সরাসরি মানচিত্র, পূর্বাভাস ও জরিপের গড়: PoliAgg (CC BY-SA 4.0)

পূর্ণ ফলাফল, মানচিত্র ও জরিপ
ব্রেকিং
যুক্তরাষ্ট্রের ১৭ বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তরে বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ, বাংলাদেশিদের জন্য নতুন সম্ভাবনাযুক্তরাষ্ট্রে ৮২৯ শ্রমিকের বকেয়া মজুরি আদায়, ফেরত পাচ্ছেন ছয় লাখ ডলারের বেশিযুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপের নিয়ম নিয়ে মামলা, অনিশ্চয়তায় কাজের অভিজ্ঞতাইরান যুদ্ধের ব্যয় ৪৭.১ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল, বাড়ছে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর রাজনৈতিক চাপজাপানে টয়োটার অত্যাধুনিক কারখানা ঘুরে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সঙ্গে ছিলেন জুবাইদা

লন্ডনে চ্যাথাম হাউসে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরলেন শামা ওবায়েদ

লন্ডনের চ্যাথাম হাউসে বাংলাদেশের উন্নয়ন, বিনিয়োগ, মানবাধিকার, জলবায়ু অর্থায়ন ও পররাষ্ট্রনীতির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।

লন্ডনে চ্যাথাম হাউসে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরলেন শামা ওবায়েদ
লন্ডনে চ্যাথাম হাউসে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরলেন শামা ওবায়েদ

লন্ডনে বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা, অর্থনৈতিক কূটনীতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য শামা ওবায়েদ ইসলাম। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) যুক্তরাজ্যের লন্ডনে আন্তর্জাতিক সম্পর্কবিষয়ক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান চ্যাথাম হাউস আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি বাংলাদেশের সরকারের বিভিন্ন অগ্রাধিকার, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং পররাষ্ট্রনীতির লক্ষ্য তুলে ধরেন।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তির বরাত দিয়ে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড এবং ঢাকা ট্রিবিউনও এ আয়োজনের খবর প্রকাশ করেছে। ফলে আলোচনাটি অনুষ্ঠিত হওয়ার বিষয়টি একাধিক সূত্রে নিশ্চিত হয়েছে। তবে আলোচনায় অংশগ্রহণকারীদের ব্যক্তিগত বক্তব্য কিংবা বিস্তারিত প্রশ্নোত্তর প্রকাশ করা হয়নি।

গোলটেবিল আলোচনায় চ্যাথাম হাউসের গবেষক, শিক্ষাবিদ এবং যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন স্বনামধন্য গবেষণা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। সেখানে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার, ব্যবসা-বাণিজ্য, বিদেশি বিনিয়োগ, মানবাধিকার, তরুণদের ক্ষমতায়ন, খাদ্যনিরাপত্তা, প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং সৃজনশীল অর্থনীতিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
আলোচনায় শামা ওবায়েদ সরকারের প্রধান উদ্যোগ, জাতীয় অগ্রাধিকার এবং পররাষ্ট্রনীতির উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করেন। এসব উদ্যোগ সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে কীভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ, সে বিষয়েও তিনি আলোকপাত করেন। একই সঙ্গে দেশের সামাজিক সক্ষমতা ও সহনশীলতা বাড়ানো, টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা এবং সমাজের সব শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণে অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
তাঁর বক্তব্যে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সম্মান, মর্যাদা এবং সহযোগিতার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়। সব দেশের সঙ্গে গঠনমূলক যোগাযোগ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার মাধ্যমে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অবস্থান আরও শক্তিশালী করার সরকারের দৃষ্টিভঙ্গিও তিনি তুলে ধরেন।
আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল অর্থনৈতিক কূটনীতি। বর্তমান বিশ্বে কূটনৈতিক সম্পর্ক শুধু রাজনৈতিক যোগাযোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ আকর্ষণ, নতুন বাজার তৈরি, প্রযুক্তি বিনিময় এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর ক্ষেত্রেও কূটনীতির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি এ আলোচনায় গুরুত্ব পায়।
বাংলাদেশের জন্য বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার। বিশেষ করে শিল্প, অবকাঠামো, প্রযুক্তি, জ্বালানি, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং সেবা খাতে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ বাড়াতে পারলে নতুন কর্মসংস্থান তৈরির পাশাপাশি রপ্তানি আয় বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। সেই সম্পর্ককে আরও কার্যকর অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে রূপান্তরের বিষয়টিও এ ধরনের আলোচনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা ও পেশাজীবীদের একটি বড় সম্প্রদায় রয়েছে। তাঁদের অভিজ্ঞতা, বিনিয়োগ এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, ওষুধ, কৃষিপণ্য, চামড়াজাত পণ্য এবং অন্যান্য রপ্তানিযোগ্য পণ্যের জন্য নতুন বাজার অনুসন্ধানও অর্থনৈতিক কূটনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে লন্ডনের এই বৈঠকে নির্দিষ্ট কোনো বিনিয়োগ চুক্তি, অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি কিংবা নতুন বাণিজ্যিক সমঝোতা হয়েছে বলে সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়নি।

