সরাসরি মানচিত্র, পূর্বাভাস ও জরিপের গড়: PoliAgg (CC BY-SA 4.0)

পূর্ণ ফলাফল, মানচিত্র ও জরিপ
ব্রেকিং
ওয়াশিংটনে অ-নাগরিক ভোটারদের তথ্য প্রকাশে সোমবার সংবাদ সম্মেলন করবে মার্কিন প্রশাসনঅশোক সেনের বিশ্বজয়, স্ট্রিং তত্ত্বের গবেষণায় প্রথম ভারতীয় হিসেবে অস্কার ক্লেইন পদক জিতলেনরেকর্ড ভোটে সার্বিয়ায় বিদায়ের মুখে ভুচিচ, শিক্ষার্থীদের ঐতিহাসিক জয়ে বদলাচ্ছে দেশের রাজনীতিআদালতের রায়েও মিলছে না ভিসা, পরিবার থেকে দূরে হাজারো অভিবাসীপ্রয়োজনে সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করা হবে : শেখ হাসিনার ফেরার প্রসঙ্গে আইজিপি

অশোক সেনের বিশ্বজয়, স্ট্রিং তত্ত্বের গবেষণায় প্রথম ভারতীয় হিসেবে অস্কার ক্লেইন পদক জিতলেন

স্ট্রিং তত্ত্ব ও কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে যুগান্তকারী গবেষণার স্বীকৃতিতে ২০২৬ সালের অস্কার ক্লেইন পদক জিতে প্রথম ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী হিসেবে ইতিহাস গড়লেন অশোক সেন।

অশোক সেনের বিশ্বজয়, স্ট্রিং তত্ত্বের গবেষণায় প্রথম ভারতীয় হিসেবে অস্কার ক্লেইন পদক জিতলেন
অশোক সেনের বিশ্বজয়, স্ট্রিং তত্ত্বের গবেষণায় প্রথম ভারতীয় হিসেবে অস্কার ক্লেইন পদক জিতলেন

ভারতের খ্যাতনামা তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী অশোক সেন ২০২৬ সালের অস্কার ক্লেইন পদক অর্জন করে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানজগতে নতুন ইতিহাস গড়েছেন। এই সম্মান পাওয়া প্রথম ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী তিনি। মহাবিশ্বের মৌলিক গঠন, মহাকর্ষের প্রকৃতি, স্ট্রিং তত্ত্ব এবং কৃষ্ণগহ্বরের জটিল বৈশিষ্ট্য নিয়ে তাঁর দীর্ঘদিনের গবেষণা বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ভারতের বেঙ্গালুরুভিত্তিক আন্তর্জাতিক তাত্ত্বিক বিজ্ঞানকেন্দ্র ২২ অক্টোবর এই অর্জনের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়।
সুইডেনের স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয় এবং রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেসের পদার্থবিজ্ঞানের নোবেল কমিটি যৌথভাবে এই পদক প্রদান করে। ১৯৮৮ সালে প্রবর্তিত এই সম্মান তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা বিজ্ঞানীদের স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। পদকটির নামকরণ করা হয়েছে সুইডিশ তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী অস্কার ক্লেইনের নাম অনুসারে। এর আগে এই সম্মান পেয়েছেন স্টিফেন হকিং, পিটার হিগস, কিপ থর্ন, স্টিভেন ওয়াইনবার্গ এবং হান্স বেটের মতো বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানীরা।
অশোক সেনের এই অর্জন শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, ভারতের মৌলিক বিজ্ঞানচর্চার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি। কারণ, তাঁর গবেষণার প্রধান ক্ষেত্র এমন সব প্রশ্নকে কেন্দ্র করে, যেগুলোর উত্তর খুঁজতে বিজ্ঞানীরা বহু দশক ধরে কাজ করছেন। পদার্থের সবচেয়ে ক্ষুদ্র উপাদান কী, মহাকর্ষকে কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানের সঙ্গে কীভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা যায় এবং কৃষ্ণগহ্বরের ভেতরে পদার্থ ও তথ্যের আচরণ কীভাবে ব্যাখ্যা করা সম্ভব—এসব প্রশ্ন আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ।

