বাংলাদেশে শেখ হাসিনাকে সমর্থনের অভিযোগে শিক্ষাবিদদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, রাজনৈতিক প্রতিশোধ অধিকার লঙ্ঘন করবে: হিউম্যান রাইটস ওয়াচ
বাংলাদেশের ২০টিরও বেশি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে বরখাস্ত, বহিষ্কার ও বিভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। সংস্থাটির অভিযোগ, যথাযথ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে এসব ব্যবস্থা নেওয়া হলে তা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, শিক্ষার অধিকার এবং মানবাধিকারের লঙ্ঘন হতে পারে। অতীতের রাজনৈতিক দমন-পীড়নের পুনরাবৃত্তি না করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি। বিস্তারিত থাকছে প্রতিবেদনে।
বাংলাদেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে কথিত সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে কয়েক ডজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে নির্বিচারে শাস্তির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)।
সংস্থাটি বলেছে, শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক বিশ্বাসের কারণে কাউকে শাস্তি দেওয়া কিংবা যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত না করে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে তা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনে সুরক্ষিত মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সংগঠিত হওয়ার অধিকারের লঙ্ঘন হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে রাজনৈতিক মতামত ও মতপ্রকাশ নিয়ন্ত্রণে অতীতের সরকারগুলোর দমনমূলক প্রচেষ্টার পুনরাবৃত্তি ঘটবে।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া বিভাগের উপপরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলি বলেন, “বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে রাজনৈতিক বিতর্কের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। এ ধরনের আলোচনা নিয়ে ভয় পাওয়ার কথা কেবল স্বৈরাচারীদের, ছাত্র আন্দোলনের পর গঠিত কোনো সরকারের নয়। ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দল পালাবদল করলেই অতীতের দমন-পীড়নের পুনরাবৃত্তি না করে বাংলাদেশকে সেই অধ্যায় পেছনে ফেলে এগিয়ে যেতে হবে।”
শিক্ষকদের বিরুদ্ধে নেওয়া ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে চাকরিচ্যুতি, সাময়িক বরখাস্ত এবং পাঠদান কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা। এসব ব্যবস্থার পেছনে অভিযোগ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে—হাসিনা সরকারের আমলে সংঘটিত সহিংসতায় তাঁদের সম্পৃক্ততা, আওয়ামী লীগের পক্ষে অন্যান্য কথিত ‘ধ্বংসাত্মক’ কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ এবং ইসলামি পোশাক পরা শিক্ষার্থীদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের সদস্য ও সমর্থক বলে অভিযোগ থাকা শত শত শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যার ফলে তাঁদের শিক্ষার অধিকার ক্ষুণ্ন হচ্ছে।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে, সংস্থাটি ক্ষতিগ্রস্ত এক ডজনের বেশি শিক্ষকের সাক্ষাৎকার নিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের চিঠিপত্র পরীক্ষা করেছে এবং একটি টেলিভিশন আলোচনা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিও পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ করেছে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকারে বহিষ্কার, পরীক্ষার সনদ বাতিল এবং ক্যাম্পাসে প্রবেশে বাধা দেওয়ার বিষয়টিও উঠে এসেছে।
২০২৬ সালের আগস্টে প্রকাশিত গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামী লীগপন্থী টেলিগ্রাম মেসেজিং গ্রুপের সদস্য অন্তত আরও ৪০৪ জন শিক্ষাবিদকে তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।
নিরাপত্তার কারণে পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপক বলেন, “বর্তমানে যা ঘটছে, তা হলো বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনকে সমর্থন করেননি—এমন শিক্ষকদের মিথ্যা অভিযোগে লক্ষ্যবস্তু করছে। আমাদের ক্লাস নিতে দেওয়া হচ্ছে না, গবেষণার কাজ করতে পারছি না, আমরা কিছুই করতে পারছি না।”
২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টে ছাত্র আন্দোলনের সময় পুলিশের কঠোর দমন-পীড়নে শত শত মানুষ নিহত হন। ওই আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আবার ক্ষমতায় ফিরে আসে। এর আগে ২০২৫ সালের মে মাসে অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দলীয় প্রভাবের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়ে আসছে। ক্ষমতাসীন দলের ঘনিষ্ঠ শিক্ষাবিদদের নিয়োগ ও পদোন্নতি দেওয়া এবং অন্য রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত কর্তৃপক্ষ ৪৪ জন শিক্ষককে তাঁদের সব ধরনের কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয় এবং আরও ২৫ জনের পাঠদান কার্যক্রম সীমিত করে। স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য কোনো শৃঙ্খলামূলক তদন্ত ছাড়াই এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পরবর্তীতে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ছয়জন শিক্ষককে আনুষ্ঠানিকভাবে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। আরও ১৪ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে একই ধরনের তদন্ত শুরু হয়েছে।
ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্তৃপক্ষ একটি ‘তদন্ত কমিশন’ গঠনের পর ১২ জন শিক্ষাবিদকে চাকরিচ্যুত, সাময়িক বরখাস্ত অথবা পদ থেকে সরিয়ে দেয়। আরও ৩৪ জনের পদাবনতি করা হয় কিংবা তাঁদের কার্যক্রম সীমিত করা হয়। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনসম্মত শৃঙ্খলামূলক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়নি।
