সরাসরি মানচিত্র, পূর্বাভাস ও জরিপের গড়: PoliAgg (CC BY-SA 4.0)

পূর্ণ ফলাফল, মানচিত্র ও জরিপ
ব্রেকিং
নিজের গাড়ি দুর্ঘটনায় চাপা, তবু অন্যদের উদ্ধারে ছুটলেন বিমানবন্দরের নিরাপত্তাকর্মীডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা, মৃত্যুর ঝুঁকি থাকলেও সিদ্ধান্তে অনড়জামায়াত আমিরের সাড়া মেলেনি, শিবিরকর্মীকে চাকরি দিলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমবড়দিনে হাজারো শিশুর মুখে হাসি ফোটাতে বিশেষ উদ্যোগ, আবেদন নেওয়া শুরু ক্যালিফোর্নিয়ায়মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে, চাপে ট্রাম্প প্রশাসন

চাকরি হারালেই যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হতে পারে বিদেশি কর্মীদের, বাদ পড়তে পারে ৬০ দিনের সুযোগ

যুক্তরাষ্ট্রে এইচ-১বি ভিসায় কাজ করা বিদেশি কর্মীদের জন্য আসছে বড় পরিবর্তনের প্রস্তাব। চাকরি চলে গেলে নতুন কাজ খোঁজার জন্য সর্বোচ্চ ৬০ দিন থাকার সুযোগ তুলে দিতে চায় ট্রাম্প প্রশাসন।

চাকরি হারানোর পর নতুন কাজ খুঁজছেন বিদেশি কর্মীরা।
চাকরি হারানোর পর নতুন কাজ খুঁজছেন বিদেশি কর্মীরা।

যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করা বিদেশি কর্মীদের ভিসার নিয়মে বড় পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে দেশটির ট্রাম্প প্রশাসন। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, এইচ-১বি ভিসাসহ কয়েক ধরনের কর্মভিসায় থাকা ব্যক্তিদের চাকরি চলে গেলে নতুন কাজ খোঁজার জন্য সর্বোচ্চ ৬০ দিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সুযোগ তুলে দেওয়া হতে পারে। এতে বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের বিদেশি কর্মীরা সমস্যায় পড়তে পারেন।

গত ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রেজিস্টারে এ বিষয়ে প্রস্তাব প্রকাশ করে দেশটির স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ (DHS)। বর্তমানে নির্দিষ্ট কিছু কর্মভিসাধারীর চাকরি শেষ হলে তাঁরা সর্বোচ্চ ৬০ দিন অথবা তাঁদের অনুমোদিত থাকার মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে পারেন। তবে এই সুযোগ স্বয়ংক্রিয় নয়; পরিস্থিতি বিবেচনা করে কর্তৃপক্ষ এটি কমিয়ে দিতে বা বাতিল করতে পারে।

নতুন প্রস্তাবে এই সর্বোচ্চ ৬০ দিনের সুযোগ পুরোপুরি তুলে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এটি কার্যকর হলে চাকরি শেষ হওয়ার পর নতুন কাজ খোঁজার জন্য আগের মতো যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সুযোগ আর থাকবে না। অন্য কোনো বৈধ অনুমতি না থাকলে তাঁদের দ্রুত দেশ ছাড়তে হতে পারে।

এই পরিবর্তন শুধু এইচ-১বি ভিসার ক্ষেত্রে নয়। প্রস্তাবের আওতায় ই-১, ই-২, ই-৩, এইচ-১বি, এইচ-১বি১, এল-১, ও-১ এবং টিএন ভিসাধারীদের রাখার কথা বলা হয়েছে। এসব ভিসায় থাকা কর্মীদের পরিবারের নির্ভরশীল সদস্যরাও এর প্রভাবের মুখে পড়তে পারেন।

বর্তমান নিয়মে চাকরি হারানোর পর একজন বিদেশি কর্মী নতুন নিয়োগকর্তা খুঁজতে পারেন। নতুন নিয়োগকর্তা তাঁর জন্য প্রয়োজনীয় আবেদন জমা দিলে নিয়ম মেনে যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি হতে পারে। কিন্তু নতুন প্রস্তাব কার্যকর হলে চাকরি শেষ হওয়ার পর নতুন নিয়োগকর্তা খোঁজার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করা অনেক কঠিন হয়ে যাবে।

ট্রাম্প প্রশাসনের যুক্তি, কর্মসংস্থানের ভিত্তিতে দেওয়া ভিসার নিয়ম আরও কঠোর করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের কর্মীদের স্বার্থ রক্ষা করা প্রয়োজন। অন্যদিকে অভিবাসন আইনজীবী ও অধিকারকর্মীরা মনে করছেন, এই পরিবর্তন কার্যকর হলে চাকরি হারানো বিদেশি কর্মী এবং তাঁদের পরিবার বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে পড়বেন।

এ বিষয়ে সাধারণ মানুষের মতামত দেওয়ার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ নভেম্বর ২০২৬। এরপর পাওয়া মতামত পর্যালোচনা করে সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত এটি কেবল একটি প্রস্তাব। নিয়মটি চূড়ান্তভাবে কার্যকর হয়েছে—এমন নয়।

যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত বাংলাদেশি পেশাজীবীদের জন্যও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যাঁরা এইচ-১বি ভিসায় প্রযুক্তি, প্রকৌশল, চিকিৎসা ও অন্যান্য পেশায় কাজ করছেন, তাঁদের নতুন প্রস্তাবের বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। নিয়মটি চূড়ান্ত হলে চাকরি হারানোর পর যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সুযোগ এবং নতুন চাকরি খোঁজার সময়সীমায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে।

ট্যাগ: যুক্তরাষ্ট্রএইচ১বি ভিসাকর্মভিসাবিদেশি কর্মীঅভিবাসন

প্রতিবেদক

Staff Reporter

Reporter

মন্তব্য ০

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সিএসবি নিউজ ইউএসএ ফলো করুন

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।