সরাসরি মানচিত্র, পূর্বাভাস ও জরিপের গড়: PoliAgg (CC BY-SA 4.0)

পূর্ণ ফলাফল, মানচিত্র ও জরিপ
ব্রেকিং
মধ্যবর্তী নির্বাচন আজ, আগাম ভোটে ৫ কোটি ৭০ লাখের বেশি ভোটারের অংশগ্রহণবলিউড অভিনেতা তুষার কাপুরের কাছে ৫ কোটি রুপি দাবি, বিষ্ণোই গ্যাংয়ের নাম ঘিরে আতঙ্কইরানের সঙ্গে উত্তেজনায় বাড়ল তেলের দাম, চাপে পড়তে পারেন মার্কিন চালকরা৩০ বছরের ইতিহাসে প্রথম, হামের প্রাদুর্ভাবে শিশুর মৃত্যু নিউইয়র্কেশ্রমিকের মুখোশে রাজপথে কারা? প্রকৃত শ্রমিকদের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সম্পর্ক নেই! বিস্ফোরক মন্তব্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বাংলাদেশের পোশাকশিল্পে অস্থিরতা, ৬৭০ কারখানা বন্ধ: পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ভারত

বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পে শ্রমিক অসন্তোষ, মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে বিক্ষোভ, কারখানায় উৎপাদন বন্ধ এবং বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে সংঘর্ষের ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। চলমান পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে প্রতিবেশী দেশ ভারত। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, বাংলাদেশে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন ও সংশ্লিষ্ট ঘটনাপ্রবাহ পর্যবেক্ষণ করছে নয়াদিল্লি।

রণধীর জয়সওয়ালের বক্তব্যে উত্তাল বাংলাদেশ প্রসঙ্গ।
রণধীর জয়সওয়ালের বক্তব্যে উত্তাল বাংলাদেশ প্রসঙ্গ।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, চলমান অস্থিরতায় দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে কয়েক শ কারখানার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। শ্রমিকদের মাসিক ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করার দাবিকে কেন্দ্র করে এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার মজুরি বোর্ড গঠন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নিয়েছে।

ভভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, বাংলাদেশে চলমান পরিস্থিতি সম্পর্কে ভারত অবগত রয়েছে এবং দেশটির ঘটনাপ্রবাহ পর্যবেক্ষণ করছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে বেশ কিছু ঘটনা ঘটেছে এবং ভারত সেগুলোর ওপর নজর রাখছে। একই সঙ্গে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বিষয়ে নয়াদিল্লি ইতিবাচক, ভবিষ্যতমুখী ও গঠনমূলক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চায় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ভারতের এই বক্তব্য মঙ্গলবার ৩ নভেম্বর দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য প্রিন্ট-এ প্রকাশিত পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বাংলাদেশের পোশাকশিল্পে শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে চলমান আন্দোলন, কারখানা বন্ধ এবং শিল্পাঞ্চলে সহিংসতার বিষয়গুলোও উল্লেখ করা হয়।

৬৭০ থেকে ৬৯০ কারখানায় উৎপাদন বন্ধ

বাংলাদেশের পোশাকশিল্পে চলমান অস্থিরতার সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের পাশাপাশি বাংলাদেশের স্থানীয় গণমাধ্যমেও উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে বিজিএমইএর তথ্য উল্লেখ করে বলা হয়েছে, ঢাকা, গাজীপুর ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের প্রায় চার হাজার নিবন্ধিত পোশাক কারখানার মধ্যে ৬৭০টি কারখানা বন্ধ রয়েছে।

অন্যদিকে, ৩ নভেম্বর প্রকাশিত দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড-এর প্রতিবেদনে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর তথ্য একত্র করে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে মোট ৬৯০টি কারখানায় উৎপাদন স্থগিত রয়েছে। এর মধ্যে বিজিএমইএর সদস্যভুক্ত ৬৭০টি এবং বিকেএমইএর আওতাধীন নারায়ণগঞ্জের প্রায় ২০টি কারখানা রয়েছে। এসব কারখানায় কর্মরত ১৭ লাখের বেশি শ্রমিক উৎপাদন বন্ধের কারণে কর্মস্থলে যেতে পারছেন না। গাজীপুর ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে ৩৮২টি, সাভারের আশুলিয়া ও জিরাবো এলাকায় ২২৩টি এবং ঢাকার মিরপুর এলাকায় ৬৫টি কারখানায় উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।

৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে আন্দোলন

পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের প্রধান দাবি মাসিক ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা। শ্রমিকদের বক্তব্য অনুযায়ী, খাদ্যপণ্য, বাসাভাড়া, যাতায়াত, চিকিৎসা ও সন্তানদের শিক্ষার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে বর্তমান মজুরিতে জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে।

আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের ১ নভেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে শ্রমিকদের এই দাবির পাশাপাশি জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে শ্রমিকদের বক্তব্য অনুযায়ী, মাসিক আয়ের বড় অংশ বাসাভাড়ায় ব্যয় হওয়ার পর পরিবারের অন্যান্য প্রয়োজন মেটানোর জন্য পর্যাপ্ত অর্থ অবশিষ্ট থাকে না। অন্যদিকে, পোশাকশিল্প মালিকদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহের সমস্যা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার কারণে একসঙ্গে এত বড় অঙ্কের মজুরি বৃদ্ধি বাস্তবায়ন করা কঠিন।

গাজীপুর, আশুলিয়া, সাভার ও মিরপুরে সংঘর্ষ ও ভাঙচুর

মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। গাজীপুর, আশুলিয়া, সাভার, মিরপুর ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ, কারখানায় ভাঙচুর এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঢাকার বিভিন্ন এলাকা ও গাজীপুরে শ্রমিকেরা সড়ক অবরোধ করেন। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের সময় পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে। কয়েকটি ঘটনায় ইটপাটকেল নিক্ষেপ, পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং পুলিশ বক্সে আগুন দেওয়ার ঘটনাও উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের ৩ নভেম্বরের প্রতিবেদনে ঢাকার মিরপুরে পাঁচটি মামলায় ৬০ জনকে গ্রেপ্তারের তথ্য দেওয়া হয়েছে। পুলিশি সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের কয়েকজন নেতা-কর্মী রয়েছেন।

এ ছাড়া মিরপুরের বোরবাগ এলাকায় সিরাজগঞ্জ ফ্যাশন লিমিটেড ও ডিশোন অ্যাপারেলস নামের দুটি পোশাক কারখানায় হামলা ও ভাঙচুরের খবরও প্রকাশ করা হয়েছে। গাজীপুর ও সাভার এলাকায় যানবাহনে অগ্নিসংযোগ এবং মহাসড়ক অবরোধের ঘটনাও ঘটেছে।

আন্দোলনের পেছনে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ সরকারের

পোশাকশিল্পে চলমান অস্থিরতার পেছনে শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবির বাইরেও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও উসকানি রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে সরকার। ৩ নভেম্বর দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেছেন, শ্রমিক আন্দোলনের আড়ালে কিছু পক্ষ ভিন্ন এজেন্ডা বাস্তবায়ন এবং দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার চেষ্টা করছে।

মন্ত্রী আরও অভিযোগ করেন, সীমান্তের ওপারের শক্তির ইন্ধনে কেউ কেউ শ্রমিক আন্দোলনকে ব্যবহার করে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। কিছু কারখানার মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের সংশ্লিষ্টতার বিষয়েও তিনি বক্তব্য দিয়েছেন।

এ ছাড়া, সরকার জানিয়েছে, যেসব কারখানায় হামলা, ভাঙচুর কিংবা অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে দায়ীদের শনাক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে এসব রাজনৈতিক ইন্ধন ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ সরকারের বক্তব্য হিসেবে বিবেচিত হবে; সংশ্লিষ্ট অভিযোগের স্বাধীন তদন্ত ও প্রমাণের বিষয়টি পৃথক।

