সরাসরি মানচিত্র, পূর্বাভাস ও জরিপের গড়: PoliAgg (CC BY-SA 4.0)

পূর্ণ ফলাফল, মানচিত্র ও জরিপ
ব্রেকিং
ক্যালিফোর্নিয়ার সমুদ্রসৈকতে বন্দুক হামলা, নিহত ২ আহত আরও ২জনমিশিগানে ডেমোক্র্যাট নেত্রীর বিদ্রোহ, রিপাবলিকান প্রার্থীকে সমর্থনে তোলপাড় রাজনীতিযুক্তরাষ্ট্রে কাল মধ্যবর্তী নির্বাচন, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস, শেষ মুহূর্তে প্রচারণাওয়াশিংটনে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, অন্ধকারে ১১৭৬ গ্রাহকের ঘরবাড়ি ও অফিসযুক্তরাষ্ট্রগামী সব আন্তর্জাতিক যাত্রীর জন্য নতুন নিয়ম, ইবোলা নিয়ে বাধ্যতামূলক ঘোষণা

মিশিগানে ডেমোক্র্যাট নেত্রীর বিদ্রোহ, রিপাবলিকান প্রার্থীকে সমর্থনে তোলপাড় রাজনীতি

দলের প্রার্থীকে বাদ দিয়ে রিপাবলিকান মাইক রজার্সকে সমর্থন দিলেন হ্যালি স্টিভেন্স, পাল্টা অর্থ সংগ্রহে রেকর্ড গড়লেন আব্দুল এল-সায়েদ।

মিশিগানে ডেমোক্র্যাট নেত্রীর বিদ্রোহ, রিপাবলিকান প্রার্থীকে সমর্থনে তোলপাড় রাজনীতি
মিশিগানে ডেমোক্র্যাট নেত্রীর বিদ্রোহ, রিপাবলিকান প্রার্থীকে সমর্থনে তোলপাড় রাজনীতি

