যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের অবস্থানের মেয়াদ নির্দিষ্ট করে দেওয়ার বিতর্কিত নতুন অভিবাসন বিধি আপাতত কার্যকর করতে পারছে না দেশটির সরকার। ফেডারেল আদালতের দেশব্যাপী নিষেধাজ্ঞার কারণে নতুন বিধিটি আটকে গেছে। ফলে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে যাওয়া শিক্ষার্থীরা আপাতত আগের নিয়মেই দেশটিতে অবস্থান করতে পারবেন। বিশেষ করে এফ-১ শিক্ষার্থী এবং জে-১ বিনিময় কর্মসূচির আওতায় আসা শিক্ষার্থীদের জন্য আদালতের এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ স্বস্তির খবর। কারণ নতুন বিধি কার্যকর হলে শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের সময়সীমা, পড়াশোনা শেষে দেশ ছাড়ার সুযোগ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের ক্ষেত্রে নতুন শর্ত মেনে চলতে হতো। সিনসিনাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীসংক্রান্ত দপ্তরের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ নতুন বিধিটি চূড়ান্ত করেছিল। ২০২৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে এটি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত তারিখের মাত্র এক দিন আগে, ১৪ সেপ্টেম্বর ম্যাসাচুসেটসের একটি ফেডারেল আদালত দেশব্যাপী প্রাথমিক নিষেধাজ্ঞা জারি করে। ফলে সরকার নির্ধারিত সময়ে বিধিটি বাস্তবায়ন করতে পারেনি। নতুন বিধির সবচেয়ে আলোচিত পরিবর্তন ছিল শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের সময়সীমা নির্ধারণ। এত দিন এফ-১ শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সাধারণত পড়াশোনার নির্ধারিত কর্মসূচি এবং অভিবাসনসংক্রান্ত শর্ত মেনে চলার ভিত্তিতে অবস্থানের অনুমতি দেওয়া হতো। এই ব্যবস্থাকে বলা হয় ডিউরেশন অব স্ট্যাটাস বা ডি/এস।
এই ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের অবস্থানের জন্য সবার ক্ষেত্রে একই ধরনের চার বছর মেয়াদি নির্দিষ্ট সীমা ছিল না। বরং শিক্ষার্থী যত দিন অনুমোদিত শিক্ষাক্রমে যুক্ত থাকবেন এবং অভিবাসনবিধি মেনে চলবেন, তত দিন তাঁর অবস্থান বৈধ থাকতে পারে। শিক্ষাক্রমের মেয়াদ বাড়লে যথাযথ প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেওয়ার সুযোগও ছিল। কিন্তু হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের নতুন বিধিতে এই দীর্ঘদিনের ব্যবস্থা পরিবর্তনের পরিকল্পনা করা হয়। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এফ-১ ও জে-১ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সময় সাধারণত সর্বোচ্চ চার বছর অথবা তাঁদের শিক্ষাক্রমের নির্ধারিত শেষ তারিখ পর্যন্ত অবস্থানের অনুমতি দেওয়ার কথা ছিল। এই দুই সময়ের মধ্যে যেটি কম, সেটিই কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। অর্থাৎ কোনো শিক্ষার্থীর শিক্ষাক্রমের মেয়াদ তিন বছর হলে তাঁর অনুমোদিত অবস্থানের সময় তিন বছরের ভিত্তিতে নির্ধারিত হতে পারত। আবার শিক্ষাক্রমের মেয়াদ পাঁচ বছর হলেও সাধারণ নিয়মে চার বছরের বেশি সময় দেওয়া হতো না। মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চাইলে তাঁকে নতুন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অনুমতি নিতে হতো।
এই পরিবর্তনের ফলে দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা, পিএইচডি, স্নাতকোত্তর এবং অন্যান্য উচ্চশিক্ষা কর্মসূচিতে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে যেসব শিক্ষার্থীর গবেষণা নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি দীর্ঘ হয়, তাঁদের জন্য নতুন নিয়ম বাড়তি প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি করতে পারত। নতুন বিধির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল পড়াশোনা শেষ করার পর যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের অতিরিক্ত সময় কমিয়ে আনা। বর্তমানে এফ-১ শিক্ষার্থীরা অনুমোদিত শিক্ষাক্রম সফলভাবে শেষ করার পর সাধারণত ৬০ দিন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করতে পারেন। এই সময়ের মধ্যে তাঁরা দেশ ছাড়ার প্রস্তুতি নিতে, পরবর্তী শিক্ষাক্রমে ভর্তি হতে অথবা যোগ্যতা অনুযায়ী অন্য অভিবাসনসংক্রান্ত ব্যবস্থা নিতে পারেন। কিন্তু নতুন বিধিতে এই সময় ৬০ দিন থেকে কমিয়ে ৩০ দিন করার পরিকল্পনা ছিল। ফলে শিক্ষার্থীদের হাতে দেশ ছাড়ার প্রস্তুতি, চাকরির সুযোগ খোঁজা কিংবা পরবর্তী শিক্ষাক্রমে যাওয়ার জন্য তুলনামূলক কম সময় থাকত। আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে এই পরিবর্তনও আপাতত কার্যকর হয়নি। ফলে যোগ্যতা ও বর্তমান বিধি মেনে চলা এফ-১ শিক্ষার্থীরা এখনো আগের মতো ৬০ দিনের অতিরিক্ত সময়ের সুবিধা পাচ্ছেন। তবে জে-১ শিক্ষার্থী ও গবেষকদের ক্ষেত্রে অবস্থান-পরবর্তী নিয়ম আলাদা হতে পারে। তাই সবার জন্য একই সময়সীমা ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।
