ব্রেকিং
রিয়াদ বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ১২, দায় স্বীকার নিয়ে ধোঁয়াশানিউইয়র্কে পুলিশ গোয়েন্দাকে ছুরিকাঘাত, আইসের গুলিতে আহত ব্যক্তিকে ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক সংঘাতহিউস্টনে অভিবাসন অভিযানের সময় সরকারি গাড়ির ধাক্কায় আহত ব্যক্তি, তদন্তে শেরিফের কার্যালয়দুর্গাপূজার মণ্ডপে সিসিটিভি ও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিশ্চিতের নির্দেশ তথ্য প্রতিমন্ত্রীরজিবুতি উপকূলে অভিবাসীবাহী নৌকা ডুবে অন্তত ১৩৯ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ আরও ৮৪

নিউইয়র্কে পুলিশ গোয়েন্দাকে ছুরিকাঘাত, আইসের গুলিতে আহত ব্যক্তিকে ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক সংঘাত

পুলিশ গোয়েন্দাকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় নীরবতার অভিযোগ তুলেছেন মুলিন, তবে যাচাইয়ে দেখা গেছে, মেয়র হাসপাতালে গিয়ে আহত গোয়েন্দার খোঁজ নিয়েছিলেন সেদিন।

নিউইয়র্কে পুলিশ গোয়েন্দাকে ছুরিকাঘাত, আইসের গুলিতে আহত ব্যক্তিকে ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক সংঘাত
নিউইয়র্কে পুলিশ গোয়েন্দাকে ছুরিকাঘাত, আইসের গুলিতে আহত ব্যক্তিকে ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক সংঘাত

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে এক পুলিশ গোয়েন্দাকে সাতবার ছুরিকাঘাতের ঘটনা এবং অভিবাসন কর্মকর্তাদের গুলিতে এক ব্যক্তির আহত হওয়াকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় সরকার ও নগর প্রশাসনের মধ্যে নতুন করে রাজনৈতিক বিরোধ তীব্র হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রী মার্কওয়েন মুলিন অভিযোগ করেছেন, নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি ও গভর্নর ক্যাথি হোকল পুলিশ সদস্যের ওপর হামলার ঘটনায় যথেষ্ট গুরুত্ব দেননি। অথচ অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থার অভিযানে গুলিবিদ্ধ এক ব্যক্তিকে নিয়ে তাঁরা ব্যাপক সমালোচনা করছেন।

তবে মুলিনের অভিযোগের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সংবাদ প্রতিবেদনের সঙ্গে মেলে না। নিউইয়র্কের মেয়র আহত গোয়েন্দার বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেননি এমন দাবি সঠিক নয়। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, হামলার দিনই তিনি আহত গোয়েন্দার খোঁজ নিতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন এবং তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছিলেন। ফলে ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বক্তব্য ও যাচাই করা তথ্যের মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

গত ১১ অক্টোবর প্রকাশিত সংবাদ এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি বক্তব্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে দুটি পৃথক ঘটনা। প্রথমটি ব্রঙ্কসে কর্তব্যের বাইরে থাকা এক পুলিশ গোয়েন্দার ওপর ছুরিকাঘাতের হামলা। দ্বিতীয়টি আট অক্টোবর নিউইয়র্কে অভিবাসন কর্মকর্তাদের অভিযানের সময় ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রের নাগরিক অস্কার বেলগালকে গুলি করার ঘটনা। দুটি ঘটনায় অপরাধের অভিযোগ, অভিবাসন আইন প্রয়োগ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ক্ষমতা ব্যবহারের প্রশ্ন উঠে এসেছে।

নিউইয়র্কের ব্রঙ্কস এলাকায় গত দুই অক্টোবর পুলিশ গোয়েন্দা হোসে মার্সিডিজের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তেত্রিশ বছর বয়সী এই গোয়েন্দা তখন দায়িত্বে ছিলেন না। তিনি নিজের গাড়ির কাছে থাকা অবস্থায় দুই ব্যক্তি তাঁর গাড়িতে ঢুকে পড়েন বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যে উঠে এসেছে। পরে তাঁদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় মার্সিডিজকে সাতবার ছুরিকাঘাত করা হয় বলে পুলিশ জানায়।

হামলাকারীরা তাঁর গলার সোনার হার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে তদন্তকারীদের ধারণা। মারাত্মক আহত অবস্থায় গোয়েন্দাটি কিছু দূর তাঁদের পিছু নিলেও পরে রাস্তায় পড়ে যান। তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। কয়েক দিন চিকিৎসার পর পাঁচ অক্টোবর তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান। তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে বলে পরবর্তী সংবাদ প্রতিবেদনে জানানো হয়।

এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে ডি’অ্যাঞ্জেলো কারাবালো ও স্নাইডার মেহিয়ার নাম প্রকাশ করে পুলিশ। সাত অক্টোবর ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের লিন শহরে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে নিউইয়র্ক পুলিশ জানায়। তাঁদের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টাসহ একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে অভিযোগ আনা মানেই আদালতে অপরাধ প্রমাণিত হওয়া নয়; বিচারিক প্রক্রিয়ায় তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারিত হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ জানিয়েছে, দুই সন্দেহভাজনই ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রের নাগরিক এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই অপরাধসংক্রান্ত তথ্য ছিল। বিভাগটির বক্তব্য অনুযায়ী, অন্তত একজনের ক্ষেত্রে অভিবাসন কর্তৃপক্ষের আটক রাখার অনুরোধ ছিল। মুলিনের অভিযোগ, স্থানীয় প্রশাসন ও কেন্দ্রীয় অভিবাসন কর্তৃপক্ষের মধ্যে যথাযথ সহযোগিতা থাকলে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হতে পারত।

কিন্তু এ বক্তব্যের বিপরীতে একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে। নিউইয়র্কের মেয়র মামদানি হামলার দিনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাটি নিয়ে কথা বলেন। তিনি জানান, কর্তব্যের বাইরে থাকা এক পুলিশ গোয়েন্দা ব্রঙ্কসে ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন এবং প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাটি ছিনতাইয়ের চেষ্টার সঙ্গে সম্পর্কিত। একই দিনে তিনি পুলিশ কমিশনার জেসিকা টিশের সঙ্গে হাসপাতালে গিয়ে আহত গোয়েন্দা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমও এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

অতএব, মেয়র ঘটনাটি নিয়ে কিছুই বলেননি মুলিনের এমন অভিযোগ তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তবে হামলার ঘটনায় মেয়রের প্রতিক্রিয়া কতটা যথাযথ ছিল, কিংবা তাঁর অভিবাসন নীতির কারণে অপরাধ প্রতিরোধে সমস্যা তৈরি হয়েছে কি না, তা পৃথক রাজনৈতিক ও নীতিগত প্রশ্ন। একটি ঘটনার তথ্য দিয়ে অন্য প্রশ্নের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত টানা যায় না।

বিতর্কের দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটে আট অক্টোবর। নিউইয়র্কের মার্বেল হিল এলাকায় অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তারা অস্কার বেলগালকে আটক করার চেষ্টা করেন। আটাশ বছর বয়সী এই ডোমিনিকান নাগরিকের গাড়িতে তখন তাঁর পাঁচ বছর বয়সী ছেলে ছিল। অভিযানের সময় গুলি চালানো হলে বেলগালের ঘাড়ের কাছে আঘাত লাগে। শিশুটি অক্ষত ছিল বলে সংবাদমাধ্যম জানায়।

কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, বেলগাল গাড়ি নিয়ে কর্মকর্তাদের দিকে এগিয়ে যান এবং তাঁদের জন্য বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করেন। কর্মকর্তাদের দাবি, তাঁকে থামানোর চেষ্টা চলাকালে গুলি চালানো হয়। তবে গুলি চালানোর প্রয়োজনীয়তা, কর্মকর্তাদের পরিচয় প্রকাশের পদ্ধতি এবং পুরো অভিযানের পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রয়টার্স জানিয়েছে, কর্মকর্তাদের গাড়ি লক্ষ্য করে এগিয়ে যাওয়ার দাবিটি তারা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি। ফলে সরকারি বক্তব্যকে তদন্তে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত ঘটনা হিসেবে উপস্থাপন করা ঠিক হবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ বলেছে, বেলগালের আগে অপরাধসংক্রান্ত রেকর্ড ছিল এবং তাঁর বিরুদ্ধে মাদকসংক্রান্ত অভিযোগসহ আরও কিছু বিচারাধীন বিষয় রয়েছে। সংবাদ প্রতিবেদনে তাঁর অতীতের সম্পত্তিসংক্রান্ত অপরাধে দণ্ডিত হওয়ার তথ্যও এসেছে। তবে প্রতিটি অভিযোগের আইনি অবস্থা আলাদা করে যাচাই করা জরুরি। অতীতের অপরাধের রেকর্ড থাকলেও আটক অভিযানে গুলি চালানো আইনসম্মত ছিল কি না, সেটি আলাদা তদন্তের বিষয়।

নিউইয়র্কের মেয়র মামদানি এ অভিযানের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, এ ধরনের অভিযান নগরবাসীর নিরাপত্তা বিপন্ন করতে পারে, বিশেষ করে যখন গাড়ির ভেতরে শিশু উপস্থিত থাকে। তিনি অভিবাসন কর্মকর্তাদের কার্যক্রম নিয়ে তদন্তের দাবি তুলেছেন এবং নিউইয়র্কে তাঁদের অভিযান বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন। গভর্নর হোকলও গাড়ির দিকে গুলি চালানোর ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং কেন্দ্রীয় প্রশাসনের কাছে ঘটনার ব্যাখ্যা চেয়েছেন।