মিশিগানের গুরুত্বপূর্ণ সিনেট নির্বাচনকে ঘিরে ডেমোক্র্যাট শিবিরে বড় ধরনের রাজনৈতিক বিভক্তি দেখা দিয়েছে। নিজ দলের প্রাইমারি নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর কংগ্রেসওম্যান হ্যালি স্টিভেন্স শেষ মুহূর্তে এমন একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যা শুধু মিশিগান নয়, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় রাজনীতিতেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তিনি নিজের দলের মনোনীত প্রার্থী আব্দুল এল-সায়েদকে সমর্থন না করে সরাসরি রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
আগামী ৩ নভেম্বরের সিনেট নির্বাচন সামনে রেখে এমন সিদ্ধান্ত ডেমোক্র্যাটদের জন্য অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে। কারণ মিশিগানের এই আসনটি যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে স্টিভেন্সের এই অবস্থানের পর এল-সায়েদের প্রচারশিবিরে অর্থ সহায়তার বড় ঢেউ দেখা গেছে।
ঘটনাটি শুরু হয় ১ নভেম্বর রোববার। ওই দিন ডেট্রয়েটের একটি গির্জায় রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সের সঙ্গে উপস্থিত হন হ্যালি স্টিভেন্স। সেখানে দুজনকে একসঙ্গে দেখা যায়। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে স্টিভেন্স আনুষ্ঠানিকভাবে রজার্সকে সমর্থনের ঘোষণা দেন।
স্টিভেন্স বলেন, ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আব্দুল এল-সায়েদ তাকে নিজের প্রচার কার্যক্রম থেকে দূরে থাকতে বলেছেন। তাই তিনি আর সেই প্রচারে যুক্ত থাকতে চান না। এরপর তিনি মাইক রজার্সকে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের জন্য সমর্থন জানান। তাঁর এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া শুরু হয়।
হ্যালি স্টিভেন্স মিশিগানের একজন নির্বাচিত ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসওম্যান। তিনি ২০২৬ সালের আগস্টে অনুষ্ঠিত ডেমোক্র্যাটদের প্রাথমিক দলীয় নির্বাচনে আব্দুল এল-সায়েদের কাছে পরাজিত হন। এই নির্বাচনেই নির্ধারিত হয়, নভেম্বরের সাধারণ নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের হয়ে কে সিনেটের আসনের জন্য লড়বেন।
প্রাথমিক নির্বাচনে দুই প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল অত্যন্ত কাছাকাছি। এল-সায়েদ অল্প ব্যবধানে জয়ী হন। এরপর স্টিভেন্স প্রথম দিকে দলের মনোনীত প্রার্থীকে সমর্থনের কথা বললেও নির্বাচনের শেষ পর্যায়ে তাঁদের সম্পর্কের অবনতি ঘটে।
এই বিরোধের পেছনে অন্যতম কারণ ছিল ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন ইস্যু। বিশেষ করে ইসরায়েলকে দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা এবং দেশটির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বক্তব্য নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মতবিরোধ তৈরি হয়।
একটি বাইরের রাজনৈতিক সংগঠনের প্রচারমূলক বিজ্ঞাপনে ইসরায়েলকে দেওয়া সামরিক সহায়তার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাড়তি দামের সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছিল। স্টিভেন্স ওই বিজ্ঞাপনকে ইহুদিবিদ্বেষী বলে সমালোচনা করেন। তিনি এল-সায়েদের কাছে বিজ্ঞাপনটির বক্তব্যের নিন্দা জানানোর দাবি করেন।
এ ছাড়া এল-সায়েদের প্রচারে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমের পরিচিত উপস্থাপক টাকার কার্লসনের উপস্থিতি নিয়েও আপত্তি জানান স্টিভেন্স। তাঁর দাবি ছিল, এসব বিষয় নিয়ে এল-সায়েদের স্পষ্ট অবস্থান নেওয়া প্রয়োজন।
অন্যদিকে এল-সায়েদ জানান, ওই বিজ্ঞাপন তাঁর নিজের প্রচারশিবির তৈরি করেনি। তিনি বিজ্ঞাপনটির বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন বলেও জানিয়েছেন। তবে বাইরের সংগঠনের তৈরি বিজ্ঞাপনের দায় তাঁর ওপর চাপানো উচিত নয় বলে তাঁর প্রচারশিবিরের অবস্থান ছিল।
