লাইভ কভারেজ শেষ
টোকিওতে তারেক রহমান ও তাকাইচির বৈঠক, বাণিজ্য বিনিয়োগ ও সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা
টোকিওতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানান জাপানের প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি সানায়ে। বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও কৌশলগত সহযোগিতা জোরদারের আলোচনা হয়।
৯,৬৫৭ বার পড়া হয়েছে ৭ মিনিটে পড়ুন
বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে জাপানের রাজধানী টোকিওতে দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি সানায়ে। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বেলা পৌনে ১২টার দিকে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কান্তেইতে দুই নেতার আনুষ্ঠানিক বৈঠক শুরু হয়। আলোচনায় দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, প্রযুক্তি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পায়। জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সরকারি বিবরণ অনুযায়ী, বৈঠকটি প্রায় ২৫ মিনিট স্থায়ী হয়। এরপর দুই নেতা যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে একাধিক সমঝোতা স্মারক বিনিময় করেন।
জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছালে তাকাইচি সানায়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানান। এর মধ্য দিয়ে শুরু হয় দুই দেশের সরকারপ্রধানের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সম্মান জানাতে জাপানের সশস্ত্র বাহিনীর একটি দল গার্ড অব অনার প্রদান করে। এ সময় দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনার পর তারেক রহমান সম্মানসূচক কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন। পরে দুই নেতা নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিদলের সদস্যদের পরস্পরের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। আনুষ্ঠানিকতা শেষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দর্শনার্থীদের খাতায় স্বাক্ষর করেন। এরপর দুই দেশের সরকারপ্রধান মূল বৈঠকে বসেন। বাংলাদেশের সংবাদ সংস্থা বাসস ও ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশের প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফরের অন্যতম লক্ষ্য বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে নতুন অর্থনৈতিক ও কৌশলগত উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া। জাপান বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী। বাংলাদেশের অবকাঠামো, পরিবহন, বিদ্যুৎ, শিল্পায়ন ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নে দেশটির সহযোগিতা দীর্ঘদিনের। অন্যদিকে, বাংলাদেশের বিশাল ভোক্তাবাজার, কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী, উৎপাদন খাতের সম্ভাবনা এবং দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগস্থলে ভৌগোলিক অবস্থান জাপানি বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করেছে। দুই দেশের সরকারই এই সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
বৈঠকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়। বাংলাদেশের জ্বালানি, অবকাঠামো এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি খাতে জাপানের বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। বাসসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব খাতে প্রায় এক লাখ কোটি জাপানি ইয়েন বা ৬৩০ কোটি মার্কিন ডলারের বিনিয়োগের সম্ভাবনাও আলোচনায় উঠে আসে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনায় জাপানের একটি প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশ সফরে পাঠানোর সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে সম্ভাব্য বিনিয়োগের পরিমাণকে ইতিমধ্যে সম্পন্ন বিনিয়োগ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। প্রকল্প চূড়ান্ত করা, অর্থায়ন নিশ্চিত করা এবং সংশ্লিষ্ট চুক্তি বাস্তবায়নের মতো বিষয়গুলো পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করবে।
জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও দুই দেশের সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান শিল্পায়ন, নগরায়ণ ও বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের অবকাঠামো, বিদ্যুৎ উৎপাদনব্যবস্থার দক্ষতা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি খাতে আরও প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহযোগিতার আহ্বান জানান। জাপানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে জ্বালানি সরবরাহের সক্ষমতা বাড়ানো গেলে শিল্প উৎপাদন, কর্মসংস্থান এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তবে এসব উদ্যোগের বাস্তব সুফল নির্ভর করবে প্রকল্পের ব্যয়, অর্থায়ন, বাস্তবায়নের সময়সীমা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিচালনব্যবস্থার ওপর।
অবকাঠামো উন্নয়ন বৈঠকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বাংলাদেশে দ্রুতগতির রেলপথ, উড়ালসড়ক এবং আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনায় জাপানের কারিগরি সহায়তা, বিনিয়োগ ও অর্থায়ন চাওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহরের মধ্যে দ্রুত রেল যোগাযোগ স্থাপন এবং দেশব্যাপী উড়ালসড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার প্রস্তাব আলোচনায় এসেছে। জাপান রেল যোগাযোগ, নগর পরিবহন এবং বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একটি দেশ। সেই অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনায় কাজে লাগানো গেলে পণ্য পরিবহনের সময় ও ব্যয় কমানো, যাত্রী চলাচল সহজ করা এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলোর অনুমোদন, অর্থায়ন এবং নির্মাণকাজের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে পৃথক সরকারি ঘোষণা গুরুত্বপূর্ণ হবে।
