শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দাবিতে নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে প্রবাসী আওয়ামী লীগের সমাবেশ
নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে ২১ অক্টোবর শেখ হাসিনার বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনের পক্ষে আয়োজিত সমাবেশের তথ্য প্রকাশ করেছে আয়োজকপক্ষ। আল-আকসা পার্টি হলে আয়োজিত কর্মসূচিতে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের যুক্ত থাকার কথা জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির ব্রঙ্কসে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দাবিতে সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। ২০২৬ সালের ২১ অক্টোবর ব্রঙ্কসের স্টার্লিং-বাংলাবাজার এলাকার আল-আকসা পার্টি হলে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয় বলে আয়োজকদের দেওয়া তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।
সমাবেশের আয়োজকদের মধ্যে ছিল যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ পরিবার, দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন, শেখ হাসিনা স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সংগ্রাম পরিষদ, বঙ্গবন্ধু পরিষদ নিউইয়র্ক চ্যাপ্টার, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি।
কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল শেখ হাসিনার বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনের দাবির পক্ষে রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরা এবং যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত সমর্থকদের মধ্যে এ বিষয়ে জনমত গড়ে তোলা। তবে সমাবেশে কতজন অংশ নিয়েছেন, কারা বক্তব্য দিয়েছেন এবং সেখানে কী কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করা যায়নি।
শেখ হাসিনার সম্ভাব্য স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি আলোচিত বিষয়। দেশে ফেরার পরিকল্পনা নিয়ে তাঁর বক্তব্য, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশ এবং সংশ্লিষ্ট আইনি ও কূটনৈতিক পরিস্থিতি এ আলোচনাকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।
যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে নানা মত ও অবস্থান রয়েছে। নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসসহ বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক সংগঠনগুলো সভা, সমাবেশ ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরে। এসব কর্মসূচি প্রবাসী রাজনীতির পাশাপাশি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে প্রবাসীদের আগ্রহও প্রকাশ করে।
শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দাবিকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই সমাবেশের মাধ্যমে আয়োজকেরা তাঁদের রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরেছেন। তবে সমাবেশের ঘোষিত উদ্দেশ্য এবং শেখ হাসিনার বাস্তবে বাংলাদেশে ফিরে আসার বিষয়টি আলাদা। তাঁর প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত হয়েছে—এমন কোনো তথ্য এই কর্মসূচির বিবরণ থেকে প্রতিষ্ঠিত হয় না।
সমাবেশে অংশগ্রহণকারী নেতাকর্মীদের বক্তব্য, কর্মসূচির বিস্তারিত এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া গেলে এ আয়োজনের রাজনৈতিক তাৎপর্য ও প্রবাসী সংগঠনগুলোর পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।





