ভোটের আগে বাড়ি বাড়ি ফেডারেল এজেন্ট, অভিবাসীদের মধ্যে উদ্বেগ নিউইয়র্কে
মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ভোটার জালিয়াতি তদন্তে ফেডারেল কর্মকর্তাদের তৎপরতা নিয়ে নিউইয়র্কে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অভিবাসীদের অধিকার ও নাগরিকত্ব যাচাইয়ের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।
২ মিনিটে পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে ভোটার জালিয়াতির তদন্তে ফেডারেল কর্মকর্তাদের তৎপরতা নিয়ে নিউইয়র্কে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ২৫ অক্টোবর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন এলাকায় ফেডারেল কর্মকর্তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাসিন্দাদের অভিবাসন অবস্থা ও ভোট দেওয়ার যোগ্যতা সম্পর্কে প্রশ্ন করার খবর পাওয়া গেছে।
এ নিয়ে নিউইয়র্কের অভিবাসী কমিউনিটির মধ্যে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
মার্কিন স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ জানিয়েছে, নির্বাচনী জালিয়াতির অভিযোগ তদন্তের অংশ হিসেবে তারা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। সংস্থাটির দাবি, নর্থ ক্যারোলাইনায় কয়েকজন গ্রিন কার্ডধারীসহ কিছু ব্যক্তিকে অতীতের নির্বাচনে নিজেদের মার্কিন নাগরিক পরিচয় দিয়ে ভোট দেওয়ার অভিযোগে আটক করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিচারিক নিষ্পত্তি এবং প্রত্যেক ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রমাণের অবস্থা আলাদাভাবে বিবেচনা করতে হবে।
নিউইয়র্কে অভিবাসী অধিকারকর্মীরা আশঙ্কা করছেন, নির্বাচনের আগে এ ধরনের তদন্তের খবর বৈধ ভোটারদের মধ্যেও ভয় তৈরি করতে পারে। তাঁদের বক্তব্য, নাগরিকত্ব ও ভোটার যোগ্যতা যাচাইয়ের নামে যেন বৈধ বাসিন্দা ও অভিবাসীদের হয়রানি করা না হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে সাধারণত ফেডারেল, অঙ্গরাজ্য ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মধ্যে দায়িত্ব ভাগ করা থাকে। ফেডারেল নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অধিকার মূলত মার্কিন নাগরিকদের। গ্রিন কার্ডধারীরা সাধারণত ফেডারেল নির্বাচনে ভোট দিতে পারেন না। তবে শুধু গ্রিন কার্ড থাকা কোনো ব্যক্তিকে ভোট জালিয়াতির জন্য দায়ী প্রমাণ করে না; নির্দিষ্ট ঘটনা ও প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ যাচাই করতে হয়।
বাংলাদেশি-আমেরিকানদের জন্যও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। নাগরিকত্ব, ভোটার নিবন্ধন এবং অভিবাসন-সংক্রান্ত কাগজপত্র নিয়ে প্রশ্ন থাকলে সরকারি নির্দেশনা যাচাই করা উচিত। কোনো কর্মকর্তা যোগাযোগ করলে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজন হলে যোগ্য আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া নিরাপদ পদক্ষেপ।
নির্বাচনী নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি বৈধ ভোটারদের অধিকার এবং অভিবাসী পরিবারের নিরাপত্তাও গুরুত্বপূর্ণ। তদন্তের প্রকৃত পরিধি, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এবং আদালতের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রকাশিত হলে বিষয়টির পূর্ণ চিত্র আরও পরিষ্কার হবে।






মন্তব্য ০
লগইন করুন অথবা বিনা মূল্যে অ্যাকাউন্ট খুলুন আলোচনায় যোগ দিতে। নাম গোপন রেখেও মন্তব্য করতে পারবেন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।