সরাসরি মানচিত্র, পূর্বাভাস ও জরিপের গড়: PoliAgg (CC BY-SA 4.0)

পূর্ণ ফলাফল, মানচিত্র ও জরিপ
ব্রেকিং
পথচারীর সাহসে অপহরণচেষ্টা থেকে প্রাণে বাঁচল সাত বছরের শিশু নিরাপদএম্পায়ার স্টেট ভবনে ওঠা রুশ যুগলের মামলায় সমঝোতার আভাস, আদালতে হাজিরা ১২ নভেম্বরপ্রায় এক বছর নির্বাসনে থাকার পর দেশে ফিরলেন নোবেলজয়ী মাচাদো, দাবি নতুন নির্বাচনেরলাস ভেগাসে কাজে গিয়ে চার সন্তানকে একা রেখে বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার ফ্লোরিডার মামন্টানায় শিক্ষককে ছুরিকাঘাত, ১০ মাসের তদন্তেও গুরুতর অভিযোগ আনছে না কর্তৃপক্ষ্য

যুক্তরাষ্ট্রে বহিষ্কৃত বাংলাদেশি নন, মালির নাগরিককে বহিষ্কার নিয়ে বিতর্ক, সমকামিতার দাবি তুলে আইসিইর নতুন অভিযোগ

যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কৃত মালির নাগরিক মুসা দিয়াওয়ারার আশ্রয় আবেদনে সমকামিতার দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আইস, তবে প্রতারণার অভিযোগ এখনো স্বাধীনভাবে প্রমাণিত নয়।

যুক্তরাষ্ট্রে বহিষ্কৃত বাংলাদেশি নন, মালির নাগরিককে বহিষ্কার নিয়ে বিতর্ক, সমকামিতার দাবি তুলে আইসিইর নতুন অভিযোগ
যুক্তরাষ্ট্রে বহিষ্কৃত বাংলাদেশি নন, মালির নাগরিককে বহিষ্কার নিয়ে বিতর্ক, সমকামিতার দাবি তুলে আইসিইর নতুন অভিযোগ

যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থার বক্তব্য অনুযায়ী, দিয়াওয়ারা ২০০৯ সালের আশ্রয় আবেদনে নিজের যৌন পরিচয় এবং মালিতে সম্ভাব্য নির্যাতনের আশঙ্কার কথা উল্লেখ করেছিলেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজ জানিয়েছে, তারা তাঁর ওই আবেদনের একটি অনুলিপি পেয়েছে। প্রতিবেদনে আবেদনের বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, দিয়াওয়ারা পুরুষদের প্রতি আকর্ষণ এবং নিজ দেশে নির্যাতিত হওয়ার ভয় প্রকাশ করেছিলেন। তবে আবেদনপত্রের বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার অর্থ এই নয় যে আদালত তাঁকে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার জন্য দোষী সাব্যস্ত করেছেন।
ঘটনাটির সূত্রপাত চলতি বছরের জুলাই মাসে। সিবিএসের অনুসন্ধানী অনুষ্ঠান ‘৬০ মিনিটস’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দিয়াওয়ারা ৫৭ বছর বয়সী মালির নাগরিক। প্রায় ২৫ বছর আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন। পর্যটক হিসেবে প্রবেশের পর তাঁর ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও তিনি দেশটিতে থেকে যান। পরে তিনি আশ্রয় ও নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর বিরুদ্ধে আইনি সুরক্ষার আবেদন করেন। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে তিনি বিয়ে করেন, দুই সন্তানের বাবা হন এবং জীবিকা নির্বাহের জন্য উবারের চালক হিসেবে কাজ করেন। তাঁর স্ত্রী বারবারা জনসন একজন নিবন্ধিত সেবিকা। তাঁদের দুই সন্তানই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।

