সরাসরি মানচিত্র, পূর্বাভাস ও জরিপের গড়: PoliAgg (CC BY-SA 4.0)

পূর্ণ ফলাফল, মানচিত্র ও জরিপ
ব্রেকিং
ক্যালিফোর্নিয়ার সমুদ্রসৈকতে বন্দুক হামলা, নিহত ২ আহত আরও ২জনমিশিগানে ডেমোক্র্যাট নেত্রীর বিদ্রোহ, রিপাবলিকান প্রার্থীকে সমর্থনে তোলপাড় রাজনীতিযুক্তরাষ্ট্রে কাল মধ্যবর্তী নির্বাচন, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস, শেষ মুহূর্তে প্রচারণাওয়াশিংটনে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, অন্ধকারে ১১৭৬ গ্রাহকের ঘরবাড়ি ও অফিসযুক্তরাষ্ট্রগামী সব আন্তর্জাতিক যাত্রীর জন্য নতুন নিয়ম, ইবোলা নিয়ে বাধ্যতামূলক ঘোষণা

অংশ: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে কাল মধ্যবর্তী নির্বাচন, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস, শেষ মুহূর্তে প্রচারণা

যুক্তরাষ্ট্রে মঙ্গলবার মধ্যবর্তী নির্বাচন, কংগ্রেসের ৪৩৫টি আসন ও সিনেটের ৩৫টি আসনে ভোট, আগাম ভোটে রেকর্ড গড়ে ক্ষমতার লড়াইয়ে দুই দল।

যুক্তরাষ্ট্রে কাল মধ্যবর্তী নির্বাচন, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস, শেষ মুহূর্তে প্রচারণা
যুক্তরাষ্ট্রে কাল মধ্যবর্তী নির্বাচন, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস, শেষ মুহূর্তে প্রচারণা

