ব্রেকিং
ইলন মাস্কের অভিযোগে তোলপাড় টেক্সাস, মানসিক হাসপাতালে থাকার দাবি ঘিরে বিতর্কনিয়ন্ত্রণহীন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বাড়বে সাইবার হামলা, আগামী বছর ভয়াবহ বিপদের আশঙ্কা বিল গেটসেরভোটার তালিকা বিতর্কে উত্তাল ভারত, আটকেও পিছু হটছে না ‘তেলাপোকা’ তরুণদের আন্দোলনরুশ তেল শোধনাগারে হামলা বন্ধে ইউক্রেনকে অস্ত্র ও গোয়েন্দা সহায়তা বন্ধের হুমকি ট্রাম্পেরট্রাম্পের আস্থা পেলেন কেটি জাকারিয়া হোয়াইট হাউসের নতুন মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পাচ্ছেন

রুশ তেল শোধনাগারে হামলা বন্ধে ইউক্রেনকে অস্ত্র ও গোয়েন্দা সহায়তা বন্ধের হুমকি ট্রাম্পের

রুশ তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের হামলা বন্ধে ওয়াশিংটনের চাপ, অস্ত্র ও গোয়েন্দা সহায়তা বন্ধের হুমকিতে নতুন করে বাড়ছে দুই দেশের টানাপোড়েন।

রুশ তেল শোধনাগারে হামলা বন্ধে ইউক্রেনকে অস্ত্র ও গোয়েন্দা সহায়তা বন্ধের হুমকি ট্রাম্পের
রুশ তেল শোধনাগারে হামলা বন্ধে ইউক্রেনকে অস্ত্র ও গোয়েন্দা সহায়তা বন্ধের হুমকি ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন রাশিয়ার তেল শোধনাগার ও জ্বালানি অবকাঠামোতে ইউক্রেনের দূরপাল্লার হামলা বন্ধ করতে কিয়েভের ওপর চাপ বাড়িয়েছে। হামলা বন্ধ না হলে ইউক্রেনের জন্য মার্কিন অস্ত্র সংগ্রহের ব্যবস্থা স্থগিত করা এবং গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান বন্ধ করার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। বিষয়টি এমন সময় সামনে এসেছে, যখন ট্রাম্প রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধের একটি সমঝোতা কার্যকর হয়েছে বলে ঘোষণা করেছেন। কিন্তু ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, ঘোষিত সমঝোতার বিস্তারিত তিনি তখনও পাননি। ফলে যুদ্ধ বন্ধের উদ্যোগের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেনের সম্পর্কে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। 

বার্তা সংস্থা রয়টার্স ১১ অক্টোবর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহে সহায়তাকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থার কার্যক্রম বন্ধ করার হুমকি দিয়েছে বলে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, রুশ জ্বালানি অবকাঠামোয় ইউক্রেনের হামলা থামাতে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা কিয়েভ ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। গোয়েন্দা তথ্য ভাগাভাগি বন্ধ করার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তবে রয়টার্স জানিয়েছে, তারা এই হুমকির খবর স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তাই বিষয়টিকে নিশ্চিতভাবে কার্যকর সিদ্ধান্ত না বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত গুরুতর একটি প্রতিবেদন হিসেবে দেখা জরুরি। 

মার্কিন অস্ত্র সংগ্রহের ব্যবস্থাটি ইউক্রেনের যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ন্যাটোর মাধ্যমে পরিচালিত অগ্রাধিকারভিত্তিক ইউক্রেনীয় সামরিক চাহিদা পূরণব্যবস্থার সাহায্যে ইউরোপের মিত্রদেশগুলো ইউক্রেনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি অস্ত্র কিনতে পারে। এই ব্যবস্থায় বাধা সৃষ্টি হলে ইউক্রেনের সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ, প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা এবং দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধপ্রস্তুতি চাপে পড়তে পারে। অন্যদিকে, গোয়েন্দা তথ্য ভাগাভাগি বন্ধ হলে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ও আকাশপথে আসা হামলার আগাম সতর্কতা, লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে তথ্য এবং সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে সব ধরনের সামরিক সহায়তা ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে, এমন কোনো নিশ্চিত তথ্য এই প্রতিবেদনগুলোতে নেই। এখানে মূল বিষয় হলো, হামলা বন্ধে রাজি করাতে সহায়তা প্রত্যাহারের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমের দাবি। 