প্রযুক্তি ও দক্ষ জনশক্তি উন্নয়নের ক্ষেত্রেও দুই দেশের সম্পর্ক বিস্তৃত করার আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেঘভিত্তিক কম্পিউটিং, রোবট প্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিকস উৎপাদনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ-জাপান প্রযুক্তি পার্ক প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি মহাকাশবিজ্ঞান, কৃত্রিম উপগ্রহ প্রকৌশল এবং সংশ্লিষ্ট আধুনিক প্রযুক্তিতে সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশে প্রযুক্তিনির্ভর শিল্প গড়ে তোলা, দক্ষ কর্মী তৈরি, গবেষণা ও উদ্ভাবনের সুযোগ বৃদ্ধি এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে তরুণদের কারিগরি দক্ষতা বাড়ানো এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানের চাহিদার সঙ্গে প্রশিক্ষণব্যবস্থার সমন্বয় করা গেলে দীর্ঘমেয়াদে দুই দেশের সহযোগিতা আরও কার্যকর হতে পারে।
দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। বাংলাদেশে নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা, করনীতি, শুল্ক ছাড়করণ এবং অর্থ স্থানান্তরের প্রক্রিয়ায় সংস্কারের মাধ্যমে বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করার কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে স্বাক্ষরিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি দ্রুত বাস্তবায়নের প্রত্যাশাও তিনি প্রকাশ করেন। এই চুক্তির কার্যকর বাস্তবায়ন দুই দেশের ব্যবসায়ীদের জন্য বাজারে প্রবেশ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক বিনিয়োগের নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে। পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে নিয়মিত যোগাযোগ এবং যৌথ উদ্যোগের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হলে সম্ভাব্য প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে নেওয়া সহজ হতে পারে।
বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকটও আলোচনায় আসে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে জাপানের সক্রিয় যোগাযোগ বজায় রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানের পথ মিয়ানমারেই নিহিত। বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদে ও মর্যাদার সঙ্গে নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরির ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। একই সঙ্গে রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা বন্ধ, মানবিক সহায়তা নির্বিঘ্ন রাখা এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে সংলাপের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। এ সংকটের কারণে দেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত চাপ তৈরি হয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখা এবং মিয়ানমারে নিরাপদ প্রত্যাবাসনের পরিবেশ সৃষ্টি করা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। জাপানকে এ ক্ষেত্রে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়েও দুই নেতা মতবিনিময় করেন। আন্তর্জাতিক শান্তি, আন্তর্জাতিক আইন এবং বহুপক্ষীয় সহযোগিতার গুরুত্বের বিষয়ে তাঁদের আলোচনার কথা বাংলাদেশের সংবাদ সংস্থা বাসস জানিয়েছে। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগস্থলে বাংলাদেশের অবস্থান এবং বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক সম্ভাবনা জাপানের আঞ্চলিক সহযোগিতার পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ প্রেক্ষাপটে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। জাপানের পক্ষ থেকেও বাংলাদেশকে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ও যোগাযোগব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে বিবেচনার বিষয়টি উঠে এসেছে।
বৈঠক শেষে দুই নেতা যৌথ সংবাদ সম্মেলনে আলোচনার ফলাফল তুলে ধরেন। পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে একাধিক সমঝোতা স্মারক বিনিময় করেন। তবে কোনো সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেই সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের সব কাজ সম্পন্ন হয়েছে—এমনটি বোঝায় না। এসব উদ্যোগের কার্যকারিতা নির্ভর করবে বাস্তবায়ন পরিকল্পনা, অর্থায়ন, দায়িত্ব বণ্টন এবং নির্ধারিত সময়সীমার ওপর। বৈঠকের পর জাপানের প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি সানায়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে আনুষ্ঠানিক মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করেন। এতে তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও সফরসঙ্গীরাও অংশ নেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৬ অক্টোবর জাপানের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে টোকিও পৌঁছান। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান জাপানের পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী নাকাসোনে ইয়াসুতাকা। সফরকালে তিনি বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরামে মূল বক্তব্য দেওয়ার পাশাপাশি জাপানের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এর আগে তিনি জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসোর নেতৃত্বাধীন একটি উচ্চপর্যায়ের সংসদীয় প্রতিনিধিদল, মারুবেনি করপোরেশনের চেয়ারম্যান মাসুমি কাকিনোকি এবং জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার প্রধান আকিহিকো তানাকার সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন বলে বাসসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশ ও জাপানের এই বৈঠক দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। বিনিয়োগ, জ্বালানি, যোগাযোগ, প্রযুক্তি, দক্ষ জনশক্তি এবং রোহিঙ্গা সংকটের মতো বিষয়গুলোতে আলোচনা ভবিষ্যৎ সহযোগিতার পথ তৈরি করতে পারে। তবে এসব আলোচনার সাফল্য নির্ভর করবে ঘোষিত উদ্যোগগুলো কত দ্রুত বাস্তব প্রকল্পে রূপ নেয় এবং তার সুফল বাংলাদেশের মানুষের কাছে কতটা পৌঁছায়, তার ওপর। নিয়মিত কূটনৈতিক যোগাযোগ, স্বচ্ছ বিনিয়োগনীতি এবং সময়মতো প্রকল্প বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা গেলে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব আরও কার্যকর অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে পরিণত হওয়ার সুযোগ রয়েছে।
লাইভ কভারেজ শেষ০ টি আপডেট
আপডেটগুলো এখানে দেখাবে।






মন্তব্য ০
লগইন করুন অথবা বিনা মূল্যে অ্যাকাউন্ট খুলুন আলোচনায় যোগ দিতে। নাম গোপন রেখেও মন্তব্য করতে পারবেন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।