নির্বাচনের আগে ইলহান ওমরের বাড়িতে এফবিআই তল্লাশি, জব্দ করা সম্পদ ফেরত চাইলেন আইনজীবীরা
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য ইলহান ওমরের বাড়িতে ফেডারেল তল্লাশির পর জব্দ করা সম্পদ ফেরত চেয়ে বিচার বিভাগের কাছে আবেদন করেছেন তাঁর আইনজীবীরা। অভিবাসনসংক্রান্ত তদন্ত নিয়ে এ ঘটনা নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্ক তৈরি করেছে।
ওমরের আইনজীবীরা দাবি করেছেন, তল্লাশিটি আইনসম্মত ছিল না এবং এটি নির্বাচনের আগে একজন রাজনৈতিক সমালোচককে লক্ষ্যবস্তু করার প্রচেষ্টা। অন্যদিকে, মার্কিন বিচার বিভাগের মুখপাত্র এই অভিযোগগুলো প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, আইনজীবীদের চিঠিতে অসত্য দাবি ও ভুল তথ্য রয়েছে। ফলে বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্যে স্পষ্ট বিরোধ রয়েছে।
বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১২ অক্টোবর ওয়াশিংটন ডিসিতে ওমরের বাসায় তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় তাঁর মুঠোফোন জব্দ করা হয় এবং তদন্তের অংশ হিসেবে তাঁর কয়েকজন আত্মীয়ের কাছে গ্র্যান্ড জুরি তলব পাঠানো হয় বলে তদন্ত সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র জানিয়েছে। তদন্তের সম্পূর্ণ পরিধি এখনো স্পষ্ট নয়।
তদন্তটি অভিবাসনসংক্রান্ত সম্ভাব্য অনিয়মের অভিযোগের সঙ্গে যুক্ত। তবে ওমরের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে—এমন কোনো তথ্য প্রতিবেদনে নেই। তাঁর আইনজীবীরা নাগরিকত্বসংক্রান্ত কোনো আইন ভঙ্গের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ওমর ২০০০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পান বলে তাঁর আইনজীবীরা জানিয়েছেন।
নির্বাচনের কয়েক সপ্তাহ আগে এই তল্লাশি হওয়ায় রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা ও তদন্তের সময় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে আইনজীবীদের অভিযোগ এবং বিচার বিভাগের পাল্টা বক্তব্য দুটিই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা জরুরি। তদন্তের ফল বা আদালতের সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত কোনো পক্ষের দাবিকেই চূড়ান্ত সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা ঠিক হবে না।