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে শুরু হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ এক নির্বাচনের চূড়ান্ত মুহূর্ত। আগামী মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর দেশটিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচন। এই নির্বাচনকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন রিপাবলিকান সরকারের জন্য বড় রাজনৈতিক পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে বিরোধী ডেমোক্র্যাটিক পার্টির লক্ষ্য হলো কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে ফিরিয়ে আনা। নির্বাচনের ফলাফল আগামী দুই বছর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের রাজনৈতিক কর্মসূচি, আইন প্রণয়ন এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদের সব ৪৩৫টি আসনে এবং সিনেটের ১০০টি আসনের মধ্যে ৩৫টিতে ভোট গ্রহণ করা হবে। অর্থাৎ প্রতিনিধি পরিষদের প্রতিটি আসন নতুন করে নির্বাচনের মুখোমুখি হচ্ছে। সিনেটের ৩৫টি আসনের মধ্যে ৩৩টি নিয়মিত নির্বাচন এবং দুটি বিশেষ নির্বাচন। সাবেক সিনেটর জেডি ভ্যান্স ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং মার্কো রুবিও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর তাঁদের ছেড়ে যাওয়া আসন পূরণেও ভোট হবে। ইউরোপীয় পার্লামেন্টের গবেষণা বিভাগ এবং দ্বিদলীয় নীতি গবেষণা কেন্দ্রের প্রকাশিত তথ্যেও এই আসনসংখ্যা নিশ্চিত করা হয়েছে।
নির্বাচনের আগে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে আগাম ভোটের রেকর্ড। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে ডাকযোগে এবং নির্ধারিত কেন্দ্রে আগাম ভোট দেওয়ার সুযোগ কাজে লাগিয়েছেন লাখ লাখ ভোটার। ২ নভেম্বর প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্বাচনের আগেই ৫ কোটি ৪০ লাখের বেশি মানুষ ভোট দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভোটসংক্রান্ত গবেষণাগারের তথ্যের বরাত দিয়ে এই সংখ্যা প্রকাশ করা হয়েছে।
আগাম ভোটের এই সংখ্যা নির্বাচনে ভোটারদের অংশগ্রহণের একটি গুরুত্বপূর্ণ চিত্র তুলে ধরছে। তবে শুধু আগাম ভোটের সংখ্যা দিয়ে কোন দল জয়ী হবে, তা নির্ধারণ করা যায় না। কারণ আগাম ভোট দেওয়া মানুষের রাজনৈতিক পরিচয়, তাঁদের পছন্দের প্রার্থী কিংবা ভোটের চূড়ান্ত ফল এক বিষয় নয়। অনেক অঙ্গরাজ্যে নির্বাচনের দিনও বিপুলসংখ্যক ভোটার কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন। ফলে চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য মঙ্গলবারের ভোট এবং পরবর্তী গণনার দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে।
নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও প্রচারণায় সক্রিয় রয়েছেন। সোমবার, ২ নভেম্বর ওয়াশিংটন ডিসিতে লিংকন মেমোরিয়ালের সামনের রিফ্লেক্টিং পুল এলাকায় তাঁর শেষ দিনের বক্তব্য দেওয়ার কর্মসূচি রয়েছে। অর্থাৎ ট্রাম্পের শেষ নির্বাচনী বক্তব্যের স্থান লিংকন মেমোরিয়াল—এই তথ্য সঠিক। তবে বক্তব্যটি মঙ্গলবার নির্বাচনের দিন নয়, ভোটের আগের দিন সোমবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সংবাদ সংস্থা এএফপি, সিবিএস এবং অন্যান্য সংবাদমাধ্যমও এই কর্মসূচির তথ্য প্রকাশ করেছে।
ট্রাম্পের এই বক্তব্যের রাজনৈতিক গুরুত্বও রয়েছে। কারণ মধ্যবর্তী নির্বাচন সাধারণত ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের একটি বড় সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হয়। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দুই বছর পর অনুষ্ঠিত এই ভোটে জনগণ ক্ষমতাসীন দলের কাজ, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং সরকারের বিভিন্ন নীতির বিষয়ে নিজেদের মতামত প্রকাশ করেন।
এবারের নির্বাচনে জীবনযাত্রার ব্যয়, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম, জ্বালানি, অভিবাসননীতি, সীমান্ত নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী ইস্যু হয়ে উঠেছে। সাধারণ ভোটারদের একটি বড় অংশের কাছে অর্থনৈতিক চাপ এবং দৈনন্দিন খরচের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। রিপাবলিকানরা ট্রাম্প প্রশাসনের অর্জন, করনীতি এবং সীমান্ত নিরাপত্তাকে সামনে রেখে ভোট চাইছে। অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটরা দ্রব্যমূল্য, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে ভোটারদের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছে।
প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দলের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে রিপাবলিকানদের হাতে কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। তবে নির্বাচনের আগে প্রকাশিত বিভিন্ন জনমত জরিপে ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ফিরে পাওয়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছে বলে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে দুই দলের প্রার্থীদের মধ্যে ব্যবধান খুব বেশি নয়। ফলে শেষ পর্যন্ত ভোটার উপস্থিতি এবং প্রতিটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনের ফলাফল বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
সিনেটের লড়াই আরও জটিল। ১০০ সদস্যের এই কক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে অন্তত ৫১টি আসনের সমর্থন প্রয়োজন, যদিও ভাইস প্রেসিডেন্টের ভোটের কারণে সমতা হলে ক্ষমতাসীন দলের সুবিধা তৈরি হতে পারে। বর্তমানে রিপাবলিকানদের রয়েছে ৫৩টি আসন এবং ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে রয়েছেন দুইজন স্বতন্ত্র সদস্য, যারা সাধারণত ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে ভোট দেন। ডেমোক্র্যাটদের সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিতে হলে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আসন অর্জন করতে হবে। তাই প্রতিনিধি পরিষদের তুলনায় সিনেটের ফলাফল নিয়ে অনিশ্চয়তা বেশি।
