সরাসরি মানচিত্র, পূর্বাভাস ও জরিপের গড়: PoliAgg (CC BY-SA 4.0)

পূর্ণ ফলাফল, মানচিত্র ও জরিপ
ব্রেকিং
হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ঘিরে আলোচিত সাবেক কর্মকর্তার রহস্যজনক মৃত্যু, তুরাগে মিলল মরদেহ৪৪৬ মিলিয়ন ডলারের চমক! মার্কিন নির্বাচনে ইতিহাসের সর্বোচ্চ অর্থ ঢাললেন ইলন মাস্কনভেম্বর মাসেও বাড়ছে না জ্বালানি তেলের দাম, আগের মূল্যেই বিক্রি চলবে দেশজুড়েযুক্তরাজ্যে সপ্তাহে ছয়শ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সম্মানজনক পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রাইহানা আহমেদজাপান সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী, ছয় চুক্তিতে খুলছে অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত

চাকরি হারালে যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি কর্মীদের ৬০ দিন থাকার সুযোগ বন্ধ করতে চায় ট্রাম্প প্রশাসন।

যুক্তরাষ্ট্রে এইচ-১বি ভিসায় কাজ করা কেউ চাকরি হারালে বর্তমানে সর্বোচ্চ ৬০ দিন থাকার সুযোগ পেতে পারেন। এই সুবিধা তুলে দেওয়ার প্রস্তাব করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মটি কার্যকর হলে বিদেশি কর্মী ও তাঁদের পরিবারের ওপর প্রভাব পড়তে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করছেন একজন বিদেশি কর্মী।
যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করছেন একজন বিদেশি কর্মী।

যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি হারানো বিদেশি কর্মীদের জন্য বড় পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। দেশটিতে নির্দিষ্ট ধরনের কাজের ভিসায় থাকা কেউ চাকরি হারালে বর্তমানে সর্বোচ্চ ৬০ দিন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সুযোগ পেতে পারেন। এই সময়ের মধ্যে তাঁরা নতুন চাকরি খোঁজা, নতুন প্রতিষ্ঠানে কাজের ব্যবস্থা করা অথবা অন্য কোনো বৈধ অভিবাসন ব্যবস্থার জন্য আবেদন করার সুযোগ পান। তবে এই সময় সবার জন্য নিশ্চিত নয়; সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে এই সুবিধা তুলে দেওয়ার প্রস্তাব প্রকাশ করে। প্রস্তাবটি কার্যকর হলে এইচ-১বি, এইচ-১বি১, এল-১, ও-১ এবং কয়েক ধরনের ই-ভিসায় থাকা কর্মীরা চাকরি হারানোর পর আগের মতো সর্বোচ্চ ৬০ দিনের সুযোগ পাবেন না। তাঁদের স্বামী-স্ত্রী ও নির্ভরশীল পরিবারের সদস্যরাও এর প্রভাবের মুখে পড়তে পারেন।

কোনো বাংলাদেশি কর্মী যদি যুক্তরাষ্ট্রে এইচ-১বি ভিসায় কাজ করেন এবং তাঁর চাকরি চলে যায়, তাহলে বর্তমান নিয়মে তিনি নির্দিষ্ট শর্তে সর্বোচ্চ ৬০ দিন পর্যন্ত দেশটিতে থাকার সুযোগ পেতে পারেন। এই সময়ের মধ্যে নতুন চাকরি খোঁজা বা নিজের ভিসার অবস্থা পরিবর্তনের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করতে পারেন। কিন্তু সরকারের প্রস্তাবটি চূড়ান্ত হলে এই সুযোগ আর নাও থাকতে পারে। এইচ-১বি হলো যুক্তরাষ্ট্রের এমন একটি কাজের ভিসা, যার মাধ্যমে বিশেষ দক্ষতা প্রয়োজন এমন পেশায় বিদেশি কর্মীরা কাজ করতে পারেন। প্রযুক্তি, প্রকৌশল, গবেষণা ও অন্যান্য বিশেষায়িত পেশায় এই ভিসার ব্যবহার রয়েছে।

সরকারের প্রস্তাবের পক্ষে যুক্তি হলো, কর্মীর ভিসার অনুমতি যে চাকরির ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে, সেই চাকরি শেষ হলে তাঁর যুক্তরাষ্ট্রে থাকার বৈধতার বিষয়টিও নতুন করে বিবেচনা করা উচিত। তবে এই পরিবর্তন কার্যকর হলে চাকরি হারানো কর্মীদের নতুন কাজ খোঁজা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ব্যবস্থা করার সময় কমে যেতে পারে। এই প্রস্তাব নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের সরকার সাধারণ মানুষ, প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মতামত চেয়েছে। মতামত জমা দেওয়ার শেষ সময় ১০ নভেম্বর ২০২৬।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, প্রস্তাবটি এখনো কার্যকর নিয়মে পরিণত হয়নি। তাই বর্তমানে যোগ্য কর্মীদের জন্য প্রচলিত সর্বোচ্চ ৬০ দিনের সুযোগ বাতিল হয়ে গেছে—এমনটি বলা ঠিক হবে না। সরকার প্রস্তাবটি চূড়ান্ত করলে তবেই নিয়মে পরিবর্তন আসবে।যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত বিদেশি কর্মী, তাঁদের পরিবার এবং যেসব প্রতিষ্ঠান বিদেশি কর্মী নিয়োগ করে, তাদের জন্য বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ চাকরি হারানোর পর নতুন কর্মসংস্থান খোঁজার সময় ও ভিসার বৈধতা নিয়ে এই সিদ্ধান্ত বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

ট্যাগ: এইচ১বিভিসাযুক্তরাষ্ট্রে চাকরিবিদেশি কর্মীপ্রবাসীযুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন

প্রতিবেদক

Staff Reporter

Reporter

মন্তব্য ০

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সিএসবি নিউজ ইউএসএ ফলো করুন

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।