কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বিপুল বিনিয়োগের চাপে ধস যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে, উদ্বেগে বিনিয়োগকারীরl
৮,৬৫৬ বার পড়া হয়েছে ৮ মিনিটে পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে ৩০ অক্টোবর শুক্রবার প্রযুক্তি খাতের শেয়ারগুলোতে বড় ধরনের দরপতন দেখা গেছে। বিশেষ করে অ্যামাজন ও ইন্টেলের আর্থিক প্রতিবেদন এবং ভবিষ্যৎ ব্যবসা নিয়ে দেওয়া পূর্বাভাস বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রযুক্তি উন্নয়ন, তথ্যকেন্দ্র নির্মাণ, উন্নত চিপ উৎপাদন এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরিতে বিশ্বের বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করছে। কিন্তু এসব বিনিয়োগ থেকে কত দ্রুত এবং কতটা মুনাফা আসবে, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন তুলছেন বিনিয়োগকারীরা। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের ৩০ অক্টোবরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিনের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিনির্ভর নাসডাক সূচকের আগাম লেনদেনে ২ শতাংশের বেশি পতন হয়েছিল। একই সময়ে এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচকের আগাম লেনদেনেও প্রায় ১ শতাংশ দরপতন দেখা যায়। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে বিক্রির চাপ এতটাই বেড়েছিল যে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ারেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।
বিশেষ করে অ্যামাজনের শেয়ার আগাম লেনদেনে প্রায় ৭ দশমিক ২ শতাংশ কমে যায়। অন্যদিকে ইন্টেলের শেয়ারের দর প্রায় ২৫ শতাংশ কমে যায়। পরবর্তী লেনদেনে অ্যামাজনের দরপতন কিছুটা কমলেও ইন্টেলের ওপর চাপ অব্যাহত ছিল। রয়টার্সের আরেকটি হালনাগাদ প্রতিবেদনে ইন্টেলের দরপতন প্রায় ৩০ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছানোর তথ্য উঠে এসেছে। বাজারে এই অস্থিরতার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে অতিরিক্ত বিনিয়োগের ব্যয় এবং সেই বিনিয়োগ থেকে প্রত্যাশিত আয় পাওয়ার অনিশ্চয়তাকে। এত দিন বিনিয়োগকারীরা মনে করতেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবসা ভবিষ্যতে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর আয় ও মুনাফা বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। এ কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান বিপুল অর্থ ব্যয় করলেও শেয়ারবাজারে তাদের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ছিল বেশি। কিন্তু এখন পরিস্থিতি কিছুটা বদলেছে। বিনিয়োগকারীরা শুধু প্রতিষ্ঠানগুলোর আয় বাড়ছে কি না, সেটি দেখছেন না। বরং সেই আয় অর্জন করতে কত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে, নগদ অর্থের প্রবাহ কেমন থাকছে এবং বিনিয়োগের অর্থ ফেরত পেতে কত সময় লাগবে, সেসব বিষয়ও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছেন। অ্যামাজনের সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন এই উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি ২৯ অক্টোবর ২০২৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক ফলাফল প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে দেখা যায়, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন মাসে প্রতিষ্ঠানটির মোট বিক্রি হয়েছে ২০১ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বিক্রি বেড়েছে ১২ শতাংশ।
অ্যামাজনের পরিচালন মুনাফা দাঁড়িয়েছে ২৮ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারে। পরিচালন মুনাফার হার ছিল ১৩ দশমিক ৯ শতাংশ, যা প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানটির মূল ব্যবসায়িক কার্যক্রম থেকে আয় করার সক্ষমতা ভালো অবস্থানে রয়েছে। তবে উদ্বেগ তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটির নগদ অর্থের প্রবাহ এবং ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ পরিকল্পনা। অ্যামাজনের হিসাব অনুযায়ী, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত শেষ হওয়া ১২ মাসে প্রতিষ্ঠানটির মুক্ত নগদ অর্থের প্রবাহ ৪২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার ঋণাত্মক হয়েছে। অথচ আগের বছরের একই সময়ের হিসাবে এই প্রবাহ ১৪ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার ইতিবাচক ছিল। এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, নগদ অর্থের এই পরিবর্তনের প্রধান কারণ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি সম্পদ ও অবকাঠামো কেনার পেছনে ব্যয় বৃদ্ধির কথা জানিয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরিতে এই ব্যয়ের বড় অংশ ব্যবহার করা হচ্ছে। অ্যামাজন জানিয়েছে, ২০২৬ সালে মূলধনী বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ২২০ বিলিয়ন ডলার হতে পারে। আগামী বছর এই ব্যয় আরও বাড়ানোর ইঙ্গিতও দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ফলে বিনিয়োগকারীরা চিন্তিত হয়ে পড়েছেন, এত বিপুল অর্থ ব্যয়ের পর প্রত্যাশিত মুনাফা পাওয়া যাবে কি না।
