নিউইয়র্কে অভিবাসীদের পাশে নতুন উদ্যোগ, স্বাস্থ্যবিমা ও আইনি সহায়তা মিলবে এক জায়গায়
ব্রঙ্কসে আবার চালু হলো অভিবাসী পরিবারকে সহায়তা দেওয়ার কেন্দ্র। স্বাস্থ্যবিমা, বাসস্থান ও আইনি পরামর্শ পেতে সহযোগিতা করবে প্রতিষ্ঠানটি।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক নগরীর ব্রঙ্কসে অভিবাসী পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে আবারও কার্যক্রম শুরু করেছে আরব আমেরিকান ফ্যামিলি সাপোর্ট সেন্টার। শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, মরিস পার্ক এলাকার ৯৬১ মরিস পার্ক অ্যাভিনিউতে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুনরায় চালুর উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় বাসিন্দা ও কমিউনিটি নেতারা অংশ নেন।
নিউজ ১২ ব্রঙ্কসের প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি আরব, মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশীয় অভিবাসীদের সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ অভিজ্ঞতা রাখে। ফলে নিউইয়র্কে বসবাসরত বাংলাদেশি ও অন্যান্য দক্ষিণ এশীয় পরিবারের জন্যও প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম প্রাসঙ্গিক হতে পারে।
প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক র্যান্ডি আলী জানান, অভিবাসীরা খাদ্যসহায়তা পাওয়ার যোগ্যতা যাচাই, স্বাস্থ্যবিমা গ্রহণ, সাশ্রয়ী বাসস্থান খোঁজা এবং আইনি সহায়তা পাওয়ার মতো বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা পেতে পারেন। প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য হলো, প্রয়োজনের সময় পরিবারগুলো যেন উপযুক্ত সেবা ও সহায়তার পথ খুঁজে পায়।
নতুন দেশে জীবন গড়তে গিয়ে অনেক অভিবাসী পরিবার ভাষাগত জটিলতা, প্রশাসনিক নিয়মকানুন এবং বিভিন্ন সেবার আবেদনপ্রক্রিয়া নিয়ে সমস্যায় পড়ে। কোথায় যোগাযোগ করতে হবে, কোন নথি লাগবে কিংবা কোন সুবিধার জন্য আবেদন করা যায়—এসব তথ্য না জানার কারণে অনেকেই প্রয়োজনীয় সহায়তা পেতে দেরি করেন। এ ধরনের কমিউনিটি প্রতিষ্ঠান মানুষকে সঠিক সেবার সঙ্গে যুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
নিউজ ১২-এর প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠানটির তথ্য উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, আগের বছর তারা নিউইয়র্কের ১২০টি দেশের মানুষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১৭৭টি জিপ কোড এলাকায় মোট ২২ হাজার মানুষকে সেবা দিয়েছে। বর্তমানে ব্রঙ্কসে প্রতিষ্ঠানটি ২ হাজারের বেশি মানুষকে সহায়তা করছে বলে জানানো হয়েছে।
তবে প্রতিষ্ঠানটি সব ধরনের সেবা সরাসরি বিনা মূল্যে দেয় কি না, কিংবা প্রতিটি সেবার জন্য কারা যোগ্য—তা আলাদাভাবে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। সহায়তা নিতে আগ্রহীদের সেবার ধরন, যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় নথি এবং অ্যাপয়েন্টমেন্টের নিয়ম জেনে যোগাযোগ করা উচিত।
নিউইয়র্কে বসবাসরত বাংলাদেশি পরিবারগুলোর জন্যও এমন উদ্যোগ সম্পর্কে জানা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে স্বাস্থ্যবিমা, বাসস্থান ও আইনি পরামর্শের প্রয়োজন হলে অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান বা যোগ্য পেশাজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করে সঠিক তথ্য নেওয়া যেতে পারে।





