সরাসরি মানচিত্র, পূর্বাভাস ও জরিপের গড়: PoliAgg (CC BY-SA 4.0)

পূর্ণ ফলাফল, মানচিত্র ও জরিপ
ব্রেকিং
ট্রাম্পের রসিকতায় হাসির ঝড়, জেসন অ্যালডিয়ানের স্ত্রীকে নিয়ে মন্তব্য ঘিরে তুমুল আলোচনাট্রাম্পের দাবি, অবসরের সঞ্চয় ৮০ শতাংশ বেড়েছে, ভোটের আগে হিসাব দেখতে বললেন ভোটারদেরমিনেসোটিয়ার অর্থ কেলেঙ্কারিতে ইলহান ওমরকে ঘিরে প্রশ্ন, সম্পদ বাজেয়াপ্তের দাবিইউক্রেনের যুদ্ধবিরতিতে পোপের ভূমিকা আড়াল করে কৃতিত্ব নেওয়ার অভিযোগ মেলানিয়ার বিরুদ্ধেবাহামার বদলে কানাডায় পাঁচ হাজার পর্যটক, ঝড়ের কারণে বদলে গেল প্রমোদতরির গন্তব্য

ইরানে আগামীকালই হামলা হতে পারে, নতুবা বড় চুক্তি: ট্রাম্পের নতুন হুঁশিয়ারি

ইরানের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধে স্থায়ী সমাধান চান ট্রাম্প। আগামীকালই নতুন হামলার সম্ভাবনা জানিয়ে তেহরানকে চুক্তির সুযোগও দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

ইরানে আগামীকালই হামলা হতে পারে, নতুবা বড় চুক্তি: ট্রাম্পের নতুন হুঁশিয়ারি
ইরানে আগামীকালই হামলা হতে পারে, নতুবা বড় চুক্তি: ট্রাম্পের নতুন হুঁশিয়ারি

ইরানকে ঘিরে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা বাড়িয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার, ২৪ অক্টোবর, সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে আগামীকালই ইরানে হামলা চালাতে পারে। তবে সামরিক পদক্ষেপের পরিবর্তে তেহরানের সঙ্গে বড় ধরনের চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনাও খোলা রয়েছে। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটন শুধু সাময়িক সমঝোতা নয়, দীর্ঘস্থায়ী সমাধান চায়। তবে ট্রাম্পের বক্তব্যকে চূড়ান্ত হামলার ঘোষণা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তিনি হামলার সম্ভাবনা উল্লেখ করলেও নির্দিষ্ট সময়ে সামরিক অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করেননি।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্ভাব্য হামলা কতটা এগিয়েছে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, তিনি কি সত্যিই হামলার সময় জানিয়ে দেবেন? এরপর তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র হামলার কথা ভাবছে এবং তা আগামীকালও হতে পারে। একই সঙ্গে তিনি জানান, ইরানের সঙ্গে একটি বড় ও সুন্দর চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ফলে তাঁর বক্তব্যে সামরিক চাপ ও কূটনৈতিক সমঝোতা—দুই পথই সামনে এসেছে। খবরটি প্রকাশ করেছে তুরস্কভিত্তিক আনাদোলু সংবাদ সংস্থা এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।

ট্রাম্পের বক্তব্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, তিনি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে স্থায়ী সমাধানের ওপর জোর দিয়েছেন। তাঁর যুক্তি, যুক্তরাষ্ট্র সামরিক অভিযান চালিয়ে ইরানের পরমাণু স্থাপনায় আঘাত হানার পর যদি অভিযান বন্ধ করে দেয়, তাহলে দেশটি কয়েক বছর পর আবারও নিজেদের সক্ষমতা গড়ে তুলতে পারে। সেই আশঙ্কা থেকেই তিনি দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা চান বলে দাবি করেছেন। তবে ইরানের পরমাণু সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে কি না, কিংবা দেশটি কত সময়ে আবার সেই সক্ষমতা অর্জন করতে পারে, তা নিয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো জরুরি।

