দেশে সার সংকট কেন? ১১ দলীয় জোটের লোকজনকে নিয়ে প্রতিমন্ত্রীর বড় অভিযোগ!
সার সংকট নিয়ে ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্যদের ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। অভিযোগের সত্যতা যাচাই জরুরি।
সার সংকট নিয়ে ১১ দলীয় জোটকে ঘিরে নতুন অভিযোগ, যা বললেন প্রতিমন্ত্রী সার সংকট নিয়ে ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্যদের ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। অভিযোগের সত্যতা যাচাই জরুরি।
দেশের বিভিন্ন এলাকায় সার সরবরাহ নিয়ে দেখা দেওয়া সমস্যার পেছনে ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্যদের দলীয় লোকজনের ভূমিকা থাকতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। বুধবার, ১৪ অক্টোবর, কুষ্টিয়ায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ সন্দেহের কথা জানান।
জাগো নিউজ ও এসএটিভির প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিমন্ত্রী দাবি করেন, যেসব জেলায় সার নিয়ে সমস্যা দেখা দিয়েছে, সেসব জেলার সংসদ সদস্যরা ১১ দলীয় জোটের। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সরকারকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে ওই জোটের কিছু লোক সারসংকট তৈরিতে ভূমিকা রেখে থাকতে পারে।
সার ডিলারদের প্রসঙ্গেও বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার আগের সরকারের সময় নিয়োগ পাওয়া ডিলারদের নিয়ে কাজ করছে এবং তাঁদের অসহযোগিতার কারণে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি মনে করেন। বিএনপির সংসদ সদস্য রয়েছেন এমন জেলাগুলোতে সার নিয়ে একই ধরনের সমস্যা দেখা যায়নি বলেও দাবি করেন তিনি।
তবে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে উত্থাপিত অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা কোনো চূড়ান্ত প্রমাণ প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোতে পাওয়া যায়নি। ফলে ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্যদের লোকজন পরিকল্পিতভাবে সারসংকট তৈরি করেছেন—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার সার মজুত, সরবরাহ, ডিলারদের কার্যক্রম এবং কৃষকদের বাস্তব অভিজ্ঞতা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
কৃষিকাজের মৌসুমে সময়মতো সার না পাওয়া কৃষকদের জন্য বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে। বাজারে সার থাকলেও বিতরণব্যবস্থার দুর্বলতা, ডিলার পর্যায়ে অনিয়ম কিংবা চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না হওয়ার কারণে স্থানীয়ভাবে সংকট তৈরি হতে পারে। তাই রাজনৈতিক বক্তব্যের পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করাও জরুরি।
সারসংকটের প্রকৃত কারণ নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং কৃষকদের জন্য স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত; আর অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ না মিললে কাউকে দোষারোপ করা উচিত নয়.





