ওবামার সময়ই ইলহান ওমরকে নিয়ে তদন্ত শুরু, ৫ বছর পর কেন বন্ধ হলো?
৭,৪৩৯ বার পড়া হয়েছে ৮ মিনিটে পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমর-কে ঘিরে পুরোনো একটি তদন্ত নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে। ফক্স নিউজ ডিজিটালের ২৯ অক্টোবর ২০২৬ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওমরের ভাইকে বিয়ে করার অভিযোগে সম্ভাব্য অভিবাসন জালিয়াতির তদন্ত শুরু হয়েছিল ২০১৬ সালে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন বারাক ওবামা। পরে ২০২১ সালে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নিয়োগ দেওয়া মিনেসোটার একজন কেন্দ্রীয় সরকারি কৌঁসুলি তদন্তটি বন্ধ করে দেন বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি। তবে তদন্ত বন্ধের কারণ নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে ভিন্ন তথ্য রয়েছে। ২০২৬ সালের অক্টোবরে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন তদন্ত এবং ওয়াশিংটনে ওমরের বাড়িতে তল্লাশির পর বিষয়টি আবার আলোচনায় আসে। ১৮ অক্টোবর ওবামা এই তদন্তের সমালোচনা করে অভিযোগ করেন, প্রেসিডেন্টের সমালোচনা করার কারণে একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা ব্যবহার করে চাপে রাখা হচ্ছে। তবে পুরোনো তদন্ত এবং বর্তমান তদন্তের বিষয় এক নয়। এই পার্থক্যটি বোঝা জরুরি। যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি • তথ্য যাচাই ও বিশেষ প্রতিবেদন • ৩০ অক্টোবর ২০২৬
মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাট দলীয় কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমর যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচিত একটি নাম। সোমালিয়ায় জন্ম নেওয়া ওমর শৈশবে পরিবারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি দেশটির নাগরিকত্ব লাভ করেন এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য হন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম সোমালি বংশোদ্ভূত নারী কংগ্রেস সদস্যদের একজন। ট্রাম্পের অভিবাসননীতি, সোমালি অভিবাসী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক বিষয়ে তাঁর প্রকাশ্য সমালোচনার কারণে তিনি রিপাবলিকান নেতাদের বিরোধিতার মুখেও পড়েছেন। ফক্স নিউজ ডিজিটালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওমরের ব্যক্তিগত জীবন ও বিয়ের ইতিহাস নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত ২০১৬ সালের নির্বাচনের সময়। তখন তিনি মিনেসোটার অঙ্গরাজ্য আইনসভার আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। অভিযোগ ওঠে, তিনি ২০০৯ সালে আহমেদ নুর সাঈদ এলমি নামের এক ব্যক্তিকে বিয়ে করেছিলেন, যিনি তাঁর ভাই হতে পারেন। অভিযোগকারীদের দাবি ছিল, অভিবাসনসংক্রান্ত সুবিধা পাওয়ার উদ্দেশ্যে এই বিয়ে করা হয়েছিল। তবে অভিযোগটি কখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি। ফক্স নিউজের নতুন প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৬ সালের গ্রীষ্মে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এবং স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ এই অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করে। অর্থাৎ তদন্তের সূচনা হয়েছিল বারাক ওবামার প্রেসিডেন্ট থাকার সময়। তখন ওমর কংগ্রেস সদস্যও ছিলেন না। তিনি অঙ্গরাজ্য আইনসভায় নির্বাচিত হওয়ার জন্য প্রচারণা চালাচ্ছিলেন।
এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, তদন্ত শুরু হওয়া মানেই অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়া নয়। কোনো অভিযোগের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা অনুসন্ধান শুরু করতে পারে। কিন্তু সেই অনুসন্ধানের ফলাফল, প্রমাণের গ্রহণযোগ্যতা এবং আদালতে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার বিষয়গুলো সম্পূর্ণ আলাদা। তাই ২০১৬ সালে তদন্ত শুরু হওয়ার তথ্যকে ওমরের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ২০১৯ সালে বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমগুলোতে ব্যাপক আলোচনা হয়। সে সময় মিনিয়াপোলিসভিত্তিক সংবাদপত্র স্টার ট্রিবিউন ওমরের বিয়ের ইতিহাস নিয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধান প্রকাশ করে। সংবাদপত্রটি জানায়, ওমর ২০০২ সালে আহমেদ হিরসিকে