ট্রাম্পের এই অবস্থানের পেছনে জ্বালানি বাজারের পরিস্থিতিও গুরুত্বপূর্ণ। রাশিয়ার তেল শোধনাগারগুলোতে ইউক্রেনের ড্রোন হামলার ফলে পরিশোধিত জ্বালানির উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ডিজেলের বাজারে সরবরাহ কমে গেলে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়ে যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রেও ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি পরিবহন, পণ্য সরবরাহ এবং কৃষি খাতে খরচ বাড়াতে পারে। ট্রাম্প সাম্প্রতিক বক্তব্যে রুশ জ্বালানি স্থাপনায় হামলাকে ডিজেলের দাম বৃদ্ধির একটি কারণ হিসেবে তুলে ধরেছেন। তবে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির পেছনে একাধিক আন্তর্জাতিক কারণ রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, তেল সরবরাহের বিঘ্ন এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানির চাহিদা ও সরবরাহের পরিবর্তনও দামকে প্রভাবিত করছে। তাই শুধু ইউক্রেনের হামলাকে ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির একমাত্র কারণ হিসেবে দেখানো যথাযথ হবে না। 

এই পরিস্থিতিতে ১১ অক্টোবর ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দেন, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধের সমঝোতা অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে এবং উভয় পক্ষ এতে সম্মত হয়েছে। কিন্তু ঘোষণায় সমঝোতার পূর্ণ শর্ত, বাস্তবায়নের পদ্ধতি কিংবা তা পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়নি। ইউক্রেনের পক্ষ থেকেও তখন পর্যন্ত এমন কোনো পূর্ণাঙ্গ চুক্তির বিবরণ প্রকাশ করা হয়নি, যার ভিত্তিতে বলা যায় যে উভয় দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে সব শর্তে সম্মত হয়েছে। ফলে ট্রাম্পের ঘোষণাটি এবং দুই দেশের মধ্যে বাস্তবে কার্যকর হওয়া কোনো চুক্তি এক বিষয় নয়। 

জেলেনস্কি এই ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান এবং জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা বন্ধের উদ্যোগকে স্বাগত জানায়। তবে রাশিয়াকেও একই শর্ত মানতে হবে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে সমঝোতার বিস্তারিত জানার অপেক্ষায় রয়েছে কিয়েভ। তিনি আরও জানান, ট্রাম্পের ঘোষণার পরও ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে রাশিয়ার হামলা চলেছে। রাজধানী কিয়েভ ও খারকিভের জ্বালানি অবকাঠামো ঘিরে হামলার খবরও সামনে এসেছে। ফলে যুদ্ধক্ষেত্রে বাস্তব পরিস্থিতি এবং কূটনৈতিক ঘোষণার মধ্যে ব্যবধান স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ইউক্রেনের বক্তব্যের মূল কথা হলো, একতরফাভাবে রুশ জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধ করলে দেশটির নিজস্ব বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামো রুশ হামলার ঝুঁকিতে থেকে যাবে। 


যুক্তরাষ্ট্রের এই চাপ ইউক্রেনের জন্য কূটনৈতিক ও সামরিক—দুই দিক থেকেই বড় চ্যালেঞ্জ। রাশিয়ার জ্বালানি স্থাপনায় হামলা চালিয়ে মস্কোর যুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতা কমানোর চেষ্টা করছে কিয়েভ। তেল শোধনাগার, জ্বালানি মজুতকেন্দ্র এবং পরিবহন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হলে রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর জ্বালানি সরবরাহ ও দেশটির রাজস্ব আয় চাপে পড়তে পারে। রাশিয়ার তেল ও জ্বালানি বিক্রি থেকে পাওয়া অর্থ দেশটির অর্থনীতির পাশাপাশি যুদ্ধ পরিচালনার ব্যয় মেটাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ইউক্রেনের দৃষ্টিতে, রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোতে আঘাত হানা প্রতিপক্ষের যুদ্ধক্ষমতা দুর্বল করার একটি উপায়। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিতে, এসব হামলা জ্বালানির বৈশ্বিক সরবরাহ ও দামের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এই দুই অবস্থানের সংঘাতই বর্তমান বিরোধের অন্যতম প্রধান কারণ। 