অন্যদিকে, ঢাকার শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে তদন্ত প্রক্রিয়ার পর ১২ জন শিক্ষাবিদকে সাময়িক বরখাস্ত এবং আরও ১০ জনকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষকদের অভিযোগ, তাঁদের ওই তদন্ত প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়নি, যা শিক্ষকদের শৃঙ্খলা-সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘনের শামিল হতে পারে। এ ছাড়া আরও ৮৫ জন শিক্ষককে পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সব মিলিয়ে ২০টিরও বেশি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এ ধরনের ব্যবস্থার আওতায় এসেছে।
২০২৫ সালের মার্চে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটি তথ্য-অনুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ১২৬ জন শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করে এবং তাঁদের পরীক্ষার সনদ আটকে রাখে। কমিটির দাবি ছিল, ছবি, ভিডিও অথবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য-প্রমাণে ওই শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে।
এ ছাড়া আরও ২৭৭ জন আওয়ামী লীগপন্থী শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে মামলা দায়েরের অভিযোগ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যবস্থা না নিলেও শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা নিশ্চিত করেছেন, গ্রেপ্তারের আশঙ্কায় তাঁরা ক্যাম্পাসে আসা বন্ধ রেখেছেন। তালিকাভুক্ত অনেক শিক্ষার্থী সহিংসতায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো আনুষ্ঠানিক সুযোগ তৈরি করেনি।
ব্যবস্থার শিকার শিক্ষাবিদদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মশিউর রহমান। ২০১৭ সাল থেকে তিনি অন্য একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে প্রেষণে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ২০২৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর তাঁকে সব ধরনের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের মধ্যে রয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে একটি টেলিভিশন আলোচনায় তিনি আন্দোলনকে ‘অবৈধ, ভিত্তিহীন ও অযৌক্তিক’ আখ্যা দিয়ে সরাসরি বিরোধিতা করেছিলেন। তবে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের পর্যালোচনা করা ওই সম্প্রচারের ভিডিওতে এ ধরনের কোনো মন্তব্য দেখা যায়নি।
আরেকটি অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে তিনি ‘গণহত্যায় উসকানি’ দিয়েছিলেন। তবে ওই সভাটি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং সব উপাচার্যের সেখানে উপস্থিত থাকার কথা ছিল। অধ্যাপক মশিউর রহমান হিউম্যান রাইটস ওয়াচকে জানিয়েছেন, এ ধরনের বক্তব্য দেওয়ার কোনো প্রমাণ তাঁকে দেখানো হয়নি এবং তিনি অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন। ২০২৬ সালের ৩১ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে স্থায়ীভাবে সাময়িক বরখাস্ত করার সুপারিশ করে। বর্তমানে তিনি ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করছেন।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অভিযোগের মূল ভিত্তি হলো ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট, শেখ হাসিনার দেশত্যাগের এক দিন আগে, আওয়ামী লীগপন্থী একটি মিছিলে তাঁদের অংশগ্রহণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের গঠিত তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে ওই মিছিলকে ‘সন্ত্রাসী’ মিছিল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ফেসবুকে একটি ভিডিও প্রকাশ করে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ভিডিওটি বিশ্লেষণ করে জানিয়েছে, এতে ক্যাম্পাসে একটি দলকে স্লোগান দিতে দিতে হেঁটে যেতে দেখা যায়। তবে ভিডিওতে সরাসরি কোনো সংঘর্ষের দৃশ্য দেখা যায়নি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক পূর্বা ইসলামকে ২০২৫ সালের ৪ আগস্ট ওই মিছিলে স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়, তিনি ‘ফ্যাসিস্ট ও স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার নিপীড়ন, নির্যাতন ও গণহত্যার প্রতি সমর্থন’ জানিয়েছেন। তবে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের পর্যালোচনা করা ভিডিওতে তাঁকে স্লোগান দিতে দেখা যায়নি।
একই বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানিমেল ব্রিডিং অ্যান্ড জেনেটিকস বিভাগের অধ্যাপক ইয়াহিয়া খন্দকারকেও ২০২৫ সালের ৪ আগস্ট সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি ‘বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শেখ হাসিনার গণহত্যার পক্ষে সুস্পষ্ট অবস্থান’ বজায় রেখেছিলেন। তবে অধ্যাপক ইয়াহিয়া খন্দকার বলেছেন, আন্দোলনের পুরো সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে নয়, ঢাকায় পরিবারের সঙ্গে ছিলেন। হাইকোর্ট তাঁর সাময়িক বরখাস্তের আদেশ স্থগিত করেছেন। তবে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করছে।
এদিকে, মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তিনজন শিক্ষাবিদকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে, যাঁদের মধ্যে দুজন কারাগারে রয়েছেন। আরও একজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়েছে এবং তাঁর বিচার অপেক্ষমাণ রয়েছে।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া বিভাগের উপপরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলি বলেন, “যাঁরা পূর্ববর্তী সরকারকে শান্তিপূর্ণভাবে সমর্থন করেছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হলে তা প্রমাণ করবে যে মতপ্রকাশ ও সমাবেশের স্বাধীনতা সুরক্ষিত নয়। বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া উচিত এমন স্থান, যেখানে মানুষ স্বাধীনভাবে নিজেদের মতামত প্রকাশ করতে পারবেন; এমন কোনো স্থান নয়, যেখানে তৎকালীন সরকারের প্রতি সমর্থন বাধ্যতামূলক করা হয়।”
সূত্র: Human Rights Watch
International Desk | CSB NEWS USA






মন্তব্য ০
লগইন করুন অথবা বিনা মূল্যে অ্যাকাউন্ট খুলুন আলোচনায় যোগ দিতে। নাম গোপন রেখেও মন্তব্য করতে পারবেন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।