সরাসরি মানচিত্র, পূর্বাভাস ও জরিপের গড়: PoliAgg (CC BY-SA 4.0)

পূর্ণ ফলাফল, মানচিত্র ও জরিপ
ব্রেকিং
১৩ বছর বিদেশে কাটিয়ে আমেরিকায় জীবন নিয়ে নতুন করে ভাবলেন এক প্রবাসিমালয়েশিয়ায় চাকরি হারানোর শঙ্কায় ৩৬ বাংলাদেশিসহ ১৩০ শ্রমিকের অন্য কোম্পানিতে কাজের দাবিযাতায়াতের কষ্ট দেখে দুই কর্মীকে বিলাসবহুল বিএমডব্লিউ উপহার দিলেন চীনা ব্যবসায়ীযাতায়াতের কষ্ট দেখে দুই কর্মীকে বিলাসবহুল বিএমডব্লিউ উপহার দিলেন চীনা ব্যবসায়ীঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ নিয়ে উপকূলে সতর্কতা, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সংকেত

১৩ বছর বিদেশে কাটিয়ে আমেরিকায় জীবন নিয়ে নতুন করে ভাবলেন এক প্রবাসি

১৩ বছর লন্ডনে কাটিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যসেবা, কর্মীদের অধিকার, গণপরিবহন, খাদ্যব্যবস্থা ও নিরাপত্তা নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন এক মার্কিন নাগরিক।

১৩ বছর বিদেশে কাটিয়ে আমেরিকায় জীবন নিয়ে নতুন করে ভাবলেন এক প্রবাসি
১৩ বছর বিদেশে কাটিয়ে আমেরিকায় জীবন নিয়ে নতুন করে ভাবলেন এক প্রবাসি

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ইভান এডিঞ্জার দীর্ঘ ১৩ বছর লন্ডনে বসবাস করে নিজের জন্মভূমি সম্পর্কে নতুনভাবে ভাবতে শিখেছেন। বিদেশে পড়াশোনা করতে গিয়ে শুরু হওয়া তাঁর জীবনযাত্রা একসময় স্থায়ী বসবাসে রূপ নেয়। যুক্তরাজ্যে দীর্ঘ সময় কাটানোর পর যুক্তরাষ্ট্রের জীবনব্যবস্থা, নাগরিক অধিকার, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মপরিবেশ, গণপরিবহন, খাদ্যনিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সম্পর্কে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন আসে। বিদেশে বসবাসের অভিজ্ঞতা থেকে পাওয়া নয়টি উপলব্ধি তুলে ধরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত জীবনধারা নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি করেছেন। তাঁর অভিজ্ঞতা নিয়ে ২০২৬ সালের জুনে আপওয়ার্থি এবং সেপ্টেম্বরে ইয়াহু নিউজে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

