সরাসরি মানচিত্র, পূর্বাভাস ও জরিপের গড়: PoliAgg (CC BY-SA 4.0)

পূর্ণ ফলাফল, মানচিত্র ও জরিপ
ব্রেকিং
নিউইয়র্কের ওয়েস্ট হারলেমে অভিবাসীদের আইনি ও স্বাস্থ্যসেবায় নতুন সহায়তা কেন্দ্র চালু হলোনিউইয়র্কে ২০২৭ সালে শিশুদের বিনামূল্যের শিক্ষাযত্নে যুক্ত হচ্ছে আরও দশ হাজার আসনযুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডের আবেদনকারীদের সরকারি সুবিধা নিয়ে বাড়ছে নতুন হতাশাআমেরিকায় পড়াশোনা শেষে চাকরি পেতে ৭০ হাজার ডলারের ফি প্রস্তাব, চাপে বিদেশি শিক্ষার্থীরাযুক্তরাষ্ট্রে ৩ লাখের বেশি ভিসা বাতিল, বাংলাদেশি আবেদনকারীদের জন্য কী বার্তা দিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন?

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডের আবেদনকারীদের সরকারি সুবিধা নিয়ে বাড়ছে নতুন হতাশা

গ্রিন কার্ডের আবেদন করছেন? সরকারি সুবিধা ব্যবহারের নিয়মে পরিবর্তনের খবর জেনে নিন।

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডের আবেদনকারীদের সরকারি সুবিধা নিয়ে বাড়ছে নতুন হতাশা
যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডের আবেদনকারীদের সরকারি সুবিধা নিয়ে বাড়ছে নতুন হতাশা

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য অভিবাসনসংক্রান্ত নিয়মের পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে যারা গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করছেন বা ভবিষ্যতে স্থায়ী বসবাসের আবেদন করার পরিকল্পনা করছেন, তাদের সরকারি সুবিধা ব্যবহারের নিয়ম সম্পর্কে সচেতন থাকা প্রয়োজন।

২০২৬ সালের জুলাইয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ গ্রিন কার্ডের কিছু আবেদন পর্যালোচনার ক্ষেত্রে সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত সুবিধা ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়ার সুযোগ বাড়িয়েছে। এর মধ্যে মেডিকেইড, খাদ্যসহায়তা এবং আবাসন সহায়তার মতো সুবিধা অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। 

এই বিষয়টি বাংলাদেশি পরিবারগুলোর জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ? যুক্তরাষ্ট্রে অনেক পরিবারে কেউ নাগরিক, কেউ গ্রিন কার্ডধারী, আবার কেউ অস্থায়ী ভিসা বা অন্য অভিবাসন অবস্থায় থাকেন। পরিবারের একজন সদস্য সরকারি সুবিধা পেলে অন্য সদস্যের অভিবাসন আবেদনে তার কী প্রভাব পড়বে, তা নির্ভর করতে পারে আবেদনকারীর নির্দিষ্ট পরিস্থিতি ও প্রযোজ্য আইনের ওপর।

তবে সরকারি সুবিধা গ্রহণ করলেই সবার গ্রিন কার্ড বাতিল হবে বা আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হবে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়। কোন সুবিধা বিবেচনায় আসবে, কার ক্ষেত্রে নিয়মটি প্রযোজ্য হবে এবং কোন আবেদনকারী ছাড় পাবেন, তা নির্দিষ্ট বিধান অনুযায়ী যাচাই করা প্রয়োজন। 

প্রবাসীদের জন্য করণীয় হলো, গ্রিন কার্ডের আবেদন জমা দেওয়ার আগে নিজের অভিবাসন অবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নিয়ম যাচাই করা। সরকারি সুবিধা গ্রহণের আগে শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টের ওপর নির্ভর না করে যোগ্য অভিবাসন আইনজীবী বা স্বীকৃত অভিবাসন পরামর্শদাতার সঙ্গে কথা বলা ভালো।

পরিবারের কেউ মেডিকেইড, খাদ্যসহায়তা বা আবাসন সহায়তা পেলে সংশ্লিষ্ট সুবিধার যোগ্যতার নিয়মও জেনে নেওয়া উচিত। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা বা বৈধ সহায়তা নেওয়া বন্ধ করার আগে ব্যক্তিগত পরিস্থিতি অনুযায়ী পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

নিউইয়র্ক সিটির অভিবাসীবিষয়ক দপ্তর ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত হালনাগাদ তথ্যেও জানিয়েছে, নতুন নিয়মটি ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে। তবে এটি সব অভিবাসীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। দপ্তরটি পরামর্শ দিয়েছে, নিয়মটি নিয়ে উদ্বেগ থাকলে যোগ্য আইনি পরামর্শ না নিয়ে সরকারি সুবিধা বন্ধ করবেন না।

ট্যাগ: যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিবাংলাদেশি প্রবাসীগ্রিন কার্ডসরকারি সুবিধামেডিকেইডখাদ্যসহায়তাআবাসন সহায়তাট্রাম্প প্রশাসনহোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগযুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসগ্রিন কার্ড আবেদন

প্রতিবেদক

Desk Report

Reporter

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সিএসবি নিউজ ইউএসএ ফলো করুন

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।