নির্বাচনের মাত্র কয়েক দিন আগে এই বিরোধ আরও তীব্র হয়। স্টিভেন্সকে এল-সায়েদের একটি যৌথ নির্বাচনী অনুষ্ঠানে অংশ না নেওয়ার কথাও জানানো হয়। ১ নভেম্বরের ওই অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিত থাকার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি সেখানে না গিয়ে রিপাবলিকান প্রার্থী রজার্সের সঙ্গে ডেট্রয়েটের অন্য একটি গির্জায় উপস্থিত হন।
স্টিভেন্সের সিদ্ধান্তের পর ডেমোক্র্যাট নেতাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দেয়। দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা প্রকাশ্যে তাঁর সমালোচনা করেন। সিনেটের সংখ্যালঘু নেতা চাক শুমার এই সিদ্ধান্তকে দলের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে বর্ণনা করেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মিশিগানের সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় এল-সায়েদই উপযুক্ত প্রার্থী।
মিশিগান ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতারাও স্টিভেন্সের সিদ্ধান্তের নিন্দা করেন। দলের চেয়ারম্যান কার্টিস হার্টেল বলেন, রজার্সকে সমর্থনের মাধ্যমে স্টিভেন্স দলের ঐক্য নষ্ট করার চেষ্টা করেছেন। পরবর্তী সময়ে মিশিগান ডেমোক্র্যাটিক পার্টি স্টিভেন্সকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
এদিকে স্টিভেন্সের দীর্ঘদিনের প্রধান কর্মকর্তা জাস্টিন জার্মান পদত্যাগ করেন। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ বিভাগের কর্মকর্তাসহ আরও কয়েকজন কর্মীও প্রচারশিবির ছেড়ে চলে যান বলে জানা গেছে। জার্মান পরে এল-সায়েদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, দলের ঐক্য নষ্ট করার পরিবর্তে এখন নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীকে জয়ী করাই গুরুত্বপূর্ণ।
তবে এই রাজনৈতিক বিরোধের সবচেয়ে আলোচিত দিক হলো অর্থ সংগ্রহের ঘটনা। স্টিভেন্সের রিপাবলিকান প্রার্থীকে সমর্থনের ঘোষণার পর এল-সায়েদের প্রচারশিবির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অন্যান্য মাধ্যমে সমর্থকদের কাছ থেকে ব্যাপক অর্থ সহায়তা পেতে শুরু করে।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্টিভেন্সের ঘোষণার পর প্রথম চার ঘণ্টার মধ্যেই এল-সায়েদের প্রচারশিবির ১২ লাখ ডলার সংগ্রহ করে। বাংলাদেশি মুদ্রায় বিনিময় হার অনুযায়ী এই অর্থের পরিমাণ প্রায় ১৪ কোটি টাকার বেশি হতে পারে। এই অর্থ সংগ্রহের খবর প্রকাশের পর বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দেয়।
তবে পরবর্তী হিসাব আরও বড়। এল-সায়েদের প্রচারশিবির জানায়, শুধু রোববার এক দিনেই তারা ২৪ লাখ ডলারের বেশি অর্থ সংগ্রহ করেছে। এই অর্থ এসেছে ৬৫ হাজারের বেশি ব্যক্তিগত অনুদান থেকে। নতুন অনুদানদাতার সংখ্যাও ছিল প্রায় ৩০ হাজার। গড়ে প্রতিটি অনুদানের পরিমাণ ছিল প্রায় ৩৭ ডলার।
অর্থাৎ প্রথম চার ঘণ্টায় ১২ লাখ ডলার সংগ্রহের খবরটি সঠিক হলেও সেটিই দিনের চূড়ান্ত হিসাব নয়। পরবর্তী সময়ে এক দিনের মোট সংগ্রহ ২৪ লাখ ডলারে পৌঁছায়। এই অর্থ সংগ্রহকে প্রচারশিবিরের রেকর্ড গড়া সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এল-সায়েদের প্রচারশিবিরের মতে, সাধারণ মানুষের এই আর্থিক সহায়তা প্রমাণ করে যে মিশিগানের ভোটারদের একটি বড় অংশ তাঁর নির্বাচনী কর্মসূচির প্রতি আগ্রহী। তবে অর্থ সংগ্রহের পরিমাণ বেশি হলেই নির্বাচনে জয় নিশ্চিত হয় না। শেষ পর্যন্ত ভোটারদের সিদ্ধান্তই নির্বাচনের ফল নির্ধারণ করবে।
অন্যদিকে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্স স্টিভেন্সের সমর্থনকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁর মতে, স্টিভেন্স মিশিগানের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি আশা করছেন, এই সমর্থন সাধারণ নির্বাচনে তাঁর অবস্থান শক্তিশালী করবে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও স্টিভেন্সের সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি তাঁর প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেন। ট্রাম্পের বক্তব্যে স্টিভেন্সের সিদ্ধান্তকে মিশিগানের প্রতি বিশেষ আনুগত্যের নিদর্শন হিসেবে তুলে ধরা হয়। তিনি স্টিভেন্স রিপাবলিকান দলে যোগ দিলে খুশি হবেন বলেও জানিয়েছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার করা জরুরি। স্টিভেন্স আনুষ্ঠানিকভাবে রিপাবলিকান দলে যোগ দিয়েছেন, এমন কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। বরং তিনি নিজেকে একজন গর্বিত ডেমোক্র্যাট হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর সিদ্ধান্তটি মূলত নির্দিষ্ট নির্বাচনে দলের মনোনীত প্রার্থীর পরিবর্তে রিপাবলিকান প্রার্থীকে সমর্থন করা।