দিয়াওয়ারার ঘটনায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ২০১২ সালের অভিবাসন আদালতের সিদ্ধান্ত। সিবিএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই বছরের ২ ফেব্রুয়ারি আদালত তাঁকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের নির্দেশ দিয়েছিল। একই সঙ্গে তাঁকে মালিতে ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে নির্যাতনের আশঙ্কাজনিত বাধা বহাল ছিল। অর্থাৎ, যুক্তরাষ্ট্রে তাঁর থাকার অধিকার এবং মালিতে ফেরত পাঠানোর বৈধতা দুটি আলাদা বিষয় ছিল। তাঁর বিরুদ্ধে বহিষ্কারের আদেশ থাকা সত্ত্বেও নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে আইনি সীমাবদ্ধতা ছিল। এই সিদ্ধান্ত তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রে কাজের অনুমতিও পেতে সহায়তা করেছিল।
এখানে আইনি পরিভাষার একটি বিষয় পরিষ্কার করা জরুরি। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইনে কোনো ব্যক্তিকে দেশ থেকে বহিষ্কারের নির্দেশ দেওয়া হলেও নির্দিষ্ট দেশে ফেরত পাঠালে নির্যাতন বা নিপীড়নের আশঙ্কা থাকলে তাঁকে সেই দেশে পাঠানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকতে পারে। এ ধরনের সুরক্ষা স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের অধিকার দেয় না। আবার বহিষ্কারের আদেশ থাকলেই যেকোনো দেশে তাঁকে পাঠানো যাবে, এমনও নয়। কোন দেশে পাঠানো হচ্ছে, সেখানে তাঁর নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত এবং আদালতের আগের নির্দেশ কী ছিল—এসব বিষয় গুরুত্বপূর্ণ।
সিবিএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১১ জুলাই টেক্সাসের হিউস্টন শহরতলিতে নিজের বাড়িতে ফেরার পর দিয়াওয়ারা অভিবাসন কর্মকর্তাদের মুখোমুখি হন। তিনি তখন রাতের কাজ শেষ করে ফিরছিলেন। এরপর তাঁকে আটক করা হয় এবং প্রায় তিন সপ্তাহ টেক্সাসের একটি অভিবাসন আটককেন্দ্রে রাখা হয়। দিয়াওয়ারা ও তাঁর পরিবারের বক্তব্য অনুযায়ী, এই সময়ে আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করার সুযোগ নিয়েও সমস্যা হয়েছিল। পরে ৩১ জুলাই তাঁকে পশ্চিম আফ্রিকার ঘানা দেশে পাঠানো হয়।
ঘানা তাঁর নিজ দেশ নয়। সিবিএসকে দিয়াওয়ারা বলেছিলেন, দেশটির সঙ্গে তাঁর কোনো ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল না এবং সেখানে পরিচিত কেউও ছিলেন না। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ঘানায় পৌঁছানোর পর তাঁকে অন্য কয়েকজন বহিষ্কৃত ব্যক্তির সঙ্গে একটি হোটেলে রাখা হয়েছিল। সেখানে সশস্ত্র প্রহরা ছিল এবং পরিবারের সদস্য কিংবা আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করার সুযোগ সীমিত ছিল বলে তিনি অভিযোগ করেন। কয়েক দিনের মধ্যে ঘানার কর্মকর্তারা তাঁকে মালিতে পাঠিয়ে দেন বলে তাঁর দাবি। সিবিএস জানিয়েছে, মালিতে পৌঁছানোর পর তিনি অর্থ ও পরিচয়পত্র ছাড়া অসহায় অবস্থায় পড়েন এবং নিরাপত্তার আশঙ্কায় আত্মগোপনে থাকেন। কয়েক সপ্তাহ পর স্থানীয় কয়েকজন ট্রাকচালকের সহায়তায় তিনি অন্য একটি আফ্রিকান দেশে চলে যান। নিজের নিরাপত্তার স্বার্থে সেই দেশের নাম প্রকাশ করতে চাননি তিনি।