তবে অ্যামাজনের ব্যবসায় ইতিবাচক দিকও রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ক্লাউডভিত্তিক সেবা বিভাগের বিক্রি তৃতীয় প্রান্তিকে আগের বছরের তুলনায় ৩৯ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে। প্রায় পাঁচ বছরের মধ্যে এই বিভাগের এটি সবচেয়ে দ্রুত প্রবৃদ্ধি। এই বিভাগের বার্ষিক আয়ের হিসাব দাঁড়িয়েছে ১৮৪ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। অর্থাৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অবকাঠামোতে বিনিয়োগের পাশাপাশি ক্লাউড সেবা থেকেও প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখযোগ্য আয় করছে। অন্যদিকে ইন্টেলের পরিস্থিতিও বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি ২৯ অক্টোবর তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটির মোট আয় হয়েছে ১৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১ শতাংশ বেশি। ইন্টেলের তথ্যকেন্দ্র ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসংক্রান্ত ব্যবসায় আয় বেড়েছে ৭৮ শতাংশ। এই বিভাগের আয় দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির মোট পরিচালন আয়েও উন্নতি হয়েছে।
তবে ভালো আয় সত্ত্বেও ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ইন্টেল জানিয়েছে, ২০২৬ সালের শেষ প্রান্তিকে তাদের আয় ১৫ থেকে ১৬ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে থাকতে পারে। তৃতীয় প্রান্তিকের তুলনায় এটি কম। প্রতিষ্ঠানটির অর্থ বিভাগের প্রধান জানিয়েছেন, ব্যক্তিগত কম্পিউটারের বাজারে ধীরগতি অন্তত ২০২৭ সালের প্রথম ছয় মাস পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। এ ছাড়া চিপ উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা, কারখানার উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর ব্যয় এবং নতুন প্রযুক্তি তৈরিতে বিপুল অর্থ বিনিয়োগের কারণে চলতি বছরে প্রতিষ্ঠানটির নগদ অর্থের ওপর চাপ তৈরি হতে পারে। ইন্টেলের এই পূর্বাভাস বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হওয়ায় শেয়ার বিক্রির প্রবণতা বেড়েছে।
এখানে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ইন্টেলের তৃতীয় প্রান্তিকের আয় বেড়েছে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসংক্রান্ত ব্যবসায়ও ভালো প্রবৃদ্ধি হয়েছে। তারপরও বিনিয়োগকারীরা প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ নগদ অর্থের অবস্থা এবং উৎপাদন ব্যয়ের বিষয়টিকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। ইন্টেল ও অ্যামাজনের পাশাপাশি অন্যান্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। চিপ নির্মাতা এনভিডিয়ার শেয়ার প্রায় ৩ থেকে ৪ শতাংশ কমে যায়। এএমডির শেয়ারের দর প্রায় ৯ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত নেমে যায়। চিপ খাতের সামগ্রিক সূচকেও বড় ধরনের পতন দেখা যায়। কম্পিউটার সার্ভার নির্মাতা ডেল ও এইচপির শেয়ারেও বিক্রির চাপ তৈরি হয়। এর আগে গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেটের আর্থিক ফলাফল প্রকাশের পরও বাজারে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। প্রতিষ্ঠানটির বিজ্ঞাপন ব্যবসার প্রবৃদ্ধি নিয়ে প্রশ্ন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অবকাঠামো তৈরিতে বিপুল অর্থ ব্যয়ের কারণে বৃহস্পতিবার প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের দরেও বড় পতন হয়। এক দিনে প্রতিষ্ঠানটির বাজারমূল্য থেকে প্রায় ৫০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি কমে যাওয়ার খবর প্রকাশিত হয়। ফলে পরপর কয়েকটি বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ফলাফল বিনিয়োগকারীদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে ধরেছে—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বিনিয়োগ করে প্রতিষ্ঠানগুলো যে বিপুল আয় ও