অশোক সেন বর্তমানে বেঙ্গালুরুর আন্তর্জাতিক তাত্ত্বিক বিজ্ঞানকেন্দ্রে অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। প্রতিষ্ঠানটি টাটা মৌলিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। তিনি সেখানে ইনফোসিস-মাধব চেয়ার অধ্যাপক হিসেবে কাজ করছেন। তাঁর গবেষণা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃত হয়েছে এবং আধুনিক স্ট্রিং তত্ত্বের বিকাশে তাঁর অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
স্ট্রিং তত্ত্ব এমন একটি বৈজ্ঞানিক কাঠামো, যার মাধ্যমে মহাবিশ্বের মৌলিক কণা এবং প্রকৃতির বিভিন্ন বলকে একই তাত্ত্বিক ব্যাখ্যার আওতায় আনার চেষ্টা করা হয়। প্রচলিত ধারণায় মৌলিক কণাকে বিন্দুর মতো ক্ষুদ্র বস্তু হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু স্ট্রিং তত্ত্বে বলা হয়, কণার মৌলিক গঠন অতি ক্ষুদ্র একমাত্রিক সুতার মতো বস্তু দিয়ে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে। এই বস্তুগুলোর কম্পনের ধরন ভিন্ন হলে বিভিন্ন ধরনের কণার বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেতে পারে।
সহজভাবে বললে, একটি তারে বিভিন্নভাবে কম্পন সৃষ্টি হলে যেমন ভিন্ন ভিন্ন সুর পাওয়া যায়, তেমনি স্ট্রিং তত্ত্বে ক্ষুদ্র সুতার মতো বস্তুর বিভিন্ন কম্পনের মাধ্যমে বিভিন্ন মৌলিক কণার বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করা হয়। তবে এই তুলনা কেবল ধারণাটি বোঝার জন্য। বাস্তবে তত্ত্বটি অনেক বেশি জটিল এবং এর গাণিতিক কাঠামো অত্যন্ত উন্নত।

এই তত্ত্বের অন্যতম লক্ষ্য হলো কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞান এবং মহাকর্ষের মধ্যে সামঞ্জস্য প্রতিষ্ঠা করা। কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞান অতি ক্ষুদ্র কণার আচরণ ব্যাখ্যা করে। অন্যদিকে আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব মহাকর্ষ, স্থান ও কালের বৃহৎ পরিসরের আচরণ ব্যাখ্যা করে। প্রকৃতির এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ বর্ণনাকে একই কাঠামোর মধ্যে আনা পদার্থবিজ্ঞানের দীর্ঘদিনের লক্ষ্য। অশোক সেনের গবেষণা সেই প্রচেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
তাঁর গবেষণার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হলো এস-দ্বৈততা। পদার্থবিজ্ঞানে এই ধারণা এমন কিছু পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে সাহায্য করে, যেখানে কোনো তত্ত্বের শক্তিশালী মিথস্ক্রিয়ার বর্ণনা অন্য একটি তত্ত্বের দুর্বল মিথস্ক্রিয়ার বর্ণনার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। এ ধরনের সম্পর্কের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা আপাতদৃষ্টিতে আলাদা তাত্ত্বিক কাঠামোর মধ্যে গভীর মিল খুঁজে পান।
স্ট্রিং তত্ত্বের বিভিন্ন রূপকে একই মৌলিক তত্ত্বের ভিন্ন ভিন্ন প্রকাশ হিসেবে বোঝার ক্ষেত্রেও সেনের কাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। একসময় পাঁচটি পৃথক স্ট্রিং তত্ত্বকে আলাদা কাঠামো হিসেবে বিবেচনা করা হতো। পরবর্তী গবেষণায় দেখা যায়, নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে এগুলো একটি গভীরতর তাত্ত্বিক কাঠামোর বিভিন্ন রূপ হিসেবে সম্পর্কিত হতে পারে। এই ধারণা স্ট্রিং তত্ত্বের বিকাশে নতুন দিগন্ত খুলে দেয়। ২০১২ সালে মৌলিক পদার্থবিজ্ঞানে যুগান্তকারী অবদানের জন্য তিনি ব্রেকথ্রু পুরস্কার লাভ করেন।
কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে তাঁর গবেষণাও বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কৃষ্ণগহ্বর হলো মহাকাশের এমন একটি অঞ্চল, যার মহাকর্ষ এত শক্তিশালী যে নির্দিষ্ট সীমার ভেতর থেকে আলোও বাইরে বেরিয়ে আসতে পারে না। সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের মাধ্যমে কৃষ্ণগহ্বরের অনেক বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা গেলেও কোয়ান্টাম পর্যায়ে এর প্রকৃতি সম্পর্কে বহু জটিল প্রশ্ন রয়ে গেছে।