তবে ঘানা থেকে মালিতে পাঠানোর ঘটনাটি নিয়ে মার্কিন প্রশাসন ও দিয়াওয়ারার বক্তব্যের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। মার্কিন স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগের শীর্ষ আইন কর্মকর্তা জেমস পার্সিভাল সিবিএসকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র তাঁকে ঘানায় পাঠিয়েছিল, মালিতে নয়। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ঘানা দিয়াওয়ারার নিরাপত্তার বিষয়ে কূটনৈতিক আশ্বাস দিয়েছিল। অন্যদিকে, দিয়াওয়ারা দাবি করেছেন, তাঁকে দেওয়া কিছু কাগজপত্র ও তাঁর ব্যাগের পরিচয়চিহ্নে মালির নাম লেখা ছিল। মার্কিন প্রশাসন বলেছে, ব্যাগের পরিচয়চিহ্ন ঠিক কোন দেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তা নির্ধারণের প্রক্রিয়ার অংশ নয়। ওষুধসংক্রান্ত কাগজে মালির নাম থাকার বিষয়টিকে তারা করণিক ভুল বলে ব্যাখ্যা করেছে। ঘানা সরকার এ বিষয়ে মন্তব্য করেনি বলে সিবিএস জানিয়েছে।
এবার বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে দিয়াওয়ারার আশ্রয় আবেদনে উল্লেখ করা যৌন পরিচয়ের বিষয়টি। সিবিএসের সম্প্রচারিত প্রতিবেদনে তাঁর খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ এবং মালিতে ধর্মীয় সহিংসতার আশঙ্কার কথা তুলে ধরা হয়েছিল। কিন্তু ফক্স নিউজের হাতে আসা বলে দাবি করা ২০০৯ সালের আবেদনপত্রে সমকামিতার কারণে নির্যাতনের আশঙ্কার কথাও রয়েছে। এই দুই বক্তব্য কীভাবে একই আইনি প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিল, কোন বক্তব্যের ভিত্তিতে আদালত কী সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এবং পরবর্তী সময়ে তাঁর আবেদনে কোনো পরিবর্তন এসেছিল কি না—এসব প্রশ্নের সম্পূর্ণ উত্তর প্রকাশ্যে পাওয়া তথ্য থেকে নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।
২৬ অক্টোবর আইসের সরকারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের হিসাব থেকে দিয়াওয়ারাকে নিয়ে তীব্র ভাষায় একটি বক্তব্য প্রকাশ করা হয়। সংস্থাটি অভিযোগ করে, তিনি মালিতে বহিষ্কার ঠেকানোর জন্য নিজেকে সমকামী বলে দাবি করেছিলেন। স্ত্রী ও দুই সন্তান থাকার বিষয়টিকে সংস্থাটি তাঁর দাবির সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হিসেবে তুলে ধরে। একই সঙ্গে ‘৬০ মিনিটস’ অনুষ্ঠানের প্রতিবেদনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বাদ পড়েছে বলেও অভিযোগ করে। এই বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। সরকারি সংস্থার এমন ভাষা ব্যবহার নিয়ে সমালোচনাও হয়।
তবে একজন পুরুষের স্ত্রী ও সন্তান থাকা থেকে তাঁর যৌন পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। কোনো ব্যক্তি উভকামী হতে পারেন, নিজের যৌন পরিচয় প্রকাশ না-ও করতে পারেন, কিংবা জীবনের বিভিন্ন সময়ে তাঁর সম্পর্ক ও আত্মপরিচয়ের অভিজ্ঞতা ভিন্ন হতে পারে। তাই শুধু বৈবাহিক অবস্থা দিয়ে আশ্রয় আবেদনের দাবি মিথ্যা প্রমাণ করা সম্ভব নয়। একইভাবে, আশ্রয়ের আবেদন গ্রহণ করার অর্থও এই নয় যে আবেদনের প্রতিটি বক্তব্য কখনোই প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে না। কোনো আবেদন সম্পর্কে প্রতারণার অভিযোগ উঠলে তার সত্যতা নির্ধারণে নথি, সাক্ষ্য, আগের সিদ্ধান্ত এবং প্রযোজ্য আইন বিবেচনা করা প্রয়োজন।
এই ঘটনার আরেকটি দিক হলো, সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং সরকারি সংস্থার বক্তব্যের মধ্যে কোন তথ্য কতটা গুরুত্ব পেয়েছে। সিবিএসের প্রতিবেদনটি মূলত তৃতীয় দেশে বহিষ্কার এবং সেই দেশের মাধ্যমে আবার এমন দেশে পাঠানোর ঘটনা নিয়ে অনুসন্ধান করেছে, যেখানে ফেরত পাঠানোর বিরুদ্ধে আদালতের সুরক্ষা ছিল। অন্যদিকে, আইস ও স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ দিয়াওয়ারার অভিবাসন ইতিহাস এবং আশ্রয় আবেদনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। ফক্স নিউজ আবেদনপত্রের বক্তব্য সামনে আনার পর বিতর্কটি আরও তীব্র হয়েছে। সিবিএসের প্রতিবেদনে দিয়াওয়ারার কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড নেই বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে অপরাধমূলক রেকর্ড না থাকা এবং যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ অভিবাসন মর্যাদা থাকা এক বিষয় নয়।

