ব্রেকিং
বাদ পড়া ভোটে পাল্টে গেল হিসাব, মিশিগানে নতুন মেয়র বাংলাদেশি মুহিত মাহমুদযুক্তরাষ্ট্রে ছাঁটাই কমলেও নতুন চাকরি পাওয়া কঠিন হচ্ছে, নিয়োগের ধীরগতিতে কর্মসংস্থান নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগযুক্তরাষ্ট্রের গ্রামীণ এলাকায় সাশ্রয়ী ভাড়াবাসন রক্ষায় ১৩ কোটি ৬০ লাখ ডলারের বেশি বিনিয়োগমুসলিমদের ‘মোহাম্মদ’ নাম নিয়ে ট্রাম্পের কটাক্ষ, নতুন করে বিতর্করুশ তেল ইস্যুতে ভারতের ওপর শতভাগ শুল্কের হুমকি স্থগিত করলেন ট্রাম্প, স্বস্তিতে মোদি সরকার

যুক্তরাষ্ট্রে ছাঁটাই কমলেও নতুন চাকরি পাওয়া কঠিন হচ্ছে, নিয়োগের ধীরগতিতে কর্মসংস্থান নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

যুক্তরাষ্ট্রে বেকারভাতার আবেদন সামান্য বেড়েছে। তবে ছাঁটাই এখনো তুলনামূলকভাবে কম থাকলেও নতুন নিয়োগের গতি দুর্বল হওয়ায় চাকরির বাজার নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে ছাঁটাই কমলেও নতুন চাকরি পাওয়া কঠিন হচ্ছে, নিয়োগের ধীরগতিতে কর্মসংস্থান নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ
যুক্তরাষ্ট্রে ছাঁটাই কমলেও নতুন চাকরি পাওয়া কঠিন হচ্ছে, নিয়োগের ধীরগতিতে কর্মসংস্থান নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে ছাঁটাইয়ের হার এখনো কম থাকলেও নতুন কর্মী নিয়োগের গতি দুর্বল হয়ে পড়েছে। দেশটির শ্রম বিভাগের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ১০ অক্টোবর শেষ হওয়া সপ্তাহে প্রথমবারের মতো বেকারভাতার জন্য আবেদনকারীর সংখ্যা আগের সপ্তাহের তুলনায় এক হাজার বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৯৯ হাজারে। বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর প্রকাশিত এই পরিসংখ্যান দেশটির কর্মসংস্থান পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চার সপ্তাহের গড় বেকারভাতা আবেদনের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৯৮ হাজার ৫০০-তে। তবে চলতি বছরের বেশির ভাগ সময়েই সাপ্তাহিক আবেদনকারীর সংখ্যা দুই লাখ ২০ হাজারের নিচে ছিল। অর্থনীতিবিদেরা বেকারভাতার আবেদনকে চাকরি হারানোর পরিস্থিতি বোঝার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচনা করেন।

আবেদন কম থাকা সাধারণত ইঙ্গিত দেয় যে প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাপক হারে কর্মী ছাঁটাই করছে না। কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে চাকরিপ্রার্থীদের জন্য পরিস্থিতি সহজ। নিয়োগের গতি কমে গেলে নতুন চাকরি খুঁজছেন এমন মানুষকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হতে পারে। অর্থনীতিবিদেরা যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান পরিস্থিতিকে এমন একটি শ্রমবাজার হিসেবে বর্ণনা করছেন, যেখানে কর্মী ছাঁটাই কম, আবার নতুন নিয়োগও সীমিত।

সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির গতিও প্রত্যাশার তুলনায় দুর্বল ছিল। ওই মাসে দেশটির নিয়োগদাতারা মাত্র ২৯ হাজার নতুন কর্মসংস্থান যোগ করেন, যেখানে আগস্টে নতুন কর্মসংস্থানের সংখ্যা ছিল এক লাখ ৩৩ হাজার। একই সময়ে বেকারত্বের হার বেড়ে দাঁড়ায় ৪ দশমিক ২ শতাংশে। এসব পরিসংখ্যান ইঙ্গিত দিচ্ছে, ব্যাপক ছাঁটাই না থাকলেও নতুন কর্মসংস্থান তৈরির ক্ষেত্রে শ্রমবাজার চাপের মুখে রয়েছে। 

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতি, শুল্কসংক্রান্ত অনিশ্চয়তা এবং জ্বালানির ব্যয় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করছে। কিছু প্রতিষ্ঠান নতুন কর্মী নিয়োগের বদলে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, প্রযুক্তি ব্যবহার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ব্যবস্থায় বিনিয়োগের দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। বিশেষায়িত প্রযুক্তিগত ও দক্ষ পেশায় কর্মীর বিশেষায়িত প্রযুক্তিগত ও দক্ষ পেশায় কর্মীর চাহিদা থাকলেও সব খাতে নিয়োগের পরিস্থিতি এক নয়। 

বাংলাদেশি অভিবাসী ও প্রবাসী কর্মীদের জন্যও এই পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ। রেস্তোরাঁ, হোটেল, খুচরা ব্যবসা, পরিবহন, নির্মাণ এবং বিভিন্ন সেবামূলক খাতে কাজ খোঁজার সময় নিয়োগের গতি ও স্থানীয় চাহিদার পরিবর্তন বিবেচনা করা প্রয়োজন। তবে জাতীয় পর্যায়ের এই পরিসংখ্যান থেকে বাংলাদেশি কর্মীদের চাকরি হারানোর নির্দিষ্ট হার বা কোনো একটি শহরের কর্মসংস্থানের অবস্থা আলাদাভাবে নির্ধারণ করা যায় না।

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যাপক ছাঁটাইয়ের লক্ষণ না থাকলেও নতুন চাকরি তৈরির দুর্বল গতি উদ্বেগের বিষয়। আগামী মাসগুলোতে কর্মসংস্থান, বেকারত্ব, মূল্যস্ফীতি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নিয়োগসংক্রান্ত তথ্য অর্থনীতির গতিপথ বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে।

ট্যাগ: যুক্তরাষ্ট্রশ্রমবাজারবেকারত্ববেকারভাতাচাকরির বাজারকর্মসংস্থানকর্মী ছাঁটাইনিয়োগ সংকটমার্কিন অর্থনীতিবেকারত্বের হারনতুন চাকরিঅভিবাসী কর্মীবাংলাদেশি প্রবাসীযুক্তরাষ্ট্রে চাকরিমূল্যস্ফীতিকৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

প্রতিবেদক

Desk Report

Reporter

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সংবাদ পান আপনার ইনবক্সে

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।