ছয় সদস্যের মজুরি বোর্ড গঠন, আলোচনায় সরকার

শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবি পর্যালোচনা এবং নতুন মজুরি কাঠামোর সুপারিশ তৈরির জন্য সরকার ছয় সদস্যের একটি ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। এই বোর্ডে শ্রমিক ও মালিকপক্ষের দুজন করে প্রতিনিধি, একজন সরকারি প্রতিনিধি এবং একজন নিরপেক্ষ সদস্য রয়েছেন। বোর্ডকে পোশাকশ্রমিকদের বর্তমান মজুরি কাঠামো পর্যালোচনা করে নতুন মজুরির সুপারিশ তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, ২ নভেম্বর সচিবালয়ে পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠনগুলোর নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। বৈঠকে শিল্পাঞ্চলে স্বাভাবিক উৎপাদন কার্যক্রম ফিরিয়ে আনা, কারখানার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি সমাধানের বিষয়ে আলোচনা হয়।

সরকারের পক্ষ থেকে শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, শ্রমিক প্রতিনিধিরা দ্রুত মজুরি বোর্ডের বৈঠক আয়োজন, নতুন মজুরি কাঠামো ঘোষণা এবং তা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন। শিল্পাঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

রপ্তানি, আন্তর্জাতিক ক্রেতা ও ভারতের পোশাকশিল্পে সম্ভাব্য প্রভাব

বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্প দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, এই শিল্পে প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিক কর্মরত এবং দেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে পোশাক খাত থেকে। দেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপিতেও এই খাতের অবদান প্রায় ১০ শতাংশ।

চলমান অস্থিরতার কারণে উৎপাদন বন্ধ থাকলে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে নির্ধারিত সময়ে পণ্য সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে রপ্তানি আয়, শ্রমিকদের মজুরি পরিশোধ এবং কারখানা মালিকদের ব্যাংকঋণ পরিশোধের সক্ষমতার ওপরও চাপ তৈরি হতে পারে।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক ক্রেতারা বর্তমানে বাংলাদেশের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক ক্রয়াদেশ দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ মৌসুমে উৎপাদন বন্ধ থাকায় ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের সঙ্গে ভারতের বস্ত্র ও পোশাক খাতেরও বাণিজ্যিক এবং সরবরাহব্যবস্থাগত সম্পর্ক রয়েছে। ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট ভারতের বস্ত্রশিল্পের সংগঠন কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি (CITI) বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্নের আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল।

সংগঠনটির তৎকালীন বক্তব্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যাহত হলে ভারতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদন সময়সূচি এবং পণ্য সরবরাহের সময়সীমা প্রভাবিত হতে পারে। ভারতের কিছু প্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশে উৎপাদন কার্যক্রম থাকায় তারাও সমস্যার মুখে পড়তে পারে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা বিকল্প উৎপাদনকেন্দ্রের দিকে ঝুঁকতে পারেন বলে সংগঠনটি উল্লেখ করেছিল।

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে পরিস্থিতির গুরুত্ব

বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য এবং দেশটির সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোতে শ্রমিক আন্দোলন, কারখানা বন্ধ, সহিংসতা, উৎপাদন ও আন্তর্জাতিক সরবরাহব্যবস্থার বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বাংলাদেশের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের কথা জানানোর পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক ও গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

এদিকে বাংলাদেশের পোশাকশিল্পে উৎপাদন স্বাভাবিক করতে সরকার, কারখানা মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা চলছে। নতুন মজুরি বোর্ডের সুপারিশ, শ্রমিকদের দাবি এবং কারখানার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগের ওপর নির্ভর করছে পরবর্তী পরিস্থিতি।

ট্যাগ: বাংলাদেশপোশাকশিল্পশ্রমিকআন্দোলনকারখানাবন্ধমজুরিবৃদ্ধিভারতবাংলাদেশসম্পর্ক

প্রতিবেদক

S. Goswami

Reporter

মন্তব্য ০

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সিএসবি নিউজ ইউএসএ ফলো করুন

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।