দিয়াওয়ারার পরিবারের জন্য এই ঘটনা কেবল আইনি বিতর্ক নয়, দীর্ঘ বিচ্ছিন্নতারও বিষয়। সিবিএসের প্রতিবেদনে তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের সঙ্গে দূর থেকে কথোপকথনের দৃশ্য দেখানো হয়। তাঁর ছেলে ও মেয়ে বাবাকে ছাড়া দৈনন্দিন জীবনে শূন্যতা অনুভব করার কথা জানায়। স্ত্রীও সন্তানদের জন্য শক্ত থাকার চেষ্টা করছেন বলে জানান। তবে পারিবারিক বিচ্ছিন্নতার এই মানবিক দিক তাঁর আশ্রয় আবেদনের সত্যতা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয় না; আবার অভিবাসন আইনের প্রশ্নও পরিবারের ওপর বিচ্ছেদের প্রভাবকে অস্বীকার করে না। দুটি বিষয়কে আলাদাভাবে বিবেচনা করাই তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদনের জন্য জরুরি।
সিবিএস জানিয়েছে, দিয়াওয়ারার আইনজীবী রুবেন এস. কেরবেন তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দেওয়ার জন্য ওয়াশিংটন ডিসির একটি ফেডারেল আদালতের কাছে আবেদন করেছেন। এই আবেদনের চূড়ান্ত ফল কী হয়েছে, তা ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত পাওয়া প্রতিবেদনগুলো থেকে নিশ্চিত করা যায়নি। একইভাবে, আশ্রয় আবেদনে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগে কোনো চূড়ান্ত বিচারিক সিদ্ধান্ত হয়েছে—এমন প্রমাণও পর্যালোচিত প্রতিবেদনগুলোতে নেই।
সব মিলিয়ে, মুসা দিয়াওয়ারাকে ঘিরে বিতর্কের দুটি প্রধান দিক রয়েছে। একদিকে, তাঁর ভিসার মেয়াদ অতিক্রম, বহিষ্কারের আদেশ এবং আশ্রয় আবেদনের তথ্য নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের প্রশ্ন রয়েছে। অন্যদিকে, মালিতে ফেরত পাঠানোর বিরুদ্ধে আদালতের সুরক্ষা থাকা সত্ত্বেও ঘানার মাধ্যমে সেখানে পৌঁছে যাওয়ার তাঁর অভিযোগ রয়েছে। কোন পক্ষের কোন দাবি আইনি ও তথ্যগতভাবে প্রমাণিত হবে, তা নির্ধারণের জন্য আরও নথি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এবং আদালতের সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। তাই আপাতত তাঁকে অভিবাসন জালিয়াতিতে দোষী বলা যেমন অনুচিত, তেমনি তাঁর সব বক্তব্যকে যাচাই ছাড়া চূড়ান্ত সত্য বলে প্রচার করাও সঠিক হবে না।


ট্যাগ: মুসা দিয়াওয়ারাযুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসননীতিআইসমালির নাগরিকআশ্রয় আবেদনবহিষ্কার বিতর্কঘানাঅভিবাসন আদালতমানবাধিকারতৃতীয় দেশে বহিষ্কার

প্রতিবেদক

Desk Report

Reporter

মন্তব্য ০

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সিএসবি নিউজ ইউএসএ ফলো করুন

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।