ট্রাম্প বলেন, ইরানের নেতারা চুক্তি করতে চান বলে তাঁর ধারণা। কিন্তু চুক্তি হলে তাঁরা সেটি মেনে চলবেন কি না, তা নিয়ে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন। তাঁর বক্তব্যে বোঝা যায়, শুধু আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় পৌঁছানোই যথেষ্ট নয়; চুক্তির শর্ত দীর্ঘ সময় ধরে কার্যকর থাকবে কি না, সেটিও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। তবে ইরানের নেতৃত্বের পক্ষ থেকে শনিবারের ওই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া এবং নতুন চুক্তি নিয়ে তাদের আনুষ্ঠানিক অবস্থান যাচাই না করে তেহরান চুক্তিতে সম্মত হয়েছে বলে দাবি করা যাবে না।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বিরোধের কেন্দ্রে রয়েছে পরমাণু কর্মসূচি, নিষেধাজ্ঞা, সামরিক নিরাপত্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচল। গত কয়েক বছরে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা একাধিকবার সামরিক সংঘাতে রূপ নিয়েছে। ২০২৫ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্রের বি-টু বোমারু বিমান ব্যবহার করে ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছিল। ট্রাম্প প্রশাসন তখন ওই হামলাকে ইরানের পরমাণু সক্ষমতা ধ্বংস করার বড় পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরেছিল। কিন্তু সামরিক হামলা একটি দেশের পরমাণু কর্মসূচিকে কতটা দীর্ঘমেয়াদে অকার্যকর করতে পারে, তা নির্ভর করে স্থাপনাগুলোর ক্ষয়ক্ষতি, প্রযুক্তি, উপকরণ, বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ পুনর্গঠনের ওপর।

২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু করে। এর পর সংঘাত আরও বিস্তৃত হয় এবং মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের ২৩ অক্টোবর প্রকাশিত হালনাগাদ বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি ও জুন মাসের সমঝোতার উদ্যোগ সত্ত্বেও দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ পুরোপুরি মেটেনি। ইরানের পরমাণু কর্মসূচি, হরমুজ প্রণালি এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা নিয়ে মতপার্থক্য এখনো স্থায়ী সমাধানের পথে বড় বাধা হয়ে রয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের নতুন বক্তব্যকে শুধু একটি সম্ভাব্য হামলার হুঁশিয়ারি হিসেবে দেখলে পুরো পরিস্থিতি বোঝা যাবে না। এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে যুদ্ধের ভবিষ্যৎ, আলোচনার শর্ত এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক লক্ষ্য অর্জনের প্রশ্ন। ট্রাম্প একদিকে সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা সামনে রেখেছেন, অন্যদিকে আলোচনার দরজাও বন্ধ করেননি। তবে তাঁর বক্তব্যের পরপরই হামলা হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। একইভাবে চুক্তি হবে বলেও নিশ্চিত হওয়ার মতো তথ্য এখনো প্রকাশ্যে নেই।

হরমুজ প্রণালি কেন গুরুত্বপূর্ণ

ইরানকে ঘিরে উত্তেজনার আরেকটি বড় কারণ হরমুজ প্রণালি। পারস্য উপসাগর থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল পরিবহনের জন্য এই সমুদ্রপথ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের বিপুল পরিমাণ জ্বালানি এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। ফলে এখানে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম, পরিবহন ব্যয়, বীমা খরচ এবং বিভিন্ন দেশের অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হতে পারে।

২৪ অক্টোবরের প্রতিবেদনে ট্রাম্প দাবি করেন, যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন বেড়েছে। তবে তিনি এ বক্তব্যের পক্ষে নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান দেননি। তাই তাঁর দাবিকে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য হিসেবে উপস্থাপন করা ঠিক হবে না। সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচলের প্রকৃত অবস্থা জানতে জাহাজ চলাচলের তথ্য, বন্দর কর্তৃপক্ষের হিসাব এবং জ্বালানি পরিবহন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থার পরিসংখ্যান প্রয়োজন।

এদিকে ইরানের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করা হয়নি বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হওয়া অন্তর্বর্তী সমঝোতার আওতায় ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা পুনরায় শুরু করার বিষয়ে ইরানের আগ্রহের কথা দেশটির একজন কূটনীতিক জানিয়েছেন। একই প্রতিবেদনে হরমুজ প্রণালি এবং ইরানের বন্দর অবরোধ নিয়ে দুই পক্ষের মতপার্থক্যের কথাও উঠে এসেছে। অর্থাৎ আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও শর্ত নিয়ে বিরোধ এখনো গুরুত্বপূর্ণ বাধা।