মুনাফার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে, তা বাস্তবে কত দ্রুত অর্জন করা সম্ভব? বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য শুধু সফটওয়্যার তৈরি করলেই হচ্ছে না। এর জন্য প্রয়োজন বিশাল তথ্যকেন্দ্র, শক্তিশালী কম্পিউটার, উন্নত মানের চিপ, বিদ্যুৎ সরবরাহ, শীতলীকরণ ব্যবস্থা এবং দ্রুতগতির যোগাযোগ অবকাঠামো। এসব স্থাপনা নির্মাণ ও পরিচালনায় বিপুল অর্থ প্রয়োজন। অনেক ক্ষেত্রে এই অর্থ সংগ্রহের জন্য বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো ঋণ ও বন্ডের বাজারের ওপরও নির্ভর করছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিপুল বিনিয়োগের কারণে ঋণনির্ভর অর্থায়ন নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সুদের হার বেশি থাকলে ঋণ নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি অবকাঠামো নির্মাণ আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠতে পারে। এতে বিনিয়োগ থেকে লাভ পাওয়ার সময়সীমা দীর্ঘ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে শেয়ারবাজারের এই পতনকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির ব্যর্থতা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বরং বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এই প্রযুক্তি ঘিরে অতিরিক্ত প্রত্যাশা এবং বাস্তব ব্যবসায়িক আয়ের মধ্যে ব্যবধান নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন শুধু প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ব্যাংক, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, যোগাযোগ, উৎপাদনশিল্প, পরিবহন এবং সরকারি সেবাসহ বিভিন্ন খাতে এর ব্যবহার বাড়ছে। ফলে দীর্ঘ মেয়াদে এই প্রযুক্তির বাজার আরও সম্প্রসারিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়লেই সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের মুনাফা একই হারে বাড়বে, এমন নিশ্চয়তা নেই। বিনিয়োগকারীরা এখন প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে আরও পরিষ্কার হিসাব দেখতে চাইছেন। কত টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে, সেই বিনিয়োগ থেকে কত আয় আসছে, নতুন গ্রাহক কত বাড়ছে এবং পরিচালন ব্যয়ের তুলনায় মুনাফা কতটা বাড়ছে—এসব বিষয় এখন শেয়ার কেনাবেচার সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বাজারের এই পরিস্থিতিতে নিরাপদ হিসেবে বিবেচিত কিছু খাতের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহও বেড়েছে। প্রযুক্তি খাতের শেয়ারে বিক্রির চাপ তৈরি হলেও ভোগ্যপণ্য ও স্বাস্থ্যসেবাসংশ্লিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে তুলনামূলক ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি বন্ডের প্রতিও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেড়েছে। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদি সরকারি বন্ডের সুদের হার কিছুটা কমেছে। অর্থাৎ বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ ঝুঁকিপূর্ণ প্রযুক্তি শেয়ার থেকে অর্থ সরিয়ে তুলনামূলক নিরাপদ সম্পদে বিনিয়োগের চেষ্টা করছেন। তবে এটি সামগ্রিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের সংকট শুরু হওয়ার প্রমাণ নয়। বরং প্রযুক্তি খাতের শেয়ারের মূল্যায়ন এবং ভবিষ্যৎ মুনাফা নিয়ে নতুন করে হিসাব-নিকাশ চলছে।
বিশেষজ্ঞদের দৃষ্টিতে, আগামী কয়েক মাস প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে। বিশেষ করে অ্যামাজন, ইন্টেল, অ্যালফাবেট, মাইক্রোসফট এবং অন্যান্য বড় প্রতিষ্ঠানের পরবর্তী আর্থিক প্রতিবেদন বিনিয়োগকারীদের মনোভাব নির্ধারণে ভূমিকা রাখবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবসা থেকে বাস্তব আয় কতটা বাড়ছে এবং বিনিয়োগের তুলনায় মুনাফা কতটা পাওয়া যাচ্ছে, সেটিই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারের এই পরিস্থিতি বাংলাদেশের বিনিয়োগকারীদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাতের বড় ধরনের দরপতন আন্তর্জাতিক শেয়ারবাজার, প্রযুক্তি কোম্পানির মূল্যায়ন এবং বৈশ্বিক বিনিয়োগের প্রবণতায় প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে যেসব বিনিয়োগকারী প্রযুক্তি খাতের আন্তর্জাতিক তহবিল বা শেয়ারে অর্থ রেখেছেন, তাদের বাজারের ওঠানামার দিকে নজর রাখা প্রয়োজন।
মন্তব্য ০
লগইন করুন অথবা বিনা মূল্যে অ্যাকাউন্ট খুলুন আলোচনায় যোগ দিতে। নাম গোপন রেখেও মন্তব্য করতে পারবেন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।