সরাসরি মানচিত্র, পূর্বাভাস ও জরিপের গড়: PoliAgg (CC BY-SA 4.0)

পূর্ণ ফলাফল, মানচিত্র ও জরিপ
ব্রেকিং
মধ্যবর্তী নির্বাচন আজ, আগাম ভোটে ৫ কোটি ৭০ লাখের বেশি ভোটারের অংশগ্রহণবলিউড অভিনেতা তুষার কাপুরের কাছে ৫ কোটি রুপি দাবি, বিষ্ণোই গ্যাংয়ের নাম ঘিরে আতঙ্কইরানের সঙ্গে উত্তেজনায় বাড়ল তেলের দাম, চাপে পড়তে পারেন মার্কিন চালকরা৩০ বছরের ইতিহাসে প্রথম, হামের প্রাদুর্ভাবে শিশুর মৃত্যু নিউইয়র্কেশ্রমিকের মুখোশে রাজপথে কারা? প্রকৃত শ্রমিকদের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সম্পর্ক নেই! বিস্ফোরক মন্তব্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

অংশ: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন ২০২৬

নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে নতুন সিদ্ধান্ত, পর্যবেক্ষকদের ক্ষমতা সীমিত করলেন বিচারক

নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রে পর্যবেক্ষক পাঠাতে পারবে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ। তবে অস্ত্র বহন, ইউনিফর্ম পরা, ভোটারদের সঙ্গে কথা বলা কিংবা কাউকে গ্রেপ্তারের কোনো ক্ষমতা থাকবে না তাদের।

ভোটকেন্দ্রে অনুমোদিত পর্যবেক্ষকদের জন্য নির্ধারিত স্থান।
ভোটকেন্দ্রে অনুমোদিত পর্যবেক্ষকদের জন্য নির্ধারিত স্থান।

যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোটকেন্দ্রে ফেডারেল সরকারের নজরদারি কার্যক্রম নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত দিয়েছেন দেশটির ফেডারেল বিচারক রেগি ওয়ালটন। নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রে পর্যবেক্ষক পাঠানোর অনুমতি দিয়েছেন তিনি। তবে পর্যবেক্ষকদের ক্ষমতা ও কার্যক্রমের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) প্রকাশিত ফক্স নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার রাতে দেওয়া আদেশে বিচারক ওয়ালটন নাগরিক অধিকার সংগঠন ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য অ্যাডভান্সমেন্ট অব কালারড পিপলের (এনএএসিপি) করা জরুরি আবেদন নাকচ করেন। সংগঠনটি যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের (ডিওজে) নির্বাচনী পর্যবেক্ষক পাঠানোর পরিকল্পনা বন্ধ করার আবেদন জানিয়েছিল।

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, পর্যবেক্ষকদের নিরস্ত্র থাকতে হবে। তারা কোনো ধরনের ইউনিফর্ম পরতে পারবেন না। পোশাকে এমন কোনো বিশেষ চিহ্নও রাখা যাবে না, যা দেখে তাদের ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তা বলে মনে হয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, তাদের কাউকে গ্রেপ্তার করার কোনো ক্ষমতা থাকবে না।

এ ছাড়া ভোটকেন্দ্রের ভেতরে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন না পর্যবেক্ষকেরা। ভোটারদের ভোটদানে বাধা দেওয়া, ভয় দেখানো, হয়রানি করা কিংবা নির্বাচনী কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনে হস্তক্ষেপ করাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কোনো ভোটার ভোট দেওয়ার পর ভোটকেন্দ্রের বাইরে তার সঙ্গে কথা বলার সুযোগ থাকবে পর্যবেক্ষকদের।

পর্যবেক্ষকদের স্থানীয় ও অঙ্গরাজ্যভিত্তিক নির্বাচনী আইন মেনে চলতে হবে। ভোটকেন্দ্রে পৌঁছে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের কাছে নিজেদের পরিচয় দিতে হবে এবং প্রয়োজন হলে পরিচয় যাচাইয়ের জন্য ফেডারেল পরিচয়পত্র দেখাতে হবে।

এই আইনি বিরোধের সূত্রপাত হয় বিচার বিভাগের নির্বাচনী পর্যবেক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা নিয়ে। এনএএসিপি অভিযোগ করে, বিচার বিভাগ ব্যুরো অব প্রিজনস, ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এবং ব্যুরো অব অ্যালকোহল, টোব্যাকো, ফায়ারআর্মস অ্যান্ড এক্সপ্লোসিভসের মতো সংস্থার কর্মীদের পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে।

সংগঠনটির আশঙ্কা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভোটকেন্দ্রে উপস্থিতি বিশেষ করে কৃষ্ণাঙ্গ ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ভোটারদের মধ্যে ভীতির পরিবেশ তৈরি করতে পারে। এতে নাগরিকদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এনএএসিপি তাদের আবেদনে ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শনসংক্রান্ত আইনি প্রশ্নও তুলে ধরে।

তবে বিচারক ওয়ালটন আবেদনটি নাকচ করেন। আদালতে বিচার বিভাগের আইনজীবীরা জানান, পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রশাসনিক বা দাপ্তরিক কর্মীরা। তারা শপথ নেওয়া আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা নন এবং তাদের অস্ত্র বহন কিংবা কাউকে গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেওয়া হবে না।

ট্যাগ: যুক্তরাষ্ট্রেরনির্বাচনমধ্যবর্তীনির্বাচনভোটকেন্দ্রভোটাধিকারনির্বাচনীপর্যবেক্ষক

প্রতিবেদক

Tasfiq Azad

International Broadcast Journalist

মন্তব্য ০

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সিএসবি নিউজ ইউএসএ ফলো করুন

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।