নতুন বিধিতে শুধু অবস্থানের মেয়াদ কমানোই নয়, শিক্ষার্থীদের শিক্ষাক্রম ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও কিছু নতুন নিয়ন্ত্রণ আরোপের পরিকল্পনা ছিল। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবর্তন, নতুন শিক্ষাক্রমে ভর্তি, শিক্ষার স্তর পরিবর্তন এবং অবস্থানের মেয়াদ বাড়ানোর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অনুমোদন ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হতে পারত। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনার পাশাপাশি গবেষণা, বৃত্তি এবং কর্মজীবনের পরিকল্পনা করা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ অনেক শিক্ষার্থী প্রথমে একটি শিক্ষাক্রমে ভর্তি হলেও পরবর্তী সময়ে গবেষণার বিষয় পরিবর্তন করেন, অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে যান কিংবা উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের সিদ্ধান্ত নেন। নতুন বিধি কার্যকর হলে এসব পরিবর্তনের ক্ষেত্রে তাঁদের পরিকল্পনায় প্রভাব পড়তে পারত। আদালতের নিষেধাজ্ঞার ফলে আপাতত এসব নতুন বিধিনিষেধও কার্যকর হচ্ছে না। ফলে শিক্ষার্থীরা আগের নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিবর্তন, শিক্ষাক্রম পরিবর্তন এবং অনুমোদিত মেয়াদ বাড়ানোর প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে পারবেন।
এই বিধির বিরুদ্ধে আইনি লড়াই শুরু করে উচ্চশিক্ষা ও অভিবাসনবিষয়ক কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংগঠন। এর মধ্যে রয়েছে নাফসা এবং প্রেসিডেন্টস অ্যালায়েন্স অন হায়ার এডুকেশন অ্যান্ড ইমিগ্রেশন। তাদের সঙ্গে আরও কয়েকটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শ্রমিক সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট সংগঠন এই মামলায় অংশ নেয়। ২০২৬ সালের ১৮ আগস্ট ম্যাসাচুসেটসের ফেডারেল আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। বাদীপক্ষের অভিযোগ ছিল, নতুন বিধি তৈরির ক্ষেত্রে সরকার প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করেনি। বিশেষ করে নতুন নিয়মের সম্ভাব্য ব্যয়, শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর প্রভাব এবং বিকল্প ব্যবস্থা বিবেচনার ক্ষেত্রে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। মামলায় আরও বলা হয়, নতুন বিধি কার্যকর হলে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী, গবেষক এবং তাঁদের সহায়তাকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে। শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও গবেষণার পরিকল্পনা বাধাগ্রস্ত হতে পারে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আন্তর্জাতিক মেধাবী শিক্ষার্থী আকর্ষণ ও ধরে রাখার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে পারে। ১৪ সেপ্টেম্বর বিচারক এফ ডেনিস সেলর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত নতুন বিধি বাস্তবায়ন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। আদালত প্রাথমিকভাবে মনে করেছে, বাদীপক্ষের আইনি যুক্তিগুলোর পক্ষে যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে এবং নিষেধাজ্ঞা না দিলে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো অপূরণীয় ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। তবে আদালতের এই আদেশকে নতুন বিধি স্থায়ীভাবে বাতিল করার সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকা একটি অন্তর্বর্তীকালীন আইনি সুরক্ষা। এদিকে আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র সরকার ৩০ সেপ্টেম্বর আপিল করে। মামলাটি প্রথম সার্কিট আপিল আদালতে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। তবে সরকারের আপিল করার অর্থ এই নয় যে নতুন বিধি আবার কার্যকর হয়ে গেছে। নিম্ন আদালতের নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকায় হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ এখনো নতুন নিয়ম বাস্তবায়ন করতে পারছে না।
