ইরানের কাছে গোপন সামরিক তথ্য বিক্রির অভিযোগে গ্রেপ্তার ইসরায়েলি সেনা
৭,৩২৬ বার পড়া হয়েছে ৮ মিনিটে পড়ুন
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর একজন কর্মরত সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে ইরানের গোয়েন্দা সংস্থার কাছে গোপন সামরিক তথ্য সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে। ক্রিপ্টোকারেন্সির বিনিময়ে প্রায় এক বছর ধরে ইরানি গোয়েন্দাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে তিনি দেশের সামরিক ঘাঁটির অবস্থান, সেনাদের প্রস্তুতি, জরুরি মোতায়েন এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাসংক্রান্ত সংবেদনশীল তথ্য সরবরাহ করেছেন বলে অভিযোগ করেছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর দেশটির নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং সামরিক বাহিনীর অভ্যন্তরীণ তথ্য সুরক্ষা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ইসরায়েলের সামরিক কৌঁসুলিরা ওই সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেত, পুলিশ এবং সামরিক বাহিনীর যৌথ তদন্তের ভিত্তিতে এই অভিযোগ আনা হয়েছে। এর আগে গত সেপ্টেম্বর মাসে সন্দেহভাজন ওই সেনাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তদন্তকারীদের দাবি, তিনি দীর্ঘ সময় ধরে ইরানি গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন এবং তাদের নির্দেশে বিভিন্ন ধরনের কাজ করেছেন। টাইমস অব ইসরায়েল এবং জেরুজালেম পোস্টের ২৯ অক্টোবরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই সেনার বিরুদ্ধে শত্রুপক্ষকে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে তথ্য সরবরাহ এবং বিদেশি গোয়েন্দা প্রতিনিধির সঙ্গে যোগাযোগ রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে। পাশাপাশি শত্রুপক্ষের সুবিধা হয় এমন তথ্য সরবরাহের অভিযোগও রয়েছে। তবে অভিযোগপত্র দাখিল হওয়া মানেই তিনি অপরাধী প্রমাণিত হয়েছেন, এমন নয়। আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারিত হবে। তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ইরানি গোয়েন্দাদের সঙ্গে ওই সেনার যোগাযোগ প্রায় এক বছর ধরে চলেছে। এই সময়ে তিনি নিজের সামরিক ইউনিটের কার্যক্রম, সেনাবাহিনীর প্রস্তুতির অবস্থা এবং জরুরি দায়িত্ব পালনের জন্য সেনাদের ডেকে পাঠানোর তথ্য সরবরাহ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার সময় নিজের সামরিক দায়িত্বে যোগ দেওয়ার বিষয়টিও তিনি ইরানি যোগাযোগকারীর কাছে জানিয়েছিলেন বলে তদন্তকারীরা দাবি করেছেন। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, তিনি শুধু সাধারণ সামরিক কার্যক্রমের তথ্য দেননি, বরং সামরিক ঘাঁটির অবস্থান ও সুনির্দিষ্ট স্থানাঙ্কও সরবরাহ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। কোনো সামরিক ঘাঁটি কোথায় অবস্থিত, সেখানে কী ধরনের কার্যক্রম চলছে এবং কোন পরিস্থিতিতে সেনাদের প্রস্তুত রাখা হচ্ছে, এসব তথ্য প্রতিপক্ষের হাতে পৌঁছালে সামরিক নিরাপত্তা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়তে পারে। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী, ওই সেনা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন সরঞ্জাম, সামরিক যানবাহন এবং ইসরায়েলের একটি বিমানবন্দরে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি সরবরাহকারী সামরিক বিমানের ছবিও তুলে ইরানি গোয়েন্দাদের কাছে পাঠিয়েছেন। এসব ছবি ও তথ্যের মাধ্যমে সামরিক সরঞ্জামের অবস্থান এবং সংশ্লিষ্ট সামরিক তৎপরতা সম্পর্কে প্রতিপক্ষ ধারণা পেতে পারে বলে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের আশঙ্কা। বিশেষ করে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থার তথ্য অত্যন্ত সংবেদনশীল। কারণ, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো বিভিন্ন স্তরের আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এসব ব্যবস্থার মধ্যে আকাশপথে আসা ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করা, সেগুলোকে প্রতিহত করা এবং সম্ভাব্য হামলা থেকে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে রক্ষা করার ব্যবস্থা রয়েছে। কোন এলাকায় কী ধরনের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রয়েছে, সেগুলোর অবস্থান কোথায় এবং কখন সেগুলো সক্রিয় করা হচ্ছে—এ ধরনের তথ্য শত্রুপক্ষের কাছে গেলে তা সামরিক পরিকল্পনায় কাজে লাগতে পারে। তবে তদন্তে যেসব ছবি ও তথ্য পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে, সেগুলো ইরান কীভাবে ব্যবহার করেছে কিংবা এর ফলে বাস্তবে কোনো সামরিক ক্ষতি হয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোতে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়টি এখনো তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
