সরাসরি মানচিত্র, পূর্বাভাস ও জরিপের গড়: PoliAgg (CC BY-SA 4.0)

পূর্ণ ফলাফল, মানচিত্র ও জরিপ
ব্রেকিং
ইউরোপে বিনা টিউশন ফিতে মাস্টার্স, মাসে মিলবে ১ লাখ ৯০ হাজার টাকার বেশি ভাতানিজের গাড়ি দুর্ঘটনায় চাপা, তবু অন্যদের উদ্ধারে ছুটলেন বিমানবন্দরের নিরাপত্তাকর্মীডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা, মৃত্যুর ঝুঁকি থাকলেও সিদ্ধান্তে অনড়জামায়াত আমিরের সাড়া মেলেনি, শিবিরকর্মীকে চাকরি দিলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমবড়দিনে হাজারো শিশুর মুখে হাসি ফোটাতে বিশেষ উদ্যোগ, আবেদন নেওয়া শুরু ক্যালিফোর্নিয়ায়

অবৈধভাবে থাকা মানুষদের ধরতে সাহায্য না করলেও রাজ্যগুলো সরকারি টাকা পাবে, আদালতের রায়

অভিবাসন আইন কার্যকরে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা না করলে রাজ্যগুলোকে সরকারি অনুদান বন্ধ করা যাবে না। ২২টি রাজ্যের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন আদালত।

অভিবাসন নিয়ে সরকারি অনুদানের শর্তে আদালতের রায়।
অভিবাসন নিয়ে সরকারি অনুদানের শর্তে আদালতের রায়।

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন আইন কার্যকরে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা করার শর্তে রাজ্যগুলোকে সরকারি অনুদান দেওয়ার নিয়ম বাতিল করেছেন একটি ফেডারেল আদালত। আদালতের এই রায়ের ফলে অভিবাসন বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে একমত না হলেও নির্দিষ্ট সরকারি অনুদান পাওয়ার ক্ষেত্রে রাজ্যগুলোর ওপর চাপ দেওয়া যাবে না।

বুধবার (৪ নভেম্বর) রোড আইল্যান্ডের ফেডারেল আদালতের প্রধান বিচারক জন ম্যাককনেল এ রায় দেন। নিউ জার্সির নেতৃত্বে ২২টি রাজ্য এবং ওয়াশিংটন ডিসি এই মামলায় অংশ নেয়। তারা আদালতে অভিযোগ করে, সরকারি অনুদান পাওয়ার জন্য অভিবাসন আইন কার্যকরে কেন্দ্রীয় সরকারের শর্ত মেনে নিতে বাধ্য করা আইনসম্মত নয়।

মামলাটির মূল বিষয় ছিল, কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যগুলোকে পুলিশ ও অপরাধ দমনের জন্য দেওয়া অর্থের সঙ্গে অভিবাসন আইন কার্যকরে সহযোগিতার শর্ত জুড়ে দিতে পারে কি না। বিচারক বলেন, কংগ্রেস যে নিয়মে এসব অনুদান দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে, তার বাইরে গিয়ে বিচার বিভাগ বা সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর নিজেদের মতো নতুন শর্ত যোগ করতে পারে না।

আদালত দুটি সরকারি অনুদান কর্মসূচির ক্ষেত্রে অভিবাসনসংক্রান্ত শর্ত বাতিল করেছেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এসব শর্ত কার্যকর করার ওপর স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। সরকারের দেওয়া এসব শর্তের মধ্যে ছিল, রাজ্যের হেফাজতে থাকা যেসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে থাকার সন্দেহ রয়েছে, তাদের বিষয়ে কেন্দ্রীয় অভিবাসন কর্মকর্তাদের প্রবেশের সুযোগ দিতে হবে। পাশাপাশি কোনো ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়ার আগে কেন্দ্রীয় সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানাতে হবে।

রাজ্যগুলোর দাবি ছিল, এ ধরনের শর্তের কারণে তাদের নিজেদের আইন ও নীতি অনুসরণ করা কঠিন হয়ে পড়ছে। সরকারি অনুদান পাওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের অভিবাসন নীতিতে সহযোগিতা করতে বাধ্য করা হচ্ছে।

মামলাটি প্রথম শুরু হয় ২০২৫ সালে। তখন অপরাধের শিকার ব্যক্তিদের সহায়তার জন্য দেওয়া ১৩০ কোটি ডলারের বেশি সরকারি অনুদানের সঙ্গে অভিবাসনসংক্রান্ত শর্ত জুড়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। পরে সরকার ওই কর্মসূচি থেকে শর্ত সরিয়ে নেয়। এরপর একই ধরনের শর্ত অন্য সরকারি অনুদান কর্মসূচিতে যুক্ত করা হলে রাজ্যগুলো আবার আদালতের দ্বারস্থ হয়।

এই রায়ের ফলে সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলো পুলিশ, অপরাধ দমন, মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা এবং শিশু-কিশোরদের বিচারসংক্রান্ত কিছু কর্মসূচির জন্য নির্ধারিত সরকারি অনুদান পাওয়ার ক্ষেত্রে নতুন সুবিধা পাবে। তবে আদালতের এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের সব সরকারি অনুদানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। এটি নির্দিষ্ট দুটি অনুদান কর্মসূচিতে অভিবাসনসংক্রান্ত শর্তের বিরুদ্ধে দেওয়া রায়।

ট্যাগ: যুক্তরাষ্ট্রঅভিবাসনমার্কিনখবরসরকারি অনুদান

প্রতিবেদক

Staff Reporter

Reporter

মন্তব্য ০

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সিএসবি নিউজ ইউএসএ ফলো করুন

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।