সরাসরি মানচিত্র, পূর্বাভাস ও জরিপের গড়: PoliAgg (CC BY-SA 4.0)

পূর্ণ ফলাফল, মানচিত্র ও জরিপ
ব্রেকিং
গবেষণায় বাংলাদেশি সামরিনের সাফল্য, বিজ্ঞানী হওয়ার স্বপ্ন দেখাচ্ছেন নিজ দেশের মেয়েদেরসেরা ১০ কৌতুকশিল্পীর তালিকায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত উসামজর্জিয়া ও টেনেসিতে ভয়াবহ বন্যা, সড়ক বন্ধ, পানিবন্দি পরিবার, চলছে জরুরি উদ্ধার অভিযানইরান যুদ্ধের খেসারত দিল রিপাবলিকানরা, নির্বাচনী পরাজয়ের দায় স্বীকার করলেন ট্রাম্পযুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে ভয়াবহ পতন, ডেমোক্র্যাটদের নির্বাচনী জয়ের জন্য ভোটারদের দায়ী করলেন ট্রাম্প

গবেষণায় বাংলাদেশি সামরিনের সাফল্য, বিজ্ঞানী হওয়ার স্বপ্ন দেখাচ্ছেন নিজ দেশের মেয়েদের

যুক্তরাষ্ট্রে জিন গবেষণায় নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন বাংলাদেশি সামরিন মেহেক। তাঁর সাফল্য অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে বাংলাদেশের বিজ্ঞানপ্রেমী তরুণীদের নতুন স্বপ্ন দেখতে।

গবেষণায় বাংলাদেশি সামরিনের সাফল্য, বিজ্ঞানী হওয়ার স্বপ্ন দেখাচ্ছেন নিজ দেশের মেয়েদের
গবেষণায় বাংলাদেশি সামরিনের সাফল্য, বিজ্ঞানী হওয়ার স্বপ্ন দেখাচ্ছেন নিজ দেশের মেয়েদের

যুক্তরাষ্ট্রে জিন ও বংশগত বৈশিষ্ট্য নিয়ে গবেষণার জগতে নিজের অবস্থান তৈরি করছেন বাংলাদেশি তরুণী সামরিন মেহেক। বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পড়াশোনা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়ে জীববিজ্ঞানে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন তিনি। এরপর গবেষণা, বৃত্তি, পেশাগত অভিজ্ঞতা এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে যুক্ত হয়েছেন জিন বিশ্লেষণের কাজে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি অঞ্চলে কাজ করছেন এই বাংলাদেশি গবেষক। নিজের পেশাগত সাফল্যের পাশাপাশি বাংলাদেশের মেয়েদের বিজ্ঞান ও গবেষণায় এগিয়ে আসার সুযোগ তৈরি করাও তাঁর অন্যতম স্বপ্ন।
গত ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত টি টাইমসের একটি প্রতিবেদনে সামরিনের শিক্ষাজীবন, গবেষণার অভিজ্ঞতা এবং উচ্চশিক্ষার জন্য আর্থিক সহায়তা পাওয়ার সংগ্রামের কথা উঠে আসে। পরে ৩ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে বাংলা বুলেটিনেও তাঁকে নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সেখানে তাঁর কর্মজীবনের অগ্রগতি, গবেষণার ক্ষেত্র এবং বাংলাদেশের তরুণীদের জন্য তাঁর স্বপ্নের কথা তুলে ধরা হয়েছে।

সামরিনের শিক্ষাজীবনের শুরু বাংলাদেশের পরিচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্কলাস্টিকায়। সেখান থেকে তিনি মাধ্যমিক পর্যায়ের আন্তর্জাতিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর উচ্চশিক্ষার জন্য পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে। তবে তাঁর শিক্ষাজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ছিল কোস্টারিকার ইউনাইটেড ওয়ার্ল্ড কলেজে পড়াশোনা। ২০২০ সালে সেখান থেকে আন্তর্জাতিক স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষা সম্পন্ন করেন তিনি।
পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের জর্জ মেসন বিশ্ববিদ্যালয়ে জীববিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন। ২০২৪ সালের মে মাসে বিশ্ববিদ্যালয়টি থেকে জীববিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন সামরিন। তাঁর এই শিক্ষাযাত্রায় বৃত্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বিদেশে পড়াশোনার ব্যয় বহন করা সহজ ছিল না। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হিসেবে বিভিন্ন আর্থিক সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে তাঁকে নানা সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হতে হয়েছে।
তবে শুধু শ্রেণিকক্ষের পড়াশোনার মধ্যে নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি সামরিন। বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকতেই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত হন। গবেষণা সহকারী হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় সহযোগিতা করেছেন। শিক্ষক সহকারী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের স্মিথসোনিয়ান ইনস্টিটিউশনের শিক্ষামূলক কার্যক্রমেও অংশ নেন। সেখানে জাদুঘরে আসা দর্শনার্থীদের জন্য গবেষণাভিত্তিক শিক্ষামূলক কার্যক্রম তৈরিতে ভূমিকা রাখেন। এসব অভিজ্ঞতা তাঁকে গবেষণার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কাছে বিজ্ঞানকে সহজভাবে তুলে ধরার সুযোগ করে দেয়।
তাঁর গবেষণার আগ্রহও ছিল বেশ বিস্তৃত। ফলের মাছির ক্রোমোজোমের বিবর্তন, বাংলাদেশের জলজ প্রাণী চাষ এবং বয়স্ক মানুষের স্মৃতিভ্রংশজনিত সমস্যার মতো বিষয় নিয়ে গবেষণায় অবদান রেখেছেন তিনি। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গবেষকদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর।
সামরিনের জীবনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য অর্জন হলো উচ্চশিক্ষার জন্য ১৮ হাজার মার্কিন ডলারের মেধাভিত্তিক ফেলোশিপ অর্জন। যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষার অর্থায়ন পাওয়া অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে সরকারি আর্থিক সহায়তা ও বিভিন্ন বৃত্তির ক্ষেত্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের সুযোগ তুলনামূলকভাবে সীমিত।

