টেনেসিতে নির্বাচনী মানচিত্র বদল, কংগ্রেসে ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে বাড়ছে বিতর্ক
টেনেসি অঙ্গরাজ্যে কংগ্রেসের নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনর্নির্ধারণের ফলে মেমফিস ও ন্যাশভিলের বিভিন্ন এলাকার ভোটারদের প্রতিনিধিত্ব বদলে গেছে। নতুন মানচিত্রে নগর এলাকার ভোটারদের রাজনৈতিক প্রভাব এবং স্থানীয় উন্নয়ন তহবিল পাওয়ার সুযোগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
টেনেসির নতুন নির্বাচনী মানচিত্রে মেমফিস শহরকে তিনটি কংগ্রেসনাল জেলায় ভাগ করা হয়েছে। আগে শহরটির অধিকাংশ বাসিন্দা একই জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। এখন তাঁদের সঙ্গে এমন গ্রামীণ ও শহরতলির এলাকার ভোটারদের যুক্ত করা হয়েছে, যাঁদের স্থানীয় চাহিদা ও রাজনৈতিক অগ্রাধিকার ভিন্ন হতে পারে। রয়টার্সের ১৭ অক্টোবরের প্রতিবেদনে এই পরিবর্তনের প্রভাব তুলে ধরা হয়েছে।
ন্যাশভিলের ক্ষেত্রেও একই ধরনের পরিবর্তন দেখা গেছে। শহরটি এখন তিনটি কংগ্রেসনাল জেলার মধ্যে বিভক্ত। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ অর্থবছরে ন্যাশভিলের পুরোনো জেলার জন্য বরাদ্দ হওয়া ১ কোটি ৮০ লাখ ডলারের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৫৫ লাখ ডলার শহরের প্রকল্পে গিয়েছিল। পুনর্বিন্যাসের পর ২০২৪ অর্থবছরে ন্যাশভিলকে অন্তর্ভুক্ত করা তিন জেলার মোট ২ কোটি ১০ লাখ ডলারের প্রকল্প তহবিলের মধ্যে শহরটি পেয়েছিল প্রায় ৩০ লাখ ডলার। তবে তহবিলের এই পরিবর্তনের পেছনে নির্বাচনী সীমানা ছাড়াও প্রতিনিধিদের নিজস্ব বরাদ্দ চাওয়ার সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
নির্বাচনী সীমানা পুনর্নির্ধারণ নিয়ে দুই দলের অবস্থান ভিন্ন। রিপাবলিকান নেতারা বলছেন, এটি রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব ও দলীয় কৌশলের অংশ; অন্যদিকে নাগরিক অধিকারকর্মীদের আশঙ্কা, নতুন মানচিত্র কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারসহ কিছু নগর জনগোষ্ঠীর সম্মিলিত রাজনৈতিক প্রভাব কমাতে পারে। বিষয়টি ভোটাধিকার এবং নির্বাচনী এলাকার ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব নিয়ে বৃহত্তর জাতীয় বিতর্কের অংশ হয়ে উঠেছে।
যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী বাংলাদেশি ও অন্যান্য অভিবাসী পরিবারের জন্যও স্থানীয় রাজনীতি গুরুত্বপূর্ণ। কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা আবাসন, গণপরিবহন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং স্থানীয় উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ফেডারেল তহবিল চাওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারেন। তাই নির্বাচনী এলাকার পরিবর্তন হলে ভোটারদের নিজেদের নতুন জেলা, প্রার্থীদের পরিচয় এবং তাঁদের নীতিগত অবস্থান যাচাই করা জরুরি।