এডিঞ্জারের অভিজ্ঞতার মূল বক্তব্য হলো, কোনো দেশের জীবনমান বিচার করার সময় শুধু আয়, অর্থনৈতিক উন্নতি কিংবা ব্যক্তিস্বাধীনতার ধারণা বিবেচনা করলেই চলে না। চিকিৎসার ব্যয়, কাজের সময়, ছুটির সুযোগ, চলাচলের সুবিধা এবং নিরাপদে দৈনন্দিন জীবন কাটানোর সুযোগও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তবে তাঁর বক্তব্য ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও মূল্যায়নের ভিত্তিতে তৈরি। এগুলো যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যেক নাগরিকের অভিজ্ঞতা কিংবা ইউরোপের সব দেশের পরিস্থিতির সম্পূর্ণ চিত্র নয়।
যুক্তরাষ্ট্রে বেড়ে ওঠার সময় এডিঞ্জার মনে করতেন, আগ্নেয়াস্ত্র রাখা ব্যক্তিস্বাধীনতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাঁর পরিবারেও আগ্নেয়াস্ত্র ছিল এবং ছোটবেলা থেকেই অস্ত্র ব্যবহারের সঙ্গে তাঁর পরিচয় ঘটে। কিন্তু লন্ডনে বসবাস করার পর অস্ত্রের সহজলভ্যতা ও জননিরাপত্তা নিয়ে তাঁর চিন্তাভাবনা বদলে যায়।
তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের কিছু শহরে সহিংসতা কিংবা গোলাগুলির ঘটনায় সাধারণ মানুষের হতাহত হওয়ার আশঙ্কা তাঁকে উদ্বিগ্ন করত। অন্যদিকে, লন্ডনে তাঁর দৈনন্দিন জীবনে এমন ভয়ের অভিজ্ঞতা তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে। এই অভিজ্ঞতা তাঁকে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ এবং জননিরাপত্তার সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে ভাবতে উৎসাহিত করে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রে সব স্থান সমানভাবে বিপজ্জনক নয় এবং যুক্তরাজ্যেও অপরাধ ঘটে। তাই একজন ব্যক্তির অভিজ্ঞতা দিয়ে দুই দেশের সামগ্রিক অপরাধ পরিস্থিতির তুলনা করা যায় না। নিরাপত্তা মূল্যায়নে অপরাধের ধরন, স্থান, সময় এবং সরকারি পরিসংখ্যান বিবেচনা করা জরুরি।
সরকার পরিচালনা ও রাজনৈতিক ব্যবস্থাও এডিঞ্জারের আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্রের দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের মধ্যে বিরোধ অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও আইন প্রণয়নকে বাধাগ্রস্ত করে। বিপরীতে, যুক্তরাজ্যের সংসদীয় ব্যবস্থায় সরকার ও আইনসভা পরিচালনার ধরন ভিন্ন হওয়ায় কিছু সিদ্ধান্ত তুলনামূলক দ্রুত নেওয়া সম্ভব হয়।
অবশ্য সংসদীয় ব্যবস্থায়ও রাজনৈতিক বিরোধ, নীতিগত ব্যর্থতা এবং প্রশাসনিক জটিলতা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেনশিয়াল ব্যবস্থা ও যুক্তরাজ্যের সংসদীয় ব্যবস্থার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে বলেই একটি ব্যবস্থাকে সব ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠ বলা যায় না। এডিঞ্জারের বক্তব্য মূলত তাঁর অভিজ্ঞতা থেকে তৈরি একটি রাজনৈতিক মূল্যায়ন।
গণপরিবহন ও হাঁটার উপযোগী শহর নিয়ে তাঁর অভিজ্ঞতা আরও বাস্তবধর্মী। যুক্তরাষ্ট্রের অনেক এলাকায় ব্যক্তিগত গাড়ি ছাড়া দৈনন্দিন কাজ সম্পন্ন করা কঠিন। বাড়ি থেকে কর্মস্থল, বাজার কিংবা চিকিৎসাকেন্দ্রে যেতে অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়। ফলে গাড়ি কেনা, জ্বালানি, মেরামত এবং পার্কিংয়ের খরচ পরিবারের বাজেটে বড় চাপ তৈরি করতে পারে।
লন্ডনে এডিঞ্জার নিয়মিত হাঁটা ও গণপরিবহন ব্যবহার করে চলাচলের সুযোগ পেয়েছেন। তাঁর মতে, পরিকল্পিত ফুটপাত, বাস, রেল ও অন্যান্য গণপরিবহন থাকলে ব্যক্তিগত গাড়ির ওপর নির্ভরতা কমে। এতে চলাচলের খরচ কমানোর পাশাপাশি দৈনন্দিন শারীরিক পরিশ্রমের সুযোগও বাড়ে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের সব শহরে গণপরিবহনের অবস্থা এক নয়। নিউইয়র্কের মতো শহরে বিস্তৃত গণপরিবহন থাকলেও অনেক ছোট শহর ও উপশহরে ব্যক্তিগত গাড়ি এখনো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একইভাবে ইউরোপের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও কোথাও কোথাও গণপরিবহনের সুযোগ সীমিত। তাই এ ক্ষেত্রে শহর পরিকল্পনা ও স্থানীয় অবকাঠামোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
খাদ্যের মান ও দাম নিয়েও এডিঞ্জার যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরেছেন। তাঁর অভিজ্ঞতায়, লন্ডনে হাঁটাপথে দোকানে গিয়ে তাজা শাকসবজি ও অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী কেনা সহজ হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কিছু এলাকায় দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে বাজারে যেতে হয় এবং দ্রুত প্রস্তুত করা খাবারের ওপর নির্ভরতা বাড়তে পারে।
খাদ্যে ব্যবহৃত উপাদান নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের নীতিতে কিছু পার্থক্য রয়েছে। তবে সব ইউরোপীয় দেশ একই নিয়ম অনুসরণ করে না এবং যুক্তরাষ্ট্রেও খাদ্যনিরাপত্তার জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা রয়েছে। কোনো উপাদান ইউরোপে নিষিদ্ধ বা সীমিত হলেই সেটি যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবহৃত সব পণ্যে বিপজ্জনক মাত্রায় রয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়। খাদ্যের নিরাপত্তা নির্ভর করে উপাদান, ব্যবহারের পরিমাণ, বৈজ্ঞানিক প্রমাণ ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার ওপর।