ধর্মীয় রীতিতে বিয়ে করেছিলেন। তাঁদের সংসারে সন্তানও রয়েছে। ২০০৮ সালে তাঁদের ধর্মীয় বিচ্ছেদ হয়। পরের বছর ২০০৯ সালে ওমর আহমেদ নুর সাঈদ এলমিকে আইনগত ও ধর্মীয়ভাবে বিয়ে করেন। ২০১১ সালে এলমির সঙ্গে তাঁর ধর্মীয় বিচ্ছেদ হলেও আইনগতভাবে তাঁদের বিয়ে বহাল ছিল। ২০১২ সালে তিনি আবার হিরসির সঙ্গে সংসার শুরু করেন এবং তাঁদের আরেকটি সন্তান জন্ম নেয়। ২০১৭ সালে এলমির সঙ্গে আইনগত বিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়। পরের বছর তিনি আইনগতভাবে হিরসিকে বিয়ে করেন। এই সময়ের মধ্যেই এলমি ও ওমরের পারিবারিক সম্পর্ক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা দাবি ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে ২০১২ সালে প্রকাশিত একটি পুরোনো ছবির বর্ণনাকে কেন্দ্র করে তাঁদের ভাই-বোন হওয়ার অভিযোগ সামনে আসে। তবে এসব তথ্য দিয়ে তাঁদের মধ্যে ভাই-বোনের সম্পর্ক নিশ্চিত করা যায়নি। ২০১৯ সালে পলিটিফ্যাক্টের প্রকাশিত অনুসন্ধানেও বিষয়টি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে আসে। সংবাদমাধ্যমটি মিনিয়াপোলিস স্টার ট্রিবিউনের অনুসন্ধানের ভিত্তিতে জানায়, ওমর ও এলমির পারিবারিক সম্পর্ক নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। স্টার ট্রিবিউনও নিশ্চিত করতে পারেনি যে এলমি ওমরের ভাই, আবার অভিযোগটি পুরোপুরি খণ্ডন করার মতো তথ্যও তাদের হাতে ছিল না।
ওমর অবশ্য শুরু থেকেই ভাইকে বিয়ে করার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। তাঁর বক্তব্য, এই অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ছড়ানো হয়েছে। তাঁর প্রতিনিধিও ফক্স নিউজকে জানিয়েছেন, ওমর বারবার এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁর মতে, এটি রাজনৈতিকভাবে তাঁকে বিব্রত করার একটি প্রচেষ্টা। পুরোনো তদন্ত বন্ধ হওয়ার বিষয়টিও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ফক্স নিউজ ডিজিটাল জানিয়েছে, বাইডেনের নিয়োগ দেওয়া মিনেসোটার একজন কেন্দ্রীয় সরকারি কৌঁসুলি ২০২১ সালে তদন্ত বন্ধ করে দেন। সংবাদমাধ্যমটি এ তথ্যের জন্য বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একজন অজ্ঞাতনামা সূত্রের উল্লেখ করেছে। তবে তদন্ত বন্ধের কারণ নিয়ে এখানে দুটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে। ফক্স নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাইডেন প্রশাসনের একজন কৌঁসুলি তদন্ত বন্ধ করেছিলেন। অন্যদিকে নিউইয়র্ক টাইমসের আগের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে ফক্স নিউজ জানিয়েছে, সম্ভাব্য অপরাধের জন্য আইনগতভাবে মামলা করার নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে যাওয়ায় ২০১৬ সালের অনুসন্ধান শেষ করা হয়েছিল। অন্যদিকে ওমরের প্রতিনিধির বক্তব্য, ২০১৬ সালের তদন্ত পর্যাপ্ত প্রমাণ না পাওয়ার কারণে বন্ধ হয়েছিল। এই দুই ব্যাখ্যার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। তদন্ত বন্ধের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত, সরকারি নথি কিংবা সংশ্লিষ্ট কৌঁসুলির বিস্তারিত বক্তব্য প্রকাশ্যে না আসা পর্যন্ত বিষয়টি পুরোপুরি নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। এদিকে ২০২৬ সালে ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতায় আসার পর ওমরের অভিবাসন ইতিহাস নিয়ে আবারও তদন্ত শুরু হয়েছে। এবার অনুসন্ধানের পরিধি শুধু তাঁর বিয়ের অভিযোগে সীমাবদ্ধ নয়। বরং তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পাওয়ার সময় তাঁর বয়স এবং তাঁর বাবার দেওয়া অভিবাসনসংক্রান্ত তথ্য সঠিক ছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ওয়াশিংটন পোস্টের ১৮ অক্টোবরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তদন্তকারীরা ওমর অথবা তাঁর পরিবারের সদস্যরা নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়ায় কোনো ভুল বা মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন কি না, তা অনুসন্ধান করছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের প্রথম প্রশাসনের সময় ২০১৯ সালে একই ধরনের অভিযোগ পর্যালোচনা করা হয়েছিল। তখন পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এগিয়ে নেওয়ার মতো পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। নতুন তদন্তের অংশ হিসেবে ১২ অক্টোবর ২০২৬ ওয়াশিংটন ডিসিতে ওমরের বাড়িতে তল্লাশি চালায় স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগের তদন্তকারীরা। ফক্স নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযানে তাঁর পাসপোর্ট, ব্যক্তিগত মুঠোফোন ও কম্পিউটার জব্দ করা হয়। ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, আদালতের অনুমোদিত পরোয়ানা নিয়ে এই তল্লাশি চালানো হয়েছিল। বিষয়টি নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।
