ব্রেকিং
সুদের হার বাড়তে পারে মূল্যস্ফীতি নিয়ে সতর্ক যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তাদেড় কোটি অভিবাসীর দাবি ঘিরে কানাডার সরকারি পরিকল্পনা ও বাস্তবতার বড় প্রশ্নমধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে কাতারের রাজস্ব ৪২ শতাংশ কমল, জ্বালানি রপ্তানিতে বড় ধরনের সংকটনিউইয়র্কে ছোট ব্যবসা ও বাড়ির মালিকদের জরিমানা ঋণে নতুন স্বস্তি কর্মসূচি ঘোষণাশরণার্থীদের মর্যাদা বাতিলের বিরুদ্ধে আপিলের সময় কমাল ট্রাম্প প্রশাসন, বাড়ছে বহিষ্কারের আশঙ্কা

তাইওয়ানের বড় জ্বালানি চুক্তির ঘোষণা ট্রাম্পের, আলাস্কার গ্যাস প্রকল্প ঘিরে বাড়ছে আন্তর্জাতিক আগ্রহ

আলাস্কার প্রস্তাবিত গ্যাস প্রকল্পের উৎপাদনের ৩০ শতাংশ কেনার সম্মতির কথা জানালেন ট্রাম্প, তবে চুক্তির শর্ত ও বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

তাইওয়ানের বড় জ্বালানি চুক্তির ঘোষণা ট্রাম্পের, আলাস্কার গ্যাস প্রকল্প ঘিরে বাড়ছে আন্তর্জাতিক আগ্রহ
তাইওয়ানের বড় জ্বালানি চুক্তির ঘোষণা ট্রাম্পের, আলাস্কার গ্যাস প্রকল্প ঘিরে বাড়ছে আন্তর্জাতিক আগ্রহ

আলাস্কার প্রস্তাবিত গ্যাস প্রকল্পের উৎপাদনের ৩০ শতাংশ কেনার সম্মতির কথা জানালেন ট্রাম্প, তবে চুক্তির শর্ত ও বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তাইওয়ান আলাস্কার প্রস্তাবিত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস প্রকল্পের উৎপাদনের ৩০ শতাংশ কেনার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। ১৪ অক্টোবর প্রকাশিত রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আলাস্কায় রিপাবলিকান পার্টির একটি নির্বাচনী সমাবেশে ট্রাম্প এ ঘোষণা দেন। একই অনুষ্ঠানে মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক জানান, প্রকল্পটির উন্নয়নে তাইওয়ান ৪৪০ কোটি ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

তবে এই ঘোষণার পরও চুক্তির সম্পূর্ণ শর্ত, অর্থায়নের কাঠামো এবং বাস্তবায়নের সময়সূচি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশিত হয়নি। তাইওয়ানের অর্থনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ও তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। ফলে ঘোষণাটিকে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি ও বাণিজ্যসংক্রান্ত অগ্রগতি হিসেবে দেখা গেলেও চুক্তির সব দিক চূড়ান্ত হয়েছে বলে নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

প্রস্তাবিত আলাস্কা গ্যাস প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সেখান থেকে বছরে প্রায় দুই কোটি মেট্রিক টন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানির সক্ষমতা তৈরি হতে পারে। প্রকল্পটির লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রাকৃতিক গ্যাসকে এশিয়ার বাজারে পৌঁছে দেওয়া এবং জ্বালানি সরবরাহের নতুন পথ তৈরি করা। তাইওয়ানের জন্য এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, কারণ দ্বীপটির অর্থনীতি বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পকারখানা পরিচালনার জন্য আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল।

এর আগে তাইওয়ানের কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস কেনার পরিমাণ বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন। দেশটির লক্ষ্য আমদানির উৎস বৈচিত্র্যময় করা এবং দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি সরবরাহের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা। তবে প্রস্তাবিত প্রকল্প থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু করতে অবকাঠামো নির্মাণ, অর্থায়ন, পরিবেশগত অনুমোদন এবং দীর্ঘমেয়াদি ক্রয়চুক্তিসহ একাধিক বিষয় নিষ্পত্তি করতে হবে।

ট্রাম্পের ঘোষণাটি যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যনীতির সঙ্গেও সম্পর্কিত। ওয়াশিংটন বিভিন্ন বাণিজ্যিক অংশীদারের সঙ্গে আলোচনা করে মার্কিন পণ্য ও জ্বালানির রপ্তানি বাড়াতে আগ্রহী। তাইওয়ানের সঙ্গে সম্ভাব্য এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি রপ্তানি বাড়তে পারে এবং দুই পক্ষের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হতে পারে।

তবে প্রকল্পটির ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে বিনিয়োগের শর্ত, নির্মাণব্যয়, গ্যাসের বাজারদর এবং পরিবহনের খরচের ওপর। আলাস্কা থেকে এশিয়ায় জ্বালানি পরিবহনের ক্ষেত্রে দূরত্ব, আবহাওয়া এবং অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জও বিবেচনা করতে হবে। ফলে ঘোষণাটি তাৎপর্যপূর্ণ হলেও প্রকল্পের চূড়ান্ত সাফল্য এখনই নিশ্চিত বলা যায় না।

ট্রাম্পের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ানের জ্বালানি বাণিজ্যে সম্ভাব্য নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে বিনিয়োগ ও ক্রয়চুক্তির বিস্তারিত শর্ত প্রকাশ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ না আসা পর্যন্ত বিষয়টিকে ঘোষিত পরিকল্পনা হিসেবেই দেখা উচিত।

ট্যাগ: বাংলাদেশযুক্তরাষ্ট্রট্রাম্পতাইওয়ান

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সংবাদ পান আপনার ইনবক্সে

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।