স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় এডিঞ্জারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপলব্ধিগুলোর একটি। যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসার খরচ অনেক পরিবারের জন্য বড় আর্থিক উদ্বেগের কারণ হতে পারে। সেখানে অধিকাংশ মানুষের স্বাস্থ্যবিমা থাকলেও বিমার ধরন, মাসিক চাঁদা, নিজস্ব ব্যয়, চিকিৎসাকেন্দ্র এবং নির্দিষ্ট সেবার আওতার ওপর রোগীর খরচ নির্ভর করে।
যুক্তরাষ্ট্রের আদমশুমারি ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশটির ৯২ শতাংশ মানুষ বছরের কোনো না কোনো সময় স্বাস্থ্যবিমার আওতায় ছিলেন। অর্থাৎ স্বাস্থ্যবিমা ব্যবস্থার বিস্তৃতি থাকলেও সবার চিকিৎসা সম্পূর্ণ বিনা খরচে হয় না।
অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় অধিকাংশ সাধারণ চিকিৎসা করের অর্থায়নে পরিচালিত হয় এবং যোগ্য বাসিন্দারা অনেক চিকিৎসা সরাসরি সেবাকেন্দ্র থেকে পান। এতে চিকিৎসার সময় ব্যক্তিগত ব্যয়ের চাপ কমতে পারে। তবে অপেক্ষার সময়, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা পাওয়া এবং নির্দিষ্ট সেবার প্রাপ্যতা নিয়ে যুক্তরাজ্যেও সমস্যা রয়েছে। তাই দুটি দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার তুলনা করতে হলে শুধু খরচ নয়, চিকিৎসার মান, অপেক্ষার সময় ও সেবার সুযোগও বিবেচনা করতে হবে।
ভোক্তা অধিকার নিয়েও এডিঞ্জার একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে কেনা একটি ত্রুটিপূর্ণ কম্পিউটারের জন্য তিনি ইউরোপের ভোক্তা সুরক্ষা বিধির সহায়তায় অর্থ ফেরত পেয়েছিলেন। তাঁর মতে, এসব নিয়ম ক্রেতাদের ত্রুটিপূর্ণ পণ্য থেকে সুরক্ষা দিতে এবং বড় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অধিকার প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নে পণ্য কেনার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ত্রুটি দেখা দিলে ক্রেতারা বিভিন্ন আইনি প্রতিকার পেতে পারেন। তবে কোন দেশে কেনা হয়েছে, পণ্যটি কোথা থেকে কেনা হয়েছে এবং কী ধরনের ত্রুটি রয়েছে, তার ওপর প্রতিকারের নিয়ম নির্ভর করে। যুক্তরাষ্ট্রেও ক্রেতাদের সুরক্ষায় বিভিন্ন আইন রয়েছে, যদিও রাজ্য ও পণ্যভেদে নিয়ম আলাদা হতে পারে।