ওমরের আইনজীবীরা অভিযোগ করেছেন, বাড়িতে তল্লাশির ক্ষেত্রে বিচারকের দেওয়া কিছু শর্ত যথাযথভাবে মানা হয়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ফলে তল্লাশির বৈধতা এবং তদন্তের পদ্ধতি নিয়েও নতুন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এই ঘটনার পর ১৮ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘ বক্তব্য দেন সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের একটি মৌলিক নীতি হলো, রাজনৈতিক বিশ্বাস কিংবা বক্তব্যের কারণে কোনো ব্যক্তিকে বেছে বেছে সরকারি ক্ষমতার মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তু করা যাবে না। তাঁর অভিযোগ, ট্রাম্প প্রশাসন ঠিক সেটিই করছে।
ওবামা আরও বলেন, একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি প্রেসিডেন্টের সমালোচনা করেছেন বলে তাঁর বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সরকারের সব ক্ষমতা প্রয়োগ করা হচ্ছে। এমন আচরণ গণতন্ত্রের জন্য উদ্বেগজনক। তাঁর মতে, এ ধরনের ঘটনা স্বাভাবিক হয়ে গেলে ভবিষ্যতে যেকোনো রাজনৈতিক দলের প্রেসিডেন্ট বিরোধীদের বিরুদ্ধে একই ধরনের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন। ওবামার বক্তব্যে আরও উঠে আসে, তদন্তের কারণে একজন জনপ্রতিনিধির ব্যক্তিগত জীবন, রাজনৈতিক দায়িত্ব এবং আর্থিক অবস্থার ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি হতে পারে। কোনো মামলা শেষ পর্যন্ত টিকতে না পারলেও তদন্তের মধ্য দিয়ে একজন ব্যক্তিকে দীর্ঘ সময় আইনি ও সামাজিক চাপের মধ্যে থাকতে হয়। অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ওমরের বাড়িতে তল্লাশির সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত কোনো সম্পর্ক নেই। বিষয়টি বিচার বিভাগের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন। তবে অতীতে ট্রাম্প প্রকাশ্যে ওমরের সমালোচনা করেছেন এবং তাঁকে সোমালিয়ায় ফেরত পাঠানোর কথাও বলেছেন। এসব বক্তব্যের কারণে তদন্তের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা নিয়ে ডেমোক্র্যাট নেতাদের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। ওমরের বিরুদ্ধে নতুন তদন্ত নিয়ে ডেমোক্র্যাট দলের নেতারাও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, নির্বাচনের আগে একজন বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধির বাড়িতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের তল্লাশি রাজনৈতিক চাপ তৈরির আশঙ্কা বাড়ায়। তবে তদন্তের পক্ষে থাকা ব্যক্তিদের বক্তব্য, অভিবাসনসংক্রান্ত নথিতে মিথ্যা তথ্য দেওয়া হয়ে থাকলে রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে তা তদন্ত করার অধিকার সরকারের রয়েছে।
এখানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ওমরের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও এখন পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগে কোনো অপরাধের দায় আদালতে প্রমাণিত হয়নি। নাগরিকত্ব বাতিল কিংবা দেশ থেকে বহিষ্কারের কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তও প্রকাশ্যে আসেনি। তদন্ত চলছে বলে অভিযোগকে প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে প্রচার করা সঠিক হবে না। সব মিলিয়ে ইলহান ওমরকে ঘিরে ঘটনাটি এখন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এনেছে। প্রথমত, ২০১৬ সালে শুরু হওয়া পুরোনো তদন্ত কেন এবং কী কারণে বন্ধ হয়েছিল? দ্বিতীয়ত, ২০২৬ সালে নতুন করে শুরু হওয়া তদন্ত কতটা আইনগত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে এবং এর পেছনে রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে কি না?
মন্তব্য ০
লগইন করুন অথবা বিনা মূল্যে অ্যাকাউন্ট খুলুন আলোচনায় যোগ দিতে। নাম গোপন রেখেও মন্তব্য করতে পারবেন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।