বিশেষ করে কৃষ্ণগহ্বরের এনট্রপি বা বিশৃঙ্খলার পরিমাপ কীভাবে নির্ধারিত হয়, তা পদার্থবিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার বিষয়। অশোক সেন কৃষ্ণগহ্বরের এনট্রপি নির্ভুলভাবে গণনা করার পদ্ধতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন। তাঁর গবেষণা দেখিয়েছে, নির্দিষ্ট তাত্ত্বিক পরিস্থিতিতে কৃষ্ণগহ্বরের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কোয়ান্টাম অবস্থাগুলো গণনা করে এর এনট্রপি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া সম্ভব। এর মাধ্যমে কৃষ্ণগহ্বরের তাপগতিবিদ্যা ও কোয়ান্টাম বৈশিষ্ট্য বোঝার ক্ষেত্রে নতুন অগ্রগতি এসেছে।
স্ট্রিং ক্ষেত্র তত্ত্বও তাঁর গবেষণার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। এই তত্ত্ব স্ট্রিং তত্ত্বকে ক্ষেত্র তত্ত্বের গাণিতিক কাঠামোর সঙ্গে সম্পর্কিত করে। এর মাধ্যমে স্ট্রিংয়ের পারস্পরিক ক্রিয়া এবং বিভিন্ন তাত্ত্বিক পরিস্থিতিতে তাদের আচরণ বিশ্লেষণ করা যায়। আধুনিক তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের জটিল সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য এ ধরনের গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অস্কার ক্লেইন পদক গ্রহণের সঙ্গে যুক্ত ২০২৬ সালের স্মারক বক্তৃতায় অশোক সেন মহাকর্ষ ও স্ট্রিং তত্ত্বের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেন। ২২ অক্টোবর স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়ের আলবানোভা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত তাঁর বক্তৃতার শিরোনাম ছিল ‘মহাকর্ষের উৎস স্ট্রিং, স্ট্রিংয়ের উৎস মহাকর্ষ’। বক্তৃতার প্রথম অংশে তিনি ব্যাখ্যা করেন, কীভাবে স্ট্রিং তত্ত্ব সামঞ্জস্যপূর্ণ কোয়ান্টাম মহাকর্ষের তাত্ত্বিক কাঠামো নির্মাণে সহায়তা করতে পারে। পরবর্তী অংশে তিনি কৃষ্ণগহ্বরের কোয়ান্টাম বৈশিষ্ট্য নিয়ে অমীমাংসিত সমস্যাগুলো এবং সেগুলো বোঝার ক্ষেত্রে স্ট্রিং তত্ত্বের সম্ভাব্য ভূমিকা তুলে ধরেন।
তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। স্ট্রিং তত্ত্ব এখনো প্রকৃতির সব মৌলিক প্রশ্নের পরীক্ষায় প্রমাণিত চূড়ান্ত উত্তর নয়। এই তত্ত্বের অনেক ধারণাকে সরাসরি পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করা কঠিন। তত্ত্বটি বাস্তব মহাবিশ্বের পর্যবেক্ষণযোগ্য বৈশিষ্ট্যগুলোকে কতটা নির্ভুলভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে, তা নিয়ে গবেষণা চলছে। তাই অশোক সেনের পুরস্কারকে স্ট্রিং তত্ত্বের সব ধারণা পরীক্ষায় প্রমাণিত হওয়ার স্বীকৃতি হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। বরং এটি তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার স্বীকৃতি।
অশোক সেন এর আগেও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার ও সম্মান পেয়েছেন। ১৯৮৯ সালে তিনি আন্তর্জাতিক তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান কেন্দ্রের পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৯৪ সালে পান শান্তি স্বরূপ ভাটনগর পুরস্কার। ১৯৯৮ সালে তিনি যুক্তরাজ্যের রয়্যাল সোসাইটির ফেলো নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে ভারত সরকার তাঁকে পদ্মশ্রী এবং ২০১৩ সালে পদ্মভূষণে সম্মানিত করে। ২০০৯ সালে তিনি ইনফোসিস গণিতবিজ্ঞান পুরস্কার এবং ২০১৪ সালে ডিরাক পদক লাভ করেন।
এই দীর্ঘ স্বীকৃতির তালিকায় ২০২৬ সালের অস্কার ক্লেইন পদক তাঁর কর্মজীবনে আরেকটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন। পদকটি পাওয়ার মাধ্যমে তিনি এমন একদল আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিজ্ঞানীর তালিকায় যুক্ত হয়েছেন, যাঁরা মহাবিশ্বের মৌলিক নিয়ম বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

