিশোধ করতে হবে। অর্থাৎ শিক্ষার্থীর বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজই হবে ফি প্রদানের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান।
কোনো শিক্ষার্থীকে প্রথমবারের মতো কর্মানুমতির জন্য সুপারিশ করার আগে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়কে এই অর্থ পরিশোধ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত কর্মকর্তা সরকারি শিক্ষার্থী তথ্যব্যবস্থায় ওই শিক্ষার্থীর কর্মানুমতির সুপারিশ নথিভুক্ত করতে পারবেন কেবল প্রযোজ্য ফি পরিশোধের পর। অর্থ পরিশোধ না হলে ওই সুপারিশ নথিভুক্ত করা যাবে না। প্রস্তাব অনুযায়ী, ফি পরিশোধের বিষয়টি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কর্মানুমতির আবেদনও অনুমোদন করা হবে না।

এখানে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। প্রথমবার ৭০ হাজার ডলার দেওয়ার পর একই শিক্ষার্থীর পরবর্তী যেকোনো কর্মানুমতির সুপারিশের জন্য আরও ৩০ হাজার ডলার দিতে হবে বলে প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই পরবর্তী ফি শুধু বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত বিষয়ে অতিরিক্ত কর্মানুমতির ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ নয়। বরং আগের কর্মানুমতি ব্যবহারের পর নতুন করে অন্য কোনো ধরনের কর্মানুমতির সুপারিশ করা হলেও এই ফি প্রযোজ্য হতে পারে।
উদাহরণ হিসেবে, কোনো শিক্ষার্থী প্রথমে পড়াশোনা চলাকালে কর্মানুমতি নিলেন এবং পরে পড়াশোনা শেষ করে আবার কর্মানুমতির আবেদন করলেন। সে ক্ষেত্রে প্রথমবারের জন্য ৭০ হাজার ডলার এবং পরবর্তী সুপারিশের জন্য ৩০ হাজার ডলার দিতে হবে। একইভাবে পড়াশোনা শেষে ১২ মাসের সাধারণ কর্মানুমতি পাওয়ার পর বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত বিষয়ে যোগ্য অতিরিক্ত ২৪ মাসের কর্মানুমতি নিতে গেলেও পরবর্তী ৩০ হাজার ডলারের ফি প্রযোজ্য হবে।
অর্থাৎ একজন শিক্ষার্থী যদি পড়াশোনা শেষে প্রথমে সাধারণ কর্মানুমতি নেন এবং পরে অতিরিক্ত ২৪ মাসের কর্মানুমতি নেন, তাহলে দুটি ধাপে বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ব্যয় হতে পারে এক লাখ ডলার। তবে এটি শিক্ষার্থীর প্রত্যেক ক্ষেত্রেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক লাখ ডলার দিতে হবে, এমন অর্থ নয়। কোন ধরনের কর্মানুমতি নেওয়া হচ্ছে এবং আগে কোনো কর্মানুমতি ব্যবহার করা হয়েছে কি না, তার ওপর মোট ফি নির্ভর করবে।
সরকারি প্রস্তাবে বলা হয়েছে, কর্মসূচিতে জালিয়াতি ও অনিয়ম প্রতিরোধ, অভিবাসন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং যুক্তরাষ্ট্রের কর্মীদের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে এই ফি আরোপের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগের বক্তব্য অনুযায়ী, কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিটি আবেদন যথাযথভাবে যাচাই এবং নিয়ম মেনে চলছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। নতুন ফি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে শিক্ষার্থীদের আবেদন ও যোগ্যতা আরও সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করতে উৎসাহিত করবে বলে সরকারের ধারণা।