এই বাস্তবতা সামরিন নিজেও উপলব্ধি করেছেন। স্নাতক পর্যায়ের পড়াশোনা বৃত্তির সহায়তায় সম্পন্ন করার পর তিনি জীববিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পড়ার জন্য আবেদন করেন। নিজের গবেষণার অভিজ্ঞতা, বৈজ্ঞানিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ এবং বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে অর্জিত অভিজ্ঞতা আবেদনপত্রে তুলে ধরেন। শেষ পর্যন্ত তাঁর প্রচেষ্টার স্বীকৃতি হিসেবে ১৮ হাজার ডলারের মেধাভিত্তিক ফেলোশিপ অর্জন করেন।
এই অর্থায়ন তাঁর উচ্চশিক্ষার পথে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে কাজ করেছে। এটি শুধু আর্থিক অর্জন নয়, বরং একজন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হিসেবে নিজের যোগ্যতা প্রমাণেরও একটি উদাহরণ।
শিক্ষাজীবন শেষ করে সামরিন পেশাগত জীবনেও নতুন অধ্যায় শুরু করেন। ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে যুক্তরাষ্ট্রের জিনগত পরীক্ষা ও বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান জিনইডিএক্সে যোগ দেন তিনি। প্রথমে পরবর্তী প্রজন্মের জিন বিন্যাস নির্ণয়সংক্রান্ত পরীক্ষাগারে প্রযুক্তিবিদ হিসেবে কাজ শুরু করেন।

এই কাজের মধ্যে ছিল ডিএনএ ও আরএনএ পৃথক করা, নমুনা প্রস্তুত করা এবং আধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে জিনগত তথ্য সংগ্রহের বিভিন্ন প্রক্রিয়া। এসব অভিজ্ঞতা তাঁর গবেষণার দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করে।
এরপর ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে একই প্রতিষ্ঠানে সহযোগী জিন বিশ্লেষক হিসেবে নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করেন। বর্তমানে তাঁর কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো মানুষের জিনগত তথ্য বিশ্লেষণ করে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য ও ধারণা তৈরি করতে সহযোগিতা করা। এসব বিশ্লেষণ চিকিৎসকদের রোগীর চিকিৎসা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করতে পারে।
জিনগত গবেষণা চিকিৎসাবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। মানুষের শরীরের বৈশিষ্ট্য, বংশগত রোগের ঝুঁকি এবং বিভিন্ন রোগের সঙ্গে জিনের সম্পর্ক বোঝার জন্য এই গবেষণা করা হয়। একজন মানুষের জিনগত তথ্য বিশ্লেষণ করে নির্দিষ্ট কিছু রোগের কারণ শনাক্ত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে কোন ধরনের চিকিৎসা বেশি কার্যকর হতে পারে, সে সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া সম্ভব।
সামরিনের গবেষণার আগ্রহের মধ্যে রয়েছে মানবদেহের জিনগত বৈশিষ্ট্য, ব্যক্তিভেদে উপযোগী চিকিৎসা এবং মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষের অবক্ষয়জনিত রোগ। বিশেষ করে আলঝেইমার রোগ নিয়ে তাঁর আগ্রহ রয়েছে। এ ধরনের রোগ মানুষের স্মৃতিশক্তি, চিন্তাভাবনা ও দৈনন্দিন জীবনযাপনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। তাই এসব রোগের কারণ ও চিকিৎসার সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তবে নিজের কর্মজীবনের সাফল্য নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে চান না সামরিন। বাংলাদেশের মেয়েদের বিজ্ঞান ও গবেষণায় এগিয়ে আসার জন্য উৎসাহিত করতে চান তিনি। তাঁর উপলব্ধি, বাংলাদেশের অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহী হলেও কীভাবে গবেষণার জগতে প্রবেশ করতে হয়, কোথায় বৃত্তির সুযোগ পাওয়া যায় এবং বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য কীভাবে প্রস্তুতি নিতে হয়, সে সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য পান না।

