সরাসরি মানচিত্র, পূর্বাভাস ও জরিপের গড়: PoliAgg (CC BY-SA 4.0)

পূর্ণ ফলাফল, মানচিত্র ও জরিপ
ব্রেকিং
জামায়াত আমিরের সাড়া মেলেনি, শিবিরকর্মীকে চাকরি দিলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমবড়দিনে হাজারো শিশুর মুখে হাসি ফোটাতে বিশেষ উদ্যোগ, আবেদন নেওয়া শুরু ক্যালিফোর্নিয়ায়মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে, চাপে ট্রাম্প প্রশাসনরোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ, ঢাকায় গুরুত্বপূর্ণ বৈঠককলেজ অব হোম ইকোনমিক্সের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ, পদত্যাগ দাবি ছাত্রীদের

জামায়াত আমিরের সাড়া মেলেনি, শিবিরকর্মীকে চাকরি দিলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

জামায়াত আমিরের চিঠি, রাজনৈতিক বিতর্ক এবং স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে ঘিরে আলোচনায় নতুন মাত্রা।

জামায়াত আমিরের চিঠি, রাজনৈতিক বিতর্ক এবং স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম
জামায়াত আমিরের চিঠি, রাজনৈতিক বিতর্ক এবং স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম
দীর্ঘদিনের শারীরিক যন্ত্রণা, আর্থিক সংকট এবং কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তায় যখন দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন সাব্বির প্রামাণিক, তখন নতুন করে আশার আলো দেখিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিন্নতা পেরিয়ে তাঁর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। নতুন চাকরি পেয়ে স্বস্তি ফিরেছে সাব্বিরের পরিবারে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) প্রকাশিত কালের কণ্ঠের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাব্বির একসময় ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা ছিলেন। নিজের দুর্দশার কথা জানিয়ে তিনি জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের কাছেও চিঠি লিখেছিলেন। চাকরির জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ করেও প্রত্যাশিত সহযোগিতা পাননি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সাব্বিরের জীবনসংগ্রামের খবর প্রকাশিত হলে বিষয়টি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের নজরে আসে। এরপর তাঁর উদ্যোগে সাব্বিরের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়।

বর্তমানে সাব্বির একটি পুষ্টি চালের মিল, সিমেন্টের ইট তৈরির কারখানা এবং মাছের খামার দেখাশোনার পাশাপাশি হিসাব-নিকাশের দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁকে ম্যানেজার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি সম্মানজনক বেতনও পাচ্ছেন।

চাকরি পাওয়ার পর সাব্বির জানান, তিনি দীর্ঘদিন বিভিন্ন জায়গায় চাকরির জন্য চেষ্টা করেছেন। জামায়াতের নেতাদের কাছেও গিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর অভিযোগ, বারবার আশ্বাস দেওয়া হলেও চাকরির ব্যবস্থা হয়নি। শেষ পর্যন্ত প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম তাঁর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।

সাব্বিরের জীবনসংগ্রামের শুরু ২০১৩ সালের ৩১ জানুয়ারি। ওই দিন বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজ এলাকায় রাজনৈতিক সহিংসতার শিকার হন তিনি। একই ঘটনায় তাঁর সহকর্মী শিবির নেতা আবু রুহানী নিহত হন।

সাব্বিরের দাবি, হামলায় তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত লাগে। হৃদ্‌যন্ত্র, ফুসফুস ও কিডনিসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে অস্ত্রোপচার করতে হয়েছে। শরীরে দিতে হয়েছে ৬৪টি সেলাই। দীর্ঘ চিকিৎসার পরও পুরোপুরি সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি তিনি।

জীবিকার তাগিদে একসময় অটোরিকশা চালানোর চেষ্টা করেছিলেন সাব্বির। কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার কারণে সেই কাজও চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। একদিকে চিকিৎসার ব্যয়, অন্যদিকে পরিবারের ভরণপোষণ—সব মিলিয়ে কঠিন সময় পার করছিলেন তিনি।

এমন পরিস্থিতিতে নতুন চাকরি তাঁর পরিবারের জন্য বড় স্বস্তি নিয়ে এসেছে। দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে আবারও নিজের পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছেন সাব্বির।

ঘটনাটি রাজনৈতিক পরিচয়ের চেয়ে মানবিক সহায়তা ও কর্মসংস্থানের গুরুত্বকে সামনে এনেছে। একজন অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁকে কাজের সুযোগ করে দেওয়ার এই উদ্যোগ নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ট্যাগ: জামায়াতশিবিরমীর শাহে আলমচাকরিরাজনৈতিক সংবাদবাংলাদেশ রাজনীতিপ্রতিমন্ত্রীনিয়োগ বিতর্করাজনৈতিক আলোচনা

প্রতিবেদক

Saifur Rahman

Bangladesh Correspondent

মন্তব্য ০

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সিএসবি নিউজ ইউএসএ ফলো করুন

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।