রাতভর ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে কাঁপল ইউক্রেন, নিহত ৪জন আহত বহু মানুষ
শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হলেও ইউক্রেনে আবারও বড় আকারের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। আবাসিক ভবন ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।
রাশিয়ার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনে অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন এবং কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর প্রকাশিত অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাতভর চালানো হামলায় রাজধানী কিয়েভসহ দেশটির ১২টি অঞ্চলে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে আবাসিক ভবন, জ্বালানি স্থাপনা, রেলস্টেশন, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও গণপরিবহন অবকাঠামো রয়েছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, কিয়েভে কয়েক দফায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। হামলায় শহরের বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় খারকিভ অঞ্চলের লোজোভা শহরের একটি বাজারেও হামলার খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সেখানে দুই নারী নিহত হয়েছেন এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন। বিভিন্ন স্থানে উদ্ধার ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কাজ চলছিল।
ইউক্রেনের কর্তৃপক্ষের দাবি, রাশিয়া দেশটির বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামোতে ধারাবাহিকভাবে হামলা চালাচ্ছে। শীত সামনে থাকায় বিদ্যুৎ, তাপ ও পানির সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। জেলেনস্কি পশ্চিমা মিত্রদের কাছে আরও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র চেয়েছেন, যাতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত ঠেকানো যায়।
অন্যদিকে, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, রাতভর ইউক্রেনের ছোড়া ৮০৮টি ড্রোন প্রতিহত করা হয়েছে। মস্কোর মেয়রও রাজধানীর দিকে আসা বহু ড্রোনের কথা জানিয়েছেন। এসব দাবির সব বিবরণ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। রাশিয়ার পক্ষ থেকে ইউক্রেনের বিভিন্ন সামরিক ও ড্রোন-সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় হামলার কথাও বলা হয়েছে।