মানবাধিকার ও তরুণদের ক্ষমতায়নের বিষয়টিও আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে। একটি দেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের জন্য শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি যথেষ্ট নয়; নাগরিক অধিকার, আইনের শাসন, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং সমান সুযোগ নিশ্চিত করাও প্রয়োজন। বিশেষ করে তরুণ জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ বাড়ানো বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটি বড় অংশ তরুণ। এই জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে কারিগরি শিক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তির প্রশিক্ষণ, গবেষণা এবং উদ্ভাবনের সুযোগ বাড়ানো প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গবেষণা সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানো গেলে তরুণদের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। বৈশ্বিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতা তৈরি করাও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
খাদ্যনিরাপত্তা ছিল আলোচনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। জলবায়ু পরিবর্তন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, কৃষিজমির সংকট, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্যপণ্যের দামের ওঠানামা বাংলাদেশের খাদ্যব্যবস্থার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, উন্নত বীজ, সেচব্যবস্থার উন্নয়ন, খাদ্য সংরক্ষণ এবং কৃষিপণ্যের অপচয় কমানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং সৃজনশীল অর্থনীতির প্রসঙ্গও আলোচনায় উঠে আসে। বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তি, ডিজিটাল সেবা, সফটওয়্যার, চলচ্চিত্র, সংগীত, নকশা, প্রকাশনা এবং সাংস্কৃতিক পণ্য আন্তর্জাতিক অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের তরুণ উদ্যোক্তা ও সৃজনশীল পেশাজীবীদের জন্য এসব ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ রয়েছে। যথাযথ প্রশিক্ষণ, বিনিয়োগ এবং নীতিগত সহায়তা পাওয়া গেলে এই খাতগুলো দেশের অর্থনীতিতে নতুন অবদান রাখতে পারে।
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং জলবায়ু অর্থায়ন আলোচনার বিশেষ গুরুত্ব পাওয়া বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল। বাংলাদেশ বিশ্বের জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর অন্যতম। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা, নদীভাঙন, ঘূর্ণিঝড়, বন্যা এবং অনিয়মিত বৃষ্টিপাত দেশের মানুষের জীবনযাত্রা ও অর্থনীতিকে প্রভাবিত করছে।

এ পরিস্থিতিতে জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ, দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা বৃদ্ধি, কৃষিতে অভিযোজন, উপকূলীয় সুরক্ষা এবং ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসনের জন্য পর্যাপ্ত অর্থায়ন প্রয়োজন। উন্নত দেশগুলোর কাছ থেকে জলবায়ু অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা পাওয়ার বিষয়টি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান ধরে রেখেছে।
এ প্রসঙ্গে আসন্ন জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১ নিয়েও আলোচনা হয়। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৯ থেকে ২০ নভেম্বর তুরস্কের আনতালিয়ায় এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা, অভিযোজনের জন্য অর্থায়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানো সম্মেলনের গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়। বাংলাদেশের মতো জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশের জন্য এই সম্মেলন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের দাবি তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনাও আলোচনায় স্থান পায়। বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা, আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, বহুপক্ষীয় কূটনীতিতে সক্রিয় থাকা এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জলবায়ু পরিবর্তন, অভিবাসন, নিরাপত্তা ও প্রযুক্তির মতো বিষয়ে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ দেশের উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে এ ধরনের সরাসরি আলোচনা সরকারের নীতিগত অবস্থান তুলে ধরার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক গবেষক ও নীতিনির্ধারকদের কাছ থেকে মতামত জানার সুযোগ তৈরি করে। বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে আন্তর্জাতিক মহলে ধারণা তৈরি করা এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্র চিহ্নিত করার ক্ষেত্রেও এ ধরনের আয়োজন ভূমিকা রাখতে পারে।
আলোচনায় যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মুহিত উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারাও অংশ নেন।
বৈঠকটি চ্যাথাম হাউসের বিশেষ আলোচনানীতি অনুসরণ করে অনুষ্ঠিত হয়। এ নীতির মূল উদ্দেশ্য হলো অংশগ্রহণকারীদের পরিচয় প্রকাশ না করে আলোচনায় পাওয়া তথ্য ব্যবহার করার সুযোগ দেওয়া। অর্থাৎ আলোচনার তথ্য বা মতামত বাইরে তুলে ধরা গেলেও কে কোন বক্তব্য দিয়েছেন কিংবা তাঁর পরিচয় ও সংশ্লিষ্টতা প্রকাশ করা যায় না। এর ফলে অংশগ্রহণকারীরা সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তুলনামূলকভাবে খোলামেলা মতামত দিতে পারেন।
উল্লেখ্য, শামা ওবায়েদ ইসলামের স্পেন ও যুক্তরাজ্য সফর ২৬ থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত নির্ধারিত ছিল। সফরের ঘোষিত উদ্দেশ্যের মধ্যে ছিল বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পর্যটন, দক্ষতা উন্নয়ন এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানো। স্পেন সফরে তিনি সেভিলে তৃতীয় স্পেন-বাংলাদেশ বাণিজ্য প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন। এরপর যুক্তরাজ্য সফরের অংশ হিসেবে লন্ডনে চ্যাথাম হাউসের আলোচনায় অংশ নেন।

সব মিলিয়ে, লন্ডনের এই বৈঠক বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার ও পররাষ্ট্রনীতির অবস্থান আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সামনে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক উদ্যোগ। তবে আলোচনার ফলাফল কতটা বাস্তব বিনিয়োগ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, জলবায়ু অর্থায়ন কিংবা আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় রূপ নেয়, তা নির্ভর করবে পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর কার্যকর উদ্যোগের ওপর।


ট্যাগ: শামা ওবায়েদবাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিচ্যাথাম হাউসলন্ডন সফরঅর্থনৈতিক কূটনীতিবাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্কবিদেশি বিনিয়োগজলবায়ু অর্থায়নমানবাধিকারতরুণদের ক্ষমতায়নবাংলাদেশের উন্নয়ন।

প্রতিবেদক

Desk Report

Reporter

মন্তব্য ০

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সিএসবি নিউজ ইউএসএ ফলো করুন

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।