সরাসরি মানচিত্র, পূর্বাভাস ও জরিপের গড়: PoliAgg (CC BY-SA 4.0)

পূর্ণ ফলাফল, মানচিত্র ও জরিপ
ব্রেকিং
অভিবাসন বিভাগে চাকরির সুযোগ, সাইনিং বোনাসে মিলতে পারে ৩০ হাজার ডলারযুক্তরাষ্ট্রের ভোটে বাংলাদেশের ভাগ্যেও প্রভাব? পোশাক রপ্তানি, শুল্ক ও কূটনীতিতে বড় পরীক্ষাচীনের গোপন মহাকাশযানের স্পষ্ট ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্র, সামনে এল নতুন তথ্যইসরায়েলে ভয়াবহ দাবানলে মহাসড়ক বন্ধ, নির্বাচনে সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তামাথায় আঘাতের পর মস্তিষ্কের ক্ষতি বুঝতে নতুন যন্ত্র তৈরি করছেন মার্কিন গবেষক

ইসরায়েলে ভয়াবহ দাবানলে মহাসড়ক বন্ধ, নির্বাচনে সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা

ইসরায়েলের বেন শেমেন বনে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া দাবানলে গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যান চলাচল ব্যাহত, অন্যদিকে নির্বাচনের ফলেও ঝুলে আছে নতুন সরকারের ভবিষ্যৎ।

ইসরায়েলে ভয়াবহ দাবানলে মহাসড়ক বন্ধ, নির্বাচনে সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা
ইসরায়েলে ভয়াবহ দাবানলে মহাসড়ক বন্ধ, নির্বাচনে সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা

ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে বেন শেমেন বনের কাছে ছড়িয়ে পড়া দাবানল এবং একই সময়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের অনিশ্চিত ফল দেশটিতে দুটি বড় পরিস্থিতি তৈরি করেছে। বুধবার, ২৮ অক্টোবরের আগুনের ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে, পর্যটক ও ভ্রমণকারীদের সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে অতিরিক্ত অগ্নিনির্বাপণ দল পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে, নির্বাচনের প্রাথমিক গণনায় প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন পক্ষ কিংবা বিরোধীদের কেউই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে পারেনি।
তবে দুটি ঘটনার বর্তমান অবস্থা আলাদা করে বোঝা জরুরি। দাবানলের সময় কিছু সড়ক বন্ধ হলেও পরে অন্তত একটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক আবার খুলে দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। একইভাবে, নির্বাচনের আসনসংখ্যাও ভোট গণনার সঙ্গে পরিবর্তিত হচ্ছে। তাই প্রাথমিক খবরকে চূড়ান্ত পরিস্থিতি হিসেবে ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।
বেন শেমেন বনের দাবানল নিয়ে প্রকাশিত একাধিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগুনটি খোলা জায়গায় শুরু হয়ে বাতাসের প্রভাবে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের বিস্তার এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগুনের কারণে ৪৪৪ নম্বর সড়ক দুই দিকেই বন্ধ করা হয়েছিল। একই সময়ে ৬ নম্বর মহাসড়কের উত্তরমুখী অংশও বন্ধ করে দেওয়া হয়। আগুন ও ধোঁয়ার কারণে ১ নম্বর মহাসড়কেও যান চলাচল বিঘ্নিত হয়।
জেরুজালেম ও তেল আবিবের মধ্যে যোগাযোগের জন্য ১ নম্বর মহাসড়ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পথের কোনো অংশ বন্ধ হয়ে গেলে রাজধানী জেরুজালেম থেকে বের হওয়া এবং মধ্যাঞ্চলের বিভিন্ন গন্তব্যে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ে। দাবানলের সময় এই সড়কে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আগুনের কাছাকাছি এলাকায় ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ায় চালকদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে সব সড়ক একই সময়ে, একইভাবে বন্ধ ছিল—এমন ধারণা করা ঠিক হবে না। কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি অনুযায়ী বিভিন্ন অংশে যান চলাচল বন্ধ ও চালু করেছে।
আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রথম দিকে ১২টি অগ্নিনির্বাপণ দল কাজ করছিল বলে স্থানীয় প্রতিবেদনে জানানো হয়। পরে পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আরও প্রায় ৫০টি দল পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। আকাশপথ থেকেও আগুন নেভানোর জন্য বিমান ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে চারটি থেকে ছয়টি অগ্নিনির্বাপণ বিমানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এই সংখ্যার পার্থক্য সম্ভবত প্রতিবেদন প্রকাশের সময় এবং অভিযানে যুক্ত বিমানের সংখ্যা পরিবর্তনের কারণে হয়েছে। তাই পুরো অভিযানে ঠিক কতটি বিমান কাজ করেছে, তা চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ হিসাব প্রয়োজন।