কর্মীদের অধিকার নিয়ে এডিঞ্জারের অভিজ্ঞতা আরও উল্লেখযোগ্য। তাঁর দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে একটি খাবারের দোকানে পাঁচ বছর কাজ করেও তিনি বেতনসহ ছুটি পাননি। পরে লন্ডনে খণ্ডকালীন কাজ করার সময়ও ছুটির সুবিধা পেয়েছেন। তাঁর মতে, কর্মীদের বিশ্রাম, পরিবারকে সময় দেওয়া এবং অসুস্থ অবস্থায় কাজ থেকে বিরতি নেওয়ার সুযোগ জীবনমানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী, বেসরকারি খাতের ৮০ শতাংশ কর্মীর বেতনসহ ছুটির সুবিধা এবং ৮১ শতাংশ কর্মীর বেতনসহ অসুস্থতাজনিত ছুটির সুবিধা ছিল। অর্থাৎ এসব সুবিধা যুক্তরাষ্ট্রে একেবারেই নেই—এমন দাবি সঠিক নয়। তবে সব কর্মী সমান সুবিধা পান না।
যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম দপ্তরও জানায়, দেশটির কেন্দ্রীয় আইনে অধিকাংশ বেসরকারি নিয়োগকর্তার জন্য বেতনসহ বার্ষিক ছুটি বাধ্যতামূলক নয়। যোগ্য কর্মীরা পারিবারিক ও চিকিৎসাজনিত কারণে বছরে সর্বোচ্চ ১২ সপ্তাহ পর্যন্ত চাকরি সুরক্ষিত রেখে অবৈতনিক ছুটি পেতে পারেন।

অর্থাৎ এডিঞ্জারের অভিজ্ঞতার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমনীতির কিছু বাস্তব পার্থক্য রয়েছে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের কর্মী, খণ্ডকালীন কর্মী এবং সীমিত সুবিধা দেওয়া প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের ক্ষেত্রে ছুটির সুযোগ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
অর্থনৈতিক জীবনযাত্রা নিয়েও তাঁর পর্যবেক্ষণ রয়েছে। তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্রে কিছু পেশায় তুলনামূলক বেশি বেতন পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু বেশি বেতন পেলেই যে জীবনযাত্রা সহজ হবে, তা নিশ্চিত নয়। বাসাভাড়া, চিকিৎসা, যাতায়াত, খাদ্য এবং শিশুদের যত্নের খরচ আয়ের বড় অংশ নিয়ে নিতে পারে। অন্যদিকে ইউরোপের কিছু দেশে তুলনামূলক কম খরচে গণপরিবহন, চিকিৎসা ও সামাজিক সেবা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
তবে বেতন ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের তুলনা করতে হলে পেশা, শহর, কর, বাসস্থানের খরচ এবং পরিবারের সদস্যসংখ্যা বিবেচনা করা প্রয়োজন। যুক্তরাষ্ট্রের সব এলাকায় জীবনযাত্রার ব্যয় বেশি নয়, আবার ইউরোপের সব দেশও সস্তা নয়। একইভাবে উচ্চ বেতন, কর্মজীবনের সুযোগ ও ব্যবসা করার পরিবেশের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র অনেক মানুষের কাছে আকর্ষণীয় হতে পারে।
এডিঞ্জারের নয়টি উপলব্ধির সামগ্রিক তাৎপর্য হলো, একটি দেশের জীবনমান শুধু অর্থনৈতিক শক্তি বা ব্যক্তিস্বাধীনতার প্রচলিত ধারণা দিয়ে বিচার করা যায় না। নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা, শ্রমিকের অধিকার, পরিবহন, খাদ্যের প্রাপ্যতা, ভোক্তা সুরক্ষা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাও মানুষের দৈনন্দিন জীবনে গভীর প্রভাব ফেলে।
তাঁর বক্তব্যকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত রায় হিসেবে দেখা উচিত নয়। বরং এটি একজন মানুষের দীর্ঘদিন বিদেশে বসবাসের পর নিজের দেশকে নতুনভাবে দেখার অভিজ্ঞতা। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা আলোচনার সূত্রপাত করতে পারে, কিন্তু কোনো দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি বোঝার জন্য নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান, আইন এবং বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের অভিজ্ঞতা একসঙ্গে বিবেচনা করা জরুরি।


ট্যাগ: যুক্তরাষ্ট্রযুক্তরাজ্যপ্রবাসজীবনস্বাস্থ্যসেবাকর্মীদের অধিকারগণপরিবহনজননিরাপত্তাজীবনযাত্রার ব্যয়ভোক্তা অধিকারবিদেশের জীবন

প্রতিবেদক

Desk Report

Reporter

মন্তব্য ০

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সিএসবি নিউজ ইউএসএ ফলো করুন

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।