প্রেসিডেন্টস অ্যালায়েন্সের প্রকাশিত মামলার অগ্রগতির তথ্য অনুযায়ী, ২ অক্টোবর আদালতে মামলার পরবর্তী কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়। পরবর্তী সময়ে দুই পক্ষকে নিজেদের অবস্থান ও আইনি যুক্তি জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ৩০ অক্টোবর সরকারের পক্ষ এবং বাদীপক্ষের নতুন সংক্ষিপ্ত আইনি বক্তব্য জমা দেওয়ার সময়সীমা নির্ধারিত ছিল। ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি এবং দেশব্যাপী নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য এই সিদ্ধান্ত বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক, স্নাতকোত্তর, পিএইচডি এবং গবেষণার উদ্দেশ্যে যান। তাঁদের অনেকেই বৃত্তি, গবেষণা সহকারী পদ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থায়নের ওপর নির্ভর করে পড়াশোনা করেন। নতুন বিধি কার্যকর হলে যেসব বাংলাদেশি শিক্ষার্থী চার বছরের বেশি সময় ধরে গবেষণা বা উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা করছেন, তাঁদের জন্য বাড়তি প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হতে পারত। বিশেষ করে পিএইচডি গবেষণায় সময় বেশি লাগলে কিংবা গবেষণার কাজ শেষ করতে অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন হলে নতুন অনুমোদন নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠত। এখন আদালতের আদেশের কারণে তাঁরা আপাতত আগের নিয়মের সুবিধা পাচ্ছেন। তবে এর অর্থ এই নয় যে শিক্ষার্থীরা যেকোনো সময়সীমা বা শর্ত ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে পারবেন। তাঁদের অবশ্যই অনুমোদিত শিক্ষাক্রমে সক্রিয় থাকতে হবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং অভিবাসনসংক্রান্ত শর্ত পূরণ করতে হবে। এখানে শিক্ষার্থীদের একটি বিষয় বিশেষভাবে মনে রাখা প্রয়োজন। যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার মেয়াদ এবং দেশটিতে বৈধভাবে অবস্থানের অনুমতি এক বিষয় নয়। পাসপোর্টে থাকা ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও একজন শিক্ষার্থী নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করে বৈধ অবস্থান বজায় রাখতে পারেন। আবার বৈধ ভিসা থাকলেই শিক্ষার্থী সব ধরনের অভিবাসনবিধি উপেক্ষা করে যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে পারবেন না। এ ক্ষেত্রে প্রবেশের পর পাওয়া আই-৯৪ নথিতে অবস্থানের অনুমতির তথ্য গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে ডি/এস উল্লেখ থাকলে সাধারণত অনুমোদিত শিক্ষাক্রম ও সংশ্লিষ্ট অভিবাসনবিধি মেনে চলার ভিত্তিতে অবস্থান বৈধ থাকে। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আরও কয়েকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ববিদ্যালয় পরিবর্তনের আগে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। শিক্ষাক্রমের মেয়াদ বাড়ানোর প্রয়োজন হলে যথাসময়ে আবেদন করতে হবে। পড়াশোনা শেষে ঐচ্ছিক ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ বা গবেষণাসংশ্লিষ্ট কর্মসূচিতে অংশ নিতে চাইলে সংশ্লিষ্ট অনুমোদন নিতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে ভ্রমণ করে পুনরায় প্রবেশের পরিকল্পনা থাকলেও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও বর্তমান বিধি যাচাই করা জরুরি।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের খবর কিংবা পুরোনো অভিবাসনসংক্রান্ত নির্দেশনার ওপর নির্ভর না করে বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী দপ্তর এবং যোগ্য অভিবাসন আইনজীবীর কাছ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ নেওয়া।
মন্তব্য ০
লগইন করুন অথবা বিনা মূল্যে অ্যাকাউন্ট খুলুন আলোচনায় যোগ দিতে। নাম গোপন রেখেও মন্তব্য করতে পারবেন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।