আন্তর্জাতিক তাত্ত্বিক বিজ্ঞানকেন্দ্রের পরিচালক রাজেশ গোপালকৃষ্ণন সেনকে অভিনন্দন জানিয়ে তাঁর প্রতিষ্ঠানে কাজ করার অভিজ্ঞতাকে অত্যন্ত আনন্দের বলে উল্লেখ করেছেন। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এস-দ্বৈততা, কৃষ্ণগহ্বরের এনট্রপি এবং স্ট্রিং ক্ষেত্র তত্ত্ব নিয়ে তাঁর গবেষণা আধুনিক স্ট্রিং তত্ত্বের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
এই অর্জন ভারতের বিজ্ঞানশিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রেও অনুপ্রেরণা জোগাতে পারে। সাধারণত বিজ্ঞান নিয়ে জনআলোচনায় নতুন প্রযুক্তি, মহাকাশ অভিযান কিংবা ব্যবহারিক আবিষ্কার বেশি গুরুত্ব পায়। কিন্তু মৌলিক বিজ্ঞান এমন সব প্রশ্নের উত্তর খোঁজে, যেগুলোর ব্যবহারিক প্রয়োগ তাৎক্ষণিকভাবে দেখা না গেলেও ভবিষ্যতের বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির ভিত্তি তৈরি করতে পারে। মহাকর্ষ, স্থান, কাল, পদার্থের গঠন এবং কৃষ্ণগহ্বরের প্রকৃতি নিয়ে গবেষণা সেই বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ।
অশোক সেনের সাফল্য দেখায়, দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা, গাণিতিক বিশ্লেষণ এবং জটিল তাত্ত্বিক সমস্যার ওপর ধারাবাহিক কাজ আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানজগতে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। একই সঙ্গে তাঁর অর্জন মনে করিয়ে দেয়, মৌলিক বিজ্ঞানের অনেক প্রশ্নের উত্তর পেতে সময় লাগে এবং সব তাত্ত্বিক ধারণাকে পরীক্ষায় যাচাই করার জন্য আরও গবেষণা প্রয়োজন।

সব মিলিয়ে, ২০২৬ সালের অস্কার ক্লেইন পদক অশোক সেনের গবেষণাজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। স্ট্রিং তত্ত্ব, কোয়ান্টাম মহাকর্ষ এবং কৃষ্ণগহ্বরের বৈশিষ্ট্য নিয়ে তাঁর কাজ বিশ্বজুড়ে গবেষকদের কাছে তাৎপর্যপূর্ণ। প্রথম ভারতীয় পদকপ্রাপক হিসেবে তাঁর এই স্বীকৃতি ভারতের বিজ্ঞানচর্চার আন্তর্জাতিক অবস্থানকে আরও দৃশ্যমান করেছে। তবে তাঁর গবেষণার প্রকৃত গুরুত্ব কেবল একটি পুরস্কারে সীমাবদ্ধ নয়; মহাবিশ্বের মৌলিক নিয়ম বোঝার দীর্ঘ বৈজ্ঞানিক প্রচেষ্টায় তাঁর অবদানই এই সম্মানের মূল ভিত্তি।


ট্যাগ: অশোক সেনঅস্কার ক্লেইন পদকভারতীয় বিজ্ঞানীতাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানস্ট্রিং তত্ত্বকৃষ্ণগহ্বরকোয়ান্টাম মহাকর্ষভারতীয় বিজ্ঞানআন্তর্জাতিক বিজ্ঞানপদার্থবিজ্ঞানের গবেষনা

প্রতিবেদক

Desk Report

Reporter

মন্তব্য ০

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সিএসবি নিউজ ইউএসএ ফলো করুন

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।