তবে এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর বড় ধরনের আর্থিক চাপ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি, সেখানে কর্মানুমতির সুপারিশ করার আগে বিপুল পরিমাণ অর্থের ব্যবস্থা করতে হবে। কোনো প্রতিষ্ঠান যদি নির্দিষ্ট শিক্ষার্থীর জন্য এই অর্থ দিতে না চায় বা দিতে সক্ষম না হয়, তাহলে ওই শিক্ষার্থীর কর্মানুমতির সুযোগ সীমিত হয়ে যেতে পারে।
এখানে শিক্ষার্থীদের জন্য আরেকটি উদ্বেগের জায়গা রয়েছে। সরকারি প্রস্তাবে অর্থ পরিশোধের দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর রাখা হলেও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এই ব্যয়ের কিছু অংশ শিক্ষার্থী বা নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানের ওপর চাপিয়ে দিতে পারে কি না, তা নিয়েও আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীর কাছ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ আদায় বাধ্যতামূলক করা হয়েছে—এমন কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো নেই। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কীভাবে এই ব্যয় সামাল দেবে, তা প্রস্তাবের সম্ভাব্য প্রভাবের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি নথিতে সম্ভাব্য আর্থিক প্রভাবের একটি হিসাবও তুলে ধরা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ বিভিন্ন পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বছরে প্রায় ৮৪০ কোটি থেকে ১ হাজার ৬৫০ কোটি ডলার পর্যন্ত ফি আদায়ের সম্ভাবনা দেখিয়েছে। তাদের মূল হিসাব অনুযায়ী, বছরে সম্ভাব্য ফি আদায়ের পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ২৪০ কোটি ডলার হতে পারে। তবে এগুলো প্রস্তাবিত ব্যবস্থার ভিত্তিতে তৈরি অনুমান, নিশ্চিত সরকারি আয় নয়। শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে, তার ওপর প্রকৃত পরিমাণ নির্ভর করবে।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে বহু শিক্ষার্থী যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও গবেষণার জন্য যান। তাঁদের একটি অংশ পড়াশোনা শেষ করে নিজ নিজ বিষয়ে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে চান। প্রযুক্তি, প্রকৌশল, তথ্যপ্রযুক্তি, ব্যবসা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞানসহ বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা নেওয়া শিক্ষার্থীদের কাছে কর্মানুমতি ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
নতুন প্রস্তাব চূড়ান্ত হলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কর্মানুমতির সুপারিশ করার ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হতে পারে। বিশেষ করে যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক সামর্থ্য সীমিত, তারা হয়তো সব শিক্ষার্থীর জন্য এই ব্যয় বহন করতে আগ্রহী হবে না। এর ফলে কিছু শিক্ষার্থীর পড়াশোনা শেষে যুক্তরাষ্ট্রে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের পরিকল্পনা বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রেও নিয়োগদাতাদের সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আসতে পারে। কোনো প্রতিষ্ঠান যদি কর্মানুমতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত ব্যয়কে ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করে, তাহলে বিদেশি শিক্ষার্থী নিয়োগের ক্ষেত্রে আগের তুলনায় বেশি সতর্ক হতে পারে। যদিও প্রস্তাবিত ফি সরাসরি নিয়োগদাতার ওপর আরোপ করা হয়নি, বিশ্ববিদ্যালয় ও নিয়োগদাতার মধ্যে ব্যয় ভাগাভাগির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
সরকারি নথিতে আরও বলা হয়েছে, নতুন নিয়ম কার্যকর হলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে শিক্ষার্থীদের আবেদন যাচাই, নথিপত্র পরীক্ষা এবং ফি পরিশোধের জন্য নতুন প্রশাসনিক ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে। ফলে শুধু অর্থের ব্যয় নয়, অতিরিক্ত প্রশাসনিক কাজও বাড়বে। ছোট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এই পরিবর্তন তুলনামূলকভাবে বেশি কঠিন হতে পারে।

তবে এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে জনমত জানানোর সুযোগ রয়েছে। ৯ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত শিক্ষার্থী, বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষক, অভিবাসন বিশেষজ্ঞ, নিয়োগদাতা এবং সাধারণ মানুষ লিখিত মতামত জমা দিতে পারবেন। যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি বিধি প্রণয়নবিষয়ক ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্ধারিত নথির পরিচিতি নম্বর ব্যবহার করে মতামত দেওয়া যাবে। নথির পরিচিতি নম্বর হলো আইসিইবি-২০২৬-০১০০। মতামত জমা দেওয়ার সময় প্রস্তাবের কোন অংশের সঙ্গে আপত্তি বা সুপারিশ রয়েছে, তা স্পষ্ট করে যুক্তি ও প্রয়োজনীয় তথ্য উল্লেখ করতে হবে।
জনমত গ্রহণের সময় শেষ হলেই যে প্রস্তাবটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হবে, বিষয়টি এমন নয়। জমা পড়া মতামত পর্যালোচনা করে সরকার প্রস্তাব পরিবর্তন, সংশোধন কিংবা চূড়ান্ত করতে পারে। আবার চূড়ান্ত বিধি প্রকাশের পরও কার্যকর হওয়ার জন্য আলাদা সময় নির্ধারণ করা হবে। বর্তমান প্রস্তাবে চূড়ান্ত বিধি প্রকাশের ৬০ দিন পর কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ এখনই কোনো শিক্ষার্থী বা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই নতুন ফি পরিশোধ করার বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়নি।


ট্যাগ: যুক্তরাষ্ট্রবিদেশি শিক্ষার্থীবাংলাদেশি শিক্ষার্থীশিক্ষার্থী ভিসাকর্মানুমতিবিশ্ববিদ্যালয়উচ্চশিক্ষাঅভিবাসননীতিবিজ্ঞান ও প্রযুক্তিযুক্তরাষ্ট্রে চাকরি।

প্রতিবেদক

Desk Report

Reporter

মন্তব্য ০

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সিএসবি নিউজ ইউএসএ ফলো করুন

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।