টেক্সাসে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের পর অভিবাসন পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতা কমালেন হিউস্টনের মেয়র
টেক্সাসে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর অভিবাসন বিভাগকে সহযোগিতা সীমিত করল হিউস্টন পুলিশ। প্রশাসনিক পরোয়ানায় আর কাউকে আটকাতে পারবে না পুলিশ।
টেক্সাসের রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় পরিবর্তনের পর অভিবাসন নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের চতুর্থ বৃহত্তম শহর হিউস্টন। শহরটির মেয়র জন হুইটমায়ার স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে কেন্দ্রীয় অভিবাসন কর্মকর্তাদের সহযোগিতা সীমিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে শুধু অভিবাসন বিভাগের প্রশাসনিক পরোয়ানা থাকলেই তাকে আটক রাখা কিংবা কেন্দ্রীয় অভিবাসন কর্মকর্তাদের খবর দেওয়া যাবে না। তবে কোনো ব্যক্তি কারাদণ্ড হতে পারে এমন অপরাধে গ্রেপ্তার হলে পরিস্থিতি অনুযায়ী অভিবাসন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে।
গত শুক্রবার (৬ নভেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে মেয়র এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, হিউস্টনের মানুষের মধ্যে ভয় ও উদ্বেগ কমানো এবং শহরের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক নির্বাচনের ফলাফলের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, নির্বাচনের ফলাফল বাস্তব পরিবর্তন নিয়ে আসে।
মেয়র হুইটমায়ারের এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এসেছে, যখন টেক্সাসের রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটেছে। গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা অঙ্গরাজ্যটির গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচিত পদগুলোতে জয় পেয়েছে। রিপাবলিকান গভর্নর গ্রেগ অ্যাবটকে পরাজিত করে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জিনা হিনোজোসা গভর্নর নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় পর টেক্সাসের গভর্নর পদে ডেমোক্র্যাটদের প্রত্যাবর্তনের পথ তৈরি হয়েছে। জিনা হিনোজোসা অঙ্গরাজ্যটির প্রথম লাতিনা নারী গভর্নর হতে যাচ্ছেন।
এই নির্বাচনের ফলাফল হিউস্টনের অভিবাসন নীতিতে সরাসরি প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। কারণ, আগে একই ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করেও রাজ্য সরকারের বিরোধিতার মুখে পিছু হটতে হয়েছিল শহর কর্তৃপক্ষকে। এবার নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মেয়র আবারও সেই উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথে এগিয়েছেন।
এই নির্বাচনের ফলাফল হিউস্টনের অভিবাসন নীতিতে সরাসরি প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। কারণ, আগে একই ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করেও রাজ্য সরকারের বিরোধিতার মুখে পিছু হটতে হয়েছিল শহর কর্তৃপক্ষকে। এবার নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মেয়র আবারও সেই উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথে এগিয়েছেন।
হিউস্টন পুলিশের আগের নীতিতে বলা হয়েছিল, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় অভিবাসন সংস্থার প্রশাসনিক পরোয়ানা পাওয়া গেলে স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তারা সেই সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। অভিবাসন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর জন্য পুলিশকে অপেক্ষাও করতে হতো। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এই অপেক্ষা এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলত বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
নতুন নির্দেশনার ফলে সেই বাধ্যবাধকতা আর থাকছে না। বিশেষ করে সাধারণ যানবাহন তল্লাশি, সড়কে গাড়ি থামানো কিংবা অন্য কোনো কারণে কাউকে সাময়িকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় শুধু অভিবাসনসংক্রান্ত প্রশাসনিক পরোয়ানার ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় কর্মকর্তাদের ডাকার সুযোগ সীমিত করা হয়েছে।
বিষয়টি সহজভাবে বললে, কোনো অভিবাসী গাড়ি চালানোর সময় সামান্য ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করলেন এবং পুলিশ তাকে থামিয়ে জরিমানা বা সতর্কবার্তা দিয়ে ছেড়ে দিল। এ অবস্থায় শুধু তার বিরুদ্ধে অভিবাসন বিভাগের প্রশাসনিক পরোয়ানা রয়েছে বলে পুলিশ আর স্বয়ংক্রিয়ভাবে অভিবাসন কর্মকর্তাদের খবর দেবে না। তবে ওই ব্যক্তি যদি এমন কোনো অপরাধে






মন্তব্য ০
লগইন করুন অথবা বিনা মূল্যে অ্যাকাউন্ট খুলুন আলোচনায় যোগ দিতে। নাম গোপন রেখেও মন্তব্য করতে পারবেন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।