অনেক সময় সঠিক দিকনির্দেশনার অভাবে শিক্ষার্থীরা নিজেদের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারেন না। বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে পরিবার, সামাজিক প্রত্যাশা, আর্থিক সীমাবদ্ধতা এবং উপযুক্ত পরামর্শদাতার অভাব উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

সামরিন মনে করেন, এই সমস্যাগুলো কাটিয়ে উঠতে শিক্ষার্থীদের জন্য গবেষণার সুযোগ, বৃত্তির তথ্য, উচ্চশিক্ষার পথ এবং পেশাগত যোগাযোগের সুযোগ সহজলভ্য করা জরুরি। তিনি বাংলাদেশের তরুণদের এসব বিষয়ে সহযোগিতা করতে চান। বিশেষ করে যেসব মেয়ে বিজ্ঞান নিয়ে পড়তে চায়, কিন্তু সামনে এগোনোর পথ খুঁজে পাচ্ছে না, তাদের পাশে দাঁড়ানোর আগ্রহ রয়েছে তাঁর।
বাংলাদেশে নারীদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর পেশায় অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বব্যাংকের তথ্যের বরাত দিয়ে লাইটক্যাসল পার্টনার্সের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৯ সালে বাংলাদেশের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিতভিত্তিক পেশাজীবীদের মধ্যে নারীর অংশ ছিল মাত্র ১৪ শতাংশ। এই পরিসংখ্যান নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ক্ষেত্রে আরও উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।
সামরিনের কাছে বিজ্ঞানে নারীদের অংশগ্রহণ কেবল সমান সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয় নয়। চিকিৎসা, গবেষণা ও শিক্ষাক্ষেত্রের উন্নয়নের জন্য নারীদের অবদানও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন নারী গবেষক নিজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা দিয়ে নতুন আবিষ্কার, চিকিৎসার উন্নতি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য জ্ঞানের নতুন পথ তৈরি করতে পারেন।

তরুণীদের উদ্দেশে তাঁর পরামর্শ হলো, শেখার প্রতিটি সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। নিজের আগ্রহের বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করতে হবে, গবেষণার সঙ্গে যুক্ত হতে হবে এবং পেশাগত যোগাযোগ বাড়াতে হবে। পাশাপাশি আর্থিক ও ব্যক্তিগতভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নেওয়ার সক্ষমতা একজন শিক্ষার্থীর দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
সামরিনের এই যাত্রা বাংলাদেশের মেয়েদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে। বিজ্ঞান ও গবেষণায় সফল হতে হলে শুধু ভালো ফলাফল করাই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন আগ্রহ, ধৈর্য, নিয়মিত শেখার মানসিকতা এবং সুযোগ খুঁজে নেওয়ার সাহস। বিদেশে পড়াশোনা কিংবা গবেষণার পথে নানা বাধা থাকলেও সঠিক প্রস্তুতি ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে সেই বাধা অতিক্রম করা সম্ভব।
একজন বাংলাদেশি তরুণী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে জিনগত গবেষণার পেশায় নিজের অবস্থান তৈরি করা সামরিন মেহেকের এই অর্জন নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তবে তাঁর স্বপ্নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো নিজের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া।

তিনি চান, বাংলাদেশের কোনো মেয়ে যেন শুধু সুযোগের অভাবে বিজ্ঞানী হওয়ার স্বপ্ন থেকে পিছিয়ে না যায়। গ্রামের কোনো শিক্ষার্থী কিংবা শহরের কোনো সাধারণ পরিবারের মেধাবী মেয়ে যেন জানতে পারে, বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করে গবেষক হওয়ার পথ তার জন্যও খোলা।

সামরিনের গল্প তাই কেবল একজন তরুণীর বিদেশে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার গল্প নয়। এটি স্বপ্ন দেখা, নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করা এবং সেই অভিজ্ঞতা দিয়ে অন্যদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথ তৈরি করার গল্প। বাংলাদেশের মেয়েরা বিজ্ঞান ও গবেষণায় আরও এগিয়ে আসুক—এটাই তাঁর স্বপ্ন। 


ট্যাগ: সামরিন মেহেকবাংলাদেশি গবেষকযুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশিনারী বিজ্ঞানীজিন গবেষণাউচ্চশিক্ষামেধা বৃত্তিপ্রবাসী বাংলাদেশিবাংলাদেশি তরুণীবিজ্ঞান ও প্রযুক্তি।

প্রতিবেদক

CSB News USA

মন্তব্য ০

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সিএসবি নিউজ ইউএসএ ফলো করুন

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।