এখানে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলাদা করে দেখা দরকার। প্রথমত, বেলগালের বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ সত্য হলেও তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কর্মকর্তাদের গুলির ব্যবহারকে বৈধ প্রমাণ করে না। দ্বিতীয়ত, কর্মকর্তারা যদি তাৎক্ষণিক প্রাণঘাতী বিপদের মুখে পড়ে থাকেন, তাহলে তাঁদের আত্মরক্ষার যুক্তিও তদন্তে বিবেচনা করতে হবে। ঘটনার ভিডিও, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, কর্মকর্তাদের বিবরণ এবং অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা করেই এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্য সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব।

মুলিনের বক্তব্যের মূল রাজনৈতিক যুক্তি হলো, অভিবাসন আইন কার্যকর করতে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা প্রয়োজন। তাঁর মতে, যাঁদের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের বিষয়ে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মধ্যে তথ্য বিনিময় এবং আইনসম্মত আটক প্রক্রিয়া আরও কার্যকর হওয়া উচিত। অন্যদিকে নিউইয়র্কের নেতাদের বক্তব্য, অভিবাসন আইন প্রয়োগের নামে অনিরাপদ অভিযান চালানো বা অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের ঘটনা গ্রহণযোগ্য নয়।

এই বিরোধের পেছনে রয়েছে তথাকথিত অভয়াশ্রয়ী নগরনীতি নিয়ে দীর্ঘদিনের মতপার্থক্য। এ ধরনের নীতির আওতায় স্থানীয় পুলিশ সব ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় অভিবাসন কর্তৃপক্ষের অনুরোধে আটক ব্যক্তিদের হস্তান্তর করে না। সমালোচকদের বক্তব্য, এতে অপরাধে অভিযুক্ত কিছু ব্যক্তি দ্রুত মুক্তি পেতে পারেন এবং অভিবাসন কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়ার সুযোগ কমে যায়। নীতিটির সমর্থকেরা বলেন, স্থানীয় পুলিশকে অভিবাসন কার্যক্রম থেকে কিছুটা পৃথক রাখলে অভিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ অপরাধের শিকার হলে বা সাক্ষী হলে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।

তবে কোনো নীতি নিয়ে বিতর্ক থাকলেই প্রতিটি অপরাধের জন্য সেই নীতিকে সরাসরি দায়ী করা যায় না। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে কী অভিযোগ ছিল, কখন তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, আদালত কী সিদ্ধান্ত দিয়েছিল, জামিনের শর্ত কী ছিল এবং অভিবাসন কর্তৃপক্ষ কখন আটক রাখার অনুরোধ জানিয়েছিল এসব তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন। ব্রঙ্কসের হামলা এবং বেলগালের ঘটনায়ও এসব প্রশ্নের উত্তর প্রকাশ্যে আসা জরুরি।

তথ্য যাচাইয়ের সারসংক্ষেপ হলো, ব্রঙ্কসে পুলিশ গোয়েন্দাকে সাতবার ছুরিকাঘাতের ঘটনা সত্য এবং এ ঘটনায় দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বেলগাল অভিবাসন অভিযানে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এবং তাঁর গাড়িতে পাঁচ বছর বয়সী সন্তান ছিল এ তথ্যও একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। মুলিন নিউইয়র্কের নেতাদের বিরুদ্ধে দ্বৈত নীতির অভিযোগ তুলেছেন, কিন্তু মেয়র মামদানি গোয়েন্দার হামলার বিষয়ে নীরব ছিলেন এ দাবি ভুল। তিনি সেদিনই আহত গোয়েন্দার খোঁজ নিয়েছিলেন।

সব মিলিয়ে, এ ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রে অপরাধ দমন, অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ, স্থানীয় প্রশাসনের স্বাধীনতা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জবাবদিহি নিয়ে চলমান দ্বন্দ্বকে আরও সামনে এনেছে। অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির অতীত যেমন তদন্তের অংশ, তেমনি সরকারি কর্মকর্তাদের বলপ্রয়োগের সিদ্ধান্তও নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনা করা দরকার। রাজনৈতিক বক্তব্যের চেয়ে প্রমাণ, স্বচ্ছ তদন্ত এবং আদালতের সিদ্ধান্তকে অগ্রাধিকার দেওয়াই এ ধরনের সংবেদনশীল ঘটনায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।


ট্যাগ: নিউইয়র্কমার্কওয়েন মুলিনজোহরান মামদানিক্যাথি হোকলপুলিশ গোয়েন্দাছুরিকাঘাতঅভিবাসন অভিযানগুলির ঘটনাঅপর

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সংবাদ পান আপনার ইনবক্সে

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।