এবারের নির্বাচনে মিশিগান, টেক্সাস, কানসাসসহ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের প্রতিদ্বন্দ্বিতা বিশেষভাবে আলোচনায় রয়েছে। মিশিগানের সিনেট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল এল-সাইয়েদের বিপক্ষে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন ডেমোক্র্যাট দলের সাবেক প্রতিদ্বন্দ্বী হ্যালি স্টিভেনস। প্রাথমিক নির্বাচনে এল-সাইয়েদের কাছে পরাজিত হওয়ার পর স্টিভেনসের এই সিদ্ধান্ত ডেমোক্র্যাট শিবিরে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে এমন রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তন মিশিগানের প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে আরও আলোচনায় নিয়ে এসেছে।
টেক্সাসেও সিনেট নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জেমস তালারিকো এবং রিপাবলিকান শিবিরের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা জাতীয় রাজনীতির আলোচনায় উঠে এসেছে। কানসাসেও ডেমোক্র্যাটরা ঐতিহ্যগতভাবে রিপাবলিকানদের শক্তিশালী অবস্থানের মধ্যে অপ্রত্যাশিত জয় পাওয়ার চেষ্টা করছে। এসব অঙ্গরাজ্যের ফলাফল সিনেটের সামগ্রিক ক্ষমতার ভারসাম্য নির্ধারণে ভূমিকা রাখতে পারে।
নির্বাচনের ফলাফল ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য কেন এত গুরুত্বপূর্ণ, সেটিও সহজভাবে বোঝা প্রয়োজন। যদি রিপাবলিকানরা উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারে, তাহলে প্রেসিডেন্টের প্রস্তাবিত আইন পাস করা এবং প্রশাসনিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন তুলনামূলক সহজ হবে। কিন্তু ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদ অথবা সিনেটের নিয়ন্ত্রণ পেলে সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের ওপর নজরদারি বাড়াতে পারবে। প্রশাসনের ব্যয়, নীতি এবং বিভিন্ন সরকারি কর্মকাণ্ড নিয়ে তদন্তের সুযোগও বাড়বে।
বিশেষ করে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ হারালে ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বাজেট এবং সরকারি অর্থায়নসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ কঠিন হয়ে উঠতে পারে। অন্যদিকে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারালে বিচারক, রাষ্ট্রদূত এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পদে নিয়োগ অনুমোদনের ক্ষেত্রে প্রশাসনকে নতুন রাজনৈতিক বাধার মুখোমুখি হতে হবে। এ কারণে এবারের নির্বাচনকে শুধু স্থানীয় প্রার্থীদের জয়-পরাজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে না; বরং এটি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শাসনামলের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক দিকনির্দেশনার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।
এদিকে কংগ্রেসের কার্যক্রম নিয়েও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে। প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট বর্তমানে অধিবেশন বিরতিতে রয়েছে। প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ৯ নভেম্বর সোমবার থেকে উভয় কক্ষের কার্যক্রম আবার শুরু হওয়ার কথা। তবে এর অর্থ এই নয় যে নির্বাচন শেষ হলেই নতুন কংগ্রেস দায়িত্ব গ্রহণ করবে। নির্বাচিত নতুন সদস্যরা ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে শুরু হতে যাওয়া ১২০তম কংগ্রেসে দায়িত্ব নেবেন। তার আগে বর্তমান সদস্যদের নিয়ে বিদায়ী অধিবেশন চলবে।
নির্বাচনের পরপরই সব আসনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ নাও হতে পারে। কিছু অঙ্গরাজ্যে ডাকযোগে আসা ভোট গণনা, ভোটের বৈধতা যাচাই এবং পুনর্গণনার কারণে ফলাফল প্রকাশে সময় লাগতে পারে। খুব কম ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হলে আইনি চ্যালেঞ্জও দেখা দিতে পারে। তাই নির্বাচনের রাতে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রাথমিক ফলাফলকে সব ক্ষেত্রে চূড়ান্ত ফল হিসেবে বিবেচনা করা ঠিক হবে না।
যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্যও এই নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অভিবাসননীতি, কাজের সুযোগ, স্বাস্থ্যবিমা, করব্যবস্থা, শিক্ষা এবং জীবনযাত্রার ব্যয়ের মতো বিষয়গুলো নতুন কংগ্রেসের সিদ্ধান্তের সঙ্গে সম্পর্কিত। বিশেষ করে যেসব বাংলাদেশি শিক্ষার্থী, কর্মজীবী, ব্যবসায়ী এবং অভিবাসনপ্রত্যাশী যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন, তাঁদের ওপর ভবিষ্যৎ নীতিগত পরিবর্তনের প্রভাব পড়তে পারে।
তবে নির্বাচনে কোনো দল জয়ী হলেই রাতারাতি সব নীতি পরিবর্তন হয়ে যাবে, এমন নয়। অনেক সিদ্ধান্তের জন্য আইন পাস, প্রশাসনিক অনুমোদন এবং আদালতের প্রক্রিয়া প্রয়োজন হয়। তাই বাংলাদেশি প্রবাসীদের উচিত নির্বাচনের ফলাফলের পাশাপাশি নতুন কংগ্রেসের নীতিগত সিদ্ধান্তগুলোর দিকেও নজর রাখা।
সব মিলিয়ে ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন যুক্তরাষ্ট্রের আগামী দুই বছরের রাজনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। একদিকে ট্রাম্প ও রিপাবলিকানদের লক্ষ্য কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা, অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটদের লক্ষ্য ক্ষমতার ভারসাম্য পরিবর্তন করা। ৫ কোটি ৪০ লাখের বেশি আগাম ভোট, শেষ দিনের প্রচারণা এবং গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্যগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবারের নির্বাচনকে আরও আলোচিত করে তুলেছে। এখন সবার নজর মঙ্গলবারের ভোট, ভোটার উপস্থিতি এবং ফলাফলের দিকে।


ট্যাগ: যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনমার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনডোনাল্ড ট্রাম্পমার্কিন কংগ্রেসপ্রতিনিধি পরিষদসিনেট নির্বাচনআগাম ভোটডেমোক্র্যাটিক পার্টিরিপাবলিকান পার্টিবাংলাদেশি প্রবাসীমার্কিন রাজনীতি।

প্রতিবেদক

Desk Report

Reporter

মন্তব্য ০

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সিএসবি নিউজ ইউএসএ ফলো করুন

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।