সরাসরি মানচিত্র, পূর্বাভাস ও জরিপের গড়: PoliAgg (CC BY-SA 4.0)

পূর্ণ ফলাফল, মানচিত্র ও জরিপ
ব্রেকিং
মেয়েকে নির্যাতনের সময় হাতেনাতে ধরে হামলাকারীকে মারলেন বাবা, অভিযোগ আনল না টেক্সাসের আদালতযুক্তরাষ্ট্রে বাড়ির মালিকদের বাড়তি খরচ বছরে ১৬ হাজার ডলার ছাড়াল, বাড়ছে বীমার চাপট্রাম্পের রসিকতায় হাসির ঝড়, জেসন অ্যালডিয়ানের স্ত্রীকে নিয়ে মন্তব্য ঘিরে তুমুল আলোচনাট্রাম্পের দাবি, অবসরের সঞ্চয় ৮০ শতাংশ বেড়েছে, ভোটের আগে হিসাব দেখতে বললেন ভোটারদেরমিনেসোটিয়ার অর্থ কেলেঙ্কারিতে ইলহান ওমরকে ঘিরে প্রশ্ন, সম্পদ বাজেয়াপ্তের দাবি

ইউক্রেনের যুদ্ধবিরতিতে পোপের ভূমিকা আড়াল করে কৃতিত্ব নেওয়ার অভিযোগ মেলানিয়ার বিরুদ্ধে

ইউক্রেনের ওলেশকি শহরে মানবিক যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ নিয়ে বিতর্ক, পুতিনকে পোপের আগাম ফোনের পর মেলানিয়ার কূটনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ইউক্রেনের যুদ্ধবিরতিতে পোপের ভূমিকা আড়াল করে কৃতিত্ব নেওয়ার অভিযোগ মেলানিয়ার বিরুদ্ধে
ইউক্রেনের যুদ্ধবিরতিতে পোপের ভূমিকা আড়াল করে কৃতিত্ব নেওয়ার অভিযোগ মেলানিয়ার বিরুদ্ধে

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ইউক্রেনের একটি শহরে মানবিক যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার কৃতিত্ব এককভাবে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সমালোচকদের বক্তব্য, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আগেই যোগাযোগ করে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছিলেন পোপ চতুর্দশ লিও। অথচ পরবর্তী সময়ে ওলেশকি শহরে যুদ্ধবিরতির সমঝোতা নিয়ে আলোচনায় মেলানিয়ার ভূমিকাই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। তবে ঘটনাটির পূর্ণ চিত্রে দুই পক্ষের উদ্যোগ ও কূটনৈতিক যোগাযোগের বিষয়টি বিবেচনা করা জরুরি।

ভ্যাটিকানের আনুষ্ঠানিক বিবৃতি অনুযায়ী, গত ১৬ অক্টোবর পোপ চতুর্দশ লিও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলের খেরসন এলাকার রুশ নিয়ন্ত্রণাধীন ওলেশকি শহরের ভয়াবহ মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। সেখানে খাদ্য ও চিকিৎসাসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া এবং বেসামরিক মানুষকে স্বেচ্ছায় ও নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করতে সাময়িক যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানান তিনি।
পোপের বক্তব্যের মূল লক্ষ্য ছিল যুদ্ধের রাজনৈতিক সমাধান নিয়ে আলোচনা করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন রক্ষা করা। দীর্ঘদিনের সংঘাতের কারণে ওলেশকির বাসিন্দারা খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, বিদ্যুৎ ও চিকিৎসাসেবার সংকটে পড়েছেন বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। শহরটিতে মানবিক সহায়তা পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ায় বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছিল।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের দপ্তরও ওই ফোনালাপের বিষয়ে বিবৃতি দেয়। ক্রেমলিন জানায়, পুতিন ভ্যাটিকানের এমন উদ্যোগকে সমর্থন করেছেন, যার মাধ্যমে শহরের বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জরুরি সরবরাহ পৌঁছে দেওয়ার পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব হবে। তবে রাশিয়ার বিবৃতিতে সরাসরি যুদ্ধবিরতির বিষয়ে পুতিনের সম্মতির কথা উল্লেখ করা হয়নি। এই পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ মানবিক সহায়তা নিয়ে সহযোগিতায় সম্মতি দেওয়া এবং নির্দিষ্ট শর্তে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা একই বিষয় নয়।
পোপের সঙ্গে পুতিনের যোগাযোগের কয়েক দিন পর, ১৯ অক্টোবর, পোপ ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গেও ফোনে কথা বলেন। ভ্যাটিকানের বিবৃতি অনুসারে, তিনি ওলেশকির মানবিক পরিস্থিতি তুলে ধরে দুই পক্ষকে সহযোগিতার আহ্বান জানান। খাদ্য ও চিকিৎসাসামগ্রী সরবরাহ এবং বেসামরিক মানুষের স্বেচ্ছায় নিরাপদে চলে যাওয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন বলে তিনি গুরুত্ব দেন।
এরপর ২৩ অক্টোবরের দিকে ওলেশকি শহরকে কেন্দ্র করে স্থানীয় যুদ্ধবিরতির সমঝোতার খবর প্রকাশ্যে আসে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মেলানিয়া ট্রাম্প এ উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ইউক্রেন ও রাশিয়ার পক্ষ থেকেও শহরটিতে মানবিক সহায়তা পৌঁছানো এবং বেসামরিক মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে যুদ্ধবিরতির পরিকল্পনার কথা জানানো হয়। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনেও মেলানিয়ার মধ্যস্থতার ভূমিকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