দাবানলের কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করা প্রায় ৪০০ পর্যটক ও ভ্রমণকারীকে সরিয়ে নেওয়ার খবরও প্রকাশিত হয়েছে। আগুনের বিস্তার ঠেকানোর পাশাপাশি মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিপজ্জনক এলাকায় আটকে পড়া ব্যক্তিদের নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেওয়া উদ্ধারকর্মীদের অন্যতম প্রধান কাজ হয়ে ওঠে। উদ্ধারকর্মীদের একটি বিশেষ দলও ওই অঞ্চলে পাঠানো হয়েছিল বলে সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। তবে কতজনকে শেষ পর্যন্ত নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, কতজন আহত হয়েছেন কিংবা কোনো প্রাণহানি ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ ও চূড়ান্ত তথ্য পাওয়া না গেলে নিশ্চিত সংখ্যা প্রকাশ করা উচিত নয়।
২৮ অক্টোবর বিকেলের পর পরিস্থিতিতে কিছু পরিবর্তনের খবর পাওয়া যায়। ইসরায়েলি পুলিশের বরাত দিয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বেন শেমেন মোড়ের কাছে ৬ নম্বর মহাসড়কের উত্তরমুখী পথ আবার যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, আগুন লাগার পর সড়ক বন্ধ হলেও পরবর্তী সময়ে অন্তত এই অংশে চলাচল পুনরায় শুরু হয়। তবে এই তথ্য থেকে ৪৪৪ নম্বর সড়ক এবং ১ নম্বর মহাসড়কের সব অংশ খুলে গেছে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না।

সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগুনের কারণে সৃষ্ট সড়ক পরিস্থিতি পরিবর্তনশীল ছিল। তাই এই প্রতিবেদন তৈরির সময় পর্যন্ত সব সড়ক পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়েছে কি না, তা নির্ভরযোগ্যভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। ইসরায়েলে অবস্থানরত যাত্রীদের যাত্রার আগে পুলিশের সড়কসংক্রান্ত ঘোষণা এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করা জরুরি। বিশেষ করে আগুনের কাছাকাছি এলাকায় বিকল্প পথ ব্যবহার করার সময়ও সতর্ক থাকতে হবে। ধোঁয়া দেখা গেলে আগুনের দিকে এগিয়ে যাওয়া, রাস্তার পাশে গাড়ি থামিয়ে দৃশ্য ধারণ করা কিংবা উদ্ধারকর্মীদের কাজে বাধা সৃষ্টি করা বিপজ্জনক হতে পারে।
বেন শেমেন বন ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলের একটি পরিচিত বনাঞ্চল। সেখানে আগুন ছড়িয়ে পড়লে শুধু গাছপালা ও বন্যপ্রাণীই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে না, আশপাশের জনবসতি, পর্যটন এলাকা এবং যোগাযোগব্যবস্থার ওপরও চাপ তৈরি হয়। শুষ্ক গাছপালা, বাতাস এবং আগুনের বিস্তারের অনুকূল পরিবেশ একসঙ্গে কাজ করলে অগ্নিনির্বাপণ কঠিন হয়ে উঠতে পারে। তবে এবারের আগুন ঠিক কী কারণে শুরু হয়েছে, তা নিয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো তথ্য পাওয়া যায়নি। তদন্ত বা সরকারি ঘোষণা ছাড়া আগুনের জন্য কোনো ব্যক্তি কিংবা গোষ্ঠীকে দায়ী করাও সমীচীন হবে না।
এর আগে একই অঞ্চলে দাবানল এবং সড়ক বন্ধের ঘটনা ঘটেছিল বলে ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে অতীতের আগুনের সঙ্গে এবারের ঘটনার কারণ বা প্রকৃতি একই ছিল কি না, তা নিশ্চিত নয়। আগের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে বনাঞ্চলের আশপাশে আগুনের ঝুঁকি পর্যবেক্ষণ, জরুরি সড়ক খোলা রাখা এবং দ্রুত উদ্ধারব্যবস্থা প্রস্তুত রাখার গুরুত্ব আবারও সামনে এসেছে।
দাবানলের পাশাপাশি ইসরায়েলের রাজনৈতিক পরিস্থিতিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের পর ২৮ অক্টোবর ভোট গণনা চলছিল। দেশটির সংসদে মোট ১২০টি আসন রয়েছে। সরকার গঠনের জন্য সাধারণত অন্তত ৬১ জন সংসদ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন। কিন্তু প্রাথমিক ফলাফলে কোনো পক্ষই এই সীমা অতিক্রম করতে পারেনি। ফলে নতুন সরকার গঠন নিয়ে দর-কষাকষি এবং রাজনৈতিক সমঝোতার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
২৮ অক্টোবর প্রকাশিত টাইমস অব ইসরায়েল-এর এক হালনাগাদ প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় ৮৫ দশমিক ৬ শতাংশ ভোটের হিসাবের ভিত্তিতে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন পক্ষ ৫৩টি আসন পেয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছিল। গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী পক্ষের আসনসংখ্যা দেখানো হয় ৪৮। আরব দলগুলো সম্মিলিতভাবে ১৯টি আসন পেতে পারে বলে ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এই হিসাব অনুযায়ী, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১ আসন থেকে নেতানিয়াহুর পক্ষ আটটি আসন পিছিয়ে ছিল। বিরোধী পক্ষও এককভাবে প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি।
এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ভোট গণনার বিভিন্ন পর্যায়ে আসনসংখ্যার কিছু পার্থক্য দেখা গেছে। কোনো প্রতিবেদনে নেতানিয়াহুর পক্ষের আসন ৫৩, কোনো প্রতিবেদনে ৫৪ বা ৫৬ হিসেবে অনুমান করা হয়েছে। বিরোধী পক্ষ এবং আরব দলগুলোর সম্ভাব্য আসনসংখ্যাতেও পরিবর্তন দেখা গেছে। এর কারণ হলো, সব ভোট গণনা শেষ হওয়ার আগে দলগুলোর আসনসংখ্যা পুনর্নির্ধারিত হতে পারে। বিশেষ করে পরে গণনা করা ভোট এবং অন্যান্য নির্ধারিত ভোটের হিসাব চূড়ান্ত ফলকে প্রভাবিত করতে পারে। তাই কোনো একটি প্রাথমিক সংখ্যাকে চূড়ান্ত ফল হিসেবে প্রকাশ করা বিভ্রান্তিকর হবে।