চুক্তি হলে কী কী প্রশ্ন সামনে আসবে

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোনো সমঝোতা হলে তার কার্যকারিতা নির্ভর করবে চুক্তির শর্তের ওপর। ইরানকে পরমাণু কর্মসূচি কতটা সীমিত করতে হবে, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কোন পর্যায়ে রাখা যাবে, আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের প্রবেশাধিকার কেমন হবে এবং নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার বিনিময়ে কী নিশ্চয়তা দিতে হবে—এসব বিষয় আলোচনার কেন্দ্রে থাকতে পারে। তবে দুই পক্ষের মধ্যে নতুন কোনো চুক্তির শর্ত চূড়ান্ত হয়েছে, এমন তথ্য এখনো নিশ্চিত নয়।

পরমাণু কর্মসূচি যাচাইয়ের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। সংস্থাটির পরিদর্শন, পর্যবেক্ষণ এবং যাচাইয়ের মাধ্যমে কোনো দেশের ঘোষিত পরমাণু কার্যক্রম সম্পর্কে মূল্যায়ন করা সম্ভব। কিন্তু যুদ্ধের কারণে স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা পরিদর্শনের সুযোগ সীমিত হলে পরিস্থিতি নিরূপণ কঠিন হয়ে পড়ে। তাই সামরিক হামলার দাবি এবং বাস্তবে পরমাণু সক্ষমতার অবস্থা এক বিষয় নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় প্রশ্ন হলো, সামরিক অভিযান চালিয়ে দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব কি না। অন্যদিকে ইরানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হবে, পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে সমঝোতার বিনিময়ে কী ধরনের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সুবিধা পাওয়া যাবে। নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকলে ইরানের অর্থনীতি চাপের মধ্যে থাকবে। আবার চুক্তি হলেও তা বাস্তবায়ন নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে অবিশ্বাস থাকলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হতে পারে।

যুদ্ধের প্রভাব ছড়াতে পারে পুরো অঞ্চলে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে বড় ধরনের সামরিক সংঘাত শুরু হলে তার প্রভাব শুধু দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার আশঙ্কা নেই। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, মিত্রদেশগুলোর নিরাপত্তা, জ্বালানি পরিবহন এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য—সবকিছুই প্রভাবিত হতে পারে। ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, পাল্টা হামলা কিংবা সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি হলে বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হলে তেলের দাম বাড়তে পারে। এর প্রভাব পড়তে পারে পরিবহন, খাদ্য উৎপাদন, বিদ্যুৎ এবং পণ্য পরিবহনের ব্যয়ে। বিশেষ করে জ্বালানি আমদানিনির্ভর দেশগুলো আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির চাপ অনুভব করতে পারে। তবে সম্ভাব্য হামলার কারণে তেলের দাম কতটা বাড়বে, তা আগে থেকে নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। প্রকৃত প্রভাব নির্ভর করবে সংঘাতের মাত্রা, জাহাজ চলাচলের অবস্থা এবং সরবরাহ কতটা ব্যাহত হচ্ছে তার ওপর।

কাতারসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্যও পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ। এই অঞ্চলের দেশগুলো আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার, সামুদ্রিক পরিবহন ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। সংঘাত বাড়লে কূটনৈতিক তৎপরতা, নিরাপত্তা প্রস্তুতি এবং বাণিজ্যিক পরিবহনের ওপর চাপ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে মধ্যস্থতার মাধ্যমে উত্তেজনা কমানোর প্রচেষ্টাও বাড়তে পারে।

সব মিলিয়ে, ট্রাম্পের ২৪ অক্টোবরের বক্তব্যে ইরানের সামনে দুটি সম্ভাব্য পথ তুলে ধরা হয়েছে—সামরিক সংঘাতের ঝুঁকি অথবা আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতা। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। ইরানের পক্ষ থেকে নতুন চুক্তির বিষয়ে কী অবস্থান নেওয়া হয়, পাকিস্তান ও অন্যান্য মধ্যস্থতাকারী কতটা অগ্রগতি আনতে পারেন এবং হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকে নজর থাকবে আন্তর্জাতিক মহলের।


ট্যাগ: ডোনাল্ড ট্রাম্পযুক্তরাষ্ট্রইরানইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতপরমাণু কর্মসূচিসম্ভাব্য হামলামধ্যপ্রাচ্য সংকটহরমুজ প্রণালিআন্তর্জাতিক রাজনীতিকূটনৈতিক আলোচনাযুদ্ধবিরতিজ্বালানি বাজার

প্রতিবেদক

Desk Report

Reporter

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সিএসবি নিউজ ইউএসএ ফলো করুন

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।