এই ঘোষণার পরই পোপের আগের উদ্যোগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। সমালোচকদের প্রশ্ন, পুতিনের সঙ্গে পোপের ১৬ অক্টোবরের ফোনালাপ এবং পরবর্তী সময়ে জেলেনস্কির সঙ্গে তাঁর যোগাযোগের গুরুত্ব যথাযথভাবে তুলে ধরা হচ্ছে কি না। বিশেষ করে, ভ্যাটিকান যখন জানিয়েছে যে পোপ নিজেই অবরুদ্ধ শহরটির মানুষের জন্য মানবিক সহায়তা ও নিরাপদে বেরিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা চেয়ে উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তখন পরবর্তী কূটনৈতিক সাফল্যের কৃতিত্ব কার—তা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
ভ্যাটিকানের পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রধান কর্মকর্তা কার্ডিনাল পিয়েত্রো পারোলিনও পোপের উদ্যোগের বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, অবরুদ্ধ শহরটির দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের পক্ষে কথা বলতে পোপ নিজেই উদ্যোগ নিয়েছিলেন। শহরটিতে প্রায় দুই হাজার বেসামরিক মানুষ মানবিক সহায়তা ও নিরাপদে বেরিয়ে যাওয়ার পথের অপেক্ষায় রয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। পারোলিন আশা প্রকাশ করেন, পোপের অনুরোধের পর পুতিন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সম্মত হবেন।

অন্যদিকে, মেলানিয়ার উপদেষ্টা মার্ক বেকম্যান তাঁর ভূমিকার পক্ষে বক্তব্য দিয়েছেন। সংবাদমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, মেলানিয়া এককভাবে যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ পরিচালনা করেছেন এবং আলোচনার পুরো প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যে এমন ইঙ্গিতও ছিল যে মেলানিয়ার উদ্যোগের পর পোপ এ বিষয়ে সমর্থন জানিয়েছেন। এই ব্যাখ্যা পোপের আগের ফোনালাপ ও ভ্যাটিকানের প্রকাশিত বিবৃতির সঙ্গে তুলনা করেই বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তবে মেলানিয়ার উপদেষ্টার বক্তব্যকে স্বাধীনভাবে প্রমাণিত সত্য হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।
এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার করা জরুরি। পোপের ফোনালাপের তারিখ ও যুদ্ধবিরতির আহ্বান ভ্যাটিকানের আনুষ্ঠানিক নথিতে নিশ্চিত করা হয়েছে। রাশিয়ার পক্ষ থেকেও পোপের সঙ্গে আলোচনার পর মানবিক সহায়তার উদ্যোগে সহযোগিতার কথা জানানো হয়েছে। আবার মেলানিয়ার মধ্যস্থতার ভূমিকাও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ফলে একজনের ভূমিকা স্বীকার করতে গিয়ে অন্যজনের ভূমিকা পুরোপুরি অস্বীকার করার মতো পর্যাপ্ত তথ্য এখনো নেই। বরং কে কখন উদ্যোগ নিয়েছেন, কোন পর্যায়ে কার সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে এবং চূড়ান্ত সমঝোতায় কার কী অবদান ছিল—এসব আলাদা করে দেখা প্রয়োজন।