আরও গুরুতর অভিযোগ হলো, ওই সেনা নিজের সহকর্মী এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত তথ্যও ইরানি গোয়েন্দাদের কাছে পাঠিয়েছেন। তদন্তকারীদের দাবি, তিনি জানতেন যে ইরানি যোগাযোগকারী এসব তথ্য ব্যবহার করে অন্য সেনাসদস্যদেরও গোয়েন্দা তৎপরতায় যুক্ত করার চেষ্টা করতে পারেন। অর্থাৎ, অভিযোগ অনুযায়ী, বিষয়টি শুধু নিজের মাধ্যমে গোপন তথ্য সরবরাহের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং সামরিক বাহিনীর ভেতরে আরও ব্যক্তিকে প্রভাবিত করার সুযোগ তৈরির বিষয়টিও এর সঙ্গে জড়িত ছিল। এই ঘটনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, সেনাসদস্যটি ইসরায়েলের তরুণদের সামরিক বাহিনীতে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতির জন্য ব্যবহৃত একটি টেলিগ্রাম দলের তথ্যও ইরানি যোগাযোগকারীর কাছে পাঠিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। দলটির নাম ছিল ‘কাল বাকরাভ’। তদন্তকারীদের দাবি, ওই তথ্য পাওয়ার পর ইরানি গোয়েন্দা প্রতিনিধি দলটিতে যোগ দেন। এর মাধ্যমে সামরিক বাহিনীতে যোগ দেওয়ার অপেক্ষায় থাকা তরুণদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের সুযোগ তৈরি হতে পারত।
গোয়েন্দা তৎপরতার ক্ষেত্রে এ ধরনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দল গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হয়ে উঠতে পারে। কারণ, সেখানে সামরিক বাহিনীতে যোগ দিতে আগ্রহী তরুণদের সঙ্গে পরিচিত হওয়া, তাদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করা কিংবা ভবিষ্যতে যোগাযোগের সম্পর্ক গড়ে তোলা তুলনামূলক সহজ হতে পারে। তবে ওই দলের অন্য সদস্যদের কেউ ইরানি গোয়েন্দাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন কি না, সে বিষয়ে প্রকাশিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, ইরানি যোগাযোগকারী ওই সেনাকে গোপন যোগাযোগের জন্য বিশেষ ধরনের ক্ষতিকর যোগাযোগের অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। এসব অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে এনক্রিপ্ট করা বার্তা আদান-প্রদানের পরিকল্পনা ছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পাশাপাশি তাদের কথোপকথনে সাংকেতিক শব্দ ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হয়েছিল। নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে যোগাযোগের বিষয়টি প্রকাশ হয়ে গেলে কীভাবে সেটি আড়াল করা হবে, সে জন্য একটি বিকল্প গল্পও তৈরি করেছিলেন তারা বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। ইরানি যোগাযোগকারী ওই সেনাকে একটি সাধারণ মোবাইল ফোন এবং একটি পিস্তল কিনে দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন বলে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন। তবে এসব প্রস্তাব বাস্তবে কার্যকর হয়েছিল কি না, তা প্রকাশিত তথ্য থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ছাড়া অভিযোগের সবচেয়ে আলোচিত অংশ হলো, ওই সেনাকে ইরানে যাওয়ার বিনিময়ে দুই লাখ মার্কিন ডলার দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই অর্থের প্রস্তাবও তদন্তে উঠে এসেছে। তবে দুই লাখ ডলার তাকে বাস্তবে দেওয়া হয়েছিল—এমন কোনো তথ্য প্রকাশিত হয়নি। নিশ্চিতভাবে যে বিষয়টি জানানো হয়েছে, তা হলো, তথ্য সরবরাহের বিনিময়ে তিনি ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে অর্থ পেয়েছিলেন। ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহারের কারণে এ ধরনের লেনদেনের উৎস এবং অর্থ গ্রহণকারীর পরিচয় অনুসন্ধান করা তদন্তকারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে। প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে ডিজিটাল মুদ্রার মাধ্যমে অর্থ আদান-প্রদান করা সম্ভব হওয়ায় অপরাধীরা অনেক সময় নিজেদের পরিচয় আড়াল করার চেষ্টা করে। তবে সব ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনই গোপন বা শনাক্ত করা অসম্ভব নয়। ডিজিটাল লেনদেনের তথ্য বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্ট ওয়ালেট এবং লেনদেনের ধারাবাহিকতা অনুসন্ধান করা সম্ভব। ইসরায়েলের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর যৌথ তদন্তে শিন বেত, দেশটির পুলিশ এবং সামরিক পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ অংশ নেয়। সেপ্টেম্বর মাসে গ্রেপ্তারের পর ওই সেনাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে তার ইরানি যোগাযোগকারীর পরিচয় সম্পর্কে সচেতন থাকার বিষয়টিও উঠে এসেছে। অর্থাৎ, তিনি কার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন, সে সম্পর্কে তার ধারণা ছিল বলে অভিযোগ করেছে কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার সামরিক আদালত তার আটকাদেশ আগামী ১২ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে বিচারিক কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে আটক রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে। মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া এখনো চলমান। অভিযুক্ত সেনার নাম, বয়স, পদবি এবং তিনি কোন নির্দিষ্ট সামরিক ইউনিটে দায়িত্ব পালন করতেন, সেসব তথ্য প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়নি।
এই ঘটনা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা কি না, সেটিও ইসরায়েলের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে উঠেছে। গত কয়েক বছরে ইরানের গোয়েন্দাদের হয়ে কাজ করার অভিযোগে ইসরায়েলের একাধিক নাগরিক, সেনাসদস্য এবং সংরক্ষিত বাহিনীর সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব ঘটনার কয়েকটিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও টেলিগ্রামের মাধ্যমে ইসরায়েলি নাগরিকদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা হয়েছিল। ইরানি গোয়েন্দাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তারা প্রথমে তুলনামূলক সহজ কিছু কাজের প্রস্তাব দিয়ে ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে। যেমন—কোনো স্থানের ছবি তোলা, নির্দিষ্ট এলাকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা কিংবা ছোটখাটো দায়িত্ব পালন করা। পরে ধীরে ধীরে আরও সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহের দায়িত্ব দেওয়া হয়। অর্থের প্রলোভন, ব্যক্তিগত যোগাযোগ এবং গোপন বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যমে এই সম্পর্ককে দীর্ঘস্থায়ী করার চেষ্টা করা হয় বলে ইসরায়েলি নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর বিভিন্ন তদন্তে উঠে এসেছে। চলতি বছরের জুলাই মাসেও ইরানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে এক ইসরায়েলি সেনাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। ওই মামলায় আদালত বিবেচনায় নিয়েছিল যে সংশ্লিষ্ট সেনা শেষ পর্যন্ত যোগাযোগ বন্ধ করে বিষয়টি তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছিলেন এবং তিনি সামরিক গোপন তথ্য সরবরাহ করেননি। নতুন মামলাটির অভিযোগ অবশ্য আরও গুরুতর। কারণ, এখানে সামরিক ঘাঁটির অবস্থান, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের ছবি এবং সহকর্মীদের ব্যক্তিগত তথ্য সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের দৃষ্টিতে, সামরিক বাহিনীর অভ্যন্তরীণ তথ্য ফাঁসের ঘটনা শুধু একটি দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ঝুঁকির মুখে ফেলে না, বরং সংশ্লিষ্ট সামরিক সদস্যদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকেও বিপন্ন করতে পারে। বিশেষ করে সেনাদের অবস্থান, দায়িত্বের সময়সূচি, সামরিক সরঞ্জামের অবস্থান এবং জরুরি মোতায়েনের তথ্য প্রতিপক্ষের হাতে পৌঁছালে তা ভবিষ্যৎ সামরিক পরিকল্পনায় ব্যবহার করা সম্ভব। এ কারণে ইসরায়েলের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো সাধারণ নাগরিকদেরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। অচেনা ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থের বিনিময়ে কোনো তথ্য, ছবি বা বিশেষ দায়িত্ব পালনের প্রস্তাব পেলে সেটিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সামরিক বাহিনীর সদস্যদের ক্ষেত্রেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপরিচিত ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং ব্যক্তিগত বা সামরিক তথ্য প্রকাশের বিষয়ে সতর্কতা প্রয়োজন বলে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো জানিয়েছে।
মন্তব্য ০
লগইন করুন অথবা বিনা মূল্যে অ্যাকাউন্ট খুলুন আলোচনায় যোগ দিতে। নাম গোপন রেখেও মন্তব্য করতে পারবেন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।