বাফেলোতে আইসের অভিযানে কর্মস্থল থেকে আটক নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপি নেতা আজহারুল মাকসুদ
যুক্তরাষ্ট্রের বাফেলোতে কর্মস্থল থেকে আটক নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপি নেতা আজহারুল মাকসুদ। তাঁর মুক্তির চেষ্টা করছে পরিবার, আইনজীবী ও বিএনপি নেতারা।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের বাফেলো শহরে নিজ কর্মস্থল থেকে আটক হয়েছেন নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আজহারুল মাকসুদ। গত ৬ নভেম্বর শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তারা তাঁকে আটক করেন। তাঁর আটকের খবর প্রকাশের পর স্থানীয় বাংলাদেশি প্রবাসী সমাজ এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁকে মুক্ত করতে আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। আগামী সোমবার, ৯ নভেম্বর তাঁর জামিনের আবেদন করার কথা রয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ৭ নভেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে আজহারুল মাকসুদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাফেলোতে নিজের কর্মস্থলে থাকা অবস্থায় তাঁকে আটক করা হয়। তাঁর মুক্তির জন্য ইতোমধ্যে স্ত্রী আইনজীবীর সঙ্গে নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জসিমউদ্দিন আজহারুলের আটকের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, আজহারুল বেশ কয়েক বছর ধরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। তাঁর বিরুদ্ধে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের বিষয় ছাড়া অন্য কোনো অপরাধে জড়িত থাকার তথ্য তাঁদের জানা নেই। দলীয় নেতারা তাঁকে মুক্ত করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালানোর কথা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিজেদের অভিবাসনসংক্রান্ত কাগজপত্রের বিষয়ে সতর্ক থাকার এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে আইনজীবীর পরামর্শ অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
কথা বলেছেন। নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জসিমউদ্দিনও এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, আজহারুল দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন।
পরিবার ও দলীয় নেতাদের বক্তব্য অনুযায়ী, আজহারুলের বিরুদ্ধে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে অন্য কোনো অপরাধের অভিযোগ রয়েছে কি না, সে বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, অভিবাসন আইনের অভিযোগে আটক হওয়া এবং ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়া এক বিষয় নয়। আটক হওয়ার অর্থ এই নয় যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কোনো অপরাধে দোষী প্রমাণিত হয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ঠিক কী ধরনের অভিবাসনসংক্রান্ত অভিযোগ আনা হয়েছে, তাঁর বর্তমান আইনি অবস্থান কী এবং আদালতে কী সিদ্ধান্ত আসবে, তা এখনো বিস্তারিতভাবে জানা যায়নি।
আজহারুলের পরিবারের জন্য ঘটনাটি বিশেষভাবে উদ্বেগের। দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করার পর কর্মস্থল থেকে হঠাৎ আটক হওয়ায় পরিবারের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা তাঁর দ্রুত মুক্তির আশায় আইনজীবীর মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। আগামী সোমবার জামিনের আবেদন করা হলে আদালত তাঁর মুক্তির বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন। তবে আবেদন করলেই জামিন নিশ্চিত হবে, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। আদালত তাঁর অভিবাসনসংক্রান্ত নথি, মামলার পরিস্থিতি, আটক রাখার আইনি ভিত্তি এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন।
এই আটকের ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটেছে,






মন্তব্য ০
লগইন করুন অথবা বিনা মূল্যে অ্যাকাউন্ট খুলুন আলোচনায় যোগ দিতে। নাম গোপন রেখেও মন্তব্য করতে পারবেন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।