মিশিগানের এই নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ, সেটিও বোঝা প্রয়োজন। রাজ্যটির বর্তমান সিনেটর গ্যারি পিটার্স পুনর্নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না। ফলে তাঁর ছেড়ে দেওয়া আসনটি দখলের জন্য দুই দলের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে। ডেমোক্র্যাটরা এই আসন ধরে রাখতে চায়, অন্যদিকে রিপাবলিকানরা আসনটি নিজেদের দখলে নেওয়ার চেষ্টা করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে কোন দলের নিয়ন্ত্রণ থাকবে, তা নির্ধারণে এই আসনের ফল গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। ডেমোক্র্যাটরা যদি মিশিগানের আসনটি হারায়, তাহলে সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পথ তাদের জন্য আরও কঠিন হয়ে উঠবে। অন্যদিকে রজার্স জয়ী হলে রিপাবলিকানদের অবস্থান আরও শক্তিশালী হতে পারে।
সাম্প্রতিক জনমত জরিপেও দুই প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। রয়টার্সের প্রকাশিত একটি জরিপে এল-সায়েদকে রজার্সের চেয়ে এগিয়ে দেখা হয়েছিল। তবে জরিপের ফল নির্বাচনের প্রকৃত ফল নয়। বিশেষ করে শেষ মুহূর্তে স্টিভেন্সের সমর্থন প্রত্যাহার এবং নতুন করে অর্থ সংগ্রহের ঘটনা ভোটারদের মনোভাব কতটা পরিবর্তন করবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
এদিকে এল-সায়েদ তাঁর প্রচারের শেষ পর্যায়ে ব্যক্তিগত বিরোধের পরিবর্তে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়, জ্বালানি তেলের দাম, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য এবং পরিবেশের মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক নেতাদের ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের চেয়ে মিশিগানের প্রায় এক কোটি মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
অন্যদিকে রজার্স এই সুযোগে ডেমোক্র্যাটদের অভ্যন্তরীণ বিভক্তিকে সামনে আনছেন। তাঁর প্রচারশিবির মনে করছে, স্টিভেন্সের সমর্থন রিপাবলিকানদের জন্য বাড়তি রাজনৈতিক সুবিধা তৈরি করতে পারে। তবে স্টিভেন্সের সমর্থন কতজন ভোটারকে প্রভাবিত করবে, তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
সব মিলিয়ে হ্যালি স্টিভেন্সের এই সিদ্ধান্ত মিশিগানের নির্বাচনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। একদিকে ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে ক্ষোভ ও বিভক্তি, অন্যদিকে এল-সায়েদের প্রচারশিবিরে অর্থ সহায়তার রেকর্ড। একই সঙ্গে রিপাবলিকান শিবিরও এই ঘটনাকে নিজেদের পক্ষে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে।
৩ নভেম্বরের ভোটের আগে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, স্টিভেন্সের সিদ্ধান্তে ডেমোক্র্যাটদের ভোট বিভক্ত হবে, নাকি তাঁর অবস্থান এল-সায়েদের সমর্থকদের আরও ঐক্যবদ্ধ করবে। প্রথম চার ঘণ্টায় ১২ লাখ ডলার সংগ্রহের ঘটনা ইতিমধ্যে দেখিয়েছে, রাজনৈতিক বিরোধ কখনো কখনো কোনো প্রার্থীর জন্য নতুন সমর্থনও তৈরি করতে পারে। তবে চূড়ান্ত উত্তর মিলবে ভোট গণনার পরই।


ট্যাগ: মিশিগান নির্বাচনহ্যালি স্টিভেন্সআব্দুল এল-সায়েদমাইক রজার্সডোনাল্ড ট্রাম্পযুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিডেমোক্র্যাট দলরিপাবলিকান দলসিনেট নির্বাচননির্বাচনী অর্থ সংগ্রহযুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন।

প্রতিবেদক

Desk Report

Reporter

মন্তব্য ০

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সিএসবি নিউজ ইউএসএ ফলো করুন

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।