ওলেশকি শহরের পরিস্থিতি এই বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে। শহরটি ইউক্রেনের খেরসন অঞ্চলে, নিপ্রো নদীর তীরবর্তী এলাকায় অবস্থিত। ২০২২ সালে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরুর সময় শহরটি রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। যুদ্ধের কারণে শহরটির অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দীর্ঘদিন ধরে সেখানে জরুরি সেবার ঘাটতি তৈরি হয়েছে। ২০২৩ সালে কাখোভকা বাঁধ ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যাও আশপাশের এলাকার মানুষের দুর্ভোগ বাড়িয়েছিল।
সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শহরটির বাসিন্দাদের জন্য খাদ্য ও চিকিৎসাসামগ্রীর সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি হয়ে পড়েছে। কিছু প্রতিবেদনে বিদ্যুৎ, তাপ ও পানির সংকটের কথাও বলা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতির উদ্দেশ্য কেবল সামরিক সংঘর্ষ সাময়িকভাবে থামানো নয়; বরং ত্রাণবাহী যান চলাচলের নিরাপদ পথ তৈরি করা এবং যারা শহর ছাড়তে চান, তাঁদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া।
প্রকাশিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, মানবিক অভিযান কয়েকটি ধাপে পরিচালনার কথা রয়েছে। প্রথমে ত্রাণ পৌঁছানোর পথের মাইন ও অন্যান্য বিপদ সম্পর্কে নিরাপত্তা যাচাই করা হবে। এরপর খাদ্য, ওষুধ ও পরিচ্ছন্নতার সামগ্রী পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হবে। সবশেষে, যারা শহর ছেড়ে যেতে চান, তাঁদের সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে অভিযান কীভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে, নিরাপদ পথের নিশ্চয়তা কীভাবে কার্যকর করা হবে এবং মানুষকে কোথায় নেওয়া হবে—এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়।
প্রতিবেদনগুলোতে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের সম্ভাব্য তারিখ নিয়েও সামান্য পার্থক্য দেখা গেছে। কিছু ঘোষণায় ২৭ অক্টোবরের কথা বলা হয়েছে, আবার হোয়াইট হাউসের প্রাথমিক ঘোষণার সঙ্গে সম্পর্কিত প্রতিবেদনে ২৯ অক্টোবরের তারিখও এসেছে। ফলে বাস্তবে কখন থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে, কত দিন তা বহাল থাকবে এবং দুই পক্ষ কতটা কঠোরভাবে তা মেনে চলবে—এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সর্বশেষ আনুষ্ঠানিক ঘোষণা গুরুত্বপূর্ণ।
এই সমঝোতাকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সামগ্রিক অবসান হিসেবে দেখারও সুযোগ নেই। এটি একটি নির্দিষ্ট শহরকে ঘিরে মানবিক সহায়তা ও বেসামরিক মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য স্থানীয় যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ। দুই দেশের মধ্যে ভূখণ্ড, নিরাপত্তা ও যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিরোধ এখনো রয়েছে। বৃহত্তর শান্তিচুক্তির জন্য রাজনৈতিক আলোচনা, নিরাপত্তার নিশ্চয়তা এবং সংঘাতের মূল কারণগুলো নিয়ে সমঝোতা প্রয়োজন হবে।
মেলানিয়ার ভূমিকা নিয়ে বিতর্কের আরেকটি দিক হলো, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের স্ত্রী হিসেবে তাঁর সরাসরি রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষমতা নেই, কিন্তু ব্যক্তিগত যোগাযোগ ও মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি কূটনৈতিক আলোচনায় প্রভাব ফেলতে পারেন। তাঁর উপদেষ্টার বক্তব্য এবং বিভিন্ন পক্ষের বিবরণ অনুযায়ী, তিনি রাশিয়া ও ইউক্রেনের নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তবে আলোচনার প্রতিটি ধাপের পূর্ণ বিবরণ প্রকাশ্যে না আসা পর্যন্ত তাঁর ভূমিকার পরিমাণ নির্ভুলভাবে নির্ধারণ করা কঠিন। একইভাবে, পোপের উদ্যোগকে শুধু আনুষ্ঠানিক সমর্থন হিসেবে দেখাও ভ্যাটিকানের প্রকাশিত বিবৃতির সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না।

পোপ চতুর্দশ লিওর জন্য এই উদ্যোগটি তাঁর শান্তি ও মানবিক সহায়তাবিষয়ক অবস্থানের সঙ্গেও সম্পর্কিত। তিনি সংঘাতের মধ্যে সাধারণ মানুষের দুর্দশাকে সামনে রেখে খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যে রাজনৈতিক পক্ষগুলোর প্রতি সংলাপ ও শান্তির পথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বানও ছিল। যুদ্ধক্ষেত্রে আটকে পড়া মানুষকে রক্ষা করার প্রশ্নে ধর্মীয় নেতৃত্বের এমন কূটনৈতিক তৎপরতা আন্তর্জাতিক মহলে গুরুত্ব পেয়েছে।
সব মিলিয়ে, ওলেশকি শহরের যুদ্ধবিরতি নিয়ে মেলানিয়া ট্রাম্প ও পোপ চতুর্দশ লিওর ভূমিকা ঘিরে বিতর্কের ভিত্তি রয়েছে, তবে ঘটনাটিকে এক ব্যক্তির কৃতিত্ব বনাম অন্য ব্যক্তির কৃতিত্ব হিসেবে সরলভাবে উপস্থাপন করলে বাস্তব চিত্র অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। পোপ ১৬ অক্টোবর পুতিনকে ফোন করে মানবিক যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছিলেন এটি ভ্যাটিকানের নথিতে নিশ্চিত। পরবর্তী সময়ে মেলানিয়ার মধ্যস্থতার ভূমিকার কথাও প্রকাশিত হয়েছে। এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ঘোষিত সমঝোতা বাস্তবে কার্যকর হয় কি না, ত্রাণ অসহায় মানুষের কাছে পৌঁছায় কি না এবং বেসামরিক নাগরিকেরা নিরাপদে শহর ছাড়তে পারেন কি না।


ট্যাগ: মেলানিয়া ট্রাম্পপোপ চতুর্দশ লিওভ্লাদিমির পুতিনইউক্রেন যুদ্ধওলেশকি শহরযুদ্ধবিরতিমানবিক সহায়তাভ্যাটিকানরাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতআন্তর্জাতিক কূটনীতি

প্রতিবেদক

Desk Report

Reporter

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সিএসবি নিউজ ইউএসএ ফলো করুন

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।