ব্রেকিং
জার্মানিতে নুরেমবার্গ বিমানবন্দর সাময়িক বন্ধ, গ্রিসফেরত যাত্রীবাহী বিমানকে পাহারা দিল দুটি যুদ্ধবিমানযুক্তরাষ্ট্রে এআই খাতে বিনিয়োগ কমলে অর্থনীতিতে বড় ধাক্কার আশঙ্কাকিয়েভে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগে মিত্রদের সতর্কবার্তা পায়নি ইউক্রেন, জানালেন জেলেনস্কিজনপ্রিয়তা হারিয়েও ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বড় জয়ের পথে ডেমোক্র্যাটদের সামনে ছয় বাধাসৌদিতে হামলার জেরে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত রিয়াদ-দাম্মামের সব ফ্লাইট স্থগিত করল বিমান বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রে এআই খাতে বিনিয়োগ কমলে অর্থনীতিতে বড় ধাক্কার আশঙ্কা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে বিনিয়োগে বড় পতন হলে ২০২৮ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদন ১.৮ শতাংশ কমতে পারে, সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল।

প্রতীকী
প্রতীকী

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তিতে বিনিয়োগের বর্তমান প্রবণতা হঠাৎ ভেঙে পড়লে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সংস্থাটির ১৩ অক্টোবর প্রকাশিত বিশ্ব অর্থনৈতিক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এআই খাতে বিনিয়োগে বড় ধরনের পতন ঘটলে ২০২৮ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদন সম্ভাব্য পরিস্থিতিতে ১ দশমিক ৮ শতাংশ কমে যেতে পারে।

আইএমএফের এই হিসাব কোনো নিশ্চিত ভবিষ্যদ্বাণী নয়। এটি এআই বিনিয়োগে বড় ধস নামলে অর্থনীতিতে কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে, তার একটি ঝুঁকিভিত্তিক হিসাব। বর্তমানে এআই অবকাঠামো, তথ্যকেন্দ্র, কম্পিউটার চিপ ও ক্লাউড প্রযুক্তিতে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করা হচ্ছে। এসব বিনিয়োগ প্রযুক্তি খাতের পাশাপাশি বিদ্যুৎ, নির্মাণ, শিল্প উৎপাদন ও আর্থিক বাজারেও প্রভাব ফেলছে।

আইএমএফের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ১ শতাংশ এবং ২০২৭ সালে ৩ দশমিক ৪ শতাংশ হতে পারে। তবে এই হিসাবের সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, জ্বালানি সরবরাহ এবং হরমুজ প্রণালিতে নৌপরিবহনের পরিস্থিতির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যুক্ত রয়েছে।

সংস্থাটি সতর্ক করেছে, এআই কোম্পানিগুলোর ভবিষ্যৎ আয় প্রত্যাশা অনুযায়ী না হলে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের মূল্য কমে যেতে পারে। এতে বিনিয়োগকারীদের সম্পদের মূল্য কমার পাশাপাশি ঋণ পরিশোধ এবং নতুন প্রকল্পে অর্থায়নও কঠিন হয়ে উঠতে পারে। এআই প্রযুক্তি ঘিরে অতিরিক্ত আশাবাদ বাজারে ঝুঁকি বাড়াতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষের জন্য এই পরিস্থিতির প্রভাব পড়তে পারে অবসরকালীন বিনিয়োগ, প্রযুক্তি খাতের চাকরি, নতুন ব্যবসায় অর্থায়ন এবং শেয়ারবাজারের ওপর। তবে এআই খাতে বিনিয়োগ কমলেই সঙ্গে সঙ্গে ব্যাপক ছাঁটাই বা অর্থনৈতিক মন্দা ঘটবে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর ভিত্তি নেই।

আইএমএফ একই সঙ্গে সরকারি ঋণ বৃদ্ধি এবং দীর্ঘস্থায়ী আন্তর্জাতিক সংঘাতের অর্থনৈতিক ঝুঁকির কথাও তুলে ধরেছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে তেলের দাম বেশি থাকতে পারে, যা পরিবহন ও উৎপাদন ব্যয় বাড়িয়ে দিতে পারে।

প্রতিবেদনটির মূল বার্তা হলো, এআই প্রযুক্তি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির বড় চালিকাশক্তি হলেও অতিরিক্ত বিনিয়োগনির্ভর প্রবৃদ্ধি ঝুঁকিমুক্ত নয়। প্রযুক্তির প্রকৃত উৎপাদনশীলতা, কোম্পানিগুলোর আয় এবং বিনিয়োগের দীর্ঘমেয়াদি ফলাফলই নির্ধারণ করবে এই প্রবৃদ্ধি কতটা টেকসই হবে।

ট্যাগ: কৃত্রিমবুদ্ধিমত্তাযুক্তরাষ্ট্রেরঅর্থনীতিআন্তর্জাতিকমুদ্রাতহবিলআইএমএফপ্রযুক্তিখাতবিনিয়োগ

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সংবাদ পান আপনার ইনবক্সে

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।