নির্বাচনের ফল নেতানিয়াহুর জন্য রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি ও তাঁর দল সরকার গঠনের জন্য পর্যাপ্ত সমর্থন সংগ্রহ করতে পারলে ক্ষমতায় থাকার পথ তৈরি হবে। কিন্তু প্রয়োজনীয় সমর্থন নিশ্চিত করতে না পারলে অন্য কোনো রাজনৈতিক নেতার সরকার গঠনের সম্ভাবনাও সামনে আসতে পারে। বিরোধী পক্ষের প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে, নিজেদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও তারা সরকার গঠনের মতো সমর্থন একত্র করতে পারে কি না। শুধু নির্বাচনে কোনো একটি দল বেশি আসন পেলেই সেই দল নিশ্চিতভাবে সরকার গঠন করবে—এমন নয়। সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন অর্জন করাই এখানে মূল বিষয়।
আরব দলগুলোর ফলও আলোচনায় এসেছে। প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, তারা সম্মিলিতভাবে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আসন পেতে পারে। ফলে সরকার গঠনের আলোচনায় তাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তবে তারা কোন পক্ষকে সমর্থন করবে, আদৌ কোনো জোটে যোগ দেবে কি না কিংবা বাইরের সমর্থন দেওয়ার বিষয়ে সম্মত হবে কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রকাশ্য অবস্থান এবং পরবর্তী আলোচনা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হবে।

ইসরায়েলের সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপতিরও সাংবিধানিক ভূমিকা রয়েছে। নির্বাচনের পর কে সংসদে সবচেয়ে বেশি সমর্থন সংগ্রহ করতে পারবেন, তা বিবেচনা করে রাষ্ট্রপতি একজন নেতাকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দিতে পারেন। সেই নেতা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সমর্থন অর্জনের চেষ্টা করেন। প্রথম প্রচেষ্টা সফল না হলে পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপের সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে এই প্রক্রিয়ার নির্দিষ্ট সময়সীমা এবং পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা অনুসরণ করা প্রয়োজন।
নির্বাচনের অনিশ্চয়তার পাশাপাশি নিরাপত্তা, অর্থনীতি, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং আঞ্চলিক সংঘাতের মতো বিষয়গুলোও নতুন সরকারের সামনে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। তবে এসব বিষয়ে নির্বাচনের ফল কীভাবে প্রভাব ফেলবে, তা নির্ভর করবে নতুন সরকার কারা গঠন করছেন এবং তাদের নীতিগত অবস্থান কী হবে তার ওপর। বর্তমান পরিস্থিতিতে নিশ্চিতভাবে বলা যায়, প্রাথমিক ফল কোনো পক্ষকেই সরাসরি সংখ্যাগরিষ্ঠতার নিশ্চয়তা দেয়নি।
সব মিলিয়ে, ২৮ অক্টোবর ইসরায়েলের সামনে দুটি আলাদা সংকটের চিত্র দেখা যাচ্ছে। একদিকে বেন শেমেন বনের দাবানল অগ্নিনির্বাপণ, উদ্ধারকাজ এবং সড়ক চলাচল স্বাভাবিক রাখার ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। অন্যদিকে নির্বাচনের অসম্পূর্ণ ফল রাজনৈতিক দলগুলোকে সরকার গঠনের জন্য নতুন সমঝোতার পথে ঠেলে দিয়েছে। দাবানলের ক্ষেত্রে পরবর্তী সাফল্য নির্ভর করবে আগুন নিয়ন্ত্রণ, মানুষের নিরাপত্তা এবং সড়ক পুনরায় চালুর ওপর। আর রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নির্ধারক হবে চূড়ান্ত ভোটের হিসাব ও সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন অর্জন।


ট্যাগ: ইসরায়েলবেন শেমেন বনদাবানলঅগ্নিনির্বাপণসড়ক যোগাযোগজেরুজালেমতেল আবিবইসরায়েল নির্বাচনবেনিয়ামিন নেতানিয়াহুগাদি আইজেনকটসরকার গঠনআন্তর্জাতিক সংবাদমধ্যপ্রাচ্য

প্রতিবেদক

Desk Report

Reporter

মন্তব্য ০

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সিএসবি নিউজ ইউএসএ ফলো করুন

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।