পার্বত্য চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় সহযোগিতা বাড়াতে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রীর বৈঠক
চট্টগ্রামে প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে পার্বত্য অঞ্চলের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় সহযোগিতা।
বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক ও ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) চট্টগ্রামে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার। বৈঠকে প্রতিমন্ত্রীর অগ্রাধিকারমূলক কাজ এবং পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
আলোচনায় স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি জোরদার করার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকায় বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর কাছে প্রয়োজনীয় সেবা পৌঁছে দেওয়া এসব উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।
পার্বত্য চট্টগ্রামের ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের কারণে অনেক প্রত্যন্ত এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা কঠিন। এ অঞ্চলে মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা, পরিবার পরিকল্পনা এবং মেয়েদের শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
যুক্তরাজ্য সরকার বাংলাদেশের সরকার, জাতিসংঘ এবং স্থানীয় অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করে পার্বত্য অঞ্চলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্য ও শিক্ষা কার্যক্রমে সহায়তা দিয়ে আসছে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি সফর করে যুক্তরাজ্যের অর্থায়নে পরিচালিত এসব কার্যক্রমের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন।
দুর্যোগ প্রস্তুতিও পার্বত্য অঞ্চলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। পাহাড়ধস, অতিবৃষ্টি, বন্যা এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় আগাম সতর্কতা, স্থানীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি ও জরুরি সেবা জোরদার করা প্রয়োজন।
তবে মঙ্গলবারের বৈঠকে নতুন কোনো অর্থায়ন, প্রকল্প অনুমোদন কিংবা নির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এ কারণে আলোচনাটিকে নতুন কোনো প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে উন্নয়ন সহযোগিতার অংশ হিসেবে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও দুর্যোগ মোকাবিলার মতো খাতে ভবিষ্যতে আরও সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট পক্ষের আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশিত হলে বৈঠকের সিদ্ধান্ত ও সম্ভাব্য উদ্যোগ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানা যাবে।






মন্তব্য ০
লগইন করুন অথবা বিনা মূল্যে অ্যাকাউন্ট খুলুন আলোচনায় যোগ দিতে। নাম গোপন রেখেও মন্তব্য করতে পারবেন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।