ট্রাম্পের প্রশাসনের সঙ্গে কিয়েভের বিরোধ শুধু জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধের প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নেই। রাশিয়ার সঙ্গে সমঝোতা কীভাবে হবে, যুদ্ধ থামানোর শর্ত কী হবে এবং ইউক্রেনকে কতটা ছাড় দিতে হবে—এসব বিষয়েও দুই পক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। ১০ অক্টোবর ট্রাম্প ইউক্রেনের নেতৃত্ব পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশটির এমন একজন নেতা দরকার, যিনি সমঝোতায় পৌঁছাতে পারবেন। এই বক্তব্য ইউক্রেনের নেতৃত্ব ও সার্বভৌম সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার নিয়ে বিতর্ক আরও বাড়িয়েছে। জেলেনস্কি পাল্টা অবস্থানে বলেছেন, ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব কে নির্ধারণ করবে, তা ইউক্রেনের জনগণের সিদ্ধান্তের বিষয়। রাশিয়া ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলে নির্বাচন আয়োজনের বিষয়েও তিনি প্রস্তুতির কথা বলেছেন। তবে যুদ্ধকালীন আইনি বিধিনিষেধ ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে নির্বাচন আয়োজন সহজ নয়। 

ইউরোপীয় দেশগুলোর অবস্থানও এই সংকটের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। ইউক্রেনের সামরিক সহায়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ দীর্ঘদিন ধরে ভূমিকা রাখছে। যুক্তরাষ্ট্র যদি গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ বন্ধ করে বা অস্ত্র সংগ্রহের ব্যবস্থায় বাধা দেয়, তাহলে ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর আরও বেশি দায়িত্ব পড়তে পারে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সরঞ্জাম ও গোয়েন্দা সক্ষমতার বিকল্প দ্রুত তৈরি করা কঠিন। ফলে ওয়াশিংটনের সিদ্ধান্ত ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা পরিকল্পনার পাশাপাশি ইউরোপের নিরাপত্তা হিসাবেও প্রভাব ফেলতে পারে। জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ভাডেফুল ১১ অক্টোবর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ওপর চাপ কমানোর পরিবর্তে তা বাড়ানো দরকার। এ থেকে বোঝা যায়, যুদ্ধ বন্ধের উপায় নিয়ে পশ্চিমা মিত্রদের মধ্যেও মতপার্থক্য রয়েছে। 

এদিকে রাশিয়ার জ্বালানি রপ্তানি এবং ডিজেলের সরবরাহ নিয়েও নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন রাশিয়ার ডিজেল বিশ্ববাজারে সরবরাহের পথ সহজ করার উদ্যোগ নিয়েছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য হিসেবে জ্বালানির সরবরাহ বাড়ানো ও মূল্যবৃদ্ধির চাপ কমানোর কথা সামনে এসেছে। তবে সমালোচকদের আশঙ্কা, রাশিয়ার জ্বালানি বিক্রির সুযোগ বাড়লে দেশটির আয়ও বাড়তে পারে, যা চলমান যুদ্ধের অর্থায়নে সহায়তা করতে পারে। অন্যদিকে, বাজার বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়ার অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহ বিশ্ববাজারের সামগ্রিক চাহিদার তুলনায় সীমিত হওয়ায় দামের ওপর এর প্রভাবও সীমিত থাকতে পারে। অর্থাৎ, এই পদক্ষেপ জ্বালানির দাম কমানোর নিশ্চয়তা দেয় না। 

সব মিলিয়ে, রুশ জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধের প্রশ্নটি এখন শুধু যুদ্ধক্ষেত্রের কৌশলগত বিষয় নয়; এটি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি, ইউক্রেনের আত্মরক্ষা, ইউরোপের নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গেছে। ট্রাম্পের ঘোষিত জ্বালানি যুদ্ধবিরতি বাস্তবে কার্যকর হবে কি না, তা নির্ভর করবে রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয় পক্ষ একই শর্ত মেনে চলে কি না, চুক্তির শর্তগুলো স্পষ্ট হয় কি না এবং লঙ্ঘনের ঘটনা কীভাবে যাচাই করা হয় তার ওপর। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও গোয়েন্দা সহায়তা বন্ধের হুমকি বাস্তব সিদ্ধান্তে রূপ নেবে কি না, সেটিও এখনো নিশ্চিত নয়। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এই হুমকির খবর স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলে উল্লেখ রয়েছে। তাই এই মুহূর্তে সবচেয়ে নির্ভুল মূল্যায়ন হলো ওয়াশিংটন কিয়েভের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে বলে নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন, কিন্তু সমঝোতার বিস্তারিত ও বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। 

ট্যাগ: ডোনাল্ড ট্রাম্পভলোদিমির জেলেনস্কিরাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধমার্কিন সামরিক সহায়তাগোয়েন্দা তথ্যরুশ তেল শোধনাগারজ্বালানি যুদ্ধবির

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সংবাদ পান আপনার ইনবক্সে

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।