জ্বালানি স্থাপনায় পাল্টা হামলা বন্ধের শর্ত দিলেন জেলেনস্কি, যুদ্ধ থামাতে ট্রাম্পের ওপর চাপ বাড়াল ইউক্রেন
রুশ জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা বন্ধে শর্ত দিলেন জেলেনস্কি, ইউক্রেনের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি স্থাপনায় রুশ হামলা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ চাইলেন তিনি।
জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধে পারস্পরিক শর্ত দিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের হামলা বন্ধের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপের মুখে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, রাশিয়া যদি ইউক্রেনের বিদ্যুৎ, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা বন্ধ করে, তাহলে কিয়েভও রুশ জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধ করতে প্রস্তুত। তবে একতরফাভাবে ইউক্রেনকে হামলা বন্ধ করতে বলা ন্যায্য নয় বলে মনে করেন তিনি। ১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজের জনপ্রিয় সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান ‘দিস উইক’-এ দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন জেলেনস্কি। সাক্ষাৎকারটি নেন সাংবাদিক জোনাথন কার্ল। একই সময়ে যুদ্ধ বন্ধের উদ্যোগ, রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বাণিজ্য এবং ইউক্রেনের নেতৃত্ব নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্য দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন করে আলোচনায় এনেছে।
জেলেনস্কির বক্তব্যের মূল কথা হলো, যুদ্ধ বন্ধ করতে হলে রাশিয়া ও ইউক্রেন—দুই পক্ষকেই বাস্তব পদক্ষেপ নিতে হবে। তাঁর মতে, ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোতে রাশিয়ার হামলা চলতে থাকলে শুধু ইউক্রেনকে রুশ তেল শোধনাগারে হামলা বন্ধ করতে বলা কোনো ন্যায্য সমাধান হতে পারে না। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, রাশিয়াকে ইউক্রেনের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি স্থাপনায় আক্রমণ বন্ধ করতে চাপ দেওয়া হোক। এর বিনিময়ে ইউক্রেনও রাশিয়ার জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধ করবে। তাঁর প্রস্তাবের কেন্দ্রে রয়েছে পারস্পরিক সমঝোতা, যুদ্ধের উত্তেজনা কমানো এবং বেসামরিক মানুষের জীবন রক্ষা করা।
সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কি বলেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ও তাঁর প্রশাসনের প্রতিনিধিদের একাধিকবার জানিয়েছেন, ইউক্রেন শান্তি চায় এবং যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হতে প্রস্তুত। উত্তেজনা কমানোর যেকোনো বাস্তব উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা করতে তাঁর আপত্তি নেই। তবে রাশিয়া যদি ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোতে আক্রমণ চালিয়ে যায়, তাহলে ইউক্রেনের ওপর একতরফা নিষেধাজ্ঞা আরোপের মতো পরিস্থিতি তৈরি করা উচিত নয়। তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে রাশিয়ার কাছে স্পষ্ট বার্তা পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান। তাঁর বক্তব্যের সারকথা, রাশিয়া ইউক্রেনকে আঘাত করা বন্ধ করলে ইউক্রেনও রাশিয়ার জ্বালানি স্থাপনায় আঘাত করা বন্ধ করবে। এই সমঝোতাকে তিনি ন্যায্য পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরেন।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেনের রুশ তেল শোধনাগার লক্ষ্য করে চালানো হামলার সমালোচনা করেছেন। তাঁর দাবি, এসব হামলা জ্বালানি সরবরাহে সমস্যা তৈরি করছে এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বাড়ার চাপ সৃষ্টি করছে। এ কারণে তিনি জেলেনস্কিকে রাশিয়ার তেল শোধনাগারে হামলা বন্ধ করার আহ্বান জানান। ট্রাম্পের বক্তব্যে জ্বালানি সরবরাহ ও মূল্য নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট মনে করেন, আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের মূল্যবৃদ্ধির পেছনে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালিতে চলাচলসংক্রান্ত সংকটের মতো বড় কারণও রয়েছে। তাই জ্বালানির দাম বাড়ার জন্য শুধু ইউক্রেনের সামরিক অভিযানকে দায়ী করা বাস্তব পরিস্থিতির পূর্ণ ব্যাখ্যা নয়।
ট্রাম্পের সঙ্গে জেলেনস্কির মতবিরোধ আরও বেড়েছে রাশিয়ার জ্বালানি বাণিজ্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন পদক্ষেপের কারণে। ৯ অক্টোবরের দিকে ঘোষিত উদ্যোগে রাশিয়ার কাছ থেকে ডিজেল জ্বালানি কেনা এবং রুশ জ্বালানির ওপর আরোপিত কিছু মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার বিষয় উঠে এসেছে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই উদ্যোগের আওতায় রাশিয়া থেকে বিপুল পরিমাণ ডিজেল সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে। ট্রাম্পের যুক্তি, এর ফলে জ্বালানির সরবরাহ বাড়তে পারে এবং বাজারে মূল্যবৃদ্ধির চাপ কমতে পারে। অন্যদিকে জেলেনস্কির আশঙ্কা, রাশিয়ার জ্বালানি বিক্রি থেকে আয় বাড়লে সেই অর্থ দেশটির যুদ্ধ পরিচালনায় কাজে লাগতে পারে। ফলে একদিকে জ্বালানির বাজার স্থিতিশীল করার চেষ্টা, অন্যদিকে রাশিয়ার যুদ্ধের অর্থায়ন কমানোর লক্ষ্য দুটি স্বার্থের মধ্যে সংঘাত তৈরি হয়েছে।
জেলেনস্কি সাক্ষাৎকারে রাশিয়ার কাছ থেকে জ্বালানি কেনার এই উদ্যোগেরও সমালোচনা করেন। তাঁর মতে, রাশিয়ার হাতে অর্থ পৌঁছালে তা যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা বাড়াতে পারে। তিনি দাবি করেন, রাশিয়া ইউক্রেনের বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে মানুষ হত্যা করছে এবং সেই যুদ্ধ অব্যাহত রাখতে বিপুল অর্থ ব্যয় করছে। তাই রাশিয়ার জ্বালানি আয় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত যুদ্ধ বন্ধের প্রচেষ্টার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে বলে তাঁর আশঙ্কা। তবে রাশিয়ার কাছ থেকে জ্বালানি কেনার উদ্যোগ বাস্তবে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারদর কতটা কমাবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, সরবরাহ বাড়লেও যুক্তরাষ্ট্রের ডিজেলের দামে প্রভাব সীমিত থাকতে পারে। ফলে এই সিদ্ধান্তের অর্থনৈতিক লাভ এবং কৌশলগত মূল্য দুটিই যাচাই করা জরুরি।
সাক্ষাৎকারে যুদ্ধের মানবিক মূল্য নিয়েও কথা বলেছেন জেলেনস্কি। তিনি জানান, ওই সপ্তাহে ইউক্রেনের বেসামরিক অবকাঠামোতে রাশিয়ার ব্যাপক হামলা হয়েছে। তাঁর দাবি, বিদ্যুৎ খাতে ১৯৬টি হামলার ঘটনা ঘটেছে এবং গ্যাস ও তেল খাতে আরও ২০টি হামলা হয়েছে। একই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এসব হামলায় ১৫৩ জন বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। এই সংখ্যাগুলো সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কির দেওয়া হিসাব; এগুলোকে স্বাধীনভাবে যাচাই করা চূড়ান্ত পরিসংখ্যান হিসেবে দেখা উচিত নয়। সংঘাত চলাকালে হতাহতের সংখ্যা বিভিন্ন সময়ে পরিবর্তিত হয় এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর দেওয়া তথ্যের সঙ্গে স্বাধীন পর্যবেক্ষকদের হিসাবের পার্থক্য থাকতে পারে।
জেলেনস্কি আরও একটি নির্দিষ্ট ঘটনার কথা উল্লেখ করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ইউক্রেনের একটি ছোট শহরে এমন একটি ভবনে হামলা হয়েছে, যেখানে তাঁর দাবি অনুযায়ী কোনো সামরিক লক্ষ্য ছিল না। ওই ঘটনায় ২২ জন নিহত এবং প্রায় ৬০ জন আহত হয়েছেন বলে তিনি জানান। নিহতদের মধ্যে পাঁচটি শিশু ছিল বলেও দাবি করেন তিনি। ঘটনাটির স্থান, সময়, লক্ষ্যবস্তু এবং হতাহতের পূর্ণ বিবরণ স্বাধীনভাবে যাচাই না করে এসব তথ্যকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা ঠিক হবে না। তবে তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, বেসামরিক মানুষের মৃত্যু এবং বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন যুদ্ধের চাপ আরও বাড়িয়ে তুলছে। বিশেষ করে শীতের আগে বিদ্যুৎ ও তাপ সরবরাহের ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে উঠতে পারে।
যুদ্ধ কত দিন চলতে পারে, এমন প্রশ্নের উত্তরে জেলেনস্কি বলেন, যত দ্রুত সম্ভব যুদ্ধ থামানোই এখন প্রধান লক্ষ্য। যুক্তরাষ্ট্র এই প্রচেষ্টায় সাহায্য করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে ইউরোপীয় অংশীদারদের সমর্থনের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, ইউক্রেনকে নিজের জীবন, ঘরবাড়ি, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য লড়াই চালিয়ে যেতে হচ্ছে। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার ঝুঁকি থাকলেও দেশটির অস্তিত্ব ও স্বাধীনতা রক্ষার প্রশ্নে পিছু হটার সুযোগ নেই বলেই তিনি মনে করেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর মতে, মিত্রদের মধ্যে মতপার্থক্য বাড়লে রাশিয়ার ওপর কার্যকর চাপ সৃষ্টি করা কঠিন হয়ে পড়বে।
সাক্ষাৎকারে ইউক্রেনের নেতৃত্ব নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্যেরও জবাব দেন জেলেনস্কি। ট্রাম্প এর আগে বলেছিলেন, ইউক্রেনের নতুন প্রেসিডেন্ট পাওয়া উচিত। জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেনের নেতা কে হবেন, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার দেশটির জনগণের। অন্য দেশের প্রেসিডেন্টের এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়। যুদ্ধ চলাকালে নির্বাচন আয়োজনের বাস্তব সমস্যা এবং নিরাপত্তার ঝুঁকির কথাও তিনি তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য, ভোটারদের নিরাপদে ভোট দেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা এবং আইনগত বাধা দূর করা ছাড়া নির্বাচন আয়োজন করা কঠিন।
এ বিষয়ে জেলেনস্কি একটি শর্তও সামনে এনেছেন। রাশিয়া যদি ৬০ দিনের পূর্ণ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়, তাহলে ইউক্রেন নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে পারবে বলে তিনি জানান। তাঁর মতে, এই সময়সীমা নির্বাচন আয়োজনের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সহায়তা করতে পারে। তবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়া, নিরাপত্তার নিশ্চয়তা এবং ইউক্রেনের আইনগত কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করতে তিনি একেবারে অস্বীকৃতি জানাননি; বরং নিরাপদ ও বাস্তবসম্মত পরিবেশ তৈরির ওপর জোর দিয়েছেন
১১ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি নিয়ে পরিস্থিতিতে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় আসে। ট্রাম্প দাবি করেন, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধের একটি সমঝোতা কার্যকর হয়েছে। কিন্তু জেলেনস্কি জানান, এমন কোনো সমঝোতার বিস্তারিত তাঁর কাছে তখনো স্পষ্ট ছিল না। তিনি পারস্পরিকভাবে হামলা বন্ধের প্রস্তাবে আগ্রহ দেখালেও রাশিয়ার পক্ষ থেকে একই পদক্ষেপ নেওয়া এবং বাস্তব নিশ্চয়তা দেওয়ার ওপর জোর দেন। অর্থাৎ ট্রাম্পের ঘোষণাকে দুই পক্ষের সম্মতিতে চূড়ান্তভাবে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি হিসেবে ধরে নেওয়ার মতো পর্যাপ্ত প্রমাণ তখনো সামনে আসেনি। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনেও ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা অব্যাহত থাকার খবর উঠে এসেছে।
এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতির বাস্তবতা যাচাইয়ের জন্য কয়েকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রথমত, রাশিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে হামলা বন্ধে সম্মতি দেয় কি না। দ্বিতীয়ত, দুই পক্ষের সামরিক বাহিনী নির্দেশনা মেনে চলে কি না। তৃতীয়ত, বিদ্যুৎকেন্দ্র, গ্যাস স্থাপনা, তেল শোধনাগার ও অন্যান্য জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা সত্যিই বন্ধ হয় কি না। চতুর্থত, কোনো পক্ষ সমঝোতা ভঙ্গ করলে তা শনাক্ত ও মোকাবিলার কার্যকর ব্যবস্থা থাকে কি না। এসব শর্ত ছাড়া শুধু রাজনৈতিক ঘোষণা দিয়ে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করা কঠিন।
রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযানের মাধ্যমে নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করে। ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে এই যুদ্ধের পাঁচ বছর পূর্ণ হবে। দীর্ঘ সংঘাতের ফলে দুই দেশেই সামরিক, অর্থনৈতিক ও মানবিক ক্ষতি বেড়েছে। ইউক্রেনের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামো যুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে রাশিয়ার তেল শোধনাগার ও জ্বালানি স্থাপনায় ইউক্রেনের হামলা মস্কোর জ্বালানি উৎপাদন এবং সরবরাহব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করার কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই হামলাগুলোর সামরিক প্রভাবের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির সরবরাহ ও দামের ওপরও প্রভাব পড়তে পারে। তবে প্রতিটি হামলার ক্ষয়ক্ষতি এবং বাজারে তার